খুঁজুন
                               
, ,
           

অবিবাহিত বলে বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার নিয়ম কোথায়?

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
অবিবাহিত বলে বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার নিয়ম কোথায়?

বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা বা এন্ট্রি পারমিশন এবং বিমান টিকিট থাকার পরও তিন নারীকে নেপাল যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে হাইকোর্টে রিটের পর প্রশ্ন উঠেছে—প্রাপ্তবয়স্ক ও বৈধ ভ্রমণ নথি থাকা কোনো নারীকে শুধু অবিবাহিত হওয়া বা অভিভাবক ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের কারণে আটকে দেওয়ার আইনগত ভিত্তি কী?

মঙ্গলবার(২৯ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আদালত জানতে চেয়েছেন, তিন নারীকে বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়ার ওই কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক নারী নাগরিকদের বৈধ বিদেশযাত্রায় শুধু অবিবাহিত হওয়া, অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ বা অনুরূপ লিঙ্গভিত্তিক বিবেচনায় বাধা না দেওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রণয়ন ও জারির বিষয়েও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

কী ঘটেছিল?

রিটকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ৮ আগস্ট,২০২৬ নেপাল যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাঁদের বাসায় ভ্রমণের বিষয়টি জানানো হয়েছে কি না, তাঁরা অবিবাহিত কি না এবং অভিভাবক ছাড়া কেন যাচ্ছেন—এ ধরনের প্রশ্ন করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

তিন নারী জানান, তাঁদের বৈধ পাসপোর্ট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি এবং বিমান টিকিট থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া হয়। পরে এ ঘটনায় পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখার অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের কাছে অভিযোগ করেন তাঁরা। অভিযোগটি নিষ্পত্তি না হওয়ায় তাঁরা হাইকোর্টে রিট করেন।

সংবিধান কী বলছে?

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদে নাগরিকের বাংলাদেশ থেকে বের হওয়া এবং দেশে ফিরে আসার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। তবে জনস্বার্থে আইনের মাধ্যমে আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধের বিষয়টিও সেখানে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমতার কথা বলা হয়েছে। ২৮ অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা উল্লেখ করে শুধু নারী-পুরুষভেদের কারণে রাষ্ট্রীয় বৈষম্য না করার নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

পাসপোর্ট আইনে কী আছে?

বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার, ১৯৭৩ অনুযায়ী পাসপোর্ট ও ভ্রমণ নথি ইস্যু, দেশত্যাগ এবং এ-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ন্ত্রণের বিধান রয়েছে। আইনটিতে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পাসপোর্ট প্রত্যাখ্যান, বাতিল বা সীমিত করার ব্যবস্থাও আছে।

তবে ‘অবিবাহিত নারী’ হিসেবে আলাদা কোনো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে—এমন বিধান পাসপোর্ট অর্ডারের সংশ্লিষ্ট ধারায় দেখা যায় না। এ কারণেই তিন নারীর ক্ষেত্রে বৈবাহিক অবস্থা বা অভিভাবকের অনুমতির বিষয়টি বিদেশযাত্রা ঠেকানোর বৈধ ভিত্তি ছিল কি না, সেটিই এখন আদালতের বিবেচনায় এসেছে।

হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

রুল জারির পাশাপাশি হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত আইজিপিকে তিন নারীর করা অভিযোগ তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে এবং আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এ ছাড়া ভবিষ্যতে আইনগত ভিত্তি ছাড়া যেন ওই তিন নারীকে বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়া না হয়, সে বিষয়েও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

কেন আলোচনায় বিষয়টি?

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক নারী ইমিগ্রেশনে নিজেদের ভ্রমণ-অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। নারী ভ্রমণকারীদের বৈবাহিক অবস্থা, পরিবারকে জানানো হয়েছে কি না কিংবা একা ভ্রমণের কারণ নিয়ে প্রশ্ন করা কতটা প্রাসঙ্গিক—এ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও নথি যাচাইয়ের এখতিয়ার রয়েছে। প্রশ্ন হলো, বৈধ ভ্রমণ নথি থাকা একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে আটকে দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের নির্দিষ্ট আইনগত কারণ প্রয়োজন এবং বৈবাহিক অবস্থা সেই কারণ হতে পারে কি না। তিন নারীর রিটের পর এখন সেই প্রশ্নের আইনি ব্যাখ্যাই আদালতের সামনে এসেছে।

হাইকোর্টের জারি করা রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পর বিষয়টি নিয়ে আদালতের অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে।

কালের আলো/এসএ

ভক্তদের যুদ্ধ, বন্ধুত্বে অটুট জোভান-তৌসিফ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ভক্তদের যুদ্ধ, বন্ধুত্বে অটুট জোভান-তৌসিফ

পছন্দের অভিনয়শিল্পীকে সেরা প্রমাণ করতে ভক্তদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তর্ক-বিতর্ক নতুন কিছু নয়। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ কিংবা পোস্টের মন্তব্যে প্রিয় তারকাকে এগিয়ে রাখতে অন্য তারকার ভক্তদের সঙ্গে তর্কে জড়ান অনেকেই। কখনো সেই তর্ক সীমা ছাড়িয়ে কটূক্তি কিংবা ঝগড়াতেও গড়ায়।

তবে এবার যে দুই তারকাকে ঘিরে এমন ভার্চুয়াল প্রতিদ্বন্দ্বিতা, তারা নিজেরাই একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান ও তৌসিফ মাহবুব। অভিনয়জীবনের শুরু থেকেই একসঙ্গে পথ চলছেন দুজন। ভক্তদের এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই নিজেদের বন্ধুত্বের জায়গাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন জোভান।

‘যুদ্ধটা আপনাদের, বন্ধুত্বটা আমাদের’

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর)  দুপুরে তৌসিফ মাহবুবের সঙ্গে একটি ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন জোভান। ছবির সঙ্গে ভক্তদের উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘আমাদের দুজনকে নিয়ে ভক্তদের নিজেদের মধ্যে এত ঝগড়াঝাঁটি, এত ভার্চুয়াল মারামারি করার আগে একটা জিনিস জেনে রাখেন, আমরা একে অপরকে যতটা সম্মান করি, আপনারা একে অপরকে ততটা সম্মান করেন না।’

পরে নিজের বক্তব্য আরও স্পষ্ট করে জোভান বলেন, ‘যুদ্ধটা আপনাদের, বন্ধুত্বটা আমাদের। ভালোবাসাটা আমাদের। আপনারা ফ্যান হয়ে একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধ করেন, আর আমরা প্রতিযোগী হয়ে একসঙ্গে আড্ডা দিই।’

তার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ভক্তদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের বিপরীতে দুই অভিনেতার বন্ধুত্বের বিষয়টি সামনে এসেছে।

১৩ বছরের বন্ধুত্ব

জোভান ও তৌসিফের বন্ধুত্ব বেশ পুরোনো। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নির্মাতা রেদওয়ান রনির পরিচালনায় ‘ঝালমুড়ি’ ধারাবাহিক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা। এরপর নিয়মিত বিভিন্ন কাজে একসঙ্গে যুক্ত হতে হতে গড়ে ওঠে তাদের বন্ধুত্ব।

দেখতে দেখতে সেই সম্পর্কের বয়স প্রায় ১৩ বছর। দুজনের ব্যস্ততা বেড়েছে, কাজের পরিধিও বদলেছে; কিন্তু বন্ধুত্বে তার প্রভাব পড়েনি। সুযোগ পেলেই এখনো একসঙ্গে সময় কাটান, আড্ডা দেন।

এর আগে নিজেদের বন্ধুত্ব নিয়ে জোভান বলেছিলেন, ব্যস্ততা যতই থাকুক, বন্ধুদের সঙ্গে মাঝেমধ্যে দেখা হওয়া জরুরি। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভালো হয়ে যায়। তাদের আড্ডায় ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়ে খুনসুটি চলতে থাকে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

মন্তব্যে ফুটে উঠল ভক্তদের দ্বন্দ্ব

জোভানের সাম্প্রতিক পোস্টের মন্তব্যেও দেখা গেছে সেই তারকা-প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘জোভান ভাই আমার কাছে সেরা।’ এর জবাবে আরেকজন লিখেছেন, ‘তৌসিফ ভাই সেরা।’

রাজীব অভি নামের একজন মন্তব্যে লিখেছেন, ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ বা পোস্টে ভক্তরা যেভাবে একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া করেন, বাস্তবে তারকারা নিজেরাই একসঙ্গে আড্ডা দেন।

সব মিলিয়ে জোভানের বক্তব্যে উঠে এসেছে তারকা-ভক্তদের সম্পর্কের একটি পরিচিত বাস্তবতা—পছন্দের শিল্পীকে সমর্থন করা এক বিষয়, আর সেই সমর্থনকে কেন্দ্র করে অন্যের সঙ্গে বিরোধে জড়ানো আরেক বিষয়। দুই অভিনেতার দীর্ঘ বন্ধুত্বের বার্তাটিও তাই স্পষ্ট—পর্দায় প্রতিযোগিতা থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কে থাকতে পারে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্ব।

কালের আলো/এসএ

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢাবি-বুয়েটের জায়গা ১২০০-এর পর

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে ঢাবি-বুয়েটের জায়গা ১২০০-এর পর

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (THE) প্রকাশ করেছে ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭’। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এবারের তালিকায় বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে এবার মোট ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পেয়েছে। এর মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ৮০১-১০০০ ব্যান্ডে নেই। দুটিই ১০০১-১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে।

৮০১-১০০০ ব্যান্ডে চার বিশ্ববিদ্যালয়

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৮০১ থেকে ১০০০ ব্যান্ডে যৌথভাবে রয়েছে চারটি প্রতিষ্ঠান—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)।

এর পরের ১০০১-১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউবিএটি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

THE-এর পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় পেজেও ২০২৭ সালের র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যান্ড দেখানো হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১২০১-১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে।

১২০০-এর পর আরও ১৩ বিশ্ববিদ্যালয়

১২০১ থেকে ১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

১৪০১ থেকে ১৬০০ ব্যান্ডে রয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া ১৮০১ থেকে ২০০০ ব্যান্ডে রয়েছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি।

১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ‘রিপোর্টার’ তালিকায়

র‍্যাঙ্কিংয়ে অংশ নিলেও মূল র‍্যাঙ্ক পাওয়ার প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় বাংলাদেশের আরও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় মূল তালিকায় র‍্যাঙ্ক পায়নি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

THE-এর পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল র‍্যাঙ্কিংয়ের বাইরে ‘রিপোর্টার’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হতে পারে।

যে সূচকে মূল্যায়ন

টাইমস হায়ার এডুকেশনের ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে শিক্ষাদান, গবেষণার পরিবেশ, গবেষণার মান, শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়। ২০২৭ সালের সংস্করণে নতুন ও আরও বিস্তারিত র‍্যাঙ্কিং ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়েছে।

এবারের বৈশ্বিক তালিকায় যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় টানা ১১তমবারের মতো প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটি।

কালের আলো/এসএ

কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
কানাডা থেকে ফেরত ৩৪০ বাংলাদেশি

চলতি বছরের প্রথম আট মাসে কানাডা থেকে ৩৪০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে আরও ১ হাজার ৩৬৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা হয়েছে।

কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ)-এর ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

ফেরত পাঠানোর তালিকায় শীর্ষে ভারত

সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলতি বছরে কানাডা থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ হাজার ৮৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশভিত্তিক তালিকায় সবচেয়ে বেশি নাগরিক ফেরত পাঠানো হয়েছে ভারতের—৪ হাজার ২২৭ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটির ২ হাজার ২৮২ জন নাগরিককে কানাডা থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ৬০১ জন, কলম্বিয়ার ৫৮০ জন, হাইতির ৫৩৫ জন এবং রোমানিয়ার ৪৩৩ জন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

প্রথম ছয় মাসে ২২৭ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর তথ্য ছিল। তখন দেশভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশ সপ্তম অবস্থানে ছিল। আগস্ট শেষে বাংলাদেশি নাগরিক ফেরত পাঠানোর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪০ জনে।

আরও ১ হাজার ৩৬৮ বাংলাদেশি অপসারণ প্রক্রিয়ায়

কানাডা থেকে অপসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা বিদেশি নাগরিকদের তালিকাতেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ৪৯ হাজার ৫৩৬ জন বিদেশি নাগরিক অপসারণ প্রক্রিয়ায় ছিলেন।

এ তালিকায় ভারতের নাগরিক ১০ হাজার ২৯৫ জন এবং মেক্সিকোর ৬ হাজার ১০২ জন। বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন ১ হাজার ৩৬৮ জন, যা দেশভিত্তিক তালিকায় অষ্টম অবস্থান।

সিবিএসএর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, কানাডায় যাদের অপসারণের আদেশ দেওয়া হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর অপসারণ কার্যকর করা হয়। বিভিন্ন ধরনের রিমুভাল অর্ডারের মধ্যে ডিপোর্টেশন, ডিপারচার ও এক্সক্লুশন অর্ডার রয়েছে।

অভিবাসন আইন ভঙ্গ প্রধান কারণ

সিবিএসএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কানাডা থেকে বিদেশি নাগরিকদের অপসারণের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইন না মানার বিষয়টি অন্যতম প্রধান কারণ। আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন—এমন ১২ হাজার ৫ জনকে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া আশ্রয়প্রার্থী নন, এমন আরও ১ হাজার ৭৯৪ জনের ক্ষেত্রেও অভিবাসনসংক্রান্ত আইন ভঙ্গকে অপসারণের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ৮৯৭ জন এবং ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার কারণে ৮৮ জনকে কানাডা থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

কানাডা সরকার জানিয়েছে, দেশটির সীমান্ত ও অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় যাদের কানাডায় থাকার আইনগত অধিকার নেই, তাদের অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে সিবিএসএ ২২ হাজার ৫০০-এর বেশি অযোগ্য বা অননুমোদিত বিদেশি নাগরিককে কানাডা থেকে অপসারণ করেছিল।

কালের আলো/এসএ