খুঁজুন
                               
, ,
           

ছেলেকে নিয়ে সুইমিংপুলে পরীমণি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
ছেলেকে নিয়ে সুইমিংপুলে পরীমণি

তারকাখ্যাতির ঝলমলে জীবন, শুটিংয়ের ব্যস্ততা কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের নানা ব্যস্ততা—সবকিছুর বাইরে পরীমণির কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর সন্তানরা। কাজের ফাঁকে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পেলেই তা উপভোগ করেন ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রী। এবার সেই সময়েরই কিছু বিশেষ মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি।

ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্যকে নিয়ে সুইমিংপুলে জলকেলিতে মেতে উঠেছেন পরীমণি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা ছবিগুলোতে মা-ছেলের হাসি-খুনসুটি আর আনন্দের মুহূর্ত ধরা পড়েছে। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই ভক্ত-অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।

সন্তানই এখন পরীমণির আনন্দের বড় জায়গা

রুপালি পর্দায় নানা চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়া পরীমণির ব্যক্তিজীবনের বড় একটি অংশজুড়ে এখন সন্তানরা। বড় ছেলে শাহীম মুহাম্মদ পূণ্যর পাশাপাশি দত্তক নেওয়া ছেলে ও কন্যাসন্তান সাফিয়া সুলতানা প্রিয়মকে ঘিরেই তাঁর পারিবারিক ব্যস্ততা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন মুহূর্ত ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাঁকে। কখনো তাদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, কখনো খেলাধুলা কিংবা ঘরোয়া আনন্দের ছবি—মাতৃত্বের নানা মুহূর্তই ভক্তদের সামনে তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী।

পানিতে মায়ের সঙ্গে পূণ্যর খুনসুটি

সাম্প্রতিক প্রকাশ করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, ছেলে পূণ্যকে সঙ্গে নিয়ে সুইমিংপুলে সময় কাটাচ্ছেন পরীমণি। কখনো পানিতে দুজনের খুনসুটি, আবার কখনো মায়ের সঙ্গে ছেলের হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্ত—সব মিলিয়ে ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে স্বতঃস্ফূর্ত এক পারিবারিক আবহ।

মা-ছেলের এই আনন্দঘন মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর নেটিজেনদের কাছ থেকেও প্রশংসা পেয়েছে। অনেকেই তাঁদের এই সুন্দর সময়ের প্রশংসা করেছেন।

পর্দার বাইরে অন্য এক পরীমণি

অভিনয়ের কারণে আলোচনায় থাকা পরীমণির ব্যক্তিজীবনের একটি বড় পরিচয় এখন তাঁর মাতৃত্ব। ক্যামেরার সামনে যেমন নানা চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করেন, ক্যামেরার বাইরে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় তাঁকে দেখা যায় একেবারেই অন্য রূপে।

শুটিং ও পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও সন্তানদের জন্য সময় বের করে নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোতেও বারবার উঠে আসে সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত।

নতুন করে জীবন গুছিয়েছেন সন্তানদের ঘিরে

অভিনেতা শরীফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ব্যক্তিগত জীবনের নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে পরীমণিকে। তবে পরবর্তী সময়ে সন্তানদের ঘিরেই নিজের জীবনকে নতুনভাবে সাজিয়েছেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনের নানা অধ্যায় পেরিয়ে এখন সন্তানদের সঙ্গে আনন্দের মুহূর্তগুলোই বেশি করে সামনে আনছেন এই অভিনেত্রী। আর সুইমিংপুলে পূণ্যকে নিয়ে সাম্প্রতিক এই ছবি যেন সেই গল্পেরই আরেকটি ছোট্ট অধ্যায়—তারকা পরীমণির আড়ালে থাকা মমতাময়ী মায়ের একান্ত মুহূর্ত।

কালের আলো/জেএন

জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেলের প্রভাবে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

বাজারে সবজি ও ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি। বরং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে মুরগির দামও।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়া, তালতলা ও আগারগাঁও বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে পটল, ঢ্যাঁড়শ ও চিচিঙ্গা কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ৮০ থেকে ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০, টমেটো ও গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁপে ২০ টাকা, আলু ৩০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে যথাক্রমে বাজারে বিক্রি হচ্ছে।

শীতকালীন সবজির মধ্যে শিম ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, ফুলকপি ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৮০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মুলার দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ৫০ টাকায় নেমেছে।

মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে। সোনালি কক কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা এবং ব্রয়লার ১০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি হাইব্রিড ২৯০, লাল লেয়ার ৩৬০ এবং দেশি মুরগি ৬৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকলেও দাম কমেনি। ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মাছের দামে।

বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের মাছ ও ডিমও আগের তুলনায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

১৩ কোটি নাম বাদ, ফের ভোটার তালিকায় তোলার উদ্যোগ ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
১৩ কোটি নাম বাদ, ফের ভোটার তালিকায় তোলার উদ্যোগ ভারতের

ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের এই সিদ্ধান্ত এসেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সমালোচনার মধ্যে। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআরের পর কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ে থাকলে তা শনাক্ত করে আবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি নতুন ও প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া নাগরিকদের নামও তালিকায় তোলা হবে।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া ভোটার খুঁজবে কর্মকর্তারা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব রাজ্যে এসআইআর শেষ হয়েছে, সেখানে আগের ও পরের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে। কারা বাদ পড়েছেন, সেই তালিকা তৈরি করে যাচাই করা হবে তাঁদের নাম কেন বাদ গেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ডিইও), ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) এবং বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) এ কাজে যুক্ত করা হয়েছে। কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে শনাক্ত হলে প্রয়োজনে তার বাড়িতে গিয়ে ফর্ম ৬ পূরণে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসআইআরে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ

নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ গেছে।

কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত ব্যক্তি, স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ব্যক্তি এবং অন্যান্য কারণে অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটার রয়েছেন। তবে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটারদের নামও বাদ পড়েছে।

দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি নিয়ে বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন।

প্রতিবেদনটিতে ভোটারদের নাম যুক্ত বা বাদ দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের আপত্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগ

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এমনভাবে ভোটার তালিকা পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পেতে পারে।

তবে এটি বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ। নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং অযোগ্য বা একই ব্যক্তির একাধিক নামসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি দূর করাই এসআইআরের উদ্দেশ্য। জ্ঞানেশ কুমারও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কেন নতুন করে নাম যুক্ত করার উদ্যোগ

এসআইআরের পর বৈধ ভোটার বাদ পড়ার অভিযোগ সামনে আসার পরই নির্বাচন কমিশন এখন বাদ পড়া ভোটারদের শনাক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে।

কমিশনের নতুন নির্দেশনায় শুধু যেসব ভোটার নিজেরা আবেদন করবেন, তাঁদের ওপর নির্ভর না করে কর্মকর্তাদেরও আগের ও বর্তমান তালিকা মিলিয়ে সম্ভাব্য বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।

অর্থাৎ, কারও নাম বাদ পড়লেও তিনি আবেদন না করলে বিষয়টি অদেখা থাকবে না—এমন একটি যাচাই প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে

এসআইআরকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছে। একই সঙ্গে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকেও ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের নতুন বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের কতজনকে ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কমিশনের যাচাই ও পরবর্তী হালনাগাদ প্রক্রিয়ার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

শাহজালালে সোনা পাচারের অভিযোগে বিমানকর্মীসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
শাহজালালে সোনা পাচারের অভিযোগে বিমানকর্মীসহ আটক ২

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের সোনার বারসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের এয়ারপোর্ট ইউনিট। পরে ওই কর্মীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

কাস্টমস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এভসেক ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মী ওবায়দুর রহমানের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে শার্টের পকেট ও কোমরের বেল্টে বিশেষভাবে টিস্যুতে মোড়ানো অবস্থায় ৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ১ কেজি ৫ গ্রাম। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

আটক ওবায়দুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় সম্পৃক্ত সন্দেহে আরও এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

এনবিআর জানিয়েছে, উদ্ধার করা সোনা ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধান অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি