খুঁজুন
                               
, ,
           

জাপানে কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ, দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৮ অপরাহ্ণ
জাপানে কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ, দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব

জাপানের তরুণ ও কর্মক্ষম জনবলের চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ পার্টনারশিপ সেমিনার ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জাপানে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। অন্যদিকে বাংলাদেশে রয়েছে বিপুল তরুণ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী। দুই দেশের এই জনমিতিক বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের জন্য জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ আছে। বাংলাদেশের তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জাপানের জনবল চাহিদা—দুই দিক থেকেই এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

জাপানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেলে বাংলাদেশের তরুণদের জীবনমান উন্নত হবে উল্লেখ করে আবদুল মঈন খান বলেন, একই সঙ্গে জাপানের সেবা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।

জাপানি ভাষা শেখার ওপর গুরুত্ব

জাপানে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশি তরুণদের জাপানি ভাষায় দক্ষ হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। প্রয়োজনে জাপানি ভাষা শিক্ষার জন্য বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে জাপানের প্রতিনিধিরা জানান, জাপানে বাংলাদেশের মতো বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী নেই। দেশটিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেশি হওয়ায় কনস্ট্রাকশন, কৃষি, ড্রাইভিং ও নার্সিংসহ বিভিন্ন খাতে জনবলের ঘাটতি রয়েছে।

তাদের মতে, এসব খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে জাপানে কাজের জন্য আগ্রহী বাংলাদেশি তরুণদের জাপানি ভাষা ও সংশ্লিষ্ট পেশাগত দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

‘জিপি’র নামে দিনে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়, অভিযোগ বাস মালিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
‘জিপি’র নামে দিনে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়, অভিযোগ বাস মালিকদের

গেট পাস বা ‘জিপি’র নামে দূরপাল্লার প্রতিটি বাস থেকে প্রতিদিন ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব বাস কোম্পানিস (এবিসি)। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের অর্থ আদায় বন্ধ করা গেলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এবিসির প্রেসিডেন্ট খন্দকার রফিকুল হোসেন কাজল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরিবহন খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, চাঁদাবাজি ও দখল নিয়ে সংগঠনটির বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একসময় ‘জিপি’ বলতে স্টেশন থেকে বাস ছাড়ার তথ্যসংবলিত একটি গেট পাসকে বোঝানো হতো। এ কাজে সংশ্লিষ্ট ক্লার্ক বা সুপারভাইজারকে সামান্য অর্থ দেওয়া হতো। তবে বর্তমানে এটি চাঁদাবাজির একটি পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এবিসি। বাস মালিক ও শ্রমিকদের অনেকে এই অর্থকে ‘বোবা চাঁদা’ বলেও অভিহিত করেন।

এবিসির দাবি, একটি বাস থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা জিপির নামে আদায় হলে পরিবহন পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এই অর্থ আদায় বন্ধ করা গেলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ কমবে। এতে বাসভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজন নাও হতে পারে; বরং ভাড়া কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

তবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গণপরিবহনের ভাড়া যৌক্তিকভাবে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছে এবিসি। সংগঠনটির ভাষ্য, জ্বালানির দাম বাড়লেও সে অনুযায়ী ভাড়া সমন্বয় করা না হলে গণপরিবহন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিজ্ঞপ্তিতে পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি ও দখল নিয়েও অভিযোগ করা হয়েছে। এবিসির দাবি, জিপি বা কথিত চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িতদের একটি অংশ রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সরকার পরিবর্তনের পরও এ খাতে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

তবে এসব অভিযোগের পক্ষে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এবিসি বলছে, সরকার উদ্যোগ নিলে জিপির নামে অর্থ আদায় বন্ধ করা কঠিন নয়। পাশাপাশি পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ঢাকা শহরের যানজট ও পরিবহন ব্যবস্থার বিশৃঙ্খলা কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

গোঁফেই পুরুষত্ব! ‘বিগ বস ২০’-এ আসিফের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
গোঁফেই পুরুষত্ব! ‘বিগ বস ২০’-এ আসিফের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’খ্যাত অভিনেতা আসিফ খান এবার ‘বিগ বস ২০’-এর ঘরে দেওয়া এক মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছেন। পুরুষত্ব ও গোঁফ নিয়ে তাঁর মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

সম্প্রতি ‘বিগ বস’-এর ঘরে অধিনায়কত্ব নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগীদের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এ সময় প্রতিযোগী গুল্লু অভিযোগ করেন, আরেক প্রতিযোগী ইয়াং ডিএসএ তাঁর দলের সব সদস্যের গোঁফ নিজের পছন্দমতো সাজিয়ে দিচ্ছেন।

এ অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে নিজের রাজস্থানি সংস্কৃতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন আসিফ খান। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজস্থান থেকে এসেছি। এই গোঁফ আমাদের পরিচয়। যাদের গোঁফ নেই, তাদের আমরা পুরুষ মানুষ বলে গণ্যই করি না। তাই দাড়ি-গোঁফ এমনই রাখা হয়।’

আসিফের এই মন্তব্যের পরই অনুষ্ঠানের অন্য প্রতিযোগীরা তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাঁদের মতে, কারও গোঁফ আছে কি না, তার সঙ্গে পুরুষত্বের কোনো সম্পর্ক নেই।

এ সময় আলোচনায় উঠে আসে বলিউড অভিনেতা ও ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালক সালমান খানের প্রসঙ্গও। প্রতিযোগীদের কেউ কেউ বলেন, সালমান খানকেও সবসময় গোঁফে দেখা যায় না। ফলে গোঁফকে পুরুষত্বের মাপকাঠি হিসেবে দেখার যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

অন্য এক প্রতিযোগী আসিফের বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, একজন প্রকৃত পুরুষকে তাঁর চেহারা বা গোঁফ দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। তাঁর মতে, একজন পুরুষের পরিচয় তাঁর আচরণ ও পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধের মধ্যেই প্রকাশ পায়।

এদিকে আসিফ খানের মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, গোঁফ নিয়ে মন্তব্য করার সময় সালমান খানের প্রসঙ্গ পরোক্ষভাবে উঠে এসেছে। যদিও এ বিষয়ে আসিফ খানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

‘পঞ্চায়েত’ সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পাওয়া আসিফ খান বর্তমানে ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। গোঁফ ও পুরুষত্ব নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর রিয়েলিটি শোটির ঘরের বিতর্ক আরও কতটা বাড়ে, সেদিকেই এখন নজর দর্শকদের।

কালের আলো/এসএ

 

‘শিল্পের দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া’, মাদ্রিদে সুনেরাহ্

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৬ অপরাহ্ণ
‘শিল্পের দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া’, মাদ্রিদে সুনেরাহ্

অভিনেত্রী সুনেরাহ্ বিনতে কামাল ভ্রমণ করতে ভালোবাসেন। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকে সুযোগ পেলেই ঘুরে বেড়ান দেশের বাইরে। এবার স্পেনের মাদ্রিদে গিয়ে ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প জাদুঘর মুসেও দেল প্রাদোতে সময় কাটানোর ছবি প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন সুনেরাহ্। ছবিগুলোর সঙ্গে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘শিল্পের দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া।’

ছবি<<সংগৃহীত

সুনেরাহ্র প্রকাশ করা ছবিগুলো স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে তোলা। ছবিতে তাঁকে প্রাদো জাদুঘরের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখতে এবং শিল্পকর্ম উপভোগ করতে দেখা গেছে।

মুসেও দেল প্রাদো স্পেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প জাদুঘর। বিশেষ করে স্প্যানিশ চিত্রকলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে এই জাদুঘরকে ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহশালাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ছবি<<সংগৃহীত

জাদুঘর ঘোরার নানা মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন সুনেরাহ্। কোথাও তাঁকে শিল্পকর্মের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে, আবার কোথাও জাদুঘরের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা গেছে।

ছবি<<সংগৃহীত

চলতি মাসের শুরু থেকেই ইউরোপে অবস্থান করছেন সুনেরাহ্। মূলত ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে তিনি ইউরোপে যান।

এবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রিমিয়ার হয়েছে। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন সুনেরাহ্ বিনতে কামাল।

ছবি<<সংগৃহীত

ভেনিসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এবার মাদ্রিদে ঘুরে বেড়ানোর মুহূর্তগুলোও ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। ভ্রমণের পাশাপাশি শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে সময় কাটানোর এসব ছবি এরই মধ্যে তাঁর অনুসারীদের নজর কেড়েছে।

সুনেরাহ পোস্ট করা ছবিগুলোতে তাঁর ইউরোপ ভ্রমণের অন্যরকম এক দিকও ফুটে উঠেছে—শুধু পর্যটন নয়, শিল্প ও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো ঘুরে দেখতেও আগ্রহী এই অভিনেত্রী।

কালের আলো/এসএ