খুঁজুন
                               
, ,
           

ইরান থেকে সৌদি—মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক হিসাব যুক্তরাষ্ট্রের

কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
ইরান থেকে সৌদি—মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক হিসাব যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান যুদ্ধের মধ্যেই বড় সামরিক ঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ডে হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রায় এক ডজন বি-১ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে ইরানে দ্রুত ও ধারাবাহিক বিমান হামলা চালানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হারিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে সামরিক সক্ষমতা বন্ধ হয়নি—বরং এখন প্রশ্ন, ইরানে পরবর্তী হামলার জন্য মার্কিন বোমারু বিমানগুলো কোথায় যাবে এবং কতটা ঝুঁকি নিয়ে সেগুলো ব্যবহার করা হবে।

  • ফেয়ারফোর্ড থেকে বি-১ সরিয়ে দ্রুত হামলার সুবিধা কমাল ওয়াশিংটন
  • ইয়েমেন সংঘাতে সৌদির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বার্তা রুবিওর

হামলার আশঙ্কা, তারপরই প্রত্যাহারগত সপ্তাহে ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির আশপাশে ব্রিটিশ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট টহল দেয়। সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ৮৫টি বাড়ির বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে পাঁচ সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি। এক ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিককেও ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘাঁটিতে হামলার কথিত ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে তেহরান। এর কয়েক দিনের মধ্যেই বি-১গুলো প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্লেষকদের ধারণা, বিমান, ক্রু কিংবা ঘাঁটিকে ঘিরে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা-ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল বলেই এমন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হারাল দ্রুত আঘাতের সুবিধা

ফেয়ারফোর্ড ইরানের কাছাকাছি কোনো ঘাঁটি নয়। তবু ইউরোপে অবস্থান করায় এটি মার্কিন বোমারু বিমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী ঘাঁটি হিসেবে কাজ করছিল। সেখান থেকে তুলনামূলক কম সময়ে ইরানের দিকে বড় আকারের মিশন পরিচালনা করা সম্ভব ছিল।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক ক্রিস্টফ বার্গসের মতে, বি-১ সরিয়ে নেওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে দ্রুত বিমান হামলার সংখ্যা বাড়ানোর সক্ষমতা কমবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক হামলা চালানোর ক্ষমতা এতে শেষ হচ্ছে না। গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের নির্বাহী পরিচালক দানিয়া থাফেরের ভাষায়, ওয়াশিংটন ‘একটি সুবিধাজনক হামলার ঘাঁটি’ হারিয়েছে, মূল হামলা চালানোর সক্ষমতা নয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ বি-১?

বি-১-এর সবচেয়ে বড় শক্তি এর বিপুল প্রচলিত অস্ত্র বহনের ক্ষমতা। কিংস কলেজ লন্ডনের গবেষক অরুণ ডসনের মতে, একটি বি-১ প্রায় ৩৪ টন অস্ত্র বহন করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি অভিযানে একসঙ্গে বহু লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল অস্ত্র নিক্ষেপে তাই বিমানটি বিশেষভাবে কার্যকর।

ইরান যুদ্ধে এমন লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে থাকতে পারে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাঁটি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের স্থাপনা। ফেয়ারফোর্ড হারানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে এখন আরও দূরবর্তী ঘাঁটি থেকে দীর্ঘপাল্লার মিশনে যেতে হতে পারে। এতে বাড়বে উড্ডয়ন সময়, ক্রুদের ক্লান্তি এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহের প্রয়োজন।

সামনে ডিয়েগো গার্সিয়া, নাকি উপসাগর?

বি-১ কোথায় যাবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সম্ভাব্য দুটি বিকল্প হলো ভারত মহাসাগরের ডিয়েগো গার্সিয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলো। ডিয়েগো গার্সিয়া তুলনামূলক নিরাপদ এবং বড় সামরিক অভিযানের অবকাঠামো রয়েছে। কিন্তু ইরান থেকে দূরত্ব অনেক বেশি। অন্যদিকে উপসাগরীয় ঘাঁটি থেকে দ্রুত হামলা চালানো সম্ভব হলেও ইরানি পাল্টা আঘাতের ঝুঁকি সেখানে বেশি।

ফেয়ারফোর্ড এত দিন এই দুই বিকল্পের মাঝামাঝি একটি কার্যকর অবস্থান দিচ্ছিল। সেটি না থাকায় ডিয়েগো গার্সিয়ার গুরুত্ব বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সৌদিকে পাশে রাখছে ওয়াশিংটন

এদিকে, ইয়েমেনে হুতিদের ঘিরে নতুন সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে ওয়াশিংটনের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র সেটি মেনে চলবে।

হুতিদের হামলার মুখে সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সময়ে ইয়েমেনের প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি সানা পুনর্দখলের সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন অভিযানে সরাসরি হামলায় অংশ নেওয়ার বদলে যুক্তরাষ্ট্র আপাতত গোয়েন্দা তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তার অবস্থানে রয়েছে।

ঘাঁটি বদল, কৌশল নয়

ফেয়ারফোর্ড থেকে বি-১ সরিয়ে নেওয়া তাই ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পিছু হটার সরাসরি সংকেত নয়। বরং ঝুঁকিপূর্ণ একটি ঘাঁটির বদলে নিরাপদ ও কার্যকর বিকল্প খোঁজার কৌশল এটি।

তবে এই পরিবর্তনের একটি মূল্য আছে—দ্রুত হামলার সুবিধা কমবে, দীর্ঘপাল্লার মিশনের চাপ বাড়বে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ইরান ও ইয়েমেন—দুই দিকেই সংঘাতের পরিধি বাড়তে থাকলে সেই চাপ আরও তীব্র হতে পারে। তথ্যসূত্র: আলজাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সি।

কালের আলো/এসবি/এমকে

শিশুদের মানুষের মতো মানুষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
শিশুদের মানুষের মতো মানুষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, গান, কেরাত ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিশুদের যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সব প্রাণীর প্রতি সদয় এবং পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব গুণ অর্জনের মধ্য দিয়েই শিশুদের মানুষের মতো মানুষ হয়ে উঠতে হবে।

‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে ‘শিশু অধিকার দিবস ২০২৬’ ও শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশুদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আনন্দঘন সময়

সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে শিশুরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানায়। পরে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে শিশুদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরিবেশনায় অংশ নেওয়া শিশুদের সঙ্গে পরে কুশল বিনিময় ও ফটোসেশনে অংশ নেন তিনি।

এ সময় শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী স্নেহের সঙ্গে শিশুদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত হওয়া শিশুরাও তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পায়।

শিশুদের আঁকা ছবি ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন

অনুষ্ঠান শেষে শিশু জাদুঘর ভবনে শিশুদের আঁকা ছবি ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

একই ভবনের নিচতলায় স্থাপিত সোলার প্যানেল ও সাব-স্টেশনেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

এর আগে শিশুদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত বিশেষ স্মরণিকা ‘শৈশব’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: বাসস

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যে কাজটি করেন রাশমিকা

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যে কাজটি করেন রাশমিকা

ভালোবাসার সম্পর্ক দীর্ঘদিন সুন্দর রাখতে হলে নিয়মিত যত্ন ও অনুভূতির প্রকাশ জরুরি—এমনটাই মনে করেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তার মতে, সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোনো হলেও ভালোবাসা প্রকাশের ছোট ছোট অভ্যাসগুলো কখনো হারিয়ে যাওয়া উচিত নয়।

প্রখর গুপ্তার পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পর্ক ও দাম্পত্য জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রাশমিকা। সেখানে তিনি জানান, ভালোবাসার মানুষকে প্রতিদিন অনুভূতির কথা বলা এবং তার খোঁজ নেওয়ার মধ্যেই সম্পর্কের সৌন্দর্য অনেকটা লুকিয়ে থাকে।

‘শুধু একজনকে সম্পর্ক টেনে নেওয়া উচিত নয়’

রাশমিকার মতে, একটি সম্পর্ক কখনোই শুধু একজনের প্রচেষ্টায় টিকে থাকা উচিত নয়। দুজনকেই সম্পর্কটিকে সুন্দর রাখার জন্য নিয়মিত ছোট ছোট চেষ্টা করে যেতে হবে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক কিংবা বিয়ের পর অনেক সময় মানুষ ধরে নেন, সঙ্গী তো সবকিছু জানেন। ফলে ‘শুভ সকাল’, ‘কেমন আছ?’ কিংবা ‘তোমার দিন কেমন গেল?’—এ ধরনের সাধারণ কথাগুলোও ধীরে ধীরে কমে যায়।

কিন্তু রাশমিকার মতে, সম্পর্ক যত পুরোনোই হোক না কেন, ভালোবাসার এসব ছোট ছোট প্রকাশ চালু রাখা প্রয়োজন।

দিনে ১০-১৫ বার বলেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’

রাশমিকার ভালোবাসা প্রকাশের ধরনও বেশ সরল। তিনি জানান, নিজের সঙ্গীকে দিনে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বলেন।

শুধু মুখে ভালোবাসার কথা বলাই নয়, সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনুভূতি প্রকাশ করাকেও তিনি সমান গুরুত্ব দেন। তার মতে, মনের মধ্যে ভালোবাসা থাকলেই সবসময় যথেষ্ট নয়; কখনো কখনো সেই অনুভূতিটা প্রিয় মানুষটির কাছে প্রকাশ করাও প্রয়োজন।

‘এটাই ভালোবাসা’

সময় যতই গড়াক, সম্পর্কের মধ্যে যতই পরিচিতি আসুক—ভালোবাসার প্রকাশ যেন অভ্যাস থেকে হারিয়ে না যায়, সেটিই রাশমিকার বক্তব্যের মূল বিষয়।

তার মতে, সঙ্গীর খোঁজ নেওয়া, তার দিন কেমন কাটল তা জানতে চাওয়া কিংবা হঠাৎ করে ভালোবাসার কথা বলা—এসব খুব ছোট বিষয় মনে হলেও সম্পর্কের জন্য এগুলোই গুরুত্বপূর্ণ।

রাশমিকার ভাষায়, ‘এটাই ভালোবাসা।’

সম্পর্কে নিয়মিত যত্ন ও অনুভূতির প্রকাশকে গুরুত্ব দেওয়া রাশমিকার এই ভাবনা এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। তার কথায় উঠে এসেছে, ভালোবাসা শুধু বড় কোনো আয়োজন নয়; প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে ওঠে।

কালের আলো/জেএন

ট্র্যাকে কুকুর, ফায়ার সার্ভিসে স্বাভাবিক মেট্রো

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৮ অপরাহ্ণ
ট্র্যাকে কুকুর, ফায়ার সার্ভিসে স্বাভাবিক মেট্রো

রাজধানীর কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনের ট্র্যাক লাইনে কুকুর ঢুকে পড়ায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল মেট্রোরেল চলাচল। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কুকুরটিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পর ফের স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৫২ মিনিটের দিকে কারওয়ান বাজার মেট্রোরেল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় উদ্ধার

এমআরটি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টা ৫২ মিনিটে স্টেশনের ট্র্যাক লাইনে একটি কুকুর ঢুকে পড়ে। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে ওই সময় মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে তারা ট্র্যাক থেকে কুকুরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে সরিয়ে নেন।

এমআরটি পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মো. মহসীন শেখ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

কুকুরটি ট্র্যাক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সকাল ১১টা ৫৭ মিনিটে পুনরায় মেট্রোরেল চলাচল শুরু হয়।

এমআরটি পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি