খুঁজুন
                               
, ,
           

পুকুর ভরাটে কক্সবাজারে বাড়ছে সুপেয় পানির সংকট

কক্সবাজার সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ
পুকুর ভরাটে কক্সবাজারে বাড়ছে সুপেয় পানির সংকট

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 80?

কক্সবাজারে অপরিকল্পিত নগরায়ন, পুকুর ও জলাধার ভরাট এবং ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহারে পরিবেশ ও পানি-নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সরকারি হিসাবে গত কয়েক বছরে জেলার পুকুরের সংখ্যা কমেছে এক হাজারেরও বেশি। একই সময়ে প্রতিবছর ১০ থেকে ১১ ফুট হারে নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কক্সবাজারে পুকুর রয়েছে ৯ হাজার ৫৬০টি। অথচ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১১ সালের হিসাবে এ সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৬৩৭টি। অর্থাৎ সরকারি হিসাবেই এক হাজার ৭৭টি পুকুর কমেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর দাবি, বাস্তবে বর্তমানে জেলার পুকুরের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি নয়।

জেলার পেকুয়া উপজেলায় সদর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে প্রায় সাড়ে ৯ বিঘার একটি সরকারি পুকুরও গত কয়েক বছরে ভরাট হয়ে ছোট হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরটির পাড় ধীরে ধীরে ভরাট করায় এর আয়তন কমেছে। অথচ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ হাজার মানুষ এবং হাটবারে ২৫ থেকে ৩০ হাজার মানুষ পুকুরটি ব্যবহার করেন।

শুধু পেকুয়া নয়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় পুকুর ও জলাধার ভরাট করে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন, মার্কেট, আবাসিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো। পরিবেশবাদীরা বলছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ন, বাণিজ্যিকভাবে মাটি ফেলা এবং যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব জলাধার কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, প্রতিবছর যেভাবে পুকুর হারিয়ে যাচ্ছে, তা জেলার জন্য ভয়াবহ সংকেত। সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন উভয় ধরনের পুকুর ভরাটের কারণে সুপেয় পানি ও পরিবেশগত সংকট বাড়ছে।

পুকুর ও জলাধার কমে যাওয়ার প্রভাব পড়ছে পানি নিষ্কাশন, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ, স্থানীয় তাপমাত্রা এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, বৃষ্টির সময় পুকুর পানি ধারণ করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর চাপ কমায়। একই সঙ্গে জলাধার স্থানীয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

এদিকে কক্সবাজারে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবছর ১০ থেকে ১১ ফুট হারে পানির স্তর নিচে নামছে। এক দশক আগে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ায় ১২০ থেকে ১৫০ ফুট গভীরতায় পানি পাওয়া গেলেও বর্তমানে অনেক জায়গায় পানির জন্য ৩০০ ফুটের বেশি গভীরে যেতে হচ্ছে।

সাগরপাড়ের কলাতলী এলাকাতেও গত কয়েক বছরে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ১০ থেকে ১৫ ফুট নিচে নেমেছে। এতে তিন শতাধিক আবাসিক হোটেলের অনেক পানির পাম্প অকেজো হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন এবং পুকুর-জলাশয় ভরাটকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আবুল মনজুর বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং পুকুর, লেক ও নদীর পানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে বাঁকখালী নদীর পানি শোধনের জন্য একটি বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ লাখ লিটার পানি শোধন করা সম্ভব হবে, যা কক্সবাজার পৌরসভার মোট চাহিদার প্রায় ৫৫ শতাংশ পূরণ করতে পারবে।

এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং প্রকল্প চলছে। উখিয়া ও টেকনাফে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য পৃষ্ঠপানি জলাধার ও পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি শহরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় পর্যাপ্ত জলাধার থাকা জরুরি। কক্সবাজারে জলাধার ভরাটের প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে পানি-নিরাপত্তা, জলাবদ্ধতা ও অতিরিক্ত তাপের মতো সংকট আরও তীব্র হতে পারে। তাই বিদ্যমান পুকুর ও প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ এবং অবৈধ ভরাট বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

দুই হাতের প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে স্বামীর সঙ্গে জোহরার সংসার

যশোর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
দুই হাতের প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে স্বামীর সঙ্গে জোহরার সংসার

দুই হাতে প্রতিবন্ধকতা। স্বাভাবিকভাবে অনেক কাজ করাই কঠিন। তবু শারীরিক সীমাবদ্ধতার কাছে হার মানেননি যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের জোহরা খাতুন। প্রায় ২৫ বছর ধরে স্বামী রশিদের সঙ্গে চায়ের দোকানে কাজ করে সংসারের হাল ধরে রেখেছেন তিনি।

জোহরা ও রশিদের দাম্পত্যজীবন প্রায় ৪০ বছরের। দীর্ঘ এই সময়ে অভাব-অনটন ও নানা প্রতিকূলতা এলেও দুজন একে অপরের পাশে থেকেছেন। জোহরার শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করলেও সংসারের দায়িত্ব থেকে তাঁকে পিছিয়ে দিতে পারেনি।

প্রতিদিন ফজরের নামাজের পর ঘুম থেকে ওঠেন জোহরা। এরপর চলে যান স্বামীর চায়ের দোকানে। সেখানে চা তৈরি, ক্রেতাদের চা দেওয়া এবং দোকানের বিভিন্ন কাজে স্বামীকে সহযোগিতা করেন। দুপুরের দিকে বাড়ি ফিরে রান্নাসহ ঘরের কাজ শেষ করেন। স্বামীর জন্য খাবার তৈরি করে আবার দোকানে ফিরে যান। এরপর দুপুর থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত স্বামীর সঙ্গে দোকানে কাজ করেন।

দুই হাতে প্রতিবন্ধকতা থাকায় প্রতিদিনের কাজে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে। তারপরও জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

জোহরা খাতুন বলেন, ‘আমরা কারও কাছে হাত পেতে খাই না। আমার দুই হাত প্রতিবন্ধী। তারপরও আমি আমার স্বামীর সঙ্গে কষ্ট করে সংসার চালাই। আমার স্বামী আমাকে দেখে কখনো ঘৃণা করে না। আমরা দুজন দুজনকে নিয়ে বেঁচে আছি।’

দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁদের সম্পর্কের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। স্বামী রশিদও দীর্ঘদিন ধরে চায়ের দোকান চালিয়ে আসছেন। সংসারের প্রয়োজনেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেন তিনি। দুজনের আয়ে চলে তাঁদের সংসার।

স্থানীয় এক রাজনৈতিক প্রতিনিধি বলেন, জোহরা ও রশিদের মতো অসচ্ছল মানুষের পাশে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সহযোগিতা পেলে তাঁদের জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজের মধ্যেই কাটে জোহরার দিন। ঘরের কাজ সামলে আবার দোকানে ছুটে যেতে হয়। এভাবেই প্রায় ২৫ বছর ধরে চায়ের দোকানে কাজ করছেন তিনি।

জোহরা বলেন, তিনি কারও করুণা চান না। স্বামীর সঙ্গে কাজ করে সম্মানের সঙ্গে সংসার চালিয়ে যেতে চান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হার মানেনি, ১০ বছর ধরে হুইলচেয়ারে পাঠদান

ফরিদপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা হার মানেনি, ১০ বছর ধরে হুইলচেয়ারে পাঠদান

দুই পায়ের শক্তি হারিয়েছেন এক দশক আগে। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার সক্ষমতা না থাকলেও শিক্ষার আলো ছড়ানোর কাজে থেমে যাননি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বামুন্দী বালিয়াকান্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্ব লাল মণ্ডল। হুইলচেয়ারই এখন তার চলাচলের একমাত্র বাহন। বিদ্যালয়ে যাতায়াত থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান—সব ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

জানা গেছে, জন্মের পর সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিলেন অপূর্ব লাল মণ্ডল। পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার পায়ে সামান্য সমস্যা দেখা দেয়। সেই সমস্যা নিয়েই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেন। ১৯৯৯ সালে নিজ এলাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি।

এর কয়েক বছর পর ধীরে ধীরে তার দুই পায়ের শক্তি কমতে থাকে। একপর্যায়ে দুই পায়ে ভর করে হাঁটার সক্ষমতা হারান। গত ১০ বছর ধরে হুইলচেয়ারই তার একমাত্র চলাচলের মাধ্যম।

অপূর্ব লাল মণ্ডল বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যেতে শিক্ষার্থীরাই তার চলার সঙ্গী। কখনো কারও কাঁধে ভর করে, আবার কখনো একাধিক শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় তিনি স্কুলে যান। নানা কষ্ট ও চ্যালেঞ্জ থাকলেও শিক্ষকতাকে শুধু পেশা হিসেবে দেখেন না তিনি; শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়াকেই জীবনের নেশা হিসেবে নিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাকিব উল্লাহ বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই তিনি অপূর্ব স্যারের কাছে পড়ছেন। আগে বড় ক্লাসের শিক্ষার্থীরা স্যারকে হুইলচেয়ারে করে স্কুলে নিয়ে আসতেন। এখন তারা নিজেরাই সেই দায়িত্ব পালন করছেন। শারীরিক কষ্টের মধ্যেও স্যার খুব সুন্দরভাবে ক্লাস নেন এবং শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগান।

সহকারী শিক্ষক ফরিদ শেখ বলেন, অপূর্ব লাল মণ্ডল তার বাল্যবন্ধু। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছেন এবং কাছাকাছি সময়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। বন্ধুর শারীরিক অসুস্থতার কষ্ট থাকলেও শেষ দিন পর্যন্ত তার পাশে থাকতে চান তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, শুধু বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া নয়, শ্রেণিকক্ষেও অপূর্ব লালের দায়িত্ব পালনে কোনো ক্লান্তি দেখা যায় না। তিনি যত্ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠ বুঝিয়ে দেন। তবে একটি আধুনিক হুইলচেয়ার পেলে তার যাতায়াত ও পাঠদান আরও সহজ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (৪ অক্টোবর) দেশের দুই শেয়ারবাজারে সূচকের ওঠানামার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। দিনের শুরুতে নিম্নমুখী থাকলেও পরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হয়।

ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে অবস্থান করে। এ সময় ডিএসই শরিয়াহ্ সূচকও ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১০০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। তবে ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০০ পয়েন্টে অবস্থান করে।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ডিএসইতে ৮২ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৫৯টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১২০টির কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

এর আগে লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটে ডিএসইএক্স ৫ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আরও ৬ পয়েন্ট কমে যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। পরে সূচক ঘুরে দাঁড়ায়।

এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮২৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। তবে এরপর সিএসইর সূচকও ঊর্ধ্বমুখী হতে দেখা যায়।

সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এ সময় ১০টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৩টির কমেছে এবং চারটির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি