খুঁজুন
                               
, ,
           

কাঁচা পাট নয়, মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে জোর: পাটমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
কাঁচা পাট নয়, মূল্য সংযোজিত পণ্য রপ্তানিতে জোর: পাটমন্ত্রী

কাঁচা পাট রপ্তানির পরিবর্তে পাটকে প্রক্রিয়াজাত করে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজনের পণ্য তৈরির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি প্যাকেজিং, ব্লেন্ডেড ফাইবারসহ উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটের ১৪৫ মণিপুরিপাড়ায় জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) কনফারেন্স সেন্টারে প্রতিষ্ঠানটির প্রদর্শনী কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পাটমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি পাটসহ অন্যান্য খাতের বিকাশেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পাটজাত বহুমুখী পণ্যের প্রচার ও প্রসারের জন্য স্থায়ী শোরুম চালু করা হয়েছে। সেখানে পণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশীয় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বিদেশি ক্রেতাদের কাছেও এসব পণ্যের পরিচিতি বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, পাটের তৈরি অনেক পণ্য যন্ত্রনির্ভর হলেও বেশ কিছু পণ্য হাতে তৈরি হয়। এসব হাতে তৈরি পণ্যকে ক্ষুদ্র শিল্প হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ খাতকে আরও বিকশিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাটজাত পণ্য ও পাটের তৈরি পলিথিনের সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জেডিপিসি ও এ খাতের উদ্যোক্তাদের সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে একটি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হবে পাটের সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন নিশ্চিত করা।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, কাঁচা পাট বিক্রি করলে এতে মূল্য সংযোজন খুব কম হয়। পাটের স্লাইভার তৈরির মাধ্যমে কিছুটা মূল্য বাড়ানো সম্ভব। তবে প্যাকেজিং পণ্য তৈরিতে আরও বেশি মূল্য সংযোজনের সুযোগ রয়েছে।

তিনি জানান, গত বছর বাজারের সর্বোচ্চ সময়ে এক টন কাঁচা পাটের দাম প্রায় দেড় লাখ টাকা বা ১ হাজার ২০০ ডলারের মতো ছিল। একই পাট প্যাকেজিং পণ্যে রূপান্তর করা হলে প্রতি টনে এর মূল্য প্রায় ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ ডলারে উন্নীত হতে পারে।

পাটের সঙ্গে তুলা বা অন্য তন্তু মিশিয়ে ব্লেন্ডেড ফাইবার তৈরি করা হলে মূল্য আরও বাড়ানো সম্ভব বলে জানান মন্ত্রী। এ ধরনের পণ্যের মূল্য প্রতি টনে ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার, এমনকি ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

পাটমন্ত্রী বলেন, দেশের উৎপাদিত পাটের সর্বোচ্চ পরিমাণকে মূল্য সংযোজিত পণ্যে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ও রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব হবে।

তিনি জানান, দেশে কী পরিমাণ পাট উৎপাদিত হয় এবং এর কতটা কোন কোন মূল্য সংযোজনের খাতে ব্যবহার করা সম্ভব, তা নিয়ে কাজ চলছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগলেও এর কার্যকর ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পাটের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানো, নতুন নতুন পণ্য উদ্ভাবন এবং দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পাটজাত পণ্যের পরিচিতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ময়মনসিংহে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: জামালপুরে ৭ জনের দাফন

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ: জামালপুরে ৭ জনের দাফন

ময়মনসিংহে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত জামালপুরের সাতজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবারের ওই দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ সাতজন নিহত হন। তাদের মৃত্যুতে জামালপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে পৃথক স্থানে নিহতদের জানাজা শেষে পারিবারিক ও স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সকাল ৯টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার ঘোড়াকান্দা গ্রামে মর্জিনা আক্তার ও তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মিনানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। সকাল ১০টার দিকে ভাটিপাড়া গ্রামে মোফাজ্জল হোসেন লেবু ও তার মা রাশিদা বেগমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। একই সময়ে বাকি তিনজনের মরদেহও দাফন করা হয়।

নিহতরা হলেন—দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)। এছাড়া অটোরিকশাচালক বীর গোবিন্দপুর গ্রামের সুজন আলী (৪৪), বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তার স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯) নিহত হন।

এর আগে শুক্রবার ময়মনসিংহে রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তারা নিহত হন।

একই পরিবারের চারজনকে একসঙ্গে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা। দাফনের সময় কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দারাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন।

নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেস আলী মামুন নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার এবং সহযোগিতার ব্যবস্থা করার কথা জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

নদী-খাল দখলমুক্ত করতে রাজনৈতিক পরিচয় দেখবে না সরকার

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
নদী-খাল দখলমুক্ত করতে রাজনৈতিক পরিচয় দেখবে না সরকার

দেশের নদী, খাল ও জলাশয় দখলমুক্ত এবং পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বা রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

তিনি বলেন, একবার খনন ও পুনরুদ্ধার করা নদী, খাল কিংবা জলাশয় যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মহানন্দা নদী এলাকা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় নোঙর বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘নোঙর রিভার ক্যাম্প’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

পরে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অংশ নেন ফরহাদ হোসেন আজাদ।

আন্তঃসীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমারের মোট ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে ৫৪টি এবং মিয়ানমারের সঙ্গে তিনটি নদী রয়েছে। এসব নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

ফারাক্কা চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, ৩০ বছর মেয়াদি এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে তা নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চুক্তি নবায়নের বিষয়ে একটি কারিগরি কমিটি কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী মহানন্দা নদীর সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। পরে নোঙর রিভার ক্যাম্পের পতাকা আয়োজকদের হাতে তুলে দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

আয়োজকরা জানান, নোঙর বাংলাদেশের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন জেলায় পর্যায়ক্রমে রিভার ক্যাম্পের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিভিন্ন জেলা ঘুরে কর্মসূচিটি টেকনাফে গিয়ে শেষ হবে।

অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, তেঁতুলিয়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আকাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চুসহ নোঙর বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং পরিবেশকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজধানীতে নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব। এ জন্য যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন ও গ্রিন’ করার লক্ষ্য সামনে রেখে গত তিন মাস ধরে প্রতি শনিবার সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে এডিস মশার প্রজননের সুযোগ কমে যায়। তাই নগরবাসীকে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি ভবন ও পরিত্যক্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ডিএনসিসি এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যেন কোনো রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না হয়, সেটিই তাদের লক্ষ্য।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ৯০ দিনের কর্মসূচিকে সামনে রেখে উত্তর সিটির বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির মালিক সমিতি, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিদিন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় তিন ধরনের লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কিছু ব্যবসায়ী ও হকার ফুটপাত দখল করে রাখায় নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মিরপুর-১০ থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘদিনের দখলে থাকা ফুটপাত উচ্ছেদ করা হয়েছে।

তিনি জানান, দখলমুক্ত করা এলাকায় স্থানীয় জনগণ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাত পর্যবেক্ষণ করছে এবং মাইকিং করছে, যাতে পুনরায় কেউ সেখানে বসতে না পারে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ফার্মগেটসহ যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল হয়ে আছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। দখলমুক্ত করার পরও কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফুটপাত দখলকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি নিজেই বিএনপির একজন কর্মী এবং দলের সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দলের ভেতরে কিংবা বাইরে যারাই দুষ্কৃতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নিজ নিজ এলাকায় থেকে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য রাজনৈতিক সহকর্মীদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

ফুটপাত দখলমুক্ত কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, উচ্ছেদের আগে যেমন ফুটপাত দখলের চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তেমনি উচ্ছেদের পর সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরা প্রয়োজন। এতে নগরবাসীর সচেতনতা বাড়বে এবং ফুটপাত দখল নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি