খুঁজুন
                               
, ,
           

রামপুরায় ‘পিচ্চি’ আল-আমিনের নেটওয়ার্কে বড় আঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
রামপুরায় ‘পিচ্চি’ আল-আমিনের নেটওয়ার্কে বড় আঘাত

রাজধানীর রামপুরায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মো. আল-আমিন ওরফে ‘পিচ্চি আল-আমিন’-এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। ধারাবাহিক অভিযানে আল-আমিনসহ তার ছয় সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র। এসআরবির দাবি, আল-আমিনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর একের পর এক অভিযানে বেরিয়ে আসে আরও অস্ত্রের সন্ধান।

  • চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসের অভিযোগে আল-আমিনসহ ৬ জন আটক
  • উদ্ধার হলো বিপুল অস্ত্র ও গুলি

এক অভিযানে ‘মূল টার্গেট’, পরের অভিযানে সহযোগীরা

এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, গত ১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রামপুরা থানার টিভি রোড এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে পিচ্চি আল-আমিন, তার দুই সহযোগী কামাল উদ্দিন ও খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আল-আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যায় রামপুরার কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তার আরও দুই সহযোগী মো. সোহাগ হাওলাদার ওরফে মামুন এবং মো. রিফাত ইসলামকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় লোহার তৈরি দুটি দেশীয় ছুরি।

তথ্যপ্রযুক্তিতে শনাক্ত কাওছার, এরপরই মিলল অস্ত্রের বড় চালান

অভিযানের তৃতীয় ধাপে সামনে আসে আল-আমিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কাওছার খানের নাম। এসআরবির ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা তথ্য থেকে কাওছারের কাছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র থাকার তথ্য পাওয়া যায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাওছারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর কাওছারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে খিলগাঁও থানার ভূঁইয়াপাড়ায় একটি টিনশেড ঘরে অভিযান চালায় এসআরবি। সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশি রিভলবার, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও নয় রাউন্ড গুলি। অর্থাৎ ধারাবাহিক অভিযানে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের পরিমাণ দাঁড়ায় দুইটি বিদেশি রিভলবার, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং মোট ১৪ রাউন্ড গুলি। এর সঙ্গে উদ্ধার হয়েছে দুটি দেশীয় ছুরিও।

‘গ্যাংপ্রধান’ না হলেও অপরাধী জড়ো করতেন ঢাকায়

আল-আমিন কোনো গ্যাংয়ের প্রধান কি না—সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নও ওঠে। জবাবে এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক বলেন, তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আল-আমিন তার সমমনা এবং নিজের কাজের উপযোগী মনে করা ব্যক্তিদের বরগুনা ও ঝালকাঠি অঞ্চল থেকে ঢাকায় এনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। আল-আমিনের বাড়ি ঝালকাঠিতে। তার পাঁচ সহযোগীর মধ্যে চারজনের বাড়িও একই জেলায় এবং একজনের বাড়ি বরগুনায় বলে জানিয়েছে এসআরবি।

রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রশ্নেও এসআরবির ‘অপরাধী’ তকমা

আল-আমিনের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক বলেন, ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে মামলা পাওয়া গেছে। এসআরবির ভাষ্য, আল-আমিন ‘স্বভাবগত অপরাধী’। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকার সময় কেউ তার মাধ্যমে সুযোগ নিয়ে থাকতে পারে; তবে আল-আমিন নিজেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে দাবি সংস্থাটির।

২৭ মামলা, হত্যা মামলারও আসামি

এসআরবির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তার আল-আমিন সন্ত্রাসী ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, হাতিরঝিল ও গুলশান থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, হত্যা ও অস্ত্র আইনে করা মামলাসহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

রামপুরায় স্বস্তি, এখন নজর সহযোগীদের নেটওয়ার্কে

আল-আমিন গ্রেপ্তারের পর রামপুরা এলাকার মানুষ খুশি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক। তবে ছয়জনকে গ্রেপ্তার ও বিপুল অস্ত্র উদ্ধারের পরও তদন্তের বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে—এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও কারা জড়িত এবং অস্ত্রগুলো কোথা থেকে এসেছে। এসআরবির ধারাবাহিক অভিযানে যে তথ্য ও অস্ত্রের সন্ধান মিলেছে, তা এখন তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে থেকে লোক এনে রাজধানীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগটি যাচাই করে দেখাই হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমকে

স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দেবে বিএনপি

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দেবে বিএনপি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় করে একক প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব ও অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান চিফ হুইপ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, সাধারণত স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত সময়ে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, নির্বাচনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা যাবে না। প্রকৃত জনসমর্থন রয়েছে, এমন প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করবে দল। এ ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামো কাজে লাগানো হবে। এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি চায় নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হোক এবং স্থানীয় মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন।

তৃণমূলের সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দল সিদ্ধান্ত নেবে। তবে এখনো এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে সংসদ সদস্যদের সম্পৃক্ত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান নুরুল ইসলাম মনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে কাজ করবেন।

দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ অন্যায় করলে পার পাবে না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর অবস্থানে রয়েছেন বলেও জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা না হলেও সরকার সচেতন রয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনে তাঁদের সরিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থাও সরকারের রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বঙ্গোপসাগর ঘিরে নীল সমৃদ্ধির নতুন দুয়ার, টেকসই উন্নয়নে অভিজ্ঞতার বাস্তব প্রয়োগে জোর নৌবাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগর ঘিরে নীল সমৃদ্ধির নতুন দুয়ার, টেকসই উন্নয়নে অভিজ্ঞতার বাস্তব প্রয়োগে জোর নৌবাহিনী প্রধানের

বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশিতে লুকিয়ে আছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও আঞ্চলিক উন্নয়নের বিপুল সম্ভাবনা। সেই সম্ভাবনাকে টেকসই অগ্রগতিতে রূপ দিতে প্রয়োজন সামুদ্রিক সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার, কার্যকর সমুদ্র শাসনব্যবস্থা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা। তবে সম্ভাবনাকে বাস্তব অর্জনে পরিণত করার জন্য জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কার্যকর প্রয়োগও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়টিই গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

তিনি বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস ফেলোশিপ বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে।’ একই সঙ্গে অর্জিত জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই নীল অর্থনীতি বিকাশে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

  • বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা
  • অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও টেকসই নীল অর্থনীতি বিকাশে ফেলোদের প্রতি আহ্বান

রোববার (১১ অক্টোবর) ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেরিটাইম রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিমরাড) সেমিনার হলে অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস ফেলোশিপ ২০২৬-এর আওতায় ‘বঙ্গোপসাগরে টেকসই নীল অর্থনীতির বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নৌবাহিনী প্রধান। তিনি পদাধিকারবলে বিমরাডের প্রধান পৃষ্ঠপোষকও।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার উপ-হাইকমিশনার ক্লিনটন পব। এ ছাড়া বিমরাডের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল ড. খোন্দকার আখতার হোসেন, অস্ট্রেলিয়ার উলংগং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় বিভিন্ন দেশের ১৫ জন ফেলো অংশ নেন।

জ্ঞান বিনিময় থেকে বাস্তব প্রয়োগ, নৌবাহিনী প্রধানের বিশেষ গুরুত্বারোপ
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম জ্ঞান বিনিময় এবং অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তবক্ষেত্রে প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি এই মূল্যবান সুযোগ লাভের জন্য ফেলোদের অভিনন্দন জানান। নৌবাহিনী প্রধাব বলেন, এ ফেলোশিপ বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ফেলোদের অর্জিত জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাস্তবসম্মত সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই নীল অর্থনীতি বিকাশে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

নৌবাহিনী প্রধানের বক্তব্যে দুটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে—অর্জিত জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার সম্প্রসারণ। তাঁর বক্তব্যের তাৎপর্য হলো, ফেলোশিপের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই নীল অর্থনীতি বিকাশে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের গুরুত্বও সামনে এনেছেন।

সম্পদ আহরণ নয়, টেকসই সমৃদ্ধিই লক্ষ্য
বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের মৎস্যসম্পদ, সামুদ্রিক বাণিজ্য, নৌপরিবহন ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এই সমুদ্রের সম্পদের পরিকল্পিত ব্যবহার অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্যনিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ সম্ভাবনার পূর্ণ সুফল পেতে হলে সম্পদ আহরণের পাশাপাশি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

নীল অর্থনীতির প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে সমুদ্রের সম্পদকে কতটা দায়িত্বশীলভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে তার ওপর। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা গেলে বঙ্গোপসাগর বর্তমান প্রজন্মের সমৃদ্ধির পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও সম্ভাবনার ভান্ডার হয়ে থাকবে। কর্মশালায় সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ এই লক্ষ্য অর্জনের প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরেছে।

বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত
বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক পরিবেশ, সম্পদ ও নিরাপত্তার সঙ্গে একাধিক দেশের স্বার্থ জড়িত। ফলে এই অঞ্চলের সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নে রূপ দিতে একক উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন পারস্পরিক সহযোগিতা, তথ্য বিনিময় এবং সমন্বিত গবেষণা। বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জোরদার হলে সামুদ্রিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।

কর্মশালায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের ১৫ জন ফেলো সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সমুদ্র শাসনব্যবস্থা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। পাশাপাশি যৌথ গবেষণা, নীতিনির্ধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র চিহ্নিত করার সুযোগ পান। এই ধরনের পেশাগত যোগাযোগ ভবিষ্যতে আঞ্চলিক অংশীদারত্ব সুসংহত করার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। তবে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে বাস্তব অর্জনে রূপ দিতে ধারাবাহিক যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময় এবং বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন। নৌবাহিনী প্রধানের বক্তব্যে অর্জিত জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর যে আহ্বান এসেছে, তা এই ধরনের সহযোগিতাকে ফলপ্রসূ করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় বাড়বে সামুদ্রিক সক্ষমতা
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্যবিষয়ক বিভাগের পরিচালনায় এ ফেলোশিপের আয়োজন করেছে দেশটির উলংগং বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্ট্রেলীয় জাতীয় সমুদ্রসম্পদ ও নিরাপত্তা কেন্দ্র। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও নীতিনির্ধারণে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের সুযোগ পান।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে দেশীয় বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে সামুদ্রিক গবেষণা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও নীতিনির্ধারণের মানোন্নয়নে তা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। পেশাজীবীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলে গবেষণার ফল বিনিময়, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগও সম্প্রসারিত হতে পারে। এর ফলে সামুদ্রিক সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে ইতিবাচক অগ্রগতির ক্ষেত্র তৈরি হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেকসহ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জ্ঞান, সহযোগিতা ও বাস্তব উদ্যোগেই টেকসই অগ্রগতি
বঙ্গোপসাগরের বিপুল সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে টেকসই সমৃদ্ধিতে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজন দূরদর্শী পরিকল্পনা, দক্ষ জনবল, বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতা। এ ক্ষেত্রে নৌবাহিনী প্রধানের বক্তব্যে জ্ঞান বিনিময় ও বাস্তব প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

ফেলোশিপে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা গবেষণা, নীতিনির্ধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে কার্যকরভাবে যুক্ত করা গেলে সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতিবাচক ফল পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হলে বঙ্গোপসাগরের সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নে রূপ দেওয়ার পথও প্রসারিত হবে।

নৌবাহিনী প্রধানের আহ্বানের মূল কথা
এই কর্মশালা বঙ্গোপসাগরের সামুদ্রিক সম্পদকে দায়িত্বশীলভাবে কাজে লাগানো এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। নৌবাহিনী প্রধানের আহ্বানের মূল কথা—অর্জিত জ্ঞান ও পেশাগত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাস্তবসম্মত সামুদ্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং টেকসই নীল অর্থনীতি বিকাশে অবদান রাখা। এই আহ্বান বাস্তব উদ্যোগে প্রতিফলিত হলে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী ভিত্তি পেতে পারে।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে ১০৮ পদে চাকরি

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালে ১০৮ পদে চাকরি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে চিকিৎসক ও কর্মচারী পদে ১০৮ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত ভিত্তিতে এসব জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত আবেদন ফরম পূরণ করে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চিকিৎসক ও কর্মচারী—এই দুই শ্রেণিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। চিকিৎসক পদে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার এবং কর্মচারী পদে ওয়ার্ড বয়/আয়া, পিয়ন ও অ্যাটেনডেন্ট নিয়োগ দেওয়া হবে। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বয়সসীমা ও আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

চিকিৎসক পদে নিয়োগ

চিকিৎসক ক্যাটাগরিতে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পদে মোট ৫০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে শিশু মেডিসিন বিভাগে ৩৫টি, শিশু সার্জারি বিভাগে ৯টি, শিশু অ্যানেসথেসিয়া বিভাগে ৫টি এবং ইএনটি বিভাগে ১টি পদ রয়েছে। এসব পদ নবম গ্রেডের। বেতন স্কেল ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা।

আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) স্বীকৃত ও নিবন্ধিত মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে এবং এমবিবিএস ডিগ্রি থাকতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) বা বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসের (বিসিপিএস) স্বীকৃত অন্তত এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

শিশু মেডিসিন, শিশু সার্জারি, শিশু অ্যানেসথেসিয়া ও ইএনটি—যে বিভাগে আবেদন করা হবে, সেই বিভাগের সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হবে।

চিকিৎসক পদে আবেদনকারীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে হবে। তবে ডিএইচসি, এমডি, এমএস ও এফসিপিএসের মতো উচ্চতর যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা দুই বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিকিৎসক পদে আবেদন করতে পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অনুকূলে যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে ২ হাজার টাকার অফেরতযোগ্য পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট জমা দিতে হবে।

কর্মচারী পদে নিয়োগ

কর্মচারী ক্যাটাগরিতে মোট ৬৮ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ওয়ার্ড বয়/আয়া পদে ৩৩ জন, পিয়ন বা অফিস সহায়ক পদে ১০ জন এবং অ্যাটেনডেন্ট পদে ২৫ জন নেওয়া হবে। অ্যাটেনডেন্ট পদগুলো ওটি, এক্স-রে, ল্যাব ও কার্ডিয়াক বিভাগে।

এসব পদ ২০তম গ্রেডের। বেতন স্কেল ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা।

ওয়ার্ড বয়/আয়া ও পিয়ন পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের এসএসসি পাস হতে হবে। ওয়ার্ড বয়/আয়া পদে সমপদে বা সংশ্লিষ্ট কাজে অন্তত এক বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অন্যদিকে, পিয়ন বা অফিস সহায়ক পদে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কিংবা প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

অ্যাটেনডেন্ট পদে এসএসসি পাসের পাশাপাশি সমপদে বা সংশ্লিষ্ট কাজে অন্তত দুই বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে এ ক্ষেত্রেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

কর্মচারী পদে আবেদনকারীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর হতে হবে। এ শ্রেণির পদে আবেদনের জন্য পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অনুকূলে যেকোনো তফসিলি ব্যাংক থেকে ৫০০ টাকার অফেরতযোগ্য পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট জমা দিতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত আবেদন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতার সনদ, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিএমডিসি নিবন্ধনের প্রমাণ, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, তিন কপি ল্যাব প্রিন্ট পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি এবং নির্ধারিত আবেদন ফির পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট সংযুক্ত করতে হবে।

পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্র আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টার মধ্যে সরাসরি অথবা ডাকযোগে পাঠাতে হবে। আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭। খামের ওপর আবেদন করা পদের নাম স্পষ্টভাবে লিখতে হবে।

নিয়োগ পরীক্ষা

প্রার্থীদের প্রথমে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে। আবেদন করার আগে প্রার্থীদের নিজ নিজ পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বয়সসীমা এবং আবেদন ফি সম্পর্কে মূল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত।

কালের আলো/এসএ