খুঁজুন
                               
, ,
           

শনিবার ‘সাপ্তাহিক ক্লিনিং ডে’

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীকে ‘ক্লিনিং ডে’তে অংশ নেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরবাসীকে ‘ক্লিনিং ডে’তে অংশ নেওয়ার আহ্বান

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৭৫টি ওয়ার্ডে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হবে। ‘সাপ্তাহিক ক্লিনিং ডে’ নামে এ কর্মসূচিতে নগরবাসীকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিএসসিসি।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ডিএসসিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী তিন মাস প্রতি শনিবার এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিএসসিসির ‘বর্ষা পূর্ব জরিপ ২০২৬’ অনুযায়ী, এডিস মশার লার্ভার ৩৫ দশমিক ২৩ শতাংশ পাওয়া গেছে বহুতল ভবনে। এছাড়া স্বতন্ত্র বাড়িতে ২৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং সেমিপাকা বাড়িতে ১৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।

প্রজননস্থলের মধ্যে মেঝেতে জমে থাকা পানিতে ১২ দশমিক ২৬ শতাংশ, বালতিতে ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং প্লাস্টিকের ড্রামে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ লার্ভা পাওয়া গেছে।

যেসব এলাকায় চলবে অভিযান

শনিবার সকাল থেকে ৭৫টি ওয়ার্ডের আবাসিক এলাকা, সড়ক, ড্রেন, ছাদ ও নির্মাণাধীন ভবনে লার্ভিসাইডিং ও অ্যাডাল্টিসাইডিং করা হবে। পাশাপাশি জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, টায়ারসহ বিভিন্ন বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

জনসচেতনতা বাড়াতে প্রতিটি ওয়ার্ডে র‌্যালি এবং ঘরে ঘরে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম ওয়ার্ড পর্যায়ের ‘ক্লিনিং ডে’ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।

ডিএসসিসি বলছে, বাসাবাড়ি ও ব্যক্তিগত আঙিনায় জমে থাকা পানি, ফুলের টব, এসি-ফ্রিজের ট্রে কিংবা অন্যান্য পাত্রে এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। তাই শুধু মশক নিধন কার্যক্রম নয়, নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখাও জরুরি।

নগরবাসীকে কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার পাশাপাশি তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকলে তা অপসারণের আহ্বান জানিয়েছে ডিএসসিসি। কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের নগরবাসী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছে সংস্থাটি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: টুকু

টাঙ্গাইল সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে: টুকু

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র ও অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা বিএনপির আয়োজনে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে’ অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘কেউ বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করলে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী, ফ্যাসিস্ট এ বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। জনগণ দ্বারা বিতাড়িত হয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছে। তারা গুম, খুন, নির্যাতন ও নিপীড়ন করেছে। এ দেশের মানুষকে হত্যা করেছে, নির্বিচারে গুলি করেছে। তারা আজ আবার বিভিন্ন কায়দায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের এখনো বোধোদয় হয়নি, যে কী কারণে পালিয়ে গেল। তারা একবারও লজ্জিত হয়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাচ্ছে না। এমন দুরভিসন্ধি করে কী বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবেন? পারবেন না। আপনাদের এই দেশের জনগণ বিতাড়িত করেছে। জনগণই আপনাদের প্রতিহত করবে। কারণ বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রপ্রিয়।’

বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশকে ধ্বংস করেছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন তারেক রহমান।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের দল বিএনপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে এত সহজে পার পাবেন; ভাবলে তা আহাম্মকের স্বর্গে বাস করা ছাড়া কিছুই না। জনগণ ভোটের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। জনগণের দাবি ও অধিকার নিয়ে যখনই কেউ ষড়যন্ত্র করেছে, তারাই জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জনগণই তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছে, ভবিষ্যতেও দেবে।’

রাজপথে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দীর্ঘ ১৭ বছর জনগণের দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করেছে। কাজেই যারা বিশৃঙ্খলা করবে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেব, ইনশাআল্লাহ।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো অপশক্তি, কোনো ফ্যাসিস্ট যাতে এ দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। এ ব্যাপারে সজাগ থেকে একদিকে আমরা সাংগঠনিক কাজ করব, অন্যদিকে সরকারকে দেশ পরিচালনায় সহযোগিতা করব। আর জনগণের উন্নয়নের জন্য সমান্তরালভাবে কাজ করে যাব।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু। জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা পৃথক পৃথক মিছিল নিয়ে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে সমাবেশে অংশ নেন।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন— জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শফিকুল রহমান লিটন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী ও শফিকুর রহমান খান শফিক, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিলসহ অনেকে।

এ ছাড়া জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তিস্তার পানি বাড়ায় নতুন করে বন্যার শঙ্কা

লালমনিরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
তিস্তার পানি বাড়ায় নতুন করে বন্যার শঙ্কা

লালমনিরহাটে উজানের ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১১ মিটার। যা বিপৎসীমার ৫২ দশমিক ১৫ মিটারের মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত দুই দিনের টানা ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বাড়ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় তিস্তার পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিস্তার বাম তীরের জেলা লালমনিরহাটের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যেও বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গোবর্দ্ধন চরের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, এবার স্থায়ী বড় কোনো বন্যা হয়নি। তবে নদীর পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে বড় বন্যার আশঙ্কা করছেন তারা।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনিল কুমার বলেন, বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বাড়ছে। ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় পানি সমতলে আরও বাড়তে পারে। এতে নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

চার সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার, বৃষ্টির পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
চার সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার, বৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনের ও রাতের তাপমাত্রায় সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, শনিবার সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে।

এদিকে নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে জারি করা ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবারের সামুদ্রিক আবহাওয়ার পূর্বাভাসে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি