খুঁজুন
                               
, ,
           

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নতুন উন্নয়ন মডেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে নতুন উন্নয়ন মডেল

ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার নতুন উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. তিতুমীর বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণে সরকার ‘পুনরুদ্ধার, পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও পুনর্গঠন’—এই তিন ‘আর’ কৌশলের ভিত্তিতে নতুন উন্নয়ন মডেল বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্পের বহুমুখীকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে একটি প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।

সম্মেলনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ স্থাপনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। একই সঙ্গে তরুণ প্রকৌশলী ও উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান হস্তান্তর এবং সম্ভাবনাময় দেশীয় স্টার্টআপের জন্য বৈশ্বিক বিনিয়োগ ও বাজারের সুযোগ তৈরিতেও প্রবাসী পেশাজীবীদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ড. তিতুমীর।

তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও পেশাগত যোগাযোগ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত সাফল্যকে বাংলাদেশের জন্য সম্মিলিত সম্ভাবনায় রূপান্তরের আহ্বান জানান তিনি।

আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের সভাপতি প্রকৌশলী মনির জামানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ডেবি ডিঙ্গেল ও মিশিগান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মেগান ক্যাভানাহ। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও স্থপতিরা সম্মেলনে অংশ নেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সলের মনোনয়ন দাখিল

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০১ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সলের মনোনয়ন দাখিল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চান। এ জন্য নির্বাচনে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলকে ঘিরে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-এ-শাহাদাত স্বজন। অন্যদিকে, গতকাল শনিবার এ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মির্জা ফয়সল আমিন বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মেট্রোরেলের পিলার থেকে পোস্টার সরাচ্ছে ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
মেট্রোরেলের পিলার থেকে পোস্টার সরাচ্ছে ডিএনসিসি

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের ঘোষণার পর মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর শেওড়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রোরেল এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা থেকে পোস্টার ও লিফলেট অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ ও অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসিসি। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর-১০ থেকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রোরেল পিলারসহ বিভিন্ন স্থাপনায় লাগানো পোস্টার ও লিফলেট অপসারণ করা হচ্ছে। প্রশাসক ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ওই এলাকার মেট্রোরেল পিলার ও অন্যান্য স্থাপনা থেকে সব পোস্টার অপসারণের কাজ সম্পন্ন করা হবে।

অভিযানের অংশ হিসেবে মেট্রোরেলের স্টেশন ও পিলারগুলোও পরিষ্কার করা হচ্ছে। এ সময় হকার উচ্ছেদ ও অবৈধ দখলমুক্ত করার কার্যক্রমও চালানো হয়।

ডিএনসিসি জানিয়েছে, নগরীর সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হকার উচ্ছেদ, অবৈধ দখলমুক্তকরণ এবং পোস্টার অপসারণসহ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাতের আঁধারে টিলা কেটে নির্মাণ, বিপন্ন কমলগঞ্জের জীববৈচিত্র্য

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
রাতের আঁধারে টিলা কেটে নির্মাণ, বিপন্ন কমলগঞ্জের জীববৈচিত্র্য

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পাহাড়ি টিলা কেটে রিসোর্ট, বসতঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের নুরজাহান চা বাগানসংলগ্ন টিপরাবাড়ি মৌজায় রাতের আঁধারে ও প্রকাশ্যে টিলা কাটার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন এলাকা হিসেবে কমলগঞ্জের পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের জন্য টিলা কেটে সমতল করছে। কোথাও রিসোর্ট নির্মাণ, আবার কোথাও বসতবাড়ি গড়ে তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধিনিষেধও মানা হচ্ছে না বলে তারা দাবি করেছেন।

টিপরাবাড়ি মৌজায় টিলা কেটে বসতঘর নির্মাণকারী মুজিব মিয়া বলেন, ‘আমি অতীতেও টিলা কেটে বাড়িঘর করেছি, এতদিন কেউ কিছু বলেনি। আজ হঠাৎ শুনছি টিলা কাটা যাবে না। আমার কাগজের জায়গায় আমি কাটতেই পারি।’

পরিবেশবাদীরা বলছেন, পর্যটনের বিকাশ প্রয়োজন হলেও কোনোভাবেই প্রকৃতি ধ্বংস করে তা করা উচিত নয়। কমলগঞ্জের টিলাগুলো স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্বিচারে টিলা কাটা হলে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মাটি ক্ষয় ও দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এদিকে টিলা কাটা বন্ধে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সন্দ্বীপ তালুকদার বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও টিলা বা পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। নুরজাহান চা বাগান ও টিপরাবাড়ি এলাকায় টিলা কেটে রিসোর্ট ও ঘরবাড়ি নির্মাণের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি