খুঁজুন
                               
, ,
           

অভিনয়ে যোগ্যতার চেয়ে গ্ল্যামার? মুখ খুললেন সোহিনী

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
অভিনয়ে যোগ্যতার চেয়ে গ্ল্যামার? মুখ খুললেন সোহিনী

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীর সংখ্যা, গ্ল্যামার কিংবা ক্ষণস্থায়ী জনপ্রিয়তাই কি এখন অভিনয়শিল্পীদের কাজ পাওয়ার প্রধান মাপকাঠি? চলচ্চিত্র অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই ঘুরেফিরে আসছে এই প্রশ্ন। বলিউড থেকে টলিউড—অভিনয় প্রতিভার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগও নতুন নয়।

এবার সেই বিতর্কেই মুখ খুলেছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। অভিনয়জগতে দেড় দশকেরও বেশি সময়ের পথচলায় ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দায় নিজের জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। বৈচিত্র্যময় চরিত্র ও অভিনয়শৈলীর মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন দর্শকের কাছে।

নতুনদের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন সোহিনীর

সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কাজের সুযোগ এবং শিল্পী বাছাইয়ের বর্তমান প্রবণতা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন সোহিনী।

তার মতে, অনেক নতুন শিল্পী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই অভিনয়জগতে প্রবেশ করছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে যারা নতুন কাজ করতে আসছেন, তাদের দেখে অনেক সময় মনে হয় যে তারা পুরোপুরি তৈরি হয়ে আসেননি।’

সোহিনীর বক্তব্য, আগে অভিনয়কে পেশা হিসেবে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রস্তুতি, শেখার আগ্রহ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিশ্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। এখন সেই জায়গায় কিছু ক্ষেত্রে বদল এসেছে।

‘যার গ্ল্যামার বেশি, সে কাজ পায় বেশি’

অতীত ও বর্তমানের কাজের পরিবেশের তুলনা করে সোহিনী বলেন, একসময় অভিনয়শিল্পীরা নিজেদের প্রস্তুত করতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতেন। কেউ পড়াশোনা করতেন, আবার কেউ দিনের পর দিন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত থেকে কাজ শিখতেন।

কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে চিত্রটা অনেকটাই বদলে গেছে বলে মনে করেন তিনি।

সোহিনীর ভাষায়, ‘একটা সময় ছিল যখন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা রীতিমতো পড়াশোনা করতেন, অথবা দিনের পর দিন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত থেকে কাজ শেখার চেষ্টা করতেন। কিন্তু এখন যার গ্ল্যামার সবথেকে বেশি, সে কাজ পায় বেশি।’

তবে এখানেই আপত্তি সোহিনীর। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদে শুধু বাহ্যিক আকর্ষণ বা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করে অভিনয়জগতে টিকে থাকা সম্ভব নয়।

‘আমার মনে হয়, শুধুমাত্র গ্ল্যামার দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি চলে না,’—বলেছেন তিনি।

যিশু সেনগুপ্তকে উদাহরণ হিসেবে টানলেন

নিজের বক্তব্যের পক্ষে সহ-অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের উদাহরণও দিয়েছেন সোহিনী।

তার মতে, যিশুর বর্তমান অবস্থানের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম ও ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকার ইতিহাস।

সোহিনী বলেন, ‘যিশুদা অনেক ছোটবেলা থেকে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে আজকে তিনি এই জায়গায় এসে পৌঁছেছেন।’

তারপরই নিজের বক্তব্যের সারকথা তুলে ধরে অভিনেত্রী বলেন, ‘শুধুমাত্র গ্ল্যামার থাকলেই ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা যায় না, আগে দরকার যোগ্যতা।’

নতুন সিনেমায় যিশুর বিপরীতে সোহিনী

এদিকে সোহিনীর হাতে রয়েছে নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’। আসন্ন দুর্গাপূজায় মুক্তি পাওয়ার কথা সিনেমাটির। এতে যিশু সেনগুপ্তর বিপরীতে দেখা যাবে তাকে।

ইতোমধ্যে প্রকাশিত ট্রেলারে সোহিনীর উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। সিনেমাটিকে ঘিরে প্রত্যাশার মধ্যেই ইন্ডাস্ট্রিতে শিল্পী বাছাই ও যোগ্যতার প্রশ্নে তার এমন বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সোহিনীর বক্তব্যের মূল সুর একটাই—সাময়িক জনপ্রিয়তা কিংবা গ্ল্যামার হয়তো সুযোগ এনে দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হলে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন অভিনয়ের যোগ্যতা, প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতা।

কালের আলো/জেএন

গঙ্গা চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
গঙ্গা চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ চায় বাংলাদেশ: পানিসম্পদমন্ত্রী

ভারতের সঙ্গে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা চলছে। এরপর মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে চুক্তির বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ভাবনা: তরুণ নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, উভয় দেশের জেআরসির মাধ্যমে বৈঠক হচ্ছে এবং দুই দেশের কারিগরি দল কাজ করছে। ২০২৬ সালের ১২ ডিসেম্বরের আগেই গঙ্গা চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে তারা আশাবাদী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিতে থাকা গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্ত করা। ১৯৭৭ সালে প্রথম পাঁচ বছরের জন্য চুক্তি হলেও ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য নতুন চুক্তি করা হয়। তবে ওই চুক্তিতে গ্যারান্টি ক্লজ রাখা হয়নি।

দীর্ঘমেয়াদি নতুন চুক্তির পাশাপাশি গ্যারান্টি ক্লজ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণ ও দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটির ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ চলমান রয়েছে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ এবং বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নেওয়ার বিষয়েও কাজ চলছে।

তিনি বলেন, ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করতে সময় লাগবে। ২০২৭ সালের মধ্যে স্টাডি শেষ করে ওই বছরই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিস্তা প্রকল্পে ভারতের কোনো চাপ বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থই সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পদ্মা ব্যারেজের কাজ শুরুর লক্ষ্য

পদ্মা ব্যারেজকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্প উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অঞ্চলের মানুষ এর সুফল পাবে।

তিনি জানান, পদ্মা ব্যারেজের কাজ দৃশ্যমান করার জন্য প্রকল্পটি ইতোমধ্যে একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চের মধ্যে যেকোনো সময়ে প্রকল্পটির কাজ দৃশ্যমানভাবে শুরু হতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজের ফিজিবিলিটি স্টাডি ২০০৪ সালে শুরু হয়ে ২০১৬ সালে শেষ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পটি দৃশ্যমান হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মধ্যে স্টাডি পুনরায় চূড়ান্ত করে প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনাও বড় একটি প্রকল্প। এ ধরনের প্রকল্পের স্টাডি এক-দুই সপ্তাহ বা এক-দুই মাসে শেষ করা সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রযুক্তিগত কাজ শেষ করেই তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে দৃশ্যমান করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মহাখালীতে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইম পরিবহনের বাসে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
মহাখালীতে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইম পরিবহনের বাসে আগুন

রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইম পরিবহনের একটি এসি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, টার্মিনালের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইম পরিবহনের একটি এসি বাসে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে কী কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগুন লাগার ঘটনায় আশপাশের লোকজনের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

একনেকে অনুমোদন, পঞ্চগড়ে হচ্ছে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৪ অপরাহ্ণ
একনেকে অনুমোদন, পঞ্চগড়ে হচ্ছে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু

পঞ্চগড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এক অধ্যায়। দীর্ঘদিনের দাবির পর বহুল প্রত্যাশিত ‘দ্বিতীয় করতোয়া সেতু’ নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ২০৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য সেতুটি জেলার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের একনেকের পঞ্চম সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। পঞ্চগড়ের ভজনপুর (নিজবাড়ী)-আটোরখাড়ি-ময়নাগুড়ি-আমতলী-মিরগড়-পঞ্চগড় (জেড-৫০৬০) সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত হবে সেতুটি।

প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২০৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। চলতি অক্টোবর থেকে নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেতুটি নির্মিত হলে ভজনপুর, আটোরখাড়ি, ময়নাগুড়ি, আমতলী ও মিরগড়সহ আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের জেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য ও পাথর পরিবহনে সময় ও খরচ কমবে। এতে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) পঞ্চগড়ের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোতাহার আলী প্রকল্পটির অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দ্বিতীয় করতোয়া সেতুর অনুমোদন জেলাবাসীর জন্য বড় সুখবর। ২০৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক মানের সেতুটি নির্মিত হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। একই সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও শক্তিশালী হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে করতোয়া নদীর ওই স্থানে একটি টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। একনেকের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে সেই দাবির বাস্তবায়নের পথ খুলে গেল। সেতুটি নির্মিত হলে যোগাযোগের পাশাপাশি কৃষি, পাথর ব্যবসা ও স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি