খুঁজুন
                               
, ,
           

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে অফিসার নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে অফিসার নিয়োগ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামে (সিসিপ) ‘অফিসার (প্রোগ্রামস)’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ পদে একজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকলে নির্ধারিত ঠিকানায় আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ৫ অক্টোবর ২০২৬।

পদের নাম ও সংখ্যা

পদের নাম: অফিসার (প্রোগ্রামস)
পদসংখ্যা: ১টি

শিক্ষাগত যোগ্যতা

স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

এ ছাড়া প্রার্থীর কম্পিউটার টাইপিংয়ে দক্ষতা থাকতে হবে। প্রতি মিনিটে বাংলায় ন্যূনতম ২০ শব্দ এবং ইংরেজিতে ন্যূনতম ২৫ শব্দ টাইপ করার সক্ষমতা প্রয়োজন।

অভিজ্ঞতা

প্রার্থীকে প্রকল্প বাস্তবায়ন অথবা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে।

আবেদনের ঠিকানা:
অতিরিক্ত পরিচালক ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর, PIU-SICIP,
এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট,
২৪তম ফ্লোর (২য় সংলগ্নী ভবন),
বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা।

আবেদনের শেষ সময়

৫ অক্টোবর ২০২৬।

প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কালের আলো/এসএ

প্রবাসী আয়ে স্বস্তি, ২৮ দিনে এলো ৩১ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
প্রবাসী আয়ে স্বস্তি, ২৮ দিনে এলো ৩১ হাজার কোটি টাকা

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৮ দিনে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে ২৫৩ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৩১ হাজার ৮০ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে প্রকাশিত তথ্যে এ বিষয়টি জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ।

এদিকে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। ১ জুলাই থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৮৩৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।

আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৭৩৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ফলে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

ব্যাংকিং খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ হওয়া এবং প্রবাসীদের আস্থার কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

এক ছাদের নিচে দুই সংসার, মরিয়মের ভাগে কেন বেলকনি?

আদালত প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
এক ছাদের নিচে দুই সংসার, মরিয়মের ভাগে কেন বেলকনি?

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় দুই দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে। তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়মের প্রতি অবহেলা, দাম্পত্য জীবনে বৈষম্য এবং মানসিক নির্যাতনের নানা তথ্য উঠে এসেছে। এসব তথ্য এখন মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় নজরুল কারাগারে
  • রিমান্ডে উঠে এসেছে দাম্পত্য বৈষম্য ও মানসিক নির্যাতনের তথ্য
  • চিরকুট ঘিরেও বাড়ছে তদন্তের গুরুত্ব

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলেও নতুন করে রিমান্ড আবেদন না থাকায় শুনানি হয়নি। পরে তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

একই ফ্ল্যাটে থেকেও আলাদা বাস্তবতা
তদন্ত কর্মকর্তার আদালতে দেওয়া বক্তব্যে নজরুল ইসলামের দাম্পত্য জীবনের একটি বৈষম্যমূলক চিত্র সামনে এসেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটের শয়নকক্ষে তিনি প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে নিয়ে থাকতেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে কখনো কখনো ওই শয়নকক্ষের পাশের বেলকনিতে রাত কাটাতে হতো।

তদন্তে বলা হয়েছে, বিয়ের পর মরিয়মকে ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে থাকার সুযোগ দেওয়া হলেও স্ত্রী হিসেবে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি। একই ছাদের নিচে বসবাস করলেও দুই স্ত্রীর জীবনযাপনে এমন পার্থক্য মরিয়মের ওপর কী ধরনের মানসিক প্রভাব ফেলেছিল, সেটিই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

পরিচয় থেকে বিয়ে, এরপর সম্পর্কের টানাপোড়েন
তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ ছিলেন নজরুল ইসলামের ভাগনে। ঢাকায় এলে নজরুল তার বাসায় অবস্থান করতেন এবং সেখান থেকেই সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। এই সূত্রেই মরিয়মের সঙ্গে তার পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১৬ জুন নজরুল ইসলাম মরিয়মকে মৌখিকভাবে বিয়ে করেন। পরে ওই তারিখ দেখিয়ে বিয়ে নিবন্ধন ও কাবিননামা সম্পন্ন করা হয়। তবে বিয়ের পর তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবনের কাঠামো পেয়েছিল কি না, তদন্তে সেই প্রশ্নই ক্রমে সামনে এসেছে।

চিরকুটেও ছিল অভিযোগের ছাপ
গত ২০ সেপ্টেম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় সিআইডির সহায়তায় তা ভেঙে প্রবেশ করা হয়। পরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়। ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি চিরকুটও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব চিরকুটে মরিয়মের প্রতি অবহেলা ও মানসিক নির্যাতনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগের আইনগত দায় নির্ধারণে চিরকুট, সাক্ষ্য, ফরেনসিক তথ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের পারস্পরিক সামঞ্জস্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আদালতের পরবর্তী পর্যায়ে প্রমাণই হবে মূল বিষয়
ঘটনার পরদিন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওই রাতেই নজরুল ও মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাকছুদাও এক দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে রয়েছেন।

মামলায় এখন তদন্তের পরবর্তী ধাপ হবে
জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে ঘটনাস্থলের আলামত, চিরকুট, সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ মিলিয়ে দেখা। রিমান্ডে কোনো তথ্য পাওয়া গেছে—এটি তদন্তের একটি অংশ; আদালতে অভিযোগ প্রমাণের জন্য সেই তথ্যের আইনগত গ্রহণযোগ্যতা ও অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে সামঞ্জস্যই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার প্রস্তাবে সরকারের সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার প্রস্তাবে সরকারের সমর্থন

প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ বা ১০ বছরের বেশি দায়িত্ব পালন না করার প্রস্তাবের পক্ষে সরকারের অবস্থান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সংবিধান সংশোধনের আলোচনায় বিরোধী দলকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, গত রোববার ও মঙ্গলবার দুই দিন ধরে গণমাধ্যমের সম্পাদক, টেলিভিশন ও অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে কমিটি। এসব আলোচনায় সংবিধান সংশোধন নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অনেকে এটিকে অগণতান্ত্রিক এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী বলে মত দিয়েছেন। তবে স্বৈরতান্ত্রিকতা ঠেকাতে কোনো ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে না থাকেন—এমন প্রস্তাবের পক্ষে সরকার এখনো অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, সংসদে বিরোধী দল বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব এলে তা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

সংবিধান সংশোধনের অন্যান্য প্রস্তাবের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা, সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো ও রূপরেখা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র। তবে ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের বিষয়ে ঐকমত্য থাকায় সরকার সে অনুযায়ী এগোতে চায়। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেবে।

বিরোধী দলের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংশোধনের আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রয়েছে। বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত করে আলোচনায় আসার আহ্বান জানান তিনি। ‘জুলাই সনদ’-এর কোনো বিষয়ে তাদের ভিন্নমত থাকলে আলোচনার মাধ্যমে তা সমঝোতার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, বিচারক, শিক্ষাবিদ, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামাজিক শক্তি, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং গত ১৭ বছরে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করবে কমিটি।

সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদে উপস্থাপন করা হবে। এরপর সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিল পাসের মাধ্যমে সংবিধানে সংশোধনী আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি