খুঁজুন
                               
, ,
           

ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

রাজধানীতে নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব। এ জন্য যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন ও গ্রিন’ করার লক্ষ্য সামনে রেখে গত তিন মাস ধরে প্রতি শনিবার সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে এডিস মশার প্রজননের সুযোগ কমে যায়। তাই নগরবাসীকে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি ভবন ও পরিত্যক্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ডিএনসিসি এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রায় ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যেন কোনো রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না হয়, সেটিই তাদের লক্ষ্য।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ৯০ দিনের কর্মসূচিকে সামনে রেখে উত্তর সিটির বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির মালিক সমিতি, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রতিদিন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় তিন ধরনের লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কিছু ব্যবসায়ী ও হকার ফুটপাত দখল করে রাখায় নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মিরপুর-১০ থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘদিনের দখলে থাকা ফুটপাত উচ্ছেদ করা হয়েছে।

তিনি জানান, দখলমুক্ত করা এলাকায় স্থানীয় জনগণ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাত পর্যবেক্ষণ করছে এবং মাইকিং করছে, যাতে পুনরায় কেউ সেখানে বসতে না পারে।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ফার্মগেটসহ যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল হয়ে আছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকাতেও অভিযান পরিচালনা করা হবে। দখলমুক্ত করার পরও কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ফুটপাত দখলকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি নিজেই বিএনপির একজন কর্মী এবং দলের সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দলের ভেতরে কিংবা বাইরে যারাই দুষ্কৃতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। নিজ নিজ এলাকায় থেকে সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য রাজনৈতিক সহকর্মীদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

ফুটপাত দখলমুক্ত কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, উচ্ছেদের আগে যেমন ফুটপাত দখলের চিত্র সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে, তেমনি উচ্ছেদের পর সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরা প্রয়োজন। এতে নগরবাসীর সচেতনতা বাড়বে এবং ফুটপাত দখল নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সাংবাদিকদের স্বার্থে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে বিষয়টি মন্ত্রিসভায়ও উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি। জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের যথাযথ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা না হলে ভালো সাংবাদিকরা কাজের আগ্রহ হারাবেন এবং নতুন ভালো সাংবাদিক তৈরি বাধাগ্রস্ত হবে।

তিনি বলেন, ওয়েজবোর্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের অচলাবস্থা চলছে। নবম ওয়েজবোর্ড যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। একই সঙ্গে দশম ওয়েজবোর্ডের দাবিও উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শ্রম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছে। এ উদ্যোগ আরও জোরদার করা হবে।

মিডিয়া হাউজের মালিকদেরও সাংবাদিকদের অধিকার ও কল্যাণের বিষয়ে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তা বাস্তবায়ন না করলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকের সংজ্ঞা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, পেশাদার সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া ভুয়া সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকরা হুমকির মুখে পড়ছেন। এতে জনগণ ও গণতন্ত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারা সাংবাদিক হিসেবে বিবেচিত হবেন, সে বিষয়ে সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ বা সাংবাদিকদের লেখালেখি বন্ধ করার জন্য এ আইন করা হচ্ছে না। জনগণকে নিরাপদ রাখাই এর মূল উদ্দেশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হয়রানি, অসত্য তথ্য ও অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনা মোকাবিলায় সাইবার নিরাপত্তা প্রয়োজন।

সভায় ডিইউজে নেতারা সাংবাদিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত, নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং দ্রুত দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণার দাবি জানান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

প্রভাবশালীদের অপরাধে আইন প্রয়োগে আপস হয়: ডেপুটি স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
প্রভাবশালীদের অপরাধে আইন প্রয়োগে আপস হয়: ডেপুটি স্পিকার

প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেয় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং শিশু অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘শিশুশ্রম নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, দেশে অনেক ভালো আইন রয়েছে। কিন্তু এসব আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব রয়েছে। আইন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা অনেক সময় আপস করে ফেলেন। বিশেষ করে প্রভাবশালীদের অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যবস্থা না নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতা বা মন্ত্রীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হলেও সরকারের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয় না। জনগণের করের টাকায় যাদের বেতন দেওয়া হয়, তাদের কাজেরও কঠোর তদারকি প্রয়োজন।

শিশুশ্রম নিরসনে নিজ নিজ ঘরে ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে গৃহকর্মী হিসেবে না রাখার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান কায়সার কামাল। একই সঙ্গে শিশু অধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশ হওয়ায় শিশুরাই বিভিন্ন ঘটনায় বেশি ভুক্তভোগী হয়। শিশু ধর্ষণের মতো ঘটনা সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এ থেকে উত্তরণে গণসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

শিশুদের সুরক্ষায় সরকারি হেল্পলাইন ‘১০৩৮’ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

সংলাপে শিশুদের কল্যাণে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ডেপুটি স্পিকার।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। হতাশা থাকলেও প্রত্যাশা শেষ হয়ে যায়নি। শিশুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, রাজনৈতিক কর্মী, এনজিও, গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইএলও প্রতিনিধি, বিভিন্ন এনজিও কর্মকর্তা, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড প্রকল্পে গতি চান প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড প্রকল্পে গতি চান প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে দ্রুত তা দূর করারও নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের বিদ্যমান পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের কাজে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকতে হবে। পাশাপাশি কাজ শেষ করতে একটি বাস্তবসম্মত সময়সীমা নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী অগ্রসর হতে হবে।

ঢাকা মহানগরের যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বাধা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের মাধ্যমে নির্মাণকাজে গতি আনার ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি