খুঁজুন
                               
, ,
           

ড্রোন হামলার জবাবে পাকিস্তানের অভিনব ‘জাল’ কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ড্রোন হামলার জবাবে পাকিস্তানের অভিনব ‘জাল’ কৌশল

ড্রোন হামলা ঠেকাতে আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়, এবার মাছ ধরার জালকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের পুলিশ। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার হামলা থেকে পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করতে ঝুঁকিপূর্ণ চৌকি ও ফাঁড়ির ওপর টানানো হচ্ছে এসব জাল।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রদেশটির হাঙ্গু জেলার সারকি পিয়ালা পুলিশ চৌকিতে এমন জাল বসানোর পর থেকে সেখানে আর কোনো ড্রোন হামলা হয়নি বলে দাবি করেছে পুলিশ।

হামলার পর বদলে গেল কৌশল

গত ১৬ এপ্রিল বিস্ফোরকবোঝাই ড্রোন দিয়ে সারকি পিয়ালা পুলিশ চৌকিতে হামলা চালানো হয়। ওই সময় পুলিশ কর্মকর্তা ফাইয়াজ খান ও তাঁর সহকর্মীরা আত্মরক্ষায় দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। পরে চৌকিটি ঘিরে গুলি চালায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সদস্যরা।

আফগানিস্তান সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরের এই এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে চলা ওই সংঘর্ষে একটি সাঁজোয়া গাড়ির চালক নিহত ও এক পুলিশ সদস্য আহত হন।

ফাইয়াজ খান বলেন, ওই হামলার সময় তারা প্রচণ্ড আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন। কারণ, যুদ্ধের মাঝখানে থেকে শেষ পর্যন্ত জীবিত অবস্থায় ফিরতে পারবেন কি না, সেটিও তারা জানতেন না।

চার লাখ রুপির জালেই ভরসা

ড্রোন হামলার ঝুঁকি কমাতে এরপর পুলিশ চৌকির ছাদ ও সীমানাপ্রাচীরের মধ্যে কয়েক মিটার উঁচুতে মাছ ধরার জাল টানিয়ে দেয়। দড়ি ও তার দিয়ে জোড়া লাগানো এসব জাল ওপর থেকে দেখতে অনেকটা ছাউনির মতো।

পুলিশের ভাষ্য, এ ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে কম খরচের। একটি সাধারণ পুলিশ চৌকি এ ধরনের জাল দিয়ে ঢাকতে প্রায় চার লাখ পাকিস্তানি রুপি, অর্থাৎ প্রায় ১ হাজার ৪৩৫ মার্কিন ডলার খরচ হয়।

হাঙ্গু জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব জানান, ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার হামলায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ পুলিশ স্টেশন ও চৌকিগুলোতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জালে আটকে যেতে পারে ড্রোন

পুলিশ কর্মকর্তা ফাইয়াজ খানের মতে, কোনো ড্রোন চৌকির ওপর দিয়ে আসার সময় জালে আটকে গেলে সেটিকে নিষ্ক্রিয় বা থামানো সম্ভব হতে পারে। এমনকি জালের ওপর ড্রোন বিস্ফোরিত হলেও সরাসরি নিচে থাকা পুলিশ সদস্যদের ওপর বিস্ফোরণের টুকরা পড়ার ঝুঁকি কমতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

ফাইয়াজ খান বলেন, ড্রোনটি জালে আটকে না গিয়ে জালের ওপর বিস্ফোরিত হলেও বিস্ফোরণের শেল ও টুকরার বড় অংশ বাতাসে ছড়িয়ে পড়বে। ফলে নিচে অবস্থানরত পুলিশ সদস্যদের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমতে পারে।

তবে এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নয়; বরং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর হিসেবেই ব্যবহার করছে পুলিশ।

আরও এলাকায় বসছে জাল

হাঙ্গু জেলার পাশাপাশি খাইবার পাখতুনখাওয়ার আরও কয়েকটি ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় এই ব্যবস্থা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোহাট, কারাক, বান্নু, লাক্কি মারওয়াত ও ডেরা ইসমাইল খানের বিভিন্ন চেকপোস্ট ও পুলিশ ফাঁড়িতেও জাল বসানো হয়েছে। প্রদেশের কয়েকটি সামরিক চৌকিতেও ড্রোন ঠেকাতে একই কৌশল নেওয়া হয়েছে।

হাঙ্গু পুলিশের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করতে প্রাদেশিক সরকারের কাছে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দও চাওয়া হয়েছে।

বদলে যাচ্ছে হামলার ধরন

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার কৌশলে পরিবর্তন এসেছে। আগে গুলিবর্ষণ ও মর্টার হামলার পাশাপাশি এখন ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ ও সামরিক স্থাপনাগুলো নতুন ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

গত ২৯ জুলাই হাঙ্গুতে একটি পুলিশ ফাঁড়িতে বোমাযুক্ত কোয়াডকপ্টার দিয়ে হামলার পর স্থলপথেও হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় অন্তত ১১ পুলিশ সদস্য নিহত ও ২৮ জন আহত হন। কয়েক ঘণ্টার ওই সংঘর্ষে ১৫ হামলাকারীও নিহত হন। টিটিপি হামলার দায় স্বীকার করে।

এর আগে ও পরেও ওই অঞ্চলে একাধিক প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ফলে ড্রোন হামলা ঠেকাতে কম খরচে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা খুঁজে বের করা পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

‘নিরাপত্তার বাড়তি স্তর’

পুলিশ কর্মকর্তা জিশান খান বলেন, মাছ ধরার জাল বসানোর পর সারকি পিয়ালা ও কাছের বালিয়ামেনা চৌকিতে কোনো ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার হামলা হয়নি। তাঁর মতে, এই জাল পুলিশ সদস্যদের জন্য নিরাপত্তার একটি বাড়তি স্তর হিসেবে কাজ করছে।

তাঁর ধারণা, কোনো হামলা হলেও এই ব্যবস্থা সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে।

আধুনিক ড্রোন যুদ্ধের যুগে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বদলে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য মাছ ধরার জাল দিয়ে প্রতিরক্ষার এই অভিনব উদ্যোগ এখন খাইবার পাখতুনখাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ নিরাপত্তা চৌকিগুলোতে নতুন এক বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে।

কালের আলো/জেএন

অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অবদানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অবদানে

অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে অরৈখিক প্রভাব ও স্বয়ং-অনুঘটন বা অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও কেনসো সোয়াই।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সুইডেনের স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এ বছরের রসায়নে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে।

নোবেল সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞানের পর তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে রসায়নে নোবেল ঘোষণা করা হলো। পুরস্কার ঘোষণার সময় নোবেল কমিটির রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান হেইনার লিংকে বলেন, এবারের পুরস্কারটি মৌলিক রসায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক অণু দুটি ভিন্ন রূপে পাওয়া যায়। মানুষের দুই হাতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বোঝান, দুটি হাত দেখতে একে অপরের দর্পণ প্রতিবিম্বের মতো হলেও তারা অভিন্ন নয় এবং একটির ওপর আরেকটি পুরোপুরি বসানো যায় না। এ ধরনের অণুকে ‘কাইরাল’ বলা হয়। গ্রিক শব্দ ‘হাত’ থেকেই ‘কাইরাল’ শব্দটির উৎপত্তি।

রসায়নে নোবেল পাওয়া এ গবেষণা জৈব অণুর নির্দিষ্ট গঠন তৈরি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণ ও অটোক্যাটালাইসিস রসায়নের মৌলিক গবেষণায় নতুন দিগন্ত তৈরি করেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর ইয়াগি। ধাতু-জৈব কাঠামো বা মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির জন্য তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এবারের নোবেলজয়ীরা আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সুইডেনের রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফের কাছ থেকে পদক গ্রহণ করবেন। দিনটি আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর স্টকহোম সিটি হলে ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজের আয়োজন করা হবে।

নোবেলজয়ীরা মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা অর্থ পুরস্কার হিসেবে ভাগ করে নেবেন, যা প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিজ্ঞান পুরস্কার অর্জনের স্বীকৃতি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

রেমিট্যান্সে খরচ বাড়ছে, বাড়তে পারে হুন্ডির ঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্সে খরচ বাড়ছে, বাড়তে পারে হুন্ডির ঝুঁকি

বিদেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে গড়ে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ খরচ হলেও এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮২ শতাংশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, বিদেশি ব্যাংক ও এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর সেবার খরচ বৃদ্ধি, বিভিন্ন ধরনের ফি ও কর এবং মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার কারণে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ১ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠাতে গড়ে খরচ হতো ১৭ দশমিক ৮০ ডলার। এপ্রিল-জুনে তা বেড়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ২০ ডলার। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে ১ হাজার ডলার পাঠাতে খরচ বেড়েছে ৪০ সেন্ট।

ছোট অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠাতে খরচ তুলনামূলক বেশি। ২০০ ডলার পর্যন্ত রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ ২ দশমিক ৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে ২০০ থেকে ৫০০ ডলার পাঠানোর খরচ ০ দশমিক ৯৬ থেকে কমে ০ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়েছে। ৫০০ ডলারের বেশি পাঠানোর ক্ষেত্রে খরচ ০ দশমিক ৪৯ থেকে বেড়ে ০ দশমিক ৫০ শতাংশ হয়েছে।

দেশভেদেও রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচে পরিবর্তন এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, ইতালি, ওমান ও যুক্তরাজ্য থেকে খরচ বেড়েছে। বিপরীতে কুয়েত, যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুর থেকে খরচ কমেছে। সিঙ্গাপুর থেকে খরচ ১ দশমিক ৩১ শতাংশ থেকে কমে ০ দশমিক ৯৮ শতাংশে নেমেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ বাড়লে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর প্রবণতা বাড়তে পারে। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদেশে প্রবাসীদের ব্যাংকিং সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশি ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে দেশের ভেতরে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের স্বজনদের কাছে রেমিট্যান্সের অর্থ পাঠানোর খরচ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর খরচ কিছুটা কমেছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে।

বুধবার সকালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে হাবিপ্রবিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও তিনি রাষ্ট্রপতিকে জানান।

এ সময় শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন উপাচার্য।

রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবির উপাচার্য আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি