খুঁজুন
                               
, ,
           

বড় পর্দায় প্রথমবার নিশো-মেহজাবীন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
বড় পর্দায় প্রথমবার নিশো-মেহজাবীন

টেলিভিশন নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। ছোট পর্দায় তাদের অভিনীত বহু নাটক দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছে। এবার সেই পরিচিত রসায়ন দেখা যাবে আরও বড় পরিসরে—বড় পর্দায়।

প্রথমবারের মতো সিনেমায় জুটি বাঁধছেন আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। নির্মাতা ভিকি জাহেদের ‘পুলসিরাত’ সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যাবে তাদের। এর মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে জনপ্রিয় এই জুটির।

জানুয়ারিতেই শুরু শুটিং

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ‘পুলসিরাত’ নামটি নিবন্ধন করা হয়েছিল। তখন সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও নিশো ও মেহজাবীনের অভিনয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল না।

তবে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল নিশো ও মেহজাবীনের সঙ্গে একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। এরপরই নতুন করে আলোচনায় আসে সিনেমাটি। তার ওই পোস্টকে নিশো-মেহজাবীনের ‘পুলসিরাত’-এ যুক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন দর্শকরা।

প্রযোজনা সংশ্লিষ্ট একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সূত্রের দাবি, বর্তমানে সিনেমাটির প্রস্তুতির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী জানুয়ারির শুরুতেই শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় এক মাস টানা শুটিং করে সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের।

ঈদে মুক্তির পরিকল্পনা

শুধু শুটিং নয়, সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনাও ইতোমধ্যে সাজানো হয়েছে বলে জানা গেছে। সূত্রের দাবি, আগামী রোজার ঈদকে লক্ষ্য করেই এগোচ্ছে ‘পুলসিরাত’-এর কাজ।

পরিকল্পনা অনুযায়ী জানুয়ারিতে শুটিং শেষ করে ফেব্রুয়ারিতে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনামতো এগোলে মার্চে রোজার ঈদে বড় পর্দায় অভিষেক হতে পারে নিশো-মেহজাবীনের।

একই সিনেমার মাধ্যমে নির্মাতা হিসেবেও বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করবেন ভিকি জাহেদ।

নিশো-মেহজাবীনের পুরোনো রসায়ন

ভিকি জাহেদের নির্মাণে এর আগেও একাধিক নাটক ও ওয়েব কনটেন্টে একসঙ্গে কাজ করেছেন নিশো ও মেহজাবীন। ‘পুনর্জন্ম’, ‘চিরকাল আজ’ ও ‘রেডরাম’-এর মতো আলোচিত কাজেও দেখা গেছে এই জুটিকে।

তাদের অভিনয় ও পর্দার রসায়ন বরাবরই দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। এবার সেই পরিচিত জুটি সিনেমার বড় পর্দায় কতটা সাড়া ফেলতে পারে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

‘পুলসিরাত’ প্রযোজনা করছে এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির প্রযোজনায় বেশ কয়েকটি আলোচিত ও সফল সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। ফলে নিশো-মেহজাবীনের জুটি এবং ভিকি জাহেদের বড় পর্দার অভিষেক—দুই মিলিয়ে ‘পুলসিরাত’ ঘিরে দর্শকের আগ্রহও তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/জেএন

বাদীপক্ষের আপত্তি নেই, তবুও জামিন হয়নি গাজী নজরুলের

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
বাদীপক্ষের আপত্তি নেই, তবুও জামিন হয়নি গাজী নজরুলের

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আসামিপক্ষের আপস হয়েছে এবং বাদীপক্ষের জামিনে আপত্তি নেই—এমন বক্তব্যের পরও শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে নজরুলের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান। শুনানিতে তিনি বলেন, মামলার বাদী মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে আসামিদের সমঝোতা হয়েছে। বাদীপক্ষও জামিনে আপত্তি করছে না।

তবে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গাজী নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে আপাতত তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই মামলায় নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করা হয়। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও নজরুলের জামিন আবেদন নাকচ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলার পরদিন নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে মামলাটির তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরবর্তী সময়ে নজরুলের আরও এক দফা রিমান্ড মঞ্জুর হয়। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার অপর আসামি ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তার জামিন আবেদনের শুনানিও আদালতে হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলাটি বর্তমানে গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অবদানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অবদানে

অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অরৈখিক প্রভাব ও স্বয়ং-অনুঘটন বা অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও কেনসো সোয়াই।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এ বছরের রসায়নে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে।

নোবেল সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের পর তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে রসায়নে নোবেল ঘোষণা করা হলো। পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল কমিটির রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান হেইনার লিংকে বলেন, এবারের পুরস্কারটি মৌলিক রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক অণু দুটি ভিন্ন রূপে পাওয়া যায়। মানুষের দুই হাতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বোঝান, দুটি হাত দেখতে একে অপরের দর্পণ প্রতিবিম্বের মতো হলেও তারা অভিন্ন নয় এবং একটির ওপর আরেকটি পুরোপুরি বসানো যায় না। এ ধরনের অণুকে ‘কাইরাল’ বলা হয়। গ্রিক শব্দ ‘হাত’ থেকেই ‘কাইরাল’ শব্দটির উৎপত্তি।

রসায়নে নোবেল পাওয়া এ গবেষণা জৈব অণুর নির্দিষ্ট গঠন তৈরি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণ ও অটোক্যাটালাইসিস রসায়নের মৌলিক গবেষণায় নতুন দিগন্ত তৈরি করেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর ইয়াগি। ধাতু-জৈব কাঠামো বা মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির জন্য তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবারের নোবেলজয়ীরা আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সুইডেনের রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফের কাছ থেকে পদক গ্রহণ করবেন। দিনটি আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর স্টকহোম সিটি হলে ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজের আয়োজন করা হবে।

নোবেলজয়ীরা মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা অর্থ পুরস্কার হিসেবে ভাগ করে নেবেন, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞান পুরস্কার অর্জনের স্বীকৃতি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রেমিট্যান্সে খরচ বাড়ছে, বাড়তে পারে হুন্ডির ঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্সে খরচ বাড়ছে, বাড়তে পারে হুন্ডির ঝুঁকি

বিদেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে গড়ে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ খরচ হলেও এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮২ শতাংশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সেবার খরচ বৃদ্ধি, বিভিন্ন ধরনের ফি ও কর এবং মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ১ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠাতে গড়ে খরচ হতো ১৭ দশমিক ৮০ ডলার। এপ্রিল-জুনে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ২০ ডলার। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে ১ হাজার ডলার পাঠাতে খরচ বেড়েছে ৪০ সেন্ট।

ছোট অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠাতে খরচ তুলনামূলক বেশি। ২০০ ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে ২০০ থেকে ৫০০ ডলার পাঠানোর খরচ ০ দশমিক ৯৬ থেকে কমে ০ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে। ৫০০ ডলারের বেশি পাঠানোর ক্ষেত্রে খরচ ০ দশমিক ৪৯ থেকে বেড়ে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ হয়েছে।

দেশভেদেও রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচে পরিবর্তন এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, ইতালি, ওমান ও যুক্তরাজ্য থেকে খরচ বেড়েছে। বিপরীতে কুয়েত, যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে খরচ কমেছে। সিঙ্গাপুর থেকে খরচ ১ দশমিক ৩১ শতাংশ থেকে কমে ০ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়লে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর প্রবণতা বাড়তে পারে। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদেশে প্রবাসীদের ব্যাংকিং সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশি ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে দেশের ভেতরে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের স্বজনদের কাছে রেমিট্যান্সের অর্থ পাঠানোর খরচ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কিছুটা কমেছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি