খুঁজুন
                               
, ,
           

পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ আখ্যায়িত করলেন এস জয়শঙ্কর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ আখ্যায়িত করলেন এস জয়শঙ্কর

পাকিস্তানকে একটি ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ বলে উল্লেখ করেছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, ভারত সরকার ঠিক কবে নাগাদ পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে ইন্ধন দেওয়া বন্ধ করবে?

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের বার্তা সংস্থা এনডিটিভি ও সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

এদিকে, প্রশ্নের জবাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পালটা প্রশ্ন করেন, ‘একটি সন্ত্রাসী দেশ কি আমাকে এই প্রশ্ন করছে?’

এরপর তিনি ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে নিজ নিজ আসন ছেড়ে কক্ষ ত্যাগ করেন। তবে তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময়ও ওই সাংবাদিক তার বক্তব্য ও মন্তব্য অব্যাহত রাখেন।

এর মধ্যে বাহাওয়ালপুরকে দীর্ঘদিন ধরে জৈশ-ই-মোহাম্মদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে উল্লেখ করে আসছে ভারত। পাশাপাশি মুজাফফরাবাদ ও ভিম্বারকে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য ট্রানজিট রুট হিসেবে চিহ্নিত করার দাবি করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

অন্যদিকে, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করেন ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী।

তিনি বলেন, অন্য দেশের ভূখণ্ড দখলের চেষ্টা কিংবা সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে মনোযোগ দেওয়া।

ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেন, ‘অন্যের ভূখণ্ড দখল বা সন্ত্রাসবাদ রপ্তানি না করে নিজেদের দেশের উন্নয়নে মনোযোগ দিলেই পাকিস্তানের জনগণের বেশি উপকার হবে।

কারণ এসব কর্মকাণ্ড কিংবা এই পরিষদে কোনো নাটকিয়তা চালিয়ে তাদের অর্থনৈতিক ঋণ পরিশোধ করা যাবে না, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের অর্থনীতি টিকে আছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গত জুন মাস থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভ ও সুনির্দিষ্ট বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে ইসলামাবাদ।

উক্ত বিক্ষোভের সময় সেখানে খাদ্য, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন যে ইসলামাবাদ ইচ্ছাকৃতভাবে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ আটকে রেখেছে।’

ভারতীয় প্রতিনিধি আরও বলেন, ‘এই পরিষদকে জানানো হয়েছিল যে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে জুনের পর থেকে বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খাদ্য ও ওষুধ আটকে রাখা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘আমাকে ট্রল করার মতো কোনো কাজই করিনি’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ
‘আমাকে ট্রল করার মতো কোনো কাজই করিনি’

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই নানা ধরনের ট্রল ও মন্তব্য দেখা যায়। তবে এসব নিয়ে খুব একটা ভাবেন না এই অভিনেতা। তাঁর দাবি, জীবনে এমন কোনো কাজ করেননি, যা নিয়ে তাঁকে ট্রল করা যায়। বরং তাঁর সরাসরি ও প্রতিবাদী স্বভাবকেই অনেকে নিজেদের মতো করে ট্রলের বিষয় বানিয়ে ফেলেন।

সম্প্রতি প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওমর সানী বলেন, তাঁকে নিয়ে ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ তিনি জীবনে করেননি। তাঁর কর্মকাণ্ডকে কেউ কেউ নিজেরাই ট্রলের মতো করে উপস্থাপন করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের স্বভাবের কথা তুলে ধরে অভিনেতা বলেন, তিনি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করেন এবং কিছু বিষয়ে প্রতিবাদী। তাঁর এই সরাসরি কথা বলা অনেকের পছন্দ হয় না বলেও মনে করেন তিনি। তবে এসব বিষয়কে গুরুত্ব দেন না বলে জানান ওমর সানী।

সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যবহৃত একটি ঘড়ির প্রসঙ্গও তোলেন এই অভিনেতা। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর হাতের ঘড়ি নিয়ে কেউ কেউ সেটির দাম প্রায় ২৯ লাখ টাকা বলে প্রচার করেছেন। অথচ তাঁর দাবি, ঘড়িটির প্রকৃত দাম মাত্র ১১০০ টাকা।

নিজের সামর্থ্য কিংবা সম্পদ নিয়ে কখনো বাড়াবাড়ি করেন না বলেও দাবি করেন ওমর সানী। তাঁর ভাষ্য, মার্সিডিজ গাড়ি থাকলেও সেটি নিয়ে তিনি কখনো ফুটানি করেন না। কোনো সম্পদ থাকা নিয়ে বড় করে কথা বলারও প্রয়োজন দেখেন না তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট কখনো মুছে ফেলেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওমর সানী বলেন, এ ধরনের ঘটনা তাঁর ক্ষেত্রে খুব কমই ঘটেছে। একবার বা দুবার কোনো পোস্ট মুছে থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি। তবে কাউকে ছোট করে কখনো পোস্ট করেননি বলে দাবি করেন এই অভিনেতা।

শিল্পীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তা নিয়েও নিজের মতামত জানান ওমর সানী। তাঁর মন্তব্য, অনেক শিল্পীই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম কথা বলেন, অথচ যাঁরা শিল্পী নন, তাঁরাই বেশি কথা বলেন।

কালের আলো/এসএ

ছাদের সৌরবিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সায় কিনবে সরকার

যশোর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
ছাদের সৌরবিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সায় কিনবে সরকার

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি-বেসরকারি ভবন, শিল্পকারখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট সৌরবিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) যশোরের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘কৌশল থেকে বাস্তবায়ন: জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল ও জাতীয় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গ্রিন এনার্জি ট্রানজিশন-পলিসি অ্যাডভাইজরি পার্টনারশিপ প্রকল্পের আয়োজনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা কমাতে সৌরবিদ্যুৎকে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের বিপুলসংখ্যক সরকারি-বেসরকারি ভবন ও প্রতিষ্ঠানের ছাদ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগানো সম্ভব।

তিনি বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজস্ব চাহিদা পূরণে ব্যবহার করবে। এরপর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে। নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমেও এ সুবিধা পাওয়া যাবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণ হলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্পদ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগও তৈরি হবে।

কর্মশালায় জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬–২০৩০ বাস্তবায়ন, ২০৩০ সালের লক্ষ্য, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট, প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা ও নেট মিটারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা, জিআইজেড বাংলাদেশের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

উত্তর গাজার ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক ঘাঁটির চিত্র প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
উত্তর গাজার ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক ঘাঁটির চিত্র প্রকাশ

ইসরায়েল সরকারের সরকারি পাবলিক ম্যাপিং পরিষেবা ‘গভম্যাপ’-এ অল্প সময়ের জন্য গাজার উত্তরাঞ্চলের উচ্চ-রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট ছবি দেখা গেছে। এসব ছবিতে যুদ্ধের কারণে উত্তর গাজার ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি কয়েকটি সামরিক স্থাপনার চিত্রও দৃশ্যমান হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

তবে পরে গভম্যাপে গাজার ওই এলাকাগুলোর স্যাটেলাইট ছবি আবার ঝাপসা করে দেওয়া হয়।

সোমবার ‘@Stinky915846091’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টের নজরে আসে বিষয়টি। অ্যাকাউন্টটি ওপেন-সোর্স ইন্টেলিজেন্স বা ওএসআইএনটি নিয়ে কাজ করে এবং গাজা উপত্যকার বিভিন্ন ঘটনার ভৌগোলিক অবস্থান শনাক্ত করার জন্য পরিচিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ-রেজল্যুশনের ছবিগুলো প্রকাশ্যে আসার পর গাজার বিভিন্ন এলাকার স্যাটেলাইট চিত্র আবার ঝাপসা করে দেওয়া হয়।

গভম্যাপে দীর্ঘদিন ধরেই গাজা উপত্যকা, ইসরায়েল এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের সামরিক ঘাঁটি ও অন্যান্য সংবেদনশীল স্থাপনার স্যাটেলাইট ছবি ঝাপসা করে দেখানো হয়। এ কারণে গাজার কিছু এলাকার তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার ও উচ্চ-রেজল্যুশনের ছবি অল্প সময়ের জন্য দৃশ্যমান হওয়ার ঘটনাটি ব্যতিক্রমী বলে মনে করা হচ্ছে।

ঝাপসা না থাকা ছবিগুলোর মধ্যে উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া ও বেইত হানুনের মতো এলাকাও ছিল।

২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে উত্তর গাজার এসব এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকাশিত ছবিগুলো ২০২৫ সালের হওয়ায় এগুলো ইসরায়েলি সেনাদের সামরিক ঘাঁটির বর্তমান অবস্থা দেখায় না। তবে ছবিগুলোতে উত্তর গাজার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসের চিত্র দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইসরায়েলি সেনাদের নিয়ন্ত্রণাধীন বাফার জোনের ভেতরে অন্তত ১১টি সামরিক স্থাপনা বা ঘাঁটির চিত্রও এসব ছবিতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এক্স ব্যবহারকারী ‘@Nrg8000’ ছবিগুলো ‘সোয়ার অ্যাটলাস’-এও প্রকাশ করেছেন। তবে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, ছবিগুলোর সত্যতা তারা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। একই সঙ্গে প্রকাশিত ছবিগুলো গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের উপস্থিতি এবং যুদ্ধের ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে আগের বিভিন্ন প্রতিবেদনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

বেইত হানুনে ব্যাপক ধ্বংস

উত্তর গাজার বেইত হানুন শহরের বিভিন্ন অংশে ব্যাপক ধ্বংসের চিত্র দেখা গেছে। ছবিতে অনেক ভবন ধ্বংস হয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার দৃশ্য রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে শহরটির বিপুলসংখ্যক বাসিন্দা এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে এলাকাটির বড় অংশ সামরিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুজাইয়ায় ধ্বংসস্তূপ

গাজা শহরের শুজাইয়া এলাকাতেও ব্যাপক ধ্বংসের চিত্র ফুটে উঠেছে। স্যাটেলাইট ছবিতে অনেক ভবন ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ধ্বংসস্তূপের চিত্রও স্পষ্ট বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

কারনি ক্রসিংয়ে সামরিক উপস্থিতি

গাজা শহরের জেইতুন এলাকার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত কারনি ক্রসিংয়ের আশপাশেও ইসরায়েলি সেনাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রকাশিত ছবির ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে, গাজার আরও ভেতরে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য এলাকাটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

পূর্ব জাবালিয়ায় সামরিক ঘাঁটি

পূর্ব জাবালিয়ায় ইসরায়েলি সেনাদের একটি সামরিক স্থাপনার চিত্রও স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মাটির তৈরি উঁচু প্রতিরক্ষা বাঁধ এবং বেশ কিছু সামরিক যান দেখা যায়।

যুদ্ধের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গাজায় বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে দেওয়া হিসাবে, এ পর্যন্ত অন্তত ৭৩ হাজার ৯২৮ জন নিহত এবং ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। গত বছরের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতির পরও ১ হাজার ৪০৮ জন নিহত এবং ৪ হাজার ৯১৬ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে বিভিন্ন স্বাধীন হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসিক ভবন, স্কুল, হাসপাতাল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।

গভম্যাপে অল্প সময়ের জন্য প্রকাশিত স্যাটেলাইট ছবিগুলো সেই ধ্বংসযজ্ঞের একটি ভৌগোলিক চিত্র তুলে ধরেছে। তবে ছবিগুলোর উৎস, সময়কাল ও নির্দিষ্ট সামরিক স্থাপনার পরিচয় নিয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের সীমাবদ্ধতা থাকায় এসব তথ্যকে সতর্কতার সঙ্গে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

কালের আলো/এসএ