খুঁজুন
                               
, ,
           

যশোর-ঝিনাইদহ ৬ লেন প্রকল্প

ছয় বছরেও এগোয়নি যশোর-ঝিনাইদহ ৬ লেন প্রকল্প

যশোর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
ছয় বছরেও এগোয়নি যশোর-ঝিনাইদহ ৬ লেন প্রকল্প

যশোর-ঝিনাইদহ মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্পে ছয় বছর পার হলেও নির্মাণকাজে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র তিন মাস বাকি থাকলেও যশোর অংশে কাজ হয়েছে প্রায় আড়াই শতাংশ এবং ঝিনাইদহ অংশে ১১ শতাংশ। এর বড় অংশই জমি অধিগ্রহণের কাজে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

৪৭ দশমিক ৪৮ কিলোমিটার মহাসড়কটি চারটি প্রধান লেন ও দুটি সার্ভিস লেনসহ মোট ছয় লেনে উন্নীত করার জন্য ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় একনেক। শুরুতে প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। পরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৬২৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ব্যয় বেড়েছে ২ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৮ শতাংশ।

জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব

২০২১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর করা হয়। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবশিষ্ট সময়ে প্রকল্পের ৮৭ শতাংশ কাজ শেষ করা বাস্তবসম্মত নয়। নতুন করে আরও তিন থেকে চার বছর মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে প্রথমটির অগ্রগতি প্রায় ১১ শতাংশ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্যাকেজে অগ্রগতি মাত্র আড়াই শতাংশ। জমি অধিগ্রহণের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা অপসারণ এবং বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ইউটিলিটি স্থানান্তরের কারণে নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ডেপুটি প্রকল্প ম্যানেজার প্রকৌশলী আল মামুন মিয়া জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর যশোরের জেলা প্রশাসক ৫৩ দশমিক ৮৯ একর জমি হস্তান্তর করেছেন। আরও প্রায় ৬ একর জমি অধিগ্রহণ বাকি রয়েছে। বৈদ্যুতিক লাইন, স্থাপনা, গাছ ও অন্যান্য ইউটিলিটি স্থানান্তরের সমস্যা সমাধান হলে কাজের গতি বাড়বে।

ভোগান্তিতে মহাসড়কের যাত্রীরা

সরেজমিনে দেখা গেছে, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। কোথাও সড়কের অংশবিশেষ খুঁড়ে রাখা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কোনো কোনো অংশে ইটের সোলিং করা হয়েছে। ফলে বিদ্যমান সড়ক দিয়েই ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এতে বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও উঁচুনিচু অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আবদুল মোনায়েম লিমিটেডের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মঞ্জুর হাসান বলেন, ২২ সেপ্টেম্বর তারা জমির কাগজপত্র বুঝে পেয়েছেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। দখল বুঝে পেলে নির্মাণকাজে গতি আসবে।

প্রকল্পের তিনটি লটের প্রকল্প ব্যবস্থাপক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, জমি অধিগ্রহণে দীর্ঘ সময় লেগে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বর্তমান সড়ক চালু রেখে সেটিকে ছয় লেনে উন্নীত করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে পুরোদমে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। এজন্য প্রকল্পের মেয়াদ আরও চার বছর বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

প্রকল্প পরিচালক সাদিকুল ইসলাম বলেন, জমি অধিগ্রহণের জটিলতার কারণেই প্রকল্পের অগ্রগতি কম হয়েছে। এ পর্যন্ত ৮৫ শতাংশ জমি পাওয়া গেছে। এখন থেকে কাজ দৃশ্যমান হওয়ার আশা করছেন তারা। তবে সময় বাড়লে ব্যয়ও বাড়বে—এমনটি নিশ্চিত করে বলা যায় না বলে জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের শাহবাগে অবস্থান, নিয়োগপত্রের দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকের নিয়োগবঞ্চিতদের শাহবাগে অবস্থান, নিয়োগপত্রের দাবি

রাজধানীর শাহবাগে নিয়োগপত্রের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক প্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন।

রোববার বেলা ১১টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ থানার সামনের সড়কে অবস্থান নেন। এর আগে সকাল থেকেই তারা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হতে থাকেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে রোববার সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মও গড়ে তোলা হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে ভেরিফিকেশন শেষে অন্তত ২ হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।

নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা দ্রুত নিয়োগপত্র ইস্যু করে তাদের কাজে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ দাবিতে তারা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৬ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০৬ জন

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে মিরপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১৪ জন রয়েছেন। এছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৯৯ জন, মতিঝিলে ৬৮ জন, লালবাগে ৫২ জন, ওয়ারীতে ৫২ জন, রমনায় ৪৩ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৮ জন, গুলশানে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানে ৪০০ গ্রাম গাঁজা, ৪ হাজার ৩১৪ পিস ইয়াবা, দুটি সুইট গিয়ার, একটি ব্যানার, ছয়টি মুখোশ, ১১টি মোবাইল ফোন, ৫ হাজার ১০০ টাকা ও একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

জমি নিয়ে বিরোধ, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
জমি নিয়ে বিরোধ, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, জমিজমা নিয়ে দখল-বেদখল অথবা দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে রাজধানীর মানিকদিতে ‘নিউগিনি প্রপার্টিজ’ নামের একটি আবাসন প্রতিষ্ঠানে ঢুকে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। ওই প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও রয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, হামলার খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গফরগাঁওয়ের বাসিন্দা ও ভাসানটেক বস্তির মামুন (৩৫), টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ও মজুমদারের মোড়ের অটোরিকশাচালক আসলাম এবং বরগুনার পাথরঘাটার বাসিন্দা ও ভাসানটেক বস্তির মুন্না (২৯)।

হামলার কারণ সম্পর্কে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি জমিজমা কেন্দ্রিক দখল-বেদখল কিংবা দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের বলে মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন।

চাঁদাবাজির কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে চাঁদাবাজির কোনো তথ্য পুলিশের কাছে নেই। তদন্ত শেষ হলে হামলার মূল কারণ এবং এর পেছনে কারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তা জানা যাবে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি