খুঁজুন
                               
, ,
           

আনসারে ‘এক আইন, এক কমান্ড’

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
আনসারে ‘এক আইন, এক কমান্ড’

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে নতুন আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামোয় নেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পৃথক তিনটি আইনের অধীনে পরিচালিত বাহিনীকে এবার একটি সমন্বিত আইনের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত ‘আনসার বাহিনী আইন’ বাস্তবায়িত হলে বাহিনীর পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, দায়িত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের পথ খুলবে।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অডিটোরিয়ামে নবনির্মিত ‘অগ্রযাত্রা ভবন’, ‘প্রান্তিক সংযোগ’ পরিষেবা, ‘প্রান্তিক শক্তি’ ও ‘ভ্রাম্যমাণ আইটি প্রশিক্ষণ সেন্টার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা জানান।

  • পৃথক তিন আইন বিলুপ্ত করে সমন্বিত কাঠামোর উদ্যোগ
  • তেজগাঁওয়ে হচ্ছে আধুনিক সদর দপ্তর
  • এক লাখ স্বেচ্ছাসেবককে আনা হচ্ছে ডিজিটাল ব্যবস্থায়

তিন আইন থেকে এক কাঠামো

বর্তমানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘আনসার বাহিনী আইন, ১৯৯৫’, ‘আনসার ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৩’ এবং ‘গ্রাম প্রতিরক্ষা দল আইন, ১৯৯৫’—এই তিনটি পৃথক আইনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা হলো পৃথক এই আইনি কাঠামোগুলোকে একটি একক আইনের অধীনে নিয়ে আসা। এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘একাধিক আইনের পরিবর্তে একটি সমন্বিত ও একক আইন প্রণয়ন করে তার অধীনে আধুনিক বিধিমালা তৈরি করা হলে বাহিনীর সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের আইনিভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে পৃথক আইনের বদলে একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি হলে বাহিনীর বিভিন্ন শাখার দায়িত্ব, কর্তৃত্ব ও পারস্পরিক সম্পর্ক নতুনভাবে নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে অভিন্ন নীতিমালা কার্যকর করার পথও সহজ হতে পারে।

তেজগাঁওয়ে আধুনিক সদর দপ্তর

আইনি সংস্কারের পাশাপাশি আনসার বাহিনীর অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও সামনে এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তেজগাঁওয়ে ৩ দশমিক ৪২৮ একর পরিত্যক্ত জমি আইনানুগভাবে হস্তান্তরের মাধ্যমে আধুনিক আনসার সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হবে। পরিকল্পিত বহুতল ভবনের সঙ্গে থাকবে আধুনিক কমান্ড সেন্টার। এখান থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে দ্রুত তথ্য বিনিময়, সেন্ট্রাল অপারেশন মনিটরিং এবং সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনা পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আধুনিক সদর দপ্তর ও কমান্ড সেন্টার থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে দ্রুত তথ্য বিনিময়, সেন্ট্রাল অপারেশন মনিটরিং এবং সমন্বিত কৌশলগত পরিকল্পনা পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’ এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন নতুন এই কাঠামো বাস্তবায়িত হলে আনসারের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে থাকা সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবী কাঠামোর কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বাড়তে পারে।

নিরাপত্তায় বাড়ছে আনসারের ভূমিকা 

জাতীয় নির্বাচন, ধর্মীয় উৎসব, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি দুর্গম পার্বত্য ও সীমান্তবর্তী এলাকায় যৌথ নিরাপত্তা কার্যক্রম, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, উচ্ছেদ অভিযান, অপরাধ দমন, নিখোঁজ শিশু উদ্ধার এবং দালালবিরোধী কার্যক্রমেও তাদের সম্পৃক্ততার কথা বলেন তিনি। বাহিনীটির দায়িত্বের পরিধি যে শুধু প্রথাগত নিরাপত্তা সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, তা স্পষ্ট। জননিরাপত্তার বিভিন্ন স্তরে আনসার সদস্যদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। মন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন, ধর্মীয় উৎসব, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।’

এক লাখ স্বেচ্ছাসেবককে ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনা 

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, এক লাখ টিডিপি স্বেচ্ছাসেবককে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে একটি শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এক লাখ টিডিপি স্বেচ্ছাসেবককে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে।’

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ, ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প, ডিজিটাল প্রশিক্ষণ এবং ‘প্রান্তিক সংযোগ’ ও ‘প্রান্তিক শক্তি’র মতো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সেবা কার্যক্রম। মন্ত্রীর মতে, এসব উদ্যোগ দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। এতে আনসার-ভিডিপির প্রচলিত নিরাপত্তা ভূমিকার সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন ও সামাজিক-অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও আরও গতি আসবে।

ইতিহাস থেকে আধুনিকায়নের পথে

অনুষ্ঠানে আনসার-ভিডিপির ঐতিহাসিক বিকাশও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে ১৯৭৬ সালে জনগণকে সম্পৃক্ত করে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দর্শনের কথা উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৫ সালে পৃথক তিনটি আইন প্রণয়ন এবং ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক প্রদানের মাধ্যমে বাহিনীর প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এখন প্রস্তাবিত একক আইন ও আধুনিক অবকাঠামোর মাধ্যমে সেই কাঠামোকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা, কেন্দ্রীয় মনিটরিং এবং প্রশিক্ষণভিত্তিক মানবসম্পদ উন্নয়ন বাহিনীটির প্রচলিত কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

একই সংস্কারধারার চারটি উদ্যোগ 

একটি একক আইন, আধুনিক সদর দপ্তর, কমান্ড সেন্টার এবং ডিজিটাল প্রশিক্ষণ—চারটি উদ্যোগকে একই সংস্কারধারার অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। লক্ষ্য হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা ও তৃণমূল পর্যায়ের কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং বাহিনীর সক্ষমতাকে প্রযুক্তিনির্ভর করা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন সদর দপ্তরকে কেন্দ্র করে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালনগত সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনার সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে।’ মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সুশাসন, শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, উদ্ভাবন, জবাবদিহিতা ও সততার ভিত্তিতে নতুন সদর দপ্তরটি জনসেবার একটি আধুনিক মডেল হিসেবে গড়ে উঠবে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাসি খাবার ও অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, গোজো রামেনকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
বাসি খাবার ও অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, গোজো রামেনকে জরিমানা

রাজধানীর উত্তরায় রান্নাঘরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, বাসি খাবার বিক্রি ও পোড়া তেল সংরক্ষণের অভিযোগে ‘গোজো রামেন’ রেস্টুরেন্টকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ রোডে রেস্টুরেন্টটিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘরে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখানে বাসি খাবার ও পোড়া তেল সংরক্ষণের পাশাপাশি ফ্রিজে লেবেলবিহীন খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। এছাড়া আমদানিকারকের তথ্যবিহীন বিদেশি খাদ্যসামগ্রীও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

অভিযানে আরও দেখা যায়, রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ বাধ্যতামূলক ট্রেড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ ও রেস্তোরাঁ নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় সনদ দেখাতে পারেনি।

এসব অনিয়মের বিষয়ে দোষ স্বীকার করায় নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

অভিযানে ঢাকা মেট্রোপলিটনের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মেহরিন যারীন তাসনিম, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. আসলাম ভূঁইয়াসহ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বাস্তবতা বুঝে জানুয়ারি-জুনের মধ্যে স্থানীয় ভোট: ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
বাস্তবতা বুঝে জানুয়ারি-জুনের মধ্যে স্থানীয় ভোট: ইসি সচিব

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে বাস্তবতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ইউনেস্কোর সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আগামী জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের কথা বলেছেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, কমিশন এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। সম্প্রতি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব এসেছে।

তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রীর জানুয়ারি থেকে জুনের সময়সীমার বক্তব্যকে একটি রেফারেন্স হিসেবে নিয়ে কমিশনে বিষয়টি জানানো হবে। এরপর স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ভোটার তালিকা, নির্বাচনী সামগ্রী ও ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে এসএসসি পরীক্ষা, রমজান, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় কর্মসূচিসহ স্থানীয় বাস্তবতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে।

সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, কমিশন তা নেবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি ভবিষ্যতের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আখতার আহমেদ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন থেকে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, ভবিষ্যতের নির্বাচনেও সেই মান বজায় রাখার চেষ্টা থাকবে। স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনা করেই নির্বাচন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়ে ৬ জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
মহুরী-কহুয়া প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে পরশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট মহুরী ব্রিজ এলাকায় প্রকল্পটির ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফলক উন্মোচনের পর প্রধানমন্ত্রী সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে নদী খনন কর্মসূচিরও উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা থেকে সড়কপথে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি জয়নাল আবেদীন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি নথি অনুযায়ী, মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল এপ্রিল ২০২৬ থেকে জুন ২০৩১ পর্যন্ত।

প্রকল্পটির আওতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে ফেনীর সংশ্লিষ্ট এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি