খুঁজুন
                               
, ,
           

যুদ্ধ থামাতে ইরানকে যে শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধ থামাতে ইরানকে যে শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে তেহরানকে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ‘অর্থপূর্ণভাবে’ কমাতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর ভাষ্য, শুধু পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধকরণ কমানোর প্রমাণ দিতে হবে।

আলাস্কার ফেয়ারব্যাংকস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রয়টার্সকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ভ্যান্স। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির অন্যতম মৌলিক শর্ত হবে দেশটির পরমাণু সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা কমানো।

‘৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ জ্বালানির প্রয়োজন কী?’

ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করতে চায়, তাহলে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ জ্বালানি উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

ভ্যান্স বলেন, ‘আপনারা যদি পারমাণবিক অস্ত্র না–ই চান, তবে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ জ্বালানির কী প্রয়োজন? আর পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি যদি দিতেই হয়, তবে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ করুন। এটি একেবারেই প্রাথমিক একটি শর্ত।’

তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন শুধু কথার ওপর ভিত্তি করে কোনো সমঝোতায় যেতে চায় না। ইরানকে বাস্তবে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও চাপ

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র পরস্পরের কাছে বিভিন্ন প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এর পাশাপাশি মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন ট্রাম্প।

ইরানের সিদ্ধান্ত কে নেন, জানে না যুক্তরাষ্ট্র?

শুধু পরমাণু কর্মসূচি নয়, ইরানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো নিয়েও অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছেন ভ্যান্স।

তিনি বলেন, তেহরানে প্রকৃতপক্ষে কারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে আলোচনা করলেও দেশটির ক্ষমতার কাঠামোয় তাঁদের প্রকৃত কর্তৃত্ব কতটা, তা স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভ্যান্সের ভাষায়, ‘আমরা যে বিষয়টি বুঝতে পেরেছি, তা হলো, তাঁদের দেশ কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।’

যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এই অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এর আগে দাবি করেছেন, ইরানের প্রতিনিধিরা কারা এবং দেশটির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া কীভাবে পরিচালিত হয়, সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা ভালোভাবেই অবগত।

আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা

ইরানের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনায় নিজের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে রাজি হননি ভ্যান্স। তবে হোয়াইট হাউসের প্রধান আলোচক হিসেবে প্রায়ই তাঁর নাম সামনে আসে।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবশ্যই আলোচনায় জড়িত। তবে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নিতে সামরিক বাহিনীর মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছেন বলেও জানান ভ্যান্স। গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগের কথাও তিনি নাকচ করে দেন।

ভ্যান্সের দাবি, ইরানি বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে মাঝেমধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালাতে সক্ষম হলেও জলপথটি ব্যবহার করে জ্বালানি রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার মতো সক্ষমতা তাদের নেই।

চলমান সংঘাতের রাজনৈতিক চাপও কম নয়। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরান যুদ্ধ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করেছে। ফলে যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/জেএন

অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অবদানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অবদানে

অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অরৈখিক প্রভাব ও স্বয়ং-অনুঘটন বা অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও কেনসো সোয়াই।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এ বছরের রসায়নে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে।

নোবেল সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের পর তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে রসায়নে নোবেল ঘোষণা করা হলো। পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল কমিটির রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান হেইনার লিংকে বলেন, এবারের পুরস্কারটি মৌলিক রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক অণু দুটি ভিন্ন রূপে পাওয়া যায়। মানুষের দুই হাতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বোঝান, দুটি হাত দেখতে একে অপরের দর্পণ প্রতিবিম্বের মতো হলেও তারা অভিন্ন নয় এবং একটির ওপর আরেকটি পুরোপুরি বসানো যায় না। এ ধরনের অণুকে ‘কাইরাল’ বলা হয়। গ্রিক শব্দ ‘হাত’ থেকেই ‘কাইরাল’ শব্দটির উৎপত্তি।

রসায়নে নোবেল পাওয়া এ গবেষণা জৈব অণুর নির্দিষ্ট গঠন তৈরি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণ ও অটোক্যাটালাইসিস রসায়নের মৌলিক গবেষণায় নতুন দিগন্ত তৈরি করেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর ইয়াগি। ধাতু-জৈব কাঠামো বা মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির জন্য তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবারের নোবেলজয়ীরা আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সুইডেনের রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফের কাছ থেকে পদক গ্রহণ করবেন। দিনটি আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর স্টকহোম সিটি হলে ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজের আয়োজন করা হবে।

নোবেলজয়ীরা মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা অর্থ পুরস্কার হিসেবে ভাগ করে নেবেন, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞান পুরস্কার অর্জনের স্বীকৃতি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রেমিট্যান্সে খরচ বাড়ছে, বাড়তে পারে হুন্ডির ঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্সে খরচ বাড়ছে, বাড়তে পারে হুন্ডির ঝুঁকি

বিদেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে গড়ে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ খরচ হলেও এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮২ শতাংশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সেবার খরচ বৃদ্ধি, বিভিন্ন ধরনের ফি ও কর এবং মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ১ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠাতে গড়ে খরচ হতো ১৭ দশমিক ৮০ ডলার। এপ্রিল-জুনে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ২০ ডলার। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে ১ হাজার ডলার পাঠাতে খরচ বেড়েছে ৪০ সেন্ট।

ছোট অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠাতে খরচ তুলনামূলক বেশি। ২০০ ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে ২০০ থেকে ৫০০ ডলার পাঠানোর খরচ ০ দশমিক ৯৬ থেকে কমে ০ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে। ৫০০ ডলারের বেশি পাঠানোর ক্ষেত্রে খরচ ০ দশমিক ৪৯ থেকে বেড়ে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ হয়েছে।

দেশভেদেও রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচে পরিবর্তন এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, ইতালি, ওমান ও যুক্তরাজ্য থেকে খরচ বেড়েছে। বিপরীতে কুয়েত, যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে খরচ কমেছে। সিঙ্গাপুর থেকে খরচ ১ দশমিক ৩১ শতাংশ থেকে কমে ০ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়লে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর প্রবণতা বাড়তে পারে। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদেশে প্রবাসীদের ব্যাংকিং সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশি ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে দেশের ভেতরে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের স্বজনদের কাছে রেমিট্যান্সের অর্থ পাঠানোর খরচ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কিছুটা কমেছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে।

বুধবার সকালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে হাবিপ্রবিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও তিনি রাষ্ট্রপতিকে জানান।

এ সময় শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য।

রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবির উপাচার্য আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি