খুঁজুন
                               
, ,
           

এআই-সেমিকন্ডাক্টরে বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
এআই-সেমিকন্ডাক্টরে বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালির ইস্ট পালো আল্টোতে আয়োজিত ‘সিইও অ্যান্ড সিনিয়র এক্সিকিউটিভস রাউন্ডটেবিল’ আলোচনায় তিনি এ তথ্য জানান।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহ বাংলাদেশের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিতে হবে।

গোলটেবিল আলোচনায় এআই ও ডেটা অবকাঠামো, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং কৌশলগত অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

চলতি বছরের প্রথম আট মাসে কানাডা থেকে ৩৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩৬৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা হয়েছে।

কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)-এর ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

ফেরত পাঠানোর তালিকায় শীর্ষে ভারত

সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলতি বছরে কানাডা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ হাজার ৮৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশভিত্তিক তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে ভারতের—৪ হাজার ২২৭ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটির ২ হাজার ২৮২ জন নাগরিককে কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৬০১ জন, কলম্বিয়ার ৫৮০ জন, হাইতির ৫৩৫ জন এবং রোমানিয়ার ৪৩৩ জন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

প্রথম ছয় মাসে ২২৭ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর তথ্য ছিল। তখন দেশভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে ছিল। আগস্ট শেষে বাংলাদেশি নাগরিক ফেরত পাঠানোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ জনে।

আরও ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশি অপসারণ প্রক্রিয়ায়

কানাডা থেকে অপসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা বিদেশি নাগরিকদের তালিকাতেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪৯ হাজার ৫৩৬ জন বিদেশি নাগরিক অপসারণ প্রক্রিয়ায় ছিলেন।

এ তালিকায় ভারতের নাগরিক ১০ হাজার ২৯৫ জন এবং মেক্সিকোর ৬ হাজার ১০২ জন। বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ জন, যা দেশভিত্তিক তালিকায় অষ্টম অবস্থান।

সিবিএসএর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কানাডায় যাদের অপসারণের আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অপসারণ কার্যকর করা হয়। বিভিন্ন ধরনের রিমুভাল অর্ডারের মধ্যে ডিপোর্টেশন, ডিপারচার ও এক্সক্লুশন অর্ডার রয়েছে।

অভিবাসন আইন ভঙ্গ প্রধান কারণ

সিবিএসএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কানাডা থেকে বিদেশি নাগরিকদের অপসারণের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইন না মানার বিষয়টি অন্যতম প্রধান কারণ। আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন—এমন ১২ হাজার ৫ জনকে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া আশ্রয়প্রার্থী নন, এমন আরও ১ হাজার ৭৯৪ জনের ক্ষেত্রেও অভিবাসনসংক্রান্ত আইন ভঙ্গকে অপসারণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ৮৯৭ জন এবং ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার কারণে ৮৮ জনকে কানাডা থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, দেশটির সীমান্ত ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় যাদের কানাডায় থাকার আইনগত অধিকার নেই, তাদের অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে সিবিএসএ ২২ হাজার ৫০০-এর বেশি অযোগ্য বা অননুমোদিত বিদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণ করেছিল।

কালের আলো/এসএ

ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন, কার্যকর রাত ১২টা থেকে

বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস অয়েলের নতুন দাম পুনর্নির্ধারণের বিষয়টি জানিয়েছে বিইআরসি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে ফার্নেস অয়েলের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সা। নতুন দাম কার্যকর হলে প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বেড়ে তা ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সায় দাঁড়াবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সরকারকে সহযোগিতা করুন, আহ্বান অতিরিক্ত প্রেস সচিবের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
সরকারকে সহযোগিতা করুন, আহ্বান অতিরিক্ত প্রেস সচিবের

সরকারকে সহযোগিতা না করে বিভিন্নভাবে ‘হাত-পা বেঁধে’ দেওয়া হলে কোনো সরকারের পক্ষেই প্রত্যাশিত সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সুন্দর ও সফল বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছেন। এ কাজে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী হলে’ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর শেষে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রুমন বলেন, সফরের আগে ও পরে বাংলাদেশে কয়েকটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ ঘটে। এসব ঘটনা নিয়ে প্রথমে অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। পরে অন্যান্য অনলাইন সংবাদমাধ্যম, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমে সেসব খবর গুরুত্ব পায় বলে তিনি দাবি করেন।

রুমন বলেন, নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের কর্মসূচি ছিল অত্যন্ত ব্যস্ত। কোনো কোনো দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১১টা বা ১২টা পর্যন্ত কর্মসূচি চলেছে। কাজের ব্যস্ততার কারণে সফরসঙ্গীদের ঘোরাফেরারও সুযোগ হয়নি বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে দেশে ফেরার পর সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা উল্লেখ করে রুমন বলেন, তখনও আরেকটি ঘটনা সামনে আসে। তাঁর দাবি, এর ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফরের কর্মসূচি ও সাফল্যের পরিবর্তে গণমাধ্যমের আলোচনার বড় অংশ অন্য একটি বিষয়কে ঘিরে চলে যায়।

সরকারবিরোধীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে যে সূত্রে সরকার পরিচালিত হয়েছে, বিরোধিতাকারীরাও যেন এখন একই সূত্র অনুসরণ করছে—এমনটা তাঁর মনে হচ্ছে।

সরকারের কাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরির প্রসঙ্গ টেনে রুমন উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন মানুষকে যদি সাঁতার কেটে নদী পার হতে বলা হয়, আবার তাঁর হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয়, তাহলে তাঁর পক্ষে নদী পার হওয়া সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘যদি একটা সরকার এসেই আপনারা হাত-পা বেঁধে দিয়ে বলেন, সাঁতার কেটেই এই নদীটা পার হতে হবে—এসব পরীক্ষায় কিন্তু কেউ পাস করতে পারবে না।’

রুমন বলেন, সরকার গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সুন্দর ও সফল বাংলাদেশ গড়তে চান উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সরকারের কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি