খুঁজুন
                               
, ,
           

বিসিএস ৬১১-এর পর ৪৬, প্রজ্ঞাপন সোমবার

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
বিসিএস ৬১১-এর পর ৪৬, প্রজ্ঞাপন সোমবার

৪৯তম বিসিএসের বিশেষ শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ নিয়ে কয়েক দিনের ধোঁয়াশার মধ্যে এবার সময়সীমা দিল সরকার। বাকি ৪৬ জনের নিয়োগের প্রজ্ঞাপন আগামী সোমবার (৫ অক্টোবর) জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো প্রার্থীর নিয়োগে বৈষম্য করা হবে না বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

  • সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
  • রাজনৈতিক পরিচয়ে বৈষম্য নয়
  • ভেরিফিকেশন হবে বিধি অনুযায়ী

এক ঘোষণায় বদলে গেল অপেক্ষার চিত্র

নিয়োগপ্রত্যাশীদের অপেক্ষার কেন্দ্রে এখন একটি তারিখ—৫ অক্টোবর। প্রথম দফায় ৬১১ জনের প্রজ্ঞাপনের পর বাকি প্রার্থীদের নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। কেউ বাদ পড়েছেন কেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া কোথায় আটকে আছে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের কোনো প্রভাব পড়েছে কি না—এসব প্রশ্ন ঘুরছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই পরিস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা সব সমস্যার কার্যকর সমাধান দিয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাকি ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার (৫ অক্টোবর) জারি হবে।

তবে এই প্রক্রিয়াকে শুধু একটি তারিখ ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি মন্ত্রী। প্রজ্ঞাপনের আগে প্রশাসনিক কিছু ধাপ সম্পন্ন করার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ফাইল রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত যাওয়ার প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই এ বিষয়ে ধৈর্য ধরতে হবে। অর্থাৎ সিদ্ধান্তের পাশাপাশি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াটিও সরকারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে।

সংখ্যার বিষয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য

৪৯তম বিসিএসের নিয়োগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে সংখ্যা ঘিরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই এ বিষয়ে ছড়ানো তথ্যের প্রসঙ্গ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘পিএসসি থেকে ৬৬৮ জনকে সুপারিশ করার কথা থাকলেও প্রকৃত সংখ্যা ছিল ৬৫ জন—এমন বিভ্রান্তিকর তথ্যও ছড়িয়েছে। পরে যাচাইয়ে ৬৫৭ জনের বিষয়টি আসে। তাদের মধ্যে ৬১১ জনের প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে। বাকি ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপনও নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষে জারি করা হবে।’ নিয়োগসংক্রান্ত সংখ্যাগুলো নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সামনে আসার প্রেক্ষাপটে মন্ত্রীর এই বক্তব্যই বৃহস্পতিবারের ব্রিফিংয়ে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সর্বশেষ ব্যাখ্যা। এখন সেই বক্তব্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান বিষয় হলো—৬১১ জনের পর ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন।

রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ‘না’

নিয়োগপ্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেটি সরাসরি নাকচ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিচয় যেটিই হোক, নিয়োগ বা পরীক্ষার ক্ষেত্রে সে কারণে কারও প্রতি বৈষম্য করা হবে না।’ সরকারের এই অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে মূলত নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তৈরি হওয়া প্রশ্নের কারণে। কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় তাঁর নিয়োগের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না—মন্ত্রী প্রকাশ্যেই এমন নিশ্চয়তা দিয়েছেন। ফলে এখন নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে প্রযোজ্য বিধি, যোগ্যতা এবং বাধ্যতামূলক যাচাইপ্রক্রিয়াই প্রাসঙ্গিক—মন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।

ভেরিফিকেশন থাকবে, রাজনৈতিক ছাঁকনি নয় 

তবে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বৈষম্য না করার ঘোষণা মানে নিয়োগের আগে যাচাই বন্ধ হয়ে যাওয়া নয়। বরং পুলিশ ভেরিফিকেশনকে নিয়মিত ও বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কারও বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ বা আদালতে দণ্ডের বিষয় থাকলে বিধি অনুযায়ী তা যাচাই করা হবে। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।

এই জায়গাটিই এদিনের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক। রাজনৈতিক পরিচয় এবং অপরাধসংক্রান্ত যাচাইকে এক কাতারে না রেখে আলাদা করে দেখিয়েছে সরকার। একজন প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় কী—সেটি নিয়োগে বৈষম্যের কারণ হতে পারবে না। অন্যদিকে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ বা আদালতের দণ্ড থাকলে সেটি বিধি অনুযায়ী যাচাইয়ের আওতায় আসবে।

‘সব সরকারের সময়ই ভেরিফিকেশন’

পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভেরিফিকেশন সব সরকারের সময়ই বিধি অনুযায়ী হয়ে থাকে।’ বর্তমানে ভেরিফিকেশনের কারণে কারও নিয়োগ হচ্ছে না—এমন ধারণা করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও জানান তিনি। তবে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের কারণে নিয়োগ না হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ বা আবেদন করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। অর্থাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি থাকলে প্রশাসনিকভাবে সেটি জানানোর সুযোগও থাকছে।

এখন আর গুজব নয়, সোমবারই বড় পরীক্ষা 

নিয়োগপ্রক্রিয়াকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা তথ্য ছড়ানোয় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উত্তেজনা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই সঙ্গে অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে শিক্ষার্থীদের উত্তেজিত না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। সরকারের ঘোষণার পর এখন আলোচনার কেন্দ্রও বদলে গেছে। সময় নির্ধারিত হয়েছে ৫ অক্টোবর। আর অবস্থানও স্পষ্ট করা হয়েছে—রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বৈষম্য করা হবে না; পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে বিধি অনুযায়ী।

এখন সেই অবস্থানের বাস্তব প্রয়োগ দেখা যাবে প্রজ্ঞাপনে। ৪৬ জনের নিয়োগের ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘ অপেক্ষার একটি বড় অংশের অবসান ঘটবে। একই সঙ্গে নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উঠেছে, সেগুলোরও অনেকটা পরিষ্কার হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তাই ৫ অক্টোবর শুধু আরেকটি প্রশাসনিক তারিখ নয়; ৪৯তম বিসিএসের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ঘোষিত অবস্থান বাস্তবে প্রতিফলিত হওয়ার দিনও।

কালের আলো/এমএএএমকে 

ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের অষ্টম ব্যাচ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ভোলা জেলা শহরের শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি দেশের ৬৪ জেলা থেকে ৬ হাজার ৪০০ প্রশিক্ষণার্থীসহ জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক, জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যুক্ত হন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ প্রকল্পের আওতায় অষ্টম ব্যাচে ৪ হাজার ৮০০ জন এবং ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ব্যাচে ১ হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান তিনি।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য তরুণদের কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলা। প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের বিষয়েও নজর দেওয়া হবে।

ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম বলেন, প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে কাজ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও মেন্টরিংয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ১৮ জন সফল ফ্রিল্যান্সার এবং এআই প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচের ছয়জন প্রশিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এছাড়া বরিশাল বিভাগের কয়েকজন সর্বোচ্চ ডলার আয়কারী ফ্রিল্যান্সারকে ল্যাপটপ পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নিজ দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
নিজ দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতি হিসেবে আরও এক মেয়াদে থাকার প্রচেষ্টায় বড় ধাক্কা খেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নিজের দেশ সুইজারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এসএফভি) তাঁর পুনর্নির্বাচনের প্রার্থিতায় দেওয়া সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। অথচ চলতি বছরের জুনেই ইনফান্তিনোর প্রার্থিতার পক্ষে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়েছিল সুইস ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কেন সমর্থন প্রত্যাহার করল সুইস ফুটবল

গত ২৫ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় এসএফভির কেন্দ্রীয় কমিটি। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, গত কয়েক মাসের ঘটনাপ্রবাহ নতুন করে পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এসএফভির মতে, ফিফার নেতৃত্ব, সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু মৌলিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই) উদ্যোগের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা এখনো মেলেনি।

বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক

ইনফান্তিনোর প্রার্থিতা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন ফুটবল সংস্থার অবস্থান বদলের পেছনে সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জুলাইয়ে ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার পরিকল্পনা সামনে আসার পর ব্যাপক সমালোচনা হয়।

প্রস্তাবিত ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা ছিল। সমালোচনার মুখে পরে উদ্যোগটি স্থগিত করা হয়।

‘গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর মেলেনি’

এসএফভির সভাপতি পিটার ক্নাবেল বলেন, ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজের পটভূমি, দায়িত্ব এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। তিনি জানান, এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় ইনফান্তিনোর প্রার্থিতায় সমর্থন অব্যাহত রাখার অবস্থানে নেই সুইস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

ইউরোপে বদলাচ্ছে সমর্থনের চিত্র

সুইজারল্যান্ডের সিদ্ধান্তটি এসেছে ইউরোপের আরও কয়েকটি ফুটবল সংস্থা ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্বিবেচনা করার পর। ইংল্যান্ড, ওয়েলস, ফ্রান্স ও সার্বিয়াসহ কয়েকটি দেশের ফুটবল সংস্থা তাঁর প্রার্থিতা থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফাও নির্বাচনের আগে একজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সামনে আনার কথা জানিয়েছে।

২০২৭ সালের মার্চে নির্বাচন

২০১৬ সাল থেকে ফিফা সভাপতির দায়িত্বে থাকা ইনফান্তিনো আগামী মেয়াদেও দায়িত্বে থাকার জন্য প্রার্থী হয়েছেন। ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা সভাপতি নির্বাচন হওয়ার কথা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৮ নভেম্বর।

নিজ দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সমর্থন প্রত্যাহারের ঘটনা তাই নির্বাচনের আগে ইনফান্তিনোর প্রার্থিতা ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে সমর্থন প্রত্যাহার করলেও তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হয়নি; নির্বাচন ও মনোনয়ন প্রক্রিয়া নির্ধারিত নিয়মেই এগোবে।

কালের আলো/জেএন

নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

ফেনী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
নানাবাড়ির স্মৃতি মনে করে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীতে সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে নিজের নানাবাড়িতে যাওয়ার স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বহু বছর পর নানাবাড়ি আসলাম। খুব সম্ভবত ১৯৮৪ সালে এসেছিলাম। এরপর ১৯৯১ সালে এসেছিলাম।’

তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে, একই সঙ্গে নানাবাড়ির জন্যও কাজ করতে হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর মানুষকে বন্যার হাত থেকে রক্ষায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প এবং নদী খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভোটের আগে তিনি নদীটি খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতেই এখন কাজ শুরু করা হচ্ছে।

ফেনীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। ১৯৭১ সালে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এসব দল কয়েকটি আসনে জয়ী হয়ে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করছে। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি তার প্রথম ফেনী সফর। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবন থেকে বাসে করে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর ২টার দিকে পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি