খুঁজুন
                               
, ,
           

পূজা উপলক্ষে মার্কেট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
পূজা উপলক্ষে মার্কেট-শপিংমল খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

তবে ২৩ অক্টোবর থেকে আগের সময়সূচি কার্যকর হবে। সে অনুযায়ী বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান খোলা থাকবে।

পূজাকে কেন্দ্র করে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধা এবং ব্যবসায়ীদের বেচাকেনার সুযোগ বাড়াতেই নির্ধারিত সময় সাময়িকভাবে বাড়ানো হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ

দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করেন। একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) গাজীপুর নগর ভবনের সভাকক্ষে গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পূউর (ডর্‌প)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তামাক নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

সভায় ডর্‌পের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী জেবা আফরোজা গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (GATS) ২০১৭-এর তথ্য তুলে ধরে জানান, কর্মক্ষেত্রের অভ্যন্তরীণ এলাকায় ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ, পাবলিক পরিবহনে ৪৪ শতাংশ এবং রেস্তোরাঁয় প্রায় ৪৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক পরোক্ষ ধূমপানের সংস্পর্শে এসেছেন।

দ্য ল্যানসেট-এর গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ২০২৩ সালে পরোক্ষ ধূমপানের কারণে বিশ্বে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাংলাদেশে তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের অকালমৃত্যু ঘটে। তামাকের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় ও উৎপাদনশীলতা হ্রাসসহ দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

সভায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কার্যালয়গুলোতে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধনী ২০২৬)-এর প্রাসঙ্গিক বিধান কার্যকর করাসহ সব অফিসে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম। আলোচনায় তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আইন কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডর্‌পের পক্ষ থেকে জানানো হয়, করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যালয়ে গণবিজ্ঞপ্তি, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড ও প্রয়োজনীয় উপকরণ স্থাপনের পাশাপাশি তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ধারাবাহিক কার্যক্রম চালানো হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সরকার ও আইডিএর মধ্যে এ সংক্রান্ত ২১ কোটি ৯২ লাখ স্পেশাল ড্রয়িং রাইটসের (এসডিআর) অর্থায়ন চুক্তি সই হয়েছে। এর পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জঁ পেম নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’ নামের প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত ঋণের ওপর বছরে ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ দশমিক ৫০ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি নির্ধারিত থাকলেও চলতি অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশকে এ ফি মওকুফ করেছে বিশ্বব্যাংক।

ইআরডি জানিয়েছে, এই অর্থায়নের ফলে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় সহায়তা জোরদার হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতাও আরও শক্তিশালী হবে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া, ৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী ৩১ অক্টোবর তৃতীয় দফার লংমার্চ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি জানান, ৩১ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া অভিমুখে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে চট্টগ্রাম ও রংপুর অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি সফল হয়েছে দাবি করে এবারও সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

লংমার্চের সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করা।

গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের নামে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কারের দাবিও জানান তিনি।

লংমার্চের কর্মসূচি অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে উদ্বোধনী সমাবেশ হবে। সকাল ৮টায় মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, ফকিরহাট ও রূপসা ব্রিজ হয়ে খুলনায় যাবে লংমার্চের বহর।

এরপর খুলনা থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার জিলা স্কুল মাঠে পৌঁছাবে লংমার্চের বহর। রাত সাড়ে ৮টায় সেখানে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পথে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়, খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর, ফুলতলার স্বাধীনতা চত্বর, যশোরের চাচড়ার মোড় এবং ঝিনাইদহের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, লংমার্চ চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা, পথচারী, ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চেয়েছেন গোলাম পরওয়ার। কোনো পক্ষ উসকানি বা অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে কর্মীদের ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কুষ্টিয়ায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ঘটনাতেও নিন্দা জানানো হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি