খুঁজুন
                               
, ,
           

চলনবিলে পাখি শিকার থামছে না, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
চলনবিলে পাখি শিকার থামছে না, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার চলনবিল এলাকায় অভিনব ও নিষ্ঠুর কৌশলে চলছে দেশি ও পরিযায়ী পাখি শিকার। ধানক্ষেত ও জলাশয়ঘেঁষা এলাকায় একটি পাখিকে ফাঁদে আটকে তার ডাকের মাধ্যমে অন্য পাখিদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। পরে জালে আটকে পড়া পাখিগুলো ধরে খাঁচায় রাখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, শিকার করা এসব পাখি প্রকাশ্যেই স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পর দিন এভাবে পাখি শিকার চললেও নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান না থাকায় তা বন্ধ হচ্ছে না। এতে শীত মৌসুমে পরিযায়ী ও দেশীয় পাখির অন্যতম বিচরণক্ষেত্র চলনবিলের জীববৈচিত্র্য ও নিরাপদ আবাসস্থল হুমকির মুখে পড়ছে।

সম্প্রতি তাড়াশ উপজেলার পাটগাড়িপাড়া মৌজার একটি ধানক্ষেতে পাখি শিকার করতে দেখা যায় কয়েকজনকে। নয়ন হোসেন ও সাগরের হাতে ছিল বড় পাতা দিয়ে তৈরি দুটি ফাঁদ। ফাঁদের সঙ্গে কয়েকটি পাখি বাঁধা ছিল। পাশেই কলাপাতা দিয়ে তৈরি খাঁচায় রাখা হয়েছিল শিকার করা আরও কয়েকটি পাখি। পরে এসব পাখি প্রতিটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে।

শিকারিদের ব্যবহৃত কৌশলটি বেশ অভিনব। প্রথমে লতাপাতা দিয়ে ঝোপের মতো কাঠামো তৈরি করে তার ওপর জালের ফাঁদ বসানো হয়। এরপর একটি পাখির পা চিকন সুতা দিয়ে বেঁধে বাঁশের লম্বা কঞ্চির সাহায্যে সেটিকে গাছের মগডালে রাখা হয়। বাঁধা পাখিটি ডাকাডাকি ও ডানা ঝাপটালে আশপাশের পাখিরা তার কাছে আসার চেষ্টা করে। তখনই তারা জালে আটকা পড়ে।

শিকারি মোতালেব শেখ জানান, একই পদ্ধতিতে তিনি গত তিন-চার বছর ধরে শখের বসে বিভিন্ন স্থানে পাখি শিকার করছেন। এ সময়ে তাকে কেউ বাধা দেয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিকারি জানান, প্রতিদিন নিজের এলাকা ও আশপাশে ঘুরে ছয় থেকে সাতটি পাখি শিকার করেন তিনি। প্রতিটি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি করে দিনে প্রায় দেড় হাজার টাকা আয় করেন বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পাখি আকৃষ্ট করার জন্য ফাঁদে একটি পাখিকে আটকে রাখা হয়। অনেক সময় শিকার করা পাখির চোখ অন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। পরে ধরা পড়া পাখি স্থানীয় হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হয়।

এক পাখি ক্রেতা জানান, দেশীয় বক ও অতিথি পাখিসহ কয়েকটি পাখি তিনি ২ হাজার টাকায় কিনেছেন। শিকারিরা পাখিগুলো জবাই করে পরিষ্কার করে ব্যাগে করে নিয়ে যেতে বলেন। রাস্তায় তল্লাশির সময় ঝামেলা এড়াতেই এমনটি করা হয় বলে জানান তিনি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিবছর শীত মৌসুমে চলনবিলে বকসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় ও পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটে। বিল, জলাশয় ও গাছপালাকে ঘিরে এসব পাখির বিচরণ। তবে শিকারিদের নানা কৌশলের কারণে পাখিগুলো নিরাপদে বিচরণ করতে পারছে না।

পরিবেশকর্মীরা বলছেন, পাখি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যের অংশ নয়; পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ক্ষতিকারক পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নির্বিচারে পাখি শিকার চলতে থাকলে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে পুরো জীববৈচিত্র্যের ওপর।

চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও উল্লাপাড়া, নাটোরের সিংড়া ও গুরুদাসপুর এবং পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়ায় পাখি শিকার বন্ধে কাজ করছে ‘চলনবিল জীব ও বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটি’। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, ২০২০ সাল থেকে তারা পাখি শিকার বন্ধে কাজ করছেন। গত পাঁচ বছরে অন্তত ২ হাজার শিকার করা পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছেন তারা। তবে শিকারিরা ভয় না পাওয়ায় পুরোপুরি শিকার বন্ধ করা যাচ্ছে না। এ জন্য প্রশাসনের আরও নজরদারি প্রয়োজন।

সমাজকর্মী ও ‘দি বার্ডস সেফটি হাউজ’-এর চেয়ারম্যান মামুন বিশ্বাস বলেন, স্বেচ্ছাসেবীরা পাখি রক্ষায় কাজ করছেন। শিকার করা পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হলেও তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতার অভাব এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ঘাটতির কারণে স্থায়ীভাবে পাখি শিকার বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। শিকারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম বলেন, খাদ্য ও নিরাপত্তার জন্য পরিযায়ী ও দেশীয় পাখি চলনবিলে আসে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এসব পাখির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তারা ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশ রক্ষায় সহায়তা করে। পাখি নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ উল্লেখ করে তিনি শিকার বন্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী পাখি বা পরিযায়ী পাখি হত্যা অপরাধ। এ অপরাধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। পাখি শিকারের তথ্য পেলে অভিযান চালিয়ে তা বন্ধের চেষ্টা করা হচ্ছে।

রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নিয়ামুর রহমান বলেন, ফাঁদ পেতে এভাবে পাখি শিকার করা অন্যায়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে পাখি শিকারিদের জরিমানা ও দণ্ডের বিধান রয়েছে। পাখি শিকার বন্ধে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অসাধু শিকারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তবে আইন, অভিযান ও সচেতনতামূলক প্রচারের কথা থাকলেও মাঠপর্যায়ে পাখি শিকার ও প্রকাশ্য বেচাকেনার অভিযোগ বন্ধ না হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে নজরদারি ও প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়ে। স্থানীয়দের দাবি, চলনবিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান ও কঠোর নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য বাসযোগ্য, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পরিবেশসম্মত আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, নগরগুলো এখন শুধু নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন মানুষের বসবাসের স্থান নয়; এগুলো কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তাই পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ টেকসই উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।

বাংলাদেশের নগরাঞ্চল ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, যানজট, দূষণ এবং অপর্যাপ্ত ও মানহীন আবাসনের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বাস্তবতায় এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, দূষণমুক্ত, পর্যাপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা। দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমির উচ্চমূল্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে আবাসন সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ সংকট আরও প্রকট।

অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর উন্নয়ন ও সবার জন্য আবাসন নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান রাষ্ট্রপতি। সুবিধাবঞ্চিতদের আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধির যথাযথ প্রয়োগ, ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার এবং স্মার্ট ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনায় সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এ কাজে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী, গবেষক ও তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। সুপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নগরাঞ্চলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বাসযোগ্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেছে প্রসিকিউশন।

আপিলে ইনুর সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ আপিল করা হয়। পরে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামিম।

এর আগে গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আপিলের মাধ্যমে এখন ইনুর সাজা বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আবেদন জানানো হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পাটওয়ারীর ওপর হামলা: দ্রুত হামলাকারীদের বিচারের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
পাটওয়ারীর ওপর হামলা: দ্রুত হামলাকারীদের বিচারের দাবি

কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চম হামলার ঘটনা।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ায় একটি মাজারের ভেতরে প্রবেশ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলার জন্য তিনি বিএনপির নেতা-কর্মীদের দায়ী করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চমবারের মতো হামলা। একজন নেতাকে কতটা ভয় পেলে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা এমন আচরণ করতে পারেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান এনসিপির আহ্বায়ক। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ভয়ভীতি, দমন-পীড়ন বা হামলা চালিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীদের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না।

এর আগে কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগের খবর প্রকাশিত হয়। সর্বশেষ ঘটনায় নাহিদ ইসলাম বিএনপির নেতা-কর্মীদের দায়ী করলেও এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি