খুঁজুন
                               
, ,
           

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা ফিরবে না: নাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ অপরাহ্ণ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা ফিরবে না: নাহিদ

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে দায়িত্বে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর বিএনপির বিরুদ্ধে যে নৈরাজ্য, দখলবাজি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছিল, তার ধারাবাহিকতা এখনো চলছে বলে তারা মনে করেন। সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের রাড্ডা সেন্টার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে তিনি প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, এসব ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনগণের সামনে উদ্বেগ স্পষ্ট হয়েছে। এ পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করে নাহিদ বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়।

মিরপুরের রাড্ডা সেন্টারে ভাঙচুরের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম স্থানীয় বিএনপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পুলিশ প্রশাসনের নীরবতা বা সহযোগিতা ছাড়া রাজধানীতে রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো সম্ভব নয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সংবাদ সম্মেলনে পাওয়া যায়নি।

দেশের অন্যান্য এলাকার কয়েকটি ঘটনার কথাও তুলে ধরেন এনসিপির এই নেতা। হবিগঞ্জে সিএনজি বা অটোরিকশা স্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ এবং সাভারে মাদরাসা দখলের চেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজধানীর বাইরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে তারা মনে করেন। তাঁর অভিযোগ, সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে দখল-বাণিজ্য চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন বা জবাবদিহির মুখোমুখি হলে মন্ত্রী মূল বিষয় এড়িয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এনসিপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের নিরাপত্তার জন্য তাদের পাশে থাকতে হবে। যেখানে দখলদারি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটছে, সেখানে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মাধ্যমিকে ভর্তিতে থাকছে ১৩ শতাংশ কোটা

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
মাধ্যমিকে ভর্তিতে থাকছে ১৩ শতাংশ কোটা

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে কোটাধারীদের জন্য মোট ১৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালার খসড়ায় এ প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। খসড়াটি যাচাই-বাছাই শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত কোটা পূরণ না হলে ওই আসনগুলো মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করে পূরণ করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ০.৫ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ০.৫ শতাংশ আসন রাখার প্রস্তাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

যমজ ও সহোদরদের জন্যও কোটা

যমজ ভাইবোনদের জন্য ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর যমজ ভাই বা বোন আগে থেকেই পড়াশোনা করলে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে নতুন করে আবেদন করা যমজ ভাইবোনের ক্ষেত্রেও এ সুযোগ রাখা হবে।

এ ছাড়া সহোদরদের জন্য ৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে। আবেদনকারীর ভাই বা বোন আগে থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত থাকলে অথবা নতুন করে আবেদন করলেও নির্ধারিত শর্তে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্যও ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে আলাদা সুযোগ

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শুধু ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। মোট আসনের ১০ শতাংশ এ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

অন্যদিকে বেসরকারি বিদ্যালয়ে উল্লিখিত ১৩ শতাংশ কোটার বাইরে আরও ১ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব রয়েছে। লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের মূলধারার শিক্ষায় সম্পৃক্ত করতে এ কোটা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তারা নিকটস্থ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

ঢাকার স্কুলে ক্যাচমেন্ট এলাকায় ৪০ শতাংশ

ঢাকা মহানগরীর সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে স্কুলসংলগ্ন ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে।

একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একই ক্যাচমেন্ট এলাকার অন্তর্ভুক্ত হলে ওই এলাকার শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর যেকোনোটিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

প্রথম থেকে পঞ্চমে লটারি, ষষ্ঠ থেকে নবমে পরীক্ষা

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে লটারির মাধ্যমে। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বর থাকবে। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

এখনো চূড়ান্ত হয়নি নীতিমালা

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্ত করতে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) একাধিক বৈঠক করেছে। খসড়াটি যাচাই-বাছাই শেষে প্রস্তাবনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর মন্ত্রণালয়ের বৈঠক ও পর্যালোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে।

মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান জানিয়েছেন, সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির নীতিমালা বর্তমানে খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত হওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, প্রতি বছরই স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু কোটা রাখা হয়। গত কয়েক বছরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় শিক্ষার্থী পাওয়া না গেলেও বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার কারণে খসড়া নীতিমালায় এ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

চূড়ান্ত নীতিমালা জারির পরই ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন কোন প্রস্তাব কার্যকর হবে, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে অফিসার নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে অফিসার নিয়োগ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামে (সিসিপ) ‘অফিসার (প্রোগ্রামস)’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকলে নির্ধারিত ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ৫ অক্টোবর ২০২৬।

পদের নাম ও সংখ্যা

পদের নাম: অফিসার (প্রোগ্রামস)
পদসংখ্যা: ১টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

এ ছাড়া প্রার্থীর কম্পিউটার টাইপিংয়ে দক্ষতা থাকতে হবে। প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ২০ শব্দ এবং ইংরেজিতে ন্যূনতম ২৫ শব্দ টাইপ করার সক্ষমতা প্রয়োজন।

অভিজ্ঞতা

প্রার্থীকে প্রকল্প বাস্তবায়ন অথবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা:
অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, PIU-SICIP,
এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট,
২৪তম ফ্লোর (২য় সংলগ্নী ভবন),
বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা।

আবেদনের শেষ সময়

৫ অক্টোবর ২০২৬।

প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কালের আলো/এসএ

দাখিল-আলিম মাদ্রাসার কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
দাখিল-আলিম মাদ্রাসার কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

দেশের সব বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসার বিদ্যমান ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের চিঠির পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।

দ্রুত অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (দাখিল ও আলিম স্তরের বেসরকারি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি) প্রবিধানমালা, ২০২৫-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দেশের বিদ্যমান বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসাগুলোর ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি পুনর্গঠন করতে হবে।

এ জন্য সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোতে দ্রুত অ্যাডহক কমিটি গঠনের অনুমতি নিতে বলা হয়েছে। অনুমতি পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

বোর্ডের নির্দেশনায় মাদ্রাসাগুলোর বিদ্যমান কমিটির পরিবর্তে নতুন কাঠামো গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

দেশের বেসরকারি দাখিল ও আলিম মাদ্রাসাগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব কমিটি পুনর্গঠনের মাধ্যমে মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা কাঠামো নতুন করে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

কালের আলো/এসএ