খুঁজুন
                               
, ,
           

সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহারে ওপেনএআইয়ের ৩ গবেষক বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহারে ওপেনএআইয়ের ৩ গবেষক বরখাস্ত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে নিরাপত্তা ও ঝুঁকির বিতর্কের মধ্যেই সংবেদনশীল তথ্য নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যবহারের অভিযোগে তিন গবেষককে বরখাস্ত করেছে ওপেনএআই। চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে বরখাস্ত হওয়া তিন কর্মীর পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি ওপেনএআই।

প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগ

এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওপেনএআই জানিয়েছে, তদন্তে ওই তিন কর্মীর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে সংবেদনশীল তথ্য ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এ ঘটনায় তাদের নীতিমালা লঙ্ঘিত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া তিন গবেষক হলেন জেসমিন ওয়াং, তোমেক কোরবাক ও মিকিতা বালেসনি। তবে তাঁদের কেউই এএফপির মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি।

এআইয়ের ঝুঁকি নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত

বরখাস্ত হওয়া তিন গবেষকই সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এআইয়ের নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত মতামত প্রকাশ করে আসছিলেন।

মিকিতা বালেসনি ১০ সেপ্টেম্বর এক পোস্টে লিখেছিলেন, ওপেনএআইয়ে কাজ করার সুবাদে তাঁর ধারণা, এআইয়ের কারণে সব মানুষের মৃত্যু হওয়ার আশঙ্কা ১০ শতাংশের বেশি।

অন্যদিকে তোমেক কোরবাক ১১ সেপ্টেম্বর ওপেনএআইয়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্টির কথা উল্লেখ করলেও নিজের মতামত প্রকাশের সুযোগ পাওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন।

এআই নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

ওপেনএআইয়ের তিন কর্মীকে বরখাস্ত করার ঘটনা এমন সময়ে সামনে এলো, যখন শক্তিশালী এআই মডেলের নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতে এসব প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে।

গত মাসে ২৭ বছর বয়সী এআই গবেষক জ্যাকব কক্সন অ্যানথ্রপিক থেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, ওপেনএআইসহ শীর্ষ এআই প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী মডেল তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে ‘আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে’।

এদিকে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এআই মডেলের নিরাপত্তা নিয়ে আরও কিছু ঘটনা সামনে এসেছে। ওপেনএআই তাদের নতুন ‘অ্যাস্ট্রা ৬.১’ মডেল প্রকাশের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, পরীক্ষায় মডেলটিকে পুরোপুরি বিশ্বস্ত মনে হয়নি এবং এতে নির্দেশনা অমান্য করার প্রবণতা দেখা গিয়েছিল।

ফলে শক্তিশালী এআই মডেল তৈরির পাশাপাশি এসব প্রযুক্তির নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে রাখা নিয়ে প্রযুক্তি খাতে বিতর্ক আরও জোরালো হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

১৩ কোটি নাম বাদ, ফের ভোটার তালিকায় তোলার উদ্যোগ ভারতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ
১৩ কোটি নাম বাদ, ফের ভোটার তালিকায় তোলার উদ্যোগ ভারতের

ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এ কার্যক্রম চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের এই সিদ্ধান্ত এসেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সমালোচনার মধ্যে। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআরের পর কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ে থাকলে তা শনাক্ত করে আবার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি নতুন ও প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া নাগরিকদের নামও তালিকায় তোলা হবে।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া ভোটার খুঁজবে কর্মকর্তারা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব রাজ্যে এসআইআর শেষ হয়েছে, সেখানে আগের ও পরের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হবে। কারা বাদ পড়েছেন, সেই তালিকা তৈরি করে যাচাই করা হবে তাঁদের নাম কেন বাদ গেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ডিইও), ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) এবং বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) এ কাজে যুক্ত করা হয়েছে। কোনো বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে শনাক্ত হলে প্রয়োজনে তার বাড়িতে গিয়ে ফর্ম ৬ পূরণে সহায়তা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসআইআরে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ

নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ গেছে।

কমিশনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে মৃত ব্যক্তি, স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ব্যক্তি এবং অন্যান্য কারণে অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ভোটার রয়েছেন। তবে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটারদের নামও বাদ পড়েছে।

দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি নিয়ে বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশি গত ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন।

প্রতিবেদনটিতে ভোটারদের নাম যুক্ত বা বাদ দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশনের ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের আপত্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের অভিযোগ

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এমনভাবে ভোটার তালিকা পরিবর্তন করা হয়েছে, যাতে ক্ষমতাসীন বিজেপি রাজনৈতিকভাবে সুবিধা পেতে পারে।

তবে এটি বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ। নির্বাচন কমিশন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং অযোগ্য বা একই ব্যক্তির একাধিক নামসহ বিভিন্ন অসঙ্গতি দূর করাই এসআইআরের উদ্দেশ্য। জ্ঞানেশ কুমারও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কেন নতুন করে নাম যুক্ত করার উদ্যোগ

এসআইআরের পর বৈধ ভোটার বাদ পড়ার অভিযোগ সামনে আসার পরই নির্বাচন কমিশন এখন বাদ পড়া ভোটারদের শনাক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে।

কমিশনের নতুন নির্দেশনায় শুধু যেসব ভোটার নিজেরা আবেদন করবেন, তাঁদের ওপর নির্ভর না করে কর্মকর্তাদেরও আগের ও বর্তমান তালিকা মিলিয়ে সম্ভাব্য বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে।

অর্থাৎ, কারও নাম বাদ পড়লেও তিনি আবেদন না করলে বিষয়টি অদেখা থাকবে না—এমন একটি যাচাই প্রক্রিয়া চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে

এসআইআরকে কেন্দ্র করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধী দলগুলোর প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। কংগ্রেসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিও তুলেছে। একই সঙ্গে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকেও ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের নতুন বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের কতজনকে ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কমিশনের যাচাই ও পরবর্তী হালনাগাদ প্রক্রিয়ার পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

শাহজালালে সোনা পাচারের অভিযোগে বিমানকর্মীসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
শাহজালালে সোনা পাচারের অভিযোগে বিমানকর্মীসহ আটক ২

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের সোনার বারসহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মীকে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউসের এয়ারপোর্ট ইউনিট। পরে ওই কর্মীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

কাস্টমস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে এভসেক ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মী ওবায়দুর রহমানের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে শার্টের পকেট ও কোমরের বেল্টে বিশেষভাবে টিস্যুতে মোড়ানো অবস্থায় ৯টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ১ কেজি ৫ গ্রাম। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ১০ লাখ টাকা।

আটক ওবায়দুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় সম্পৃক্ত সন্দেহে আরও এক যাত্রীকে আটক করা হয়।

এনবিআর জানিয়েছে, উদ্ধার করা সোনা ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনের বিধান অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

আইএলটি২০ পঞ্চম আসরের খেলোয়াড় নিলামে নতুন ইতিহাস ফারুকির

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
আইএলটি২০ পঞ্চম আসরের খেলোয়াড় নিলামে নতুন ইতিহাস ফারুকির

ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির (আইএলটি২০) পঞ্চম আসরের খেলোয়াড় নিলামে নতুন ইতিহাস গড়েছেন আফগানিস্তানের পেসার ফজলহক ফারুকি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নিলামে ৩ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারে তাকে দলে ভিড়িয়েছে এমআই এমিরেটস।

আইএলটি২০ নিলামের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মূল্যের চুক্তি। এর মাধ্যমে আগের রেকর্ডটি ভেঙে দিয়েছেন ফারুকি। এর আগে ২ লাখ ৬০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়ে সর্বোচ্চ মূল্যের খেলোয়াড় ছিলেন অ্যান্দ্রে ফ্লেচার।

লিভিংস্টোন-গুরবাজ-ডু প্লেসিরও বড় চুক্তি

এবারের নিলামে শুধু ফারুকিই নয়, আগের নিলামমূল্যের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছেন আরও তিন ক্রিকেটার।

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোনকে ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে দলে নিয়েছে গালফ জায়ান্টস। একই ফ্র্যাঞ্চাইজি রাইট-টু-ম্যাচ (আরটিএম) কার্ড ব্যবহার করে ৩ লাখ ১০ হাজার ডলারে আফগানিস্তানের রহমানউল্লাহ গুরবাজকেও ধরে রেখেছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি ৩ লাখ ডলারে যোগ দিয়েছেন দুবাই ক্যাপিটালসে।

চার পাকিস্তানি তারকা ডেসার্ট ভাইপার্সে

আইএলটি২০-এর বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ডেসার্ট ভাইপার্সও নিলামে বড় চমক দেখিয়েছে। পাকিস্তানের চার তারকা ক্রিকেটার বাবর আজম, নাসিম শাহ, ফখর জামান ও শাদাব খানকে দলে নিয়েছে তারা।

চারজনকেই ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের ভিত্তিমূল্যে দলে ভিড়িয়েছে ভাইপার্স। এর মাধ্যমে আইএলটি২০-এর পঞ্চম আসরে প্রথমবারের মতো খেলতে যাচ্ছেন বাবর আজম। অন্যদিকে নাসিম শাহ ও ফখর জামান ফিরছেন তাদের পুরোনো দলে।

ইউএই ক্রিকেটারদেরও বড় দর

নিলামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়েও ছিল বেশ আগ্রহ। দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া ক্রিকেটার হয়েছেন অলরাউন্ডার মুহাম্মদ ওয়াসিম।

আরটিএম কার্ড ব্যবহার করে ২ লাখ ১০ হাজার ডলারে তাকে ধরে রেখেছে এমআই এমিরেটস।

এ ছাড়া আলিশান শারাফুকে ১ লাখ ১০ হাজার ডলারে দলে নিয়েছে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। মুহাম্মদ রোহিদ ও আয়ান খান পেয়েছেন ৯৫ হাজার ডলার করে। রোহিদ যোগ দিয়েছেন নাইট রাইডার্সে, আর আয়ান খান নাম লিখিয়েছেন দুবাই ক্যাপিটালসে।

এবারের নিলামে ফারুকির রেকর্ডমূল্যের চুক্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তারকাদের বড় অঙ্কে দলে ভেড়ানো এবং স্থানীয় ক্রিকেটারদের প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর আগ্রহ—সব মিলিয়ে আইএলটি২০-এর পঞ্চম আসরের দল গঠনে দেখা গেছে বেশ জমজমাট লড়াই।

কালের আলো/এসএ