খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিএমপির অভিযানে আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
ডিএমপির অভিযানে আওয়ামী লীগের ৪০ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

রাজধানীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৪০ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ডিএমপির পৃথক অভিযানে আওয়ামী লীগের ৪০ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় ও কোন কোন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

ডিএমপি জানিয়েছে, এ বিষয়ে পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের আগে যে ভয় ছিল অমলার

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের আগে যে ভয় ছিল অমলার

২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া তামিল সিনেমা ‘আদাই’-তে সাহসী চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন অভিনেত্রী অমলা পল। সিনেমাটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে নগ্ন হয়ে অভিনয় করতে হয়েছিল তাঁকে। তবে পর্দায় এমন দৃশ্যে নিজেকে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া অমলা পলের জন্য সহজ ছিল না। অভিনয়ে সম্মতি দেওয়ার আগে তাঁকে ভাবতে হয়েছিল গল্প, শুটিংয়ের পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার—সবকিছু নিয়েই।

দৃশ্যগুলো কি গল্পের প্রয়োজন, নাকি দর্শক টানার কৌশল?

‘আদাই’-এর প্রস্তাব পাওয়ার পর প্রথমেই অমলার মনে প্রশ্ন জাগে, সিনেমায় নগ্ন দৃশ্যগুলো সত্যিই গল্পের প্রয়োজনীয় অংশ কি না। নাকি দর্শকদের আকৃষ্ট করতেই এমন দৃশ্য রাখা হয়েছে—এ নিয়েও সংশয়ে ছিলেন তিনি।

শুধু দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা নয়, সেগুলো কীভাবে ক্যামেরাবন্দী করা হবে, সেটিও অমলার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিষয়গুলো পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত সিনেমাটিতে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিতে চাননি অভিনেত্রী।

ভবিষ্যৎ ইমেজ নিয়েও ছিল শঙ্কা

সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজের ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবতে হয়েছিল অমলাকে। এমন চরিত্রে অভিনয়ের পর দর্শকের কাছে তাঁর একটি নির্দিষ্ট ইমেজ তৈরি হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ছিল তাঁর।

অভিনেত্রীর ভয় ছিল, পরবর্তীতে নির্মাতারা হয়তো তাঁকে একই ধরনের সাহসী চরিত্রেই বেশি দেখতে চাইবেন। এতে অন্য ধরনের চরিত্রে কাজ করার সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে বলেও শঙ্কা করেছিলেন তিনি।

নিরাপত্তা ও স্বস্তিকে গুরুত্ব দেয় টিম

শেষ পর্যন্ত পরিচালক ও সিনেমার পুরো টিমের ওপর আস্থা তৈরি হলে ‘আদাই’-এ অভিনয়ে সম্মতি দেন অমলা পল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রীর স্বস্তি ও নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।

বিশেষ করে সংবেদনশীল দৃশ্যগুলোর শুটিংয়ের সময় সেটে প্রয়োজনের তুলনায় কমসংখ্যক সদস্য রাখা হয়। এর ফলে ক্যামেরার সামনে অমলা নিজেকে তুলনামূলক স্বচ্ছন্দ রাখতে পেরেছিলেন।

আলোচনার কেন্দ্রে অমলার অভিনয়

মুক্তির পর ‘আদাই’-এ অমলা পলের অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে। সাহসী চরিত্রে তাঁর অভিনয় নিয়ে তৈরি হয় নানা প্রতিক্রিয়া।

তবে পর্দায় দৃশ্যগুলো যতটা আলোচনায় এসেছিল, তার পেছনে থাকা অমলার মানসিক দ্বিধা ও প্রস্তুতির গল্পটিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। গল্পের প্রয়োজনীয়তা, শুটিংয়ের নিরাপত্তা এবং নিজের ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ—সবকিছু বিবেচনা করেই শেষ পর্যন্ত চরিত্রটিতে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

‘আদাই’ তাই শুধু অমলা পলের ক্যারিয়ারের আলোচিত একটি সিনেমা নয়, বরং একটি কঠিন চরিত্র গ্রহণের আগে একজন অভিনেত্রীকে কী ধরনের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, তারও একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

কালের আলো/জেএন

মিরপুরে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, চার মামলায় আসামি ২ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
মিরপুরে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, চার মামলায় আসামি ২ হাজার

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় মোট প্রায় দুই হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে অন্তত ৩০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মিরপুর মডেল ও কাফরুল থানার কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, ওই থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় একটি, পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি এবং ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেছে। প্রতিটি মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

কাফরুল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। এ মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানের একপর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে থাকা ভাসমান দোকান সরানোর সময় ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুন ধরে যায় বলে স্থানীয় দোকানি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। আগুনে মার্কেটের পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও হকারদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

ঘটনার সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের একটি গাড়ির গ্লাসও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ নম্বর সড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে। ঘটনাস্থলের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরাও বাধার মুখে পড়েন।

পরে দুপুরে আবার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। মিরপুর-১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতে থাকা ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িগুলো পরিদর্শন করেন।

তিনি বলেন, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিকল্পিত। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বাংলা কিউআর সম্পূর্ণ নিরাপদ ও এনক্রিপ্টেড: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ
বাংলা কিউআর সম্পূর্ণ নিরাপদ ও এনক্রিপ্টেড: অর্থমন্ত্রী

ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়তে নগদ টাকার লেনদেন কমিয়ে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, বাংলা কিউআর ব্যবহারের মাধ্যমে লেনদেনে কোনো অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না। যে ব্যাংকেরই হিসাব থাকুক, লেনদেনের অর্থ সরাসরি নির্ধারিত হিসাবে জমা হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বনানী কাঁচাবাজারে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অ্যাপ ব্যবহার করে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে কেনাকাটা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলা কিউআর একটি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম এবং এটি সম্পূর্ণ এনক্রিপ্টেড। ফলে এই ব্যবস্থায় অনিয়মের সুযোগ কম থাকবে। ধীরে ধীরে নগদ টাকার লেনদেন কমিয়ে আনতে হবে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই বাংলা কিউআর তৈরি করা হয়েছে। দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলা কিউআরের সুবিধা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই পদ্ধতিতে লেনদেনের জন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে না। সাধারণ শ্রমিকরাও সহজে এর মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন।

নতুন প্রযুক্তি চালুর শুরুতে কিছু কারিগরি সমস্যা হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও নতুন ব্যবস্থা চালুর সময় এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা দেখা গেছে। সময়ের সঙ্গে এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। বাংলা কিউআর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য এটি কার্যকর।

সরকারের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় ডাচ-বাংলা ব্যাংক এ কর্মসূচির আয়োজন করে। গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়াতে ব্যাংকটি দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অনুষ্ঠানে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এহতেশামুল হক খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি