খুঁজুন
                               
, ,
           

শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের ফেরাতে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের ফেরাতে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারলে পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হবে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের, আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবে, তাদের আমরা পুরস্কৃত করবো। গত সপ্তাহে এরকম দুজন ফ্যাসিবাদের শক্ত দোসর গ্রেফতার হয়েছে, গতকালও একজন হয়েছে।

তিনি বলেন, এতদিন লুকিয়ে ছিল তারা। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট কোথায় ছিল? পুলিশের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্টকে আমি সবচাইতে উত্তম মনে করি। অন্যান্য অর্গানাইজেশনের যে ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট। আপনাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট আপনারা ইউজ করুন।

দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এক মাসে এ দেশের প্রায় ১ হাজার ৪০০ নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আসমান থেকে গুলি করে দেশের নাগরিকদের হত্যা করতে পারে, যারা বাংলাদেশের সমস্ত ইনস্টিটিউশনকে দলীয়করণ করে এ দেশকে গণতন্ত্রহীন একটা রাষ্ট্রে পরিণত করতে পেরেছিল, সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কি কখনো আহ্বান জানাবে? এ দেশের মানুষ কখনো চাইতে পারে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করুক?

তিনি আরও বলেন, যারা সেই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পরেও কোনোদিন দুঃখ প্রকাশ করেনি, অনুশোচনা নেই, ক্ষমা প্রার্থনা করেনি, তারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে আওয়াজ দিচ্ছে।

শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফেরত আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কাছে অফিশিয়ালি রিকোয়েস্ট করেছি অ্যাজ পার এক্সট্রাডিশন ট্রিটি যে, আপনারা সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদেরকে, শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য আসামিদেরকে ফেরত দেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। তারা যদি স্বেচ্ছায় আসে, আইনের মুখোমুখি হয়, তাহলে তো ভালো। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে, আইনের নিজের কোর্স অনুযায়ী চলবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সলের মনোনয়ন দাখিল

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সলের মনোনয়ন দাখিল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চান। এ জন্য নির্বাচনে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলকে ঘিরে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-এ-শাহাদাত স্বজন। অন্যদিকে, গতকাল শনিবার এ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মির্জা ফয়সল আমিন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মেট্রোরেলের পিলার থেকে পোস্টার সরাচ্ছে ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
মেট্রোরেলের পিলার থেকে পোস্টার সরাচ্ছে ডিএনসিসি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের ঘোষণার পর মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর শেওড়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রোরেল এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা থেকে পোস্টার ও লিফলেট অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ ও অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসিসি। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর-১০ থেকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রোরেল পিলারসহ বিভিন্ন স্থাপনায় লাগানো পোস্টার ও লিফলেট অপসারণ করা হচ্ছে। প্রশাসক ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ওই এলাকার মেট্রোরেল পিলার ও অন্যান্য স্থাপনা থেকে সব পোস্টার অপসারণের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

অভিযানের অংশ হিসেবে মেট্রোরেলের স্টেশন ও পিলারগুলোও পরিষ্কার করা হচ্ছে। এ সময় হকার উচ্ছেদ ও অবৈধ দখলমুক্ত করার কার্যক্রমও চালানো হয়।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, নগরীর সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হকার উচ্ছেদ, অবৈধ দখলমুক্তকরণ এবং পোস্টার অপসারণসহ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাতের আঁধারে টিলা কেটে নির্মাণ, বিপন্ন কমলগঞ্জের জীববৈচিত্র্য

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
রাতের আঁধারে টিলা কেটে নির্মাণ, বিপন্ন কমলগঞ্জের জীববৈচিত্র্য

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পাহাড়ি টিলা কেটে রিসোর্ট, বসতঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের নুরজাহান চা বাগানসংলগ্ন টিপরাবাড়ি মৌজায় রাতের আঁধারে ও প্রকাশ্যে টিলা কাটার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন এলাকা হিসেবে কমলগঞ্জের পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের জন্য টিলা কেটে সমতল করছে। কোথাও রিসোর্ট নির্মাণ, আবার কোথাও বসতবাড়ি গড়ে তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধিনিষেধও মানা হচ্ছে না বলে তারা দাবি করেছেন।

টিপরাবাড়ি মৌজায় টিলা কেটে বসতঘর নির্মাণকারী মুজিব মিয়া বলেন, ‘আমি অতীতেও টিলা কেটে বাড়িঘর করেছি, এতদিন কেউ কিছু বলেনি। আজ হঠাৎ শুনছি টিলা কাটা যাবে না। আমার কাগজের জায়গায় আমি কাটতেই পারি।’

পরিবেশবাদীরা বলছেন, পর্যটনের বিকাশ প্রয়োজন হলেও কোনোভাবেই প্রকৃতি ধ্বংস করে তা করা উচিত নয়। কমলগঞ্জের টিলাগুলো স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্বিচারে টিলা কাটা হলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মাটি ক্ষয় ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এদিকে টিলা কাটা বন্ধে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দ্বীপ তালুকদার বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও টিলা বা পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। নুরজাহান চা বাগান ও টিপরাবাড়ি এলাকায় টিলা কেটে রিসোর্ট ও ঘরবাড়ি নির্মাণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি