খুঁজুন
                               
, ,
           

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পাকিস্তানে জুট ইয়ার্ন-ওষুধ রপ্তানি বাড়াতে চায় বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পাকিস্তানে জুট ইয়ার্ন-ওষুধ রপ্তানি বাড়াতে চায় বিজিএমইএ

বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে জুট ইয়ার্ন ও জীবন রক্ষাকারী ফার্মাসিউটিক্যালসসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাকশিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামালসহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য পাকিস্তান থেকে আমদানি করলেও দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। এ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পাকিস্তানের বাজারে বিশ্বমানের বাংলাদেশি জুট ইয়ার্ন ও আন্তর্জাতিক মানের ফার্মাসিউটিক্যালসের রপ্তানি বাড়ানো প্রয়োজন।

বিজিএমইএ সভাপতির প্রস্তাবে আগ্রহ প্রকাশ করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। তিনি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশি তৈরি পোশাক ও অন্যান্য খাতের রপ্তানিকারকদের নিয়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করলে দেশটির শীর্ষ আমদানিকারক, ব্র্যান্ড, ক্রেতা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বিটুবি বৈঠক ও ম্যাচ-মেকিং সেশনের আয়োজন করা হবে।

এ ছাড়া দুই দেশের বাজারে পণ্য প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের মধ্যে কার্যকর দ্বিপাক্ষিক বিশেষ মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে।

বৈঠকে লজিস্টিকস ও শিপিং ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনে বর্তমানে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ বাধা দূর করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া টেক্সটাইল, অ্যাপারেল ও ফ্যাশন খাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও যৌথ উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। পাকিস্তানের শীর্ষ ফ্যাশন ও টেক্সটাইল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থী বিনিময়, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেন হাইকমিশনার।

বৈঠকে বিজিএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল, মহাসচিব মেজর জেনারেল ড. মো. সাহেদুল ইসলাম (অব.) এবং পাকিস্তান হাইকমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ

নির্ধারিত দামে কোথাও এলপিজি পাওয়া না গেলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জনস্বার্থে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে বর্তমানে যথেষ্ট অস্থিরতা রয়েছে। এর মধ্যেও সরকার এলপিজির দাম সমন্বয়ের চেষ্টা করছে। তবে কোথাও কোথাও সমন্বয় করা দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তিনি জানান, খোলা বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কমিশন নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি ও অটোগ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনলাইন সভা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন জেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তদারকি কার্যক্রম চলছে। অনিয়মের কারণে এর আগে অনেককে জরিমানাও করা হয়েছে এবং এখন এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এলপিজির বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও সরকারের আলোচনা চলছে। জ্বালানি মন্ত্রী এলপিজি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। এসব বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বাজার স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান উপদেষ্টা।

জাহেদ উর রহমান বলেন, এলপিজি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি পণ্য। তাই নির্ধারিত দামে কোথাও এলপিজি পাওয়া না গেলে বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। সরকারও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু অভিযান চালিয়েই এলপিজি বাজারের সমস্যার সমাধান হবে—সরকার এমনটা মনে করে না। আমদানিকারক ও বোতলজাতকারীরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান এবং সরবরাহে ঘাটতি তৈরি না হয়, সে বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যারা আইন মানছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং দাম স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ সরকার সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে।

খাদ্যসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রেও আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রাতে মিরপুর-১০ ঘুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের নির্দেশ প্রশাসকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
রাতে মিরপুর-১০ ঘুরে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের নির্দেশ প্রশাসকের

হকার উচ্ছেদ-পরবর্তী পরিস্থিতি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু পরিস্থিতি, বৃক্ষরোপণ ও ড্রেন ব্যবস্থার অবস্থা দেখতে গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকা আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে মিরপুর-১০ এলাকায় যান তিনি। পরে বিভিন্ন সড়ক ও এলাকা ঘুরে নাগরিক সুবিধা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে হকার উচ্ছেদের পর নেওয়া কিছু অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেখতে পান ডিএনসিসি প্রশাসক। এসব অবৈধ লাইন দ্রুত বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

হকারদের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর উদ্ধার হওয়া জায়গায় চলমান বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন প্রশাসক। এসব জায়গা যাতে পুনরায় দখল না হয় এবং যথাযথভাবে নাগরিক কাজে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলেন তিনি।

এ সময় বিভিন্ন ওয়ার্ডে চলমান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও ডেঙ্গু পরিস্থিতির খোঁজ নেন মো. শফিকুল ইসলাম খান। পাশাপাশি ড্রেন সংস্কার, ডাস্টবিন স্থাপন এবং নাগরিকদের দুর্ভোগ কমাতে নেওয়া কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।

মিরপুর-১০ থেকে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত মেট্রোরেলের পিলার ও আশপাশের দেয়ালে থাকা অবৈধ পোস্টার-লিফলেট অপসারণের পর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে গ্রাফিতি অঙ্কনের বিষয়েও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেন তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে মিরপুর-১০ এলাকার সড়ক, ফুটপাত, ড্রেন, পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ এবং নাগরিক সুবিধার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

হকার উচ্ছেদের পর উদ্ধার হওয়া জায়গাগুলো যাতে পুনরায় দখল না হয় এবং পথচারীদের চলাচলে কোনো ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

মিরপুর-১০ এলাকাকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল নগর এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন ডিএনসিসি প্রশাসক। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, ড্রেন ব্যবস্থার উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ এবং অবৈধ দখল ও স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত নজরদারি চালানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

সাংবাদিককে না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছেলেকে আটকের অভিযোগ

খুলনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
সাংবাদিককে না পেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছেলেকে আটকের অভিযোগ

খুলনায় একটি মামলায় স্থানীয় দৈনিক প্রবাহের স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল্লাহ তারেককে না পেয়ে তার ১৬ বছর বয়সী ছেলেকে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর গিলাতলা দক্ষিণপাড়ার বাসা থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সিয়ামকে খানজাহান আলী থানায় নেওয়া হয়।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের জেলা প্রবেশন কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয় বলে জানা গেছে।

সাংবাদিকের পরিবারের অভিযোগ, সিয়াম কোনো মামলার আসামি নয়। তাকে থানায় নিয়ে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হয় এবং শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। থানায় অবস্থানকালে তার বাবাকে নিয়েও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ করেন তারা।

সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের দাবি, গফ্ফার ফুড মোড়ে গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করা নিয়ে স্থানীয় দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে কসাই আরমান শেখের বিরোধ তৈরি হয়। পরিবেশ দূষণের অভিযোগে সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে স্থানান্তরের কথা জানানো হলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তারাসহ চারজনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করেন।

সাইফুল্লাহ তারেক আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় এক নারীর মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে তার সঙ্গে বিরোধের জেরেও তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তার দাবি, যথাযথ তদন্ত ও যাচাই-বাছাই ছাড়াই মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে খুলনা শিশু সুরক্ষা জোটের সভাপতি শামিমা সুলতানা শিলু সাংবাদিকের সন্তানকে থানায় নেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাবার দায় শিশু নেবে কেন।’ বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তবে শিশুকে থানায় নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে খানজাহান আলী থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, সিয়াম সরকারি কাজে বাধা দিয়েছে এবং পুলিশকে গালাগাল করেছে। এ কারণে তাকে থানায় আনা হয়েছিল।

পরে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের জেলা প্রবেশন কার্যালয়ের মাধ্যমে ছয় মাসের প্রবেশন দিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।

সাংবাদিক সাইফুল্লাহ তারেকের বিরুদ্ধে করা মামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক দাবি এবং তার শিশুসন্তানকে থানায় নেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি