খুঁজুন
                               
, ,
           

যানজট-ময়লা-দুর্নীতি নিয়ে নাগরিকদের প্রশ্নের জবাব দিলেন মসিক প্রশাসক

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
যানজট-ময়লা-দুর্নীতি নিয়ে নাগরিকদের প্রশ্নের জবাব দিলেন মসিক প্রশাসক

দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের মধ্যে নগরীর সমস্যা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনা নিয়ে নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে জনতার মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে প্রথমবারের মতো এ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অর্ধশতাধিক নাগরিকের প্রশ্নের জবাব দেন মসিক প্রশাসক।
নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, সিটি করপোরেশনের নাগরিক সেবার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে যানবাহন নিয়ন্ত্রণেও ডিজিটাল কার্যক্রম চালুর চেষ্টা করা হবে।
যানজট নিরসন ও ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় এখনো পূর্ণাঙ্গ সফলতা আসেনি স্বীকার করে প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতায় যানজট সহনীয় পর্যায়ে আনতে অবৈধ যান নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলার জন্য নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত সময়ের দুর্নীতির অভিযোগগুলো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে। প্রমাণের ভিত্তিতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে ঢালাওভাবে সবাইকে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব নয়।

নতুন ভবন নির্মাণ ও অনুমোদনের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, নগরীতে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনকে অবহিত করতে হবে। ড্রেন ও রাস্তার জন্য নির্ধারিত জায়গা ছেড়ে ভবন নির্মাণ করতে হবে। ভবন অনুমোদনের দায়িত্ব কার হবে, সে বিষয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।

নবগঠিত ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটির জনবল কাঠামো এখনো পূর্ণাঙ্গ হয়নি। বর্তমানে অস্থায়ী কার্যালয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কর্তৃপক্ষটি।

নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে মসিক প্রশাসক আরও জানান, নগরীর অসমাপ্ত রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের কাজ আগামী মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসে নগরবাসীর ওপর কোনো ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। তবে নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে নিয়ম অনুযায়ী ট্যাক্স দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে মসিক সচিব সুমনা আল মজিদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ হেলাল উদ্দিন, চিকিৎসক নেতা ডা. মোহাম্মদ আলী, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক টুটু, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজুল কবীর মামুনসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা এবং প্রায় দেড় সহস্রাধিক নাগরিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ফাইনালে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রক্সি

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
ফাইনালে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রক্সি

রাজশাহীতে প্রথম আলো ও স্টার নিউজের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে রাজশাহী অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বগুড়ার রক্সি ফুটবল একাডেমি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত টুর্নামেন্টের আঞ্চলিক ফাইনালে বগুড়ার রক্সি ফুটবল একাডেমি ২-১ গোলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার ক্রীড়া একাডেমিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

ফাইনালের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। নবম মিনিটে পাপিয়া আক্তারের গোলে এগিয়ে যায় রক্সি ফুটবল একাডেমি। তবে তিন মিনিট পরই চাঁপাইনবাবগঞ্জের নুরীনা বেগম গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান। বিরতির ঠিক আগে ৩৫ মিনিটে আলেফা আক্তারের গোলে আবারও এগিয়ে যায় বগুড়ার দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করলেও আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রক্সি ফুটবল একাডেমি। ফাইনালে গোল করে ম্যাচসেরার পুরস্কার পান রক্সির পাপিয়া আক্তার।

এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে জয়পুরহাটের সানরাইজ ফুটবল একাডেমিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে রক্সি। ওই ম্যাচে ম্যাচসেরা হন রক্সির আলেফা আক্তার।

অন্যদিকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার ক্রীড়া একাডেমি ৩-০ গোলে রাজশাহীর ফিরোজ কবির ফুটবল একাডেমিকে হারায়। জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা হন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঁখি আক্তার।

সকালে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় প্রথম আলোর রাজশাহী প্রতিনিধি মো. আবুল কালাম আজাদ, বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাম্মেল হকসহ অন্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন অতিথিরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ রাজনীতি নিয়ে আমিনুলের ‘ক্ষোভ’; লক্ষ্য ইউনিয়ন থেকে খেলোয়াড় তৈরির

বিশেষ সংবাদদাতা/ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিবেদক, কালের আলো:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
জামায়াতের ‘দ্বিমুখী’ রাজনীতি নিয়ে আমিনুলের ‘ক্ষোভ’; লক্ষ্য ইউনিয়ন থেকে খেলোয়াড় তৈরির

সংসদের ভেতরে সরকারের পাশে থাকার কথা বলে বাইরে এসে ভিন্ন অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামীকে তোপ দেগেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তাঁর অভিযোগ, দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরিতে একটি মহল আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপনে সহযোগিতা করছে। চলমান রাজনীতি নিয়ে বক্তব্যের পাশাপাশি নাসিরনগরে তরুণদের মাঠমুখী করা, তৃণমূল থেকে খেলোয়াড় তৈরি ও ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনাও তুলে ধরেছেন তিনি।

  • অভিযোগ জামায়াতের ‘মুখে এক কথা, অন্তরে আরেক’
  • ৪ হাজার ৫৯৯ ইউনিয়নে ক্রীড়া প্রতিভা খোঁজার উদ্যোগ

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। পরে আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর ফাইনাল উদ্বোধন করেন তিনি।

‘মুখে এক কথা, অন্তরে আরেক’
সংসদের বিরোধী দলনজামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘সংসদের ভেতরে তারা বলে, আমরা তো আপনাদের সঙ্গেই আছি, আপনাদের সব কাজে সমর্থন করছি। কিন্তু বাইরে এলেই তাদের ভিন্ন রূপ দেখা যায়। মুখে এক কথা, অন্তরে আরেক কথা।’ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারির সরকারবিরোধী বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, সরকার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের ‘দোসরদের’ সঙ্গে যোগসাজশ করে কেউ কেউ দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। নির্বাচনের আগের প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে আমিনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন।’ তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রচার ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সরকারের সাত মাসের খতিয়ান
সরকারের গত সাত মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আমিনুল হক পরিবার কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা, পরিবেশ রক্ষা এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে পেশাদারত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা বলেন। জাতিসংঘ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে চার দিনে ৩২টি বৈঠকে অংশ নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

রাজনৈতিক উত্তাপের পর মাঠে ক্রীড়ার বার্তা
নাসিরনগরের দ্বিতীয় কর্মসূচিতে আমিনুল হকের বক্তব্যের সুর বদলে যায়। সেখানে তাঁর মূল বার্তা ছিল তরুণদের মাঠে ফেরানো এবং ক্রীড়াকে সামাজিক ও যুব উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা। ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’-এর ফাইনালে দর্শকদের বিপুল উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের এই উপচে পড়া ভিড়ই প্রমাণ করে খেলাধুলার প্রতি মানুষের ভালোবাসা কতটা গভীর। আমাদের সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।’ এরপরই নাসিরনগরের ক্রীড়া অবকাঠামো নিয়ে বড় ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, ‘নাসিরনগরে একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে।’ আশুতোষ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মতি দিলে মাঠের চারপাশে উন্নত গ্যালারি নির্মাণের কথাও জানান।

বিশ্বকাপের স্বপ্ন, শুরু ইউনিয়ন থেকে
বাংলাদেশ একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে—এমন স্বপ্ন দেখাকে দোষের কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তৃণমূল থেকেই খেলোয়াড় তৈরির ওপর জোর দেন তিনি। ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেট, হকি ও অন্যান্য খেলায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসনের তথ্য তুলে ধরেন আমিনুল হক। তাঁর দেওয়া হিসাবে, ইতোমধ্যে প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার অনলাইন নিবন্ধন হয়েছে। কিশোরদের পাশাপাশি কিশোরীদের অংশগ্রহণও প্রায় সমান। আগামী অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী এই আয়োজনের উদ্বোধন করতে পারেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ছয় থেকে সাত মাসব্যাপী এই আয়োজনে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন অংশ নেবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

পর্দা ছাড়িয়ে মাঠে ফেরানোর লক্ষ্য
শিশু-কিশোরদের একটি অংশ দীর্ঘ সময় ডিজিটাল যন্ত্রে ব্যস্ত থাকে উল্লেখ করে তাদের মাঠমুখী করার ওপর জোর দেন আমিনুল হক। তাঁর মতে, খেলাধুলা তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিযোগিতা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এর স্থায়ী সুফল পেতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, দক্ষ কোচ, মাঠের প্রাপ্যতা এবং প্রতিভা বাছাইয়ের ধারাবাহিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

যুব কর্মসংস্থানেও জোর
যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের সম্পৃক্ত করা হবে। তিনি বলেন, ‘আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।’ নাসিরনগরের দুই কর্মসূচিতে একই দিনে আমিনুল হকের বক্তব্যে তাই দুটি আলাদা দিক সামনে এসেছে। একদিকে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা, অন্যদিকে তরুণদের জন্য ক্রীড়া অবকাঠামো ও তৃণমূলভিত্তিক প্রতিভা অন্বেষণের পরিকল্পনা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপিয়াসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরআই/এমকে

জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত, কার্যকর ১ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১১ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত, কার্যকর ১ অক্টোবর

অক্টোবর মাসে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ অক্টোবর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করে।
ফলে অক্টোবর মাসজুড়ে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হবে।
জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা মূল্যহারই অক্টোবর মাসের জন্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) থেকে একই দামে জ্বালানি তেল বিক্রি হবে।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে দাম ও ফ্রেইট চার্জ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু রাখা এবং জ্বালানি তেল পাচার রোধে দেশে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি