খুঁজুন
                               
, ,
           

অক্টোবরে ১০ এয়ারবাস কেনার চুক্তি হতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
অক্টোবরে ১০ এয়ারবাস কেনার চুক্তি হতে পারে

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির পর আরও ১০টি এয়ারবাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী অক্টোবরেই এ বিষয়ে চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে আগে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। পরে আরও ১১টি যুক্ত হওয়ায় মোট ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইড বডি এবং ১০টি ন্যারো বডি উড়োজাহাজ।

চুক্তি অনুযায়ী, এসব উড়োজাহাজ একসঙ্গে দেশে আসবে না। প্রথম বোয়িংটি ২০৩১ সালে দেশে আসার কথা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত বাকি উড়োজাহাজগুলো দেশে আসবে। উড়োজাহাজ হাতে পাওয়ার পর অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্রায় গ্রাউন্ডেড হওয়ার অবস্থায় থাকায় কার্যত ১৭টি উড়োজাহাজ দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে বর্তমান বহরের বড় একটি অংশ পুরোনো হয়ে যাবে। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ২৫টি উড়োজাহাজ একসঙ্গে নেওয়া হচ্ছে না। চুক্তি অনুযায়ী প্রথমটি ২০৩১ সালে আসবে। তবে দ্রুত বহর বাড়াতে অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ বা ২০২৮ সালে দেওয়ার জন্য বোয়িংকে অনুরোধ করা হয়েছে।

দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করতে বহর বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমানে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো দেশের যাত্রী পরিবহনে বড় অংশ দখল করে আছে। জাতীয় পতাকাবাহী বিমান দেশের যাত্রীদের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করছে। বহর বাড়ানো গেলে আরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

নতুন উড়োজাহাজ দেশে আসার আগ পর্যন্ত অন্তত ১০টি বিমান লিজ নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অর্থসচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জামাতা গ্রেফতার নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
জামাতা গ্রেফতার নিয়ে মুখ খুললেন জামায়াত এমপি

কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল গফুর তার জামাতা মিজানুর রহমানের গ্রেফতার এবং এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন সংবাদকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন।

একই সঙ্গে মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে তার কিংবা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পশ্চিম মাটিকাটা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেফতারের পর এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন আব্দুল গফুর।

বিবৃতিতে সংসদ সদস্য দাবি করেন, মিজানুর রহমানকে তার নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেফতারের যে তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা সঠিক নয়। তার ভাষ্য, ঢাকার মাটিকাটায় মিজানুর রহমানের কোনো ব্যক্তিগত বাসা নেই; তিনি সরকারি বরাদ্দের ‘ন্যাম ভবনে’ থাকেন।

আব্দুল গফুর বলেন, মিজানুর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিষয়। এর সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। একইভাবে এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীরও কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন তিনি।

মিজানুর রহমানের ব্যবসায়িক বিরোধের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘নিউ গ্রিন প্রোপার্টিজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে মিজানুর রহমানের পাওনা টাকা বকেয়া থাকায় তিনি তা আদায়ে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে থানায় মামলা করেন।

সংসদ সদস্যের দাবি, মামলার পর প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাইফুল ইসলাম পাওনা টাকার একটি অংশ পরিশোধ করেন। পরে বাকি টাকা না দেওয়ার উদ্দেশ্যে পাল্টা মামলা করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে ওই মামলা খারিজ হয়ে যায়।

সম্প্রতি নিউ গ্রিন প্রোপার্টিজের আবাসনে ভাঙচুরের ঘটনাতেও মিজানুর রহমানের কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে দাবি করেন আব্দুল গফুর। তার অভিযোগ, বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ‘সাজানো ঘটনা ও ষড়যন্ত্রের’ আশ্রয় নিয়েছেন।

বিবৃতিতে আব্দুল গফুর আরও দাবি করেন, ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধকে রাজনৈতিক রং দিয়ে তাকে ও জামায়াতে ইসলামীকে জড়ানোর চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় এবং দলটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এর আগে সোমবার বিকেলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগের একটি দল পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৯ বছর বয়সী মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির ‘ট্যাগিং’ করা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির ‘ট্যাগিং’ করা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা

চাঁদাবাজির সঙ্গে বিএনপিকে জড়িয়ে একটি ‘ব্র্যান্ডিং’ বা ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা রয়েছে। তার ভাষ্য, এটি রাজনৈতিক ন্যারেটিভ তৈরির অংশ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই এ ধরনের চেষ্টা চলছে।

তবে বর্তমান সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ বা সরকারের দলের নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি করছে—এমন দাবি তিনি করেননি। তিনি বলেন, সরকারের কাজ কোনো ন্যারেটিভ তৈরি করা নয়; বরং চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।

এনসিপির চাঁদাবাজিবিরোধী কর্মসূচি প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টি তার কাছে ‘সার্কাজম’ মনে হয়েছে। তবে সহিংস কর্মসূচির পরিবর্তে এ ধরনের কর্মসূচিকে সরকার স্বাগত জানায়।

তিনি বলেন, কোনো ধরনের সহিংসতার পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলো যদি এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চায়, তাহলে তারা তা করতে পারে।

চাঁদাবাজির সঙ্গে কারা জড়িত এবং তাদের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বা অন্য ধরনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রয়োজন হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ থাকলেও বাংলাদেশ ‘অ্যানার্কি’ অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছু ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে, আবার কিছু অপরাধ কমেছেও। কোথাও দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সপ্তম বর্ষে কমিউনিটি ব্যাংক, চালু হলো দুই নতুন ঋণপণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৪ অপরাহ্ণ
সপ্তম বর্ষে কমিউনিটি ব্যাংক, চালু হলো দুই নতুন ঋণপণ্য

‘Transform, Growth & Sustainability’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। সাত বছরের অর্জন, অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় শনিবার বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শেয়ারহোল্ডার, করপোরেট ক্লায়েন্ট ও অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে কমিউনিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘Transform, Growth & Sustainability’ শুধু প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নয়, এটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পথচলার কৌশলগত অঙ্গীকার। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের পাশাপাশি সেবার সংস্কৃতি, কাজের পদ্ধতি ও গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার কথা জানান তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কমিউনিটি ব্যাংককে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান। তিনি ব্যাংকিং সেবার মানোন্নয়ন, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সেবার আওতায় আনা এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতার কার্যক্রম আরও জনকল্যাণমুখী করার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে কমিউনিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দিকনির্দেশনা এবং গ্রাহক ও অংশীজনদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা ও গ্রাহকের পরিবর্তিত প্রত্যাশার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাংককে আরও দক্ষ ও উদ্ভাবনী হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকের দুটি নতুন পণ্য—‘Community Bike Loan’ ও ‘Community Swapner Bari’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। পুলিশের এএসআই থেকে ইন্সপেক্টর ও সমমর্যাদার নিশ্চয়তাপ্রাপ্ত সদস্যদের জন্য মোটরসাইকেল কেনায় বিশেষ ঋণসুবিধা দেবে ‘Community Bike Loan’। আর নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ বা কেনার স্বপ্ন পূরণে আবাসন ঋণসুবিধা হিসেবে চালু করা হয়েছে ‘Community Swapner Bari’।

এ ছাড়া ব্যাংকের ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সেরা করপোরেট ক্লায়েন্ট, সেরা ব্রাঞ্চ/সাব-ব্রাঞ্চ ও সেরা কর্মী—এই তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালক ও বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজি (ফিন্যান্স) মো. আকরাম হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানসহ ব্যাংক ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন।

সপ্তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর, গ্রাহককেন্দ্রিক ও টেকসই ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে মানুষের আস্থা আরও গভীর করা এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে কমিউনিটি ব্যাংক।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি