খুঁজুন
                               
, ,
           

চ্যাটজিপিটির ৫৩ ব্যক্তিগত ছবি অনুমতি ছাড়া প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
চ্যাটজিপিটির ৫৩ ব্যক্তিগত ছবি অনুমতি ছাড়া প্রকাশ

ওপেনএআইয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এজেন্টের মাধ্যমে চ্যাটজিপিটির ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের ৫৩টি ছবি অনুমতি ছাড়া বাইরের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের জুলাইয়ে। ওই সময় ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টগুলো এআই প্রযুক্তি শেয়ার করার প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেসের একটি ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। এতে প্রায় ৭০০ এআই এজেন্ট জড়িত ছিল বলে জানা গেছে।

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ওপেনএআই। তদন্ত শেষে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ওই ঘটনায় চ্যাটজিপিটির ব্যবহারকারীদের ৫৩টি ছবি বাইরের বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এসব ছবি কী ধরনের ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তারা।

ফাঁস হওয়া ছবিগুলো এআই দিয়ে তৈরি ছিল, নাকি বাস্তব মানুষের এমন ছবি ছিল যেখান থেকে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব—এ বিষয়েও পরিষ্কার কোনো তথ্য দেয়নি ওপেনএআই। ছবিগুলো কখন প্রকাশ করা হয়েছিল এবং ঠিক কীভাবে এআই এজেন্টগুলোর মাধ্যমে সেগুলো বাইরে চলে গেল, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়।

ওপেনএআই জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া বেশির ভাগ ছবি ইতিমধ্যে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বাকি ছবিগুলোও সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের মালিক ও ব্যক্তিদের অনুরোধ করা হচ্ছে।

ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে নতুন উদ্বেগ

রয়টার্সসহ বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এআই মডেল প্রশিক্ষণের সময় ওপেনএআই ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের এমন কিছু তথ্য ব্যবহার করে, যেগুলো থেকে সরাসরি তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা যায় না। কোনো ব্যবহারকারী আলাদাভাবে এই সুবিধা বন্ধ না করলে তাঁর কিছু তথ্য এআই মডেল প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে।

তথ্য থেকে ব্যক্তির সরাসরি পরিচয় সরিয়ে নেওয়া হলেও এ ধরনের ব্যবস্থায় ঝুঁকি রয়েছে বলে প্রযুক্তি খাতের বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন। তাঁদের মতে, আলাদা আলাদা তথ্য একসঙ্গে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে। আবার তথ্য থেকে পরিচয় মুছে ফেলার আগেই সেটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

সর্বশেষ ঘটনাটি এআই এজেন্টের কার্যক্রম কতটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, তা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। সাধারণ চ্যাটবটের তুলনায় এআই এজেন্ট অনেক বেশি কাজ করতে পারে। ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী তারা বিভিন্ন অনলাইন ব্যবস্থা বা সফটওয়্যারে প্রবেশ করে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।

তবে এই অতিরিক্ত সক্ষমতার সঙ্গে নতুন ধরনের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। একটি এআই এজেন্ট কীভাবে কোনো নির্দেশ বাস্তবায়ন করবে কিংবা কোনো অনলাইন ব্যবস্থায় প্রবেশের পর কী ধরনের কাজ করবে, তা সব সময় আগে থেকে অনুমান করা কঠিন হতে পারে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের ঘটনাটি নিজেদের তৈরি এআই এজেন্টের আচরণ ও কার্যক্রম পুরোপুরি অনুমান বা নিয়ন্ত্রণ করা ওপেনএআইয়ের জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে দেখিয়েছে। এআই যত বেশি কাজ নিজে থেকে সম্পন্ন করতে পারছে, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের জন্য তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করাও তত জটিল হয়ে উঠছে।

তদন্ত নিয়ে গোপনীয়তার অভিযোগ

রয়টার্স জানিয়েছে, ওপেনএআইয়ের এআই এজেন্টদের কর্মকাণ্ড নিয়ে হওয়া তদন্ত সম্পর্কে জানেন এমন দুই ব্যক্তি বলেছেন, পুরো তদন্ত প্রক্রিয়ায় কোম্পানির আইনজীবীদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব ছিল।

তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোম্পানির পরিস্থিতি বিবেচনায় তদন্তটি অস্বাভাবিক মাত্রায় গোপন রাখা হয়েছিল। ফলে ৫৩টি ছবি কীভাবে বাইরে চলে গেল, কখন সেগুলো প্রকাশ হলো এবং এ ঘটনায় ঠিক কোন ধরনের নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজ করেছে—এসব প্রশ্নের অনেকগুলোর উত্তর এখনো পরিষ্কার হয়নি।

ঘটনাটি শুধু ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়েই নয়, এআই এজেন্টের কাজের সীমা, ব্যবহারকারীর তথ্য ব্যবহারের নিয়ম এবং এ ধরনের প্রযুক্তির ওপর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর—এসব বিষয় নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

এআই এজেন্টকে আরও বেশি স্বয়ংক্রিয় ও সক্ষম করে তোলার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তা এবং এজেন্টের কর্মকাণ্ডের ওপর কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

কালের আলো/এসএ

পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ আখ্যায়িত করলেন এস জয়শঙ্কর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ আখ্যায়িত করলেন এস জয়শঙ্কর

পাকিস্তানকে একটি ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ বলে উল্লেখ করেছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, ভারত সরকার ঠিক কবে নাগাদ পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে ইন্ধন দেওয়া বন্ধ করবে?

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের বার্তা সংস্থা এনডিটিভি ও সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এদিকে, প্রশ্নের জবাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পালটা প্রশ্ন করেন, ‘একটি সন্ত্রাসী দেশ কি আমাকে এই প্রশ্ন করছে?’

এরপর তিনি ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে নিজ নিজ আসন ছেড়ে কক্ষ ত্যাগ করেন। তবে তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময়ও ওই সাংবাদিক তার বক্তব্য ও মন্তব্য অব্যাহত রাখেন।

এর মধ্যে বাহাওয়ালপুরকে দীর্ঘদিন ধরে জৈশ-ই-মোহাম্মদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে উল্লেখ করে আসছে ভারত। পাশাপাশি মুজাফফরাবাদ ও ভিম্বারকে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য ট্রানজিট রুট হিসেবে চিহ্নিত করার দাবি করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

অন্যদিকে, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করেন ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী।

তিনি বলেন, অন্য দেশের ভূখণ্ড দখলের চেষ্টা কিংবা সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে মনোযোগ দেওয়া।

ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেন, ‘অন্যের ভূখণ্ড দখল বা সন্ত্রাসবাদ রপ্তানি না করে নিজেদের দেশের উন্নয়নে মনোযোগ দিলেই পাকিস্তানের জনগণের বেশি উপকার হবে।

কারণ এসব কর্মকাণ্ড কিংবা এই পরিষদে কোনো নাটকিয়তা চালিয়ে তাদের অর্থনৈতিক ঋণ পরিশোধ করা যাবে না, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের অর্থনীতি টিকে আছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গত জুন মাস থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভ ও সুনির্দিষ্ট বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে ইসলামাবাদ।

উক্ত বিক্ষোভের সময় সেখানে খাদ্য, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন যে ইসলামাবাদ ইচ্ছাকৃতভাবে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ আটকে রেখেছে।’

ভারতীয় প্রতিনিধি আরও বলেন, ‘এই পরিষদকে জানানো হয়েছিল যে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে জুনের পর থেকে বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খাদ্য ও ওষুধ আটকে রাখা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ব্যবসায়ীকে মারধর, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ৫.৫ লাখ রুপি আদায়ের অভিযোগ

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
ব্যবসায়ীকে মারধর, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ৫.৫ লাখ রুপি আদায়ের অভিযোগ

এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে তাঁর কাছ থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি আদায়ের অভিযোগে ভারতীয় অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অর্থ বিনিয়োগের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই ব্যবসায়ীকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করেন অভিনেত্রী ও তাঁর সহযোগীরা।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ বছর বয়সী বর্ষিণী ভেঙ্কট ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু তরুণ নামের এক ব্যবসায়ীকে তাঁদের প্রস্তাবিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অর্থ বিনিয়োগের অনুরোধ করেন। তবে ওই প্রস্তাবে রাজি হননি তরুণ। এরপরই তাঁর সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরোধের সূত্রপাত হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ আগস্ট ভোরে বাইরে থেকে নিজের ছোট ঘরে ফেরেন তরুণ। এ সময় সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন বর্ষিণী, তাঁর বন্ধু সঞ্জয় ও আরও দুজন। তাঁরা সবাই মিলে ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করেন।

একপর্যায়ে জোরপূর্বক তরুণের কাছ থেকে ৫০ হাজার রুপি নগদ নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এরপর সঞ্জয়ের কাছ থেকে ফোন পান তরুণ। অভিযোগ, ফোনে তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ দাবি করা হয়। একপর্যায়ে বর্ষিণীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ রুপি এবং সঞ্জয়ের অ্যাকাউন্টে আরও ২ লাখ রুপি পাঠাতে বাধ্য করা হয় তাঁকে।

নগদ ৫০ হাজার রুপিসহ মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার রুপি দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা থামেননি বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী। বরং সঞ্জয় তাঁকে আরও ২৭ লাখ রুপি দেওয়ার জন্য হুমকি দিতে থাকেন।

ব্যাংক লেনদেনের প্রমাণ

ঘটনার পর তরুণ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গুইন্ডি থানার পুলিশ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযোগকারীর ব্যাংক হিসাবের তথ্য যাচাই করেন তদন্তকারীরা। সেখানে বর্ষিণী ভেঙ্কটের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এরপর গত ২২ সেপ্টেম্বর মাইলাপুরের বাসিন্দা অভিনেত্রী বর্ষিণী ভেঙ্কটকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে একটি আইফোনও জব্দ করা হয়েছে।পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বর্ষিণীকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাঁকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।এ ঘটনায় জড়িত অভিনেত্রীর অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তবে মামলাটি তদন্তাধীন এবং অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

কালের আলো/এসএ

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রোববার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রোববার

আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন শাখার কর্মকর্তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

এই উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা। সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার ঠাকুরগাঁও, উপজেলা নির্বাচন অফিসার রুহিয়া, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ভুল্লিসহ মোট তিনজন।

উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে ইচ্ছুক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে নিবন্ধন করতে পারবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন প্রবাসীরাও। গত ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটদানে ইচ্ছুক প্রবাসীরা নিবন্ধন করেছেন।

তফসিল অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। বাছাইয়ের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি ৬ অক্টোবর। প্রার্থীতা প্রত্যাহার ৭ অক্টোবর, প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টেবর। আর ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ