খুঁজুন
                               
, ,
           

জরুরি ভিত্তিতে কৃষিশ্রমিক নেবে অস্ট্রেলিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
জরুরি ভিত্তিতে কৃষিশ্রমিক নেবে অস্ট্রেলিয়া

কৃষি খাতে শ্রমিক সংকট ও আসন্ন ফসল কাটার মৌসুমে সম্ভাব্য বিপর্যয় ঠেকাতে অস্থায়ী অভিবাসী কৃষিশ্রমিকদের ভিসা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বড় কৃষি উৎপাদক সংগঠন- গ্রেইন প্রোডিউসার্স অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ) এ তথ্য জানায়।

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় গম, বার্লি ও ক্যানোলা রফতানিকারক দেশ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ফসল কাটার কাজ শুরু হবে। এ সময় বিপুলসংখ্যক বিদেশি মৌসুমি শ্রমিকের প্রয়োজন হয় কৃষি খাতে।

জিপিএ জানিয়েছে, অভিবাসন কমানোর সরকারি নীতির কারণে কৃষি খাতে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এর মধ্যেই দেশটির গম, বার্লি ও ক্যানোলা ফসল কাটার মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজন থাকা কৃষিশ্রমিকদের ভিসা আবেদন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করার জন্য সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় কৃষি শিল্পের সংগঠনগুলো জরুরি প্রয়োজন থাকা শ্রমিকদের আবেদন চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারের কাছে পাঠাতে পারবে।

জিপিএ-র চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন বলেন, ‘এটি একটি সমাধান এবং পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি আরও জানান, তবে অগ্রাধিকার পেলেই যে ভিসা অনুমোদন নিশ্চিত হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি। আবেদনগুলোকে অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিভাগের নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়েই যেতে হবে।

প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়া সরকার সামগ্রিকভাবে অভিবাসন কমানোর নীতি গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি সরকার অস্থায়ী অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ভিসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছে। এতে আগে কয়েক দিনের মধ্যে ভিসা পাওয়া গেলেও অনেক ক্ষেত্রে এখন কয়েক মাস সময় লাগছে।

তবে কৃষি খাতের শ্রমিক সংকটের কারণে জরুরি শ্রমশক্তি সরবরাহ বজায় রাখতে এই বিশেষ অগ্রাধিকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম এবিসি-কে জানিয়েছেন, তারা ‘ন্যাশনাল ফার্মার্স ফেডারেশন’-এর সাথে যৌথভাবে এমন কর্মীদের চিহ্নিত ও অগ্রাধিকার দেবে— যারা কৃষিকাজে দক্ষ, ইতোমধ্যে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা প্রদানে আবেদন করেছেন এবং নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর নতুন দক্ষ ভিসা প্রক্রিয়াকরণ নির্দেশনায় কৃষি, নির্মাণ, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, মৎস্য ও সম্পদ খাতকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মঞ্চ থেকে রাজপথে ইয়াসের খানের এক বার্তা—’নৈরাজ্যের সুযোগ নেই’

বিশেষ সংবাদদাতা/ময়মনসিংহ ও জামালপুর প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
মঞ্চ থেকে রাজপথে ইয়াসের খানের এক বার্তা—’নৈরাজ্যের সুযোগ নেই’

রাজনীতির মাঠে একই সুরের দুটি দৃশ্য। একটি শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইলের চৌরাস্তা। আর দ্বিতীয়টি বিকেলে জামালপুর শহর। দুই মঞ্চ, দুই জেলা—কিন্তু তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির বক্তব্যের কেন্দ্রে ছিল একটি বার্তাই—দেশকে অস্থিতিশীল করার কোনো চেষ্টাই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁর বক্তব্যে একইসঙ্গে এসেছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে সতর্কবার্তা, অতীত সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার, অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ এবং দেশের উন্নয়ন-স্থিতিশীলতা ধরে রাখার দৃঢ় প্রত্যয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে দুই দফা রাজপথের কর্মসূচিতে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার ফিরে এসেছে একটি শব্দ—স্থিতিশীলতা।

  • নান্দাইল ও জামালপুরে পৃথক সমাবেশ-মিছিল
  • শেখ হাসিনাকে সতর্কবার্তা
  • বিচারের প্রত্যয় ও প্রতিরোধের ঘোষণা

‘ডিসেম্বরে নয়, এখনই আসুন’

এদিন দুপুরে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল চৌরাস্তা চত্বরে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইয়াসের খান চৌধুরী। শুরুতেই কঠোর সীমারেখা টেনে বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ এরপর শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে তাঁর সরাসরি বক্তব্য, ‘নৈরাজ্যকারী শেখ হাসিনা আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য ডিসেম্বরে দেশে আসার পাঁয়তারা করছেন। আমরা বলতে চাই, ডিসেম্বরে না এসে এখনই আসুন। সাবধান হয়ে যান, অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

’ইতিহাস টেনে বর্তমানের বার্তা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি ও হুমকি দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে ফিরে আসে ইতিহাসের চারটি বাঁক—১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান। তাঁর ভাষ্যে, এসব আন্দোলন দমিয়ে রাখা যায়নি। গত ১৭ বছর জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করা হয়েছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখে তাদের ক্ষমতায় এনেছে।’ বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

‘প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের গত ১৭ বছরের শাসনামল প্রসঙ্গে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মা-বোনদের সন্তানদের গুলি করে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব এনামুল কাদির, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু পল্লব রায়, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া মনি, পৌর বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। পরে প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

জামালপুরে ‘হাজার হাজার কোটি’র অভিযোগ

নান্দাইলের রাজপথের উত্তাপ পেরিয়ে বিকেলে জামালপুর শহরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। এবার তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রে আসে অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন সেতু ও ওভারপাস নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেছে। প্রতিমন্ত্রীর ভাষায়, ‘লুটপাটের মাধ্যমে অর্জিত জনগণের সম্পদ তারা বিদেশে পাচার করেছে। এখন তারা দেশে অস্থিতিশীলতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ’

জামালপুরের মঞ্চেও ফিরে আসে সেই একই সতর্কতা। তিনি বলেন, ‘দেশে কোনো ধরনের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীলতার সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’ দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বাধাগ্রস্ত করতে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ইয়াসের খান চৌধুরী।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, সংসদ সদস্য এ কে এম সুলতান মাহমুদ বাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল হক, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি লোকমান আহমেদ খান লোটন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান সাফি, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান সাজিব, পৌর বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আবদুল্লাহ আল মাসুদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে তমালতলায় গিয়ে শেষ হয়।

কালের আলো/এমএএএমকে

শান্তি ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: টুকু

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
শান্তি ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: টুকু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার দায়িত্ব পালন করছে। জনগণ যতদিন দায়িত্ব দিয়েছে, ততদিন দায়িত্ব পালন করা হবে। হুমকি-ধামকি দিয়ে কোনো লাভ হবে না।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর সিরাজগঞ্জের মাটিতে এমন কোনো নেতাকর্মী নেই, যে আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্যাতিত হয়নি। আওয়ামী লীগ আমার নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার করেছে। অন্যায়ের দাঁড়িপাল্লা যখন ভারী হয়েছিল, তখনই জুলাই বিপ্লব হয়েছিল।’

শনিবার সিরাজগঞ্জে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

টুকু বলেন, বিএনপির প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই বিপ্লবীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের ভাতাও দেওয়া শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, পুলিশ কেন গ্রেপ্তার করছে না, তাও জানি। চাইলে আমার বাহিনী দিয়ে বাড়ি থেকে তুলে এনে শাস্তি দিতে পারি। কিন্তু আমরা আইনের শাসন মানি। পুলিশ আছে, বিভিন্ন বাহিনী আছে—যারা আসামি, তারা তাদের গ্রেপ্তার করবে। আমরা করব না।’

তিনি আরও বলেন, এর অর্থ এই নয় যে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে চলবে। সিরাজগঞ্জকে শান্তির শহর হিসেবে দেখতে চান উল্লেখ করে টুকু বলেন, কেউ শহরের শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম এমপি, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের ভিপি আইনুল হক এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম আকবর আলী।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এসএম জিলানীর

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এসএম জিলানীর

মাদক একটি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ উল্লেখ করে মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জিলানী।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আরডিএ হলরুমে উপজেলা ওলামা দল আয়োজিত ‘মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

এসএম জিলানী বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, সমাজ এমনকি পুরো রাষ্ট্রকেও ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে ইমাম, মুয়াজ্জিন, প্রশাসন, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিগত সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে। একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনা করছে। এ অবস্থায় সরকারকে সময় দেওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

দেশের সব ইমাম-মুয়াজ্জিনকে পর্যায়ক্রমে ভাতার আওতায় আনা হবে বলেও আশ্বাস দেন এসএম জিলানী।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তিনি জীবদ্দশায় ইসলাম ও আলেম-ওলামাদের নিয়ে কটাক্ষ বা বিরূপ মন্তব্য করেননি। তিনি সব সময় আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বসেছেন, তাদের কথা শুনেছেন এবং পরামর্শ নিয়েছেন।

আলোচনা সভায় মাওলানা আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে মাওলানা ওমর ফারুক, মাওলানা ওবায়দুল ইসলাম, মাওলানা রিয়াজুল ইসলাম, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা বক্তব্য দেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি