খুঁজুন
                               
, ,
           

ভারতে ভেজাল মদপানে ১৯ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
ভারতে ভেজাল মদপানে ১৯ জনের মৃত্যু

ভারতের নাগাল্যান্ডে সন্দেহভাজন বিষাক্ত বা ভেজাল মদপানে গত দুই দিনে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের মোককচুং ও তুয়েনসাং জেলায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভেজাল মদের উৎস ও সরবরাহ চক্র শনাক্ত করতে বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান করে মোককচুং জেলায় আটজন এবং তুয়েনসাং জেলায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মোককচুং জেলার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ ভেসুপ্রা কেজো জানান, ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আই বুংলাং চ্যাংয়ের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। দলটি মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের পাশাপাশি কোথা থেকে সন্দেহভাজন ভেজাল মদ এসেছে এবং কীভাবে তা সরবরাহ করা হয়েছে, তা খুঁজে বের করবে।

মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে সন্দেহভাজন মদের নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আসামের গুয়াহাটিতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা ভেসুপ্রা কেজো বলেন, তদন্তে কিছু সূত্র পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব নয়।

এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অবৈধ মদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন এলাকায় চালানো এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ৩ হাজার বোতল মদ জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে অজ্ঞাত উৎসের, লেবেলবিহীন কিংবা সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে তৈরি বা অনুমোদনহীন মদ কেনা ও পান করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্দেহজনক মদ পান করার পর কারও মাথা ঘোরা, ঝাপসা দেখা, শ্বাসকষ্ট কিংবা জ্ঞান হারানোর মতো উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।

নাগাল্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরেই মদ বিক্রি ও পান নিষিদ্ধ। ১৯৯০ সাল থেকে রাজ্যটিতে মদ নিষিদ্ধ আইন কার্যকর রয়েছে। এর মধ্যেই সন্দেহভাজন অবৈধ মদ পান করে একসঙ্গে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় নিষিদ্ধ মদের অবৈধ সরবরাহ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও সন্দেহভাজন মদের উৎস সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

কালের আলো/এসএ

 

গোঁফেই পুরুষত্ব! ‘বিগ বস ২০’-এ আসিফের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
গোঁফেই পুরুষত্ব! ‘বিগ বস ২০’-এ আসিফের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’খ্যাত অভিনেতা আসিফ খান এবার ‘বিগ বস ২০’-এর ঘরে দেওয়া এক মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছেন। পুরুষত্ব ও গোঁফ নিয়ে তাঁর মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

সম্প্রতি ‘বিগ বস’-এর ঘরে অধিনায়কত্ব নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এ সময় প্রতিযোগী গুল্লু অভিযোগ করেন, আরেক প্রতিযোগী ইয়াং ডিএসএ তাঁর দলের সব সদস্যের গোঁফ নিজের পছন্দমতো সাজিয়ে দিচ্ছেন।

এ অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে নিজের রাজস্থানি সংস্কৃতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আসিফ খান। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজস্থান থেকে এসেছি। এই গোঁফ আমাদের পরিচয়। যাদের গোঁফ নেই, তাদের আমরা পুরুষ মানুষ বলে গণ্যই করি না। তাই দাড়ি-গোঁফ এমনই রাখা হয়।’

আসিফের এই মন্তব্যের পরই অনুষ্ঠানের অন্য প্রতিযোগীরা তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাঁদের মতে, কারও গোঁফ আছে কি না, তার সঙ্গে পুরুষত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ সময় আলোচনায় উঠে আসে বলিউড অভিনেতা ও ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালক সালমান খানের প্রসঙ্গও। প্রতিযোগীদের কেউ কেউ বলেন, সালমান খানকেও সবসময় গোঁফে দেখা যায় না। ফলে গোঁফকে পুরুষত্বের মাপকাঠি হিসেবে দেখার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

অন্য এক প্রতিযোগী আসিফের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, একজন প্রকৃত পুরুষকে তাঁর চেহারা বা গোঁফ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। তাঁর মতে, একজন পুরুষের পরিচয় তাঁর আচরণ ও পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধের মধ্যেই প্রকাশ পায়।

এদিকে আসিফ খানের মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, গোঁফ নিয়ে মন্তব্য করার সময় সালমান খানের প্রসঙ্গ পরোক্ষভাবে উঠে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে আসিফ খানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

‘পঞ্চায়েত’ সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পাওয়া আসিফ খান বর্তমানে ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। গোঁফ ও পুরুষত্ব নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর রিয়েলিটি শোটির ঘরের বিতর্ক আরও কতটা বাড়ে, সেদিকেই এখন নজর দর্শকদের।

কালের আলো/এসএ

 

‘শিল্পের দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া’, মাদ্রিদে সুনেরাহ্

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
‘শিল্পের দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া’, মাদ্রিদে সুনেরাহ্

অভিনেত্রী সুনেরাহ্ বিনতে কামাল ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেই ঘুরে বেড়ান দেশের বাইরে। এবার স্পেনের মাদ্রিদে গিয়ে ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প জাদুঘর মুসেও দেল প্রাদোতে সময় কাটানোর ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন সুনেরাহ্। ছবিগুলোর সঙ্গে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘শিল্পের দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া।’

ছবি<<সংগৃহীত

সুনেরাহ্র প্রকাশ করা ছবিগুলো স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে তোলা। ছবিতে তাঁকে প্রাদো জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখতে এবং শিল্পকর্ম উপভোগ করতে দেখা গেছে।

মুসেও দেল প্রাদো স্পেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প জাদুঘর। বিশেষ করে স্প্যানিশ চিত্রকলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে এই জাদুঘরকে ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহশালাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ছবি<<সংগৃহীত

জাদুঘর ঘোরার নানা মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন সুনেরাহ্। কোথাও তাঁকে শিল্পকর্মের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে, আবার কোথাও জাদুঘরের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা গেছে।

ছবি<<সংগৃহীত

চলতি মাসের শুরু থেকেই ইউরোপে অবস্থান করছেন সুনেরাহ্। মূলত ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে তিনি ইউরোপে যান।

এবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রিমিয়ার হয়েছে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ্ বিনতে কামাল।

ছবি<<সংগৃহীত

ভেনিসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এবার মাদ্রিদে ঘুরে বেড়ানোর মুহূর্তগুলোও ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। ভ্রমণের পাশাপাশি শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে সময় কাটানোর এসব ছবি এরই মধ্যে তাঁর অনুসারীদের নজর কেড়েছে।

সুনেরাহ পোস্ট করা ছবিগুলোতে তাঁর ইউরোপ ভ্রমণের অন্যরকম এক দিকও ফুটে উঠেছে—শুধু পর্যটন নয়, শিল্প ও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ঘুরে দেখতেও আগ্রহী এই অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ

পারমাণবিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন চুক্তি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
পারমাণবিক প্রযুক্তি ও নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন চুক্তি

বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ চুক্তিতে সই করেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতেও সহযোগিতার পরিধি বিস্তৃত হবে।

বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সহযোগিতা উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় নতুন এ চুক্তি সই হয়েছে।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবকাঠামো গড়ে উঠছে।

নতুন চুক্তির ফলে পারমাণবিক প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং বেসামরিক জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি