খুঁজুন
                               
, ,
           

মেট্রিক্স গার্মেন্টসে ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৪ অপরাহ্ণ
মেট্রিক্স গার্মেন্টসে ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

গাজীপুর মহানগরীর ডেগেরচালা ফকির মার্কেট এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলের পথে রয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে মেট্রিক্স গার্মেন্টস লিমিটেড নামের কারখানাটির আটতলা ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের খাবারের বিরতির পর ভবনের তৃতীয় তলায় হঠাৎ আগুন দেখতে পান কারখানার কর্মীরা। পরে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে কারখানার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

প্রাথমিকভাবে কারখানার নিরাপত্তাকর্মী ও ফায়ার সেফটি ইউনিটের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়।

খবর পেয়ে চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশন, কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশন, গাজীপুর ফায়ার স্টেশন ও রাজেন্দ্রপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মোট সাতটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ঢাকা বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ রোজিনা আক্তার বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে সাতটি ইউনিট কাজ করছে। আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সালমান প্রসঙ্গ উঠতেই প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আরবাজ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
সালমান প্রসঙ্গ উঠতেই প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আরবাজ

মুম্বাইয়ের একটি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা আরবাজ খান। অনুষ্ঠানে প্রবেশের সময় ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন তিনি। তবে ভাই সালমান খানকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই হঠাৎ সেখান থেকে সরে যান আরবাজ। তার এই আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে প্রবেশের সময় ফটোসাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন আরবাজ। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘এক্সকিউজ মি। থ্যাংক ইউ, থ্যাংক ইউ।’ এরপর ছবি তোলার জন্য নির্ধারিত জায়গায় চলে যান অভিনেতা।

কিছুক্ষণ পর আবার সেখানে ফিরে আসেন আরবাজ। তখন ফটোসাংবাদিকদের উদ্দেশে পালটা প্রশ্ন করে তিনি জানতে চান, তাদের করা প্রশ্নটি অনুষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই প্রশ্নটা গয়না প্রসঙ্গে? আজকের অনুষ্ঠানের সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত?’

এরপর আর কোনো বিষয়ে কথা না বলে অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। তবে ভাইরাল ভিডিওতে ফটোসাংবাদিকরা ঠিক কী প্রশ্ন করেছিলেন, তা স্পষ্টভাবে শোনা যায়নি। ফলে সালমানকে নিয়ে কোন প্রসঙ্গে আরবাজের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

সালমানকে ঘিরে সাম্প্রতিক আলোচনা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধারণা করা হচ্ছে সম্প্রতি সালমান খানকে ঘিরে আলোচনায় থাকা একটি বিষয় নিয়েই আরবাজের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন ফটোসাংবাদিকরা। বর্তমানে ‘বিগ বস ২০’-এর সঞ্চালকের দায়িত্বে রয়েছেন সালমান।

সম্প্রতি ‘উইকেন্ড কা ভার’ পর্বে ভাই সোহেল খান নাম না করে অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে মন্তব্য করার প্রবণতার সমালোচনা করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সেই প্রসঙ্গেই আরবাজের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে অনুষ্ঠানে এসে অন্য কোনো প্রসঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী ছিলেন না আরবাজ। সালমানকে নিয়ে প্রশ্নের সময় তার সরে যাওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ এমনকি দুই ভাইয়ের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে ভাইরাল ভিডিওতে সালমান ও আরবাজের সম্পর্কে কোনো সমস্যা রয়েছে—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আরবাজের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়ার পেছনে ব্যক্তিগত কারণ ছিল, নাকি অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুর বাইরে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে চাননি—তা স্পষ্ট নয়।

অনেকের মতে, নির্দিষ্ট একটি অনুষ্ঠানে এসে ব্যক্তিগত বা অনুষ্ঠানের বাইরের কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি আরবাজ। সে কারণেই হয়তো তিনি প্রশ্নটি এড়িয়ে অনুষ্ঠানে চলে যান।

কালের আলো/এসএ

ইলন মাস্ক ও শিভন জিলিসের সম্পর্কে বিচ্ছেদ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫২ অপরাহ্ণ
ইলন মাস্ক ও শিভন জিলিসের সম্পর্কে বিচ্ছেদ

ইলন মাস্কের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন তার ব্যবসায়িক সহযোগী ও চার সন্তানের মা শিভন জিলিস। তবে বিচ্ছেদের পরও মাস্কের সঙ্গে ভালো বন্ধু ও সহ-অভিভাবক হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিজেদের সম্পর্কের পরিবর্তনের কথা জানান জিলিস। সেখানে তিনি বলেন, মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পর্কের এত বড় পরিবর্তন মেনে নেওয়া তার জন্য কঠিন ছিল। তবে মাস্ককে তিনি গভীরভাবে ভালোবাসতেন এবং তাদের চার সন্তান তার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ বলে উল্লেখ করেন।

জিলিস জানান, মাস্ককে ভালোভাবে বোঝা, তার যত্ন নেওয়া এবং তাকে ভালোবাসা ও মানসিক শান্তি দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তিনি আনন্দিত। মাস্কের ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ জীবনে তাদের পরিবার একটি নিরাপদ ও শান্তির জায়গা হয়ে উঠেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। মাস্কের মন খারাপের সময় তার মুখে হাসি ফোটাতে পারতেন—এমন কথাও নিজের পোস্টে জানিয়েছেন জিলিস।

গোপন ছিল সম্পর্ক

মাস্ক ও জিলিসের সম্পর্কের বিষয়টি দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে আসেনি। ২০২১ সালে তাদের যমজ সন্তান জন্ম নেয়। পরে ২০২২ সালে ‘বিজনেস ইনসাইডার’-এর এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে তাদের দুই সন্তানের বাবা-মা হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এরপর জিলিসের আরও দুই সন্তান হয়। সব মিলিয়ে মাস্ক ও জিলিসের চার সন্তান রয়েছে। জিলিসের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে মাস্ক তাকে আইভিএফের মাধ্যমে সন্তান নেওয়ার জন্য নিজের শুক্রাণু ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এর পরের বছর গোপনে তাদের যমজ সন্তান জন্ম নেয়।

চার সন্তানকে জিলিস তার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাদের জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ বলেও জানিয়েছেন।

ব্যবসায়িক সহযোগীও জিলিস

মাস্কের একাধিক প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন শিভন জিলিস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যবসা ও অন্যান্য বিভিন্ন আয়োজনে মাস্কের পাশে তাকে একাধিকবার দেখা গেছে।

মে মাসে ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে মাস্কের আইনি বিরোধসংক্রান্ত শুনানিতেও সাক্ষ্য দেন জিলিস।

নিজের পোস্টে মাস্ককে ‘ই’ নামে উল্লেখ করে জিলিস বলেন, তিনি এখনো মাস্কের জন্য গভীরভাবে ভাবেন এবং তার সুখ কামনা করেন। একই সঙ্গে সন্তানদের স্বার্থে দুজন ভালো বন্ধু ও সহ-অভিভাবক হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মাস্কের ব্যক্তিগত জীবনে এর আগেও একাধিক সম্পর্ক ও বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সম্পর্ক থেকে তার অন্তত এক ডজন সন্তান রয়েছে। সন্তানদের অভিভাবকত্ব নিয়েও তার একাধিক আইনি বিরোধ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

স্যুপের পাত্রে মিলল মডেলের মাথার খুলি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
স্যুপের পাত্রে মিলল মডেলের মাথার খুলি

হংকংয়ের মডেল ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাবি চোইকে হত্যা করে দেহ খণ্ডিত করার ঘটনায় ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। এবার সেই হত্যা মামলার বিচার চলাকালে আদালতে উঠে এসেছে আরও ভয়াবহ কিছু তথ্য। প্রসিকিউশনের দাবি, গাজর ও অন্যান্য সবজি দিয়ে রান্না করা স্যুপের একটি বড় পাত্রে পাওয়া গিয়েছিল অ্যাবির মাথার খুলি।

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে হংকংয়ের কাদোরিয়া আবাসিক এলাকায় থাকা একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে অ্যাবি চোইকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে আদালতে দাবি করেছে প্রসিকিউশন। ২৮ বছর বয়সী অ্যাবি ২১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন। তিন দিন পর তাই পো এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়।

প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যাবিকে হত্যার পর তার দেহ খণ্ডিত করার জন্য ওই বাসাটি অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখান থেকে মাংস কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক করাতসহ বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন অ্যাবির সাবেক শ্বশুর কোয়ং কাউ।

মামলার শুরুতে প্রসিকিউটর শার্লট ড্রেকট স্ক আদালতকে জানান, কোয়ং কাউ তার দুই ছেলেকে নিয়ে অ্যাবিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ওই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটটি।

৭ কোটি ২০ লাখ হংকং ডলারের সম্পত্তি

আদালতে বলা হয়, ফ্ল্যাটটির মূল্য ছিল প্রায় ৭ কোটি ২০ লাখ হংকং ডলার। ২০১৯ সালে অ্যাবি প্রায় ৬ কোটি হংকং ডলার দিয়ে সেটি কিনেছিলেন। সন্তানদের বাবার পরিবারের দাদা-দাদির কাছে রাখার সুবিধার জন্যই তিনি ফ্ল্যাটটি কিনেছিলেন বলে আদালতে জানানো হয়।

প্রসিকিউশনের দাবি, পরবর্তী সময়ে সম্পত্তিটি নিয়ে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। একপর্যায়ে অ্যাবি তার সাবেক শ্বশুরকে ওই ফ্ল্যাট থেকে বের করে দেন। এরপরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থনৈতিক বিষয়টি হত্যাকাণ্ডের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। আদালতে বলা হয়, অ্যাবির পরিবার আর্থিকভাবে যথেষ্ট সচ্ছল হলেও কোয়ং পরিবার তুলনামূলকভাবে কম সচ্ছল ছিল।

স্যুপের পাত্রে খুলি, ফ্রিজে দুই পা

আদালতে অ্যাবির দেহ উদ্ধারের ঘটনাটিও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, গাজর ও অন্যান্য সবজি থাকা একটি বড় পাত্রে অ্যাবির মাথার খুলি পাওয়া যায়। তার দুই পা উদ্ধার করা হয় ওই ভাড়া বাসার একটি ফ্রিজ থেকে।

আদালতে আরও জানানো হয়, কথিত হত্যার পরিকল্পনায় তিন আসামির আলাদা ভূমিকা ছিল। এর মধ্যে একটি বাসা ভাড়া নেওয়া এবং অ্যাবিকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ও ছিল বলে প্রসিকিউশনের অভিযোগ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর রক্তের দাগ এড়াতে অভিযুক্তরা বাসাটির দেয়াল ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রেখেছিল। দেহ খণ্ডিত করার সময় সুরক্ষার জন্য মুখের ঢাল ও রেইনকোট ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়।

অ্যাবির দেহের কিছু অংশ এখনো পাওয়া যায়নি বলে এর আগে জানিয়েছিল পুলিশ। মামলার শুনানি আরও কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে।

ফ্যাশন জগতেও পরিচিত ছিলেন অ্যাবি

অ্যাবি চোই ধনী পরিবারে বেড়ে ওঠেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে অ্যালেক্স কোয়ংকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের দুই সন্তান ছিল। পরে বিচ্ছেদ হলেও অ্যালেক্সের পরিবারের সদস্যদের আর্থিকভাবে সহায়তা করতেন অ্যাবি।

পরবর্তীতে দ্বিতীয় সঙ্গীর সঙ্গে তার আরও দুই সন্তান হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত নিজের ফ্যাশন শো, ফটোশুট এবং বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবি প্রকাশ করতেন তিনি। মৃত্যুর কয়েক দিন আগেও প্যারিস ফ্যাশন উইকে ক্রিশ্চিয়ান ডিওরের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন অ্যাবি।

তাকে হত্যার পর দেহ খণ্ডিত করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এখন বিচার চলাকালে হত্যার পরিকল্পনা ও ঘটনাটির বিভিন্ন দিক নিয়ে আদালতে একের পর এক তথ্য উঠে আসছে।

কালের আলো/এসএ