খুঁজুন
                               
, ,
           

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশের অভিযানে গুলি, গ্রেপ্তার ৫

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশের অভিযানে গুলি, গ্রেপ্তার ৫

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে গুলি ছুড়েছে সন্ত্রাসীরা। পরে অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ ইয়াছিনের পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে গোলাগুলিতে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছিল। পুলিশের উপস্থিতি ও অভিযানের খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পরে অভিযান চালিয়ে ইয়াছিনের পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি ও অস্ত্র মজুতের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা গুলি ছুড়ে পাহাড়ের ভেতরে আত্মগোপনের চেষ্টা করে। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি শটগান ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, জঙ্গল সলিমপুরের পাহাড়ি এলাকায় জমি দখল, পাহাড় কাটা, প্লট বিক্রি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে ইয়াছিন বাহিনী অন্যতম। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আলীনগর এলাকায় ইয়াছিনের নিয়ন্ত্রণ ছিল।

এর আগে গত ৯ মার্চ জঙ্গল সলিমপুরে প্রায় ৩ হাজার ২০০ সদস্যের অংশগ্রহণে যৌথ অভিযান চালায় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবি। ওই অভিযানে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ইয়াছিন ও রোকন উদ্দিনসহ কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা

বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে ঢাকা-জাকার্তার মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার প্রস্তাব এসেছে। একই সঙ্গে সৌদি আরবগামী ইন্দোনেশীয় যাত্রীদের জন্য ঢাকাকে সম্ভাব্য ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী আনিস মাত্তা। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বিদ্যমান সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। ইন্দোনেশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ বাড়াতে দেশটির আরও বেশি পণ্য আমদানির জন্য আহ্বান জানান তিনি।

দুই দেশের নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেন বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে ইন্দোনেশিয়ার উপমন্ত্রী প্রচলিত ব্যবসায়িক সম্পর্কের বাইরে বৃহত্তর অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

দুই দেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ করার বিষয়ে আনিস মাত্তা ঢাকা ও জাকার্তার মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের সম্ভাবনা যাচাইয়ের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সৌদি আরবগামী ইন্দোনেশীয় যাত্রীদের জন্য ঢাকাকে সম্ভাব্য ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতেও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্দোনেশীয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইন্দোনেশীয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী আনিস মাত্তা সরকারি সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। বৃহস্পতিবারই তাঁর ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রাজশাহীর টেনিসে মুগ্ধ জয় মুখার্জি

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
রাজশাহীর টেনিসে মুগ্ধ জয় মুখার্জি

দশমবারের মতো রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক জুনিয়র টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন ভারতের জয় মুখার্জি। এর আগে নয়বার এ টুর্নামেন্টে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

শুধু রাজশাহী নয়, ঢাকাতেও নিয়মিত আন্তর্জাতিক টেনিস টুর্নামেন্টে ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জয় মুখার্জি। রাজশাহীর টুর্নামেন্ট শেষে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য প্রতিযোগিতায়ও তিনি দায়িত্ব পালন করবেন। সেখানে এটি হবে তাঁর নবমবারের দায়িত্ব পালন।

আইটিএফ অনুমোদিত হোয়াইট ব্যাজ রেফরি জয় মুখার্জি আগামী সপ্তাহে ঢাকায় বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনের প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেবেন। সেখানে বাংলাদেশের উঠতি আম্পায়ারদের প্রশিক্ষণ দেবেন তিনি।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে তাঁর সঙ্গে কথা হয়। সাক্ষাৎকারে উঠে আসে তাঁর টেনিস জীবন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক, বাংলাদেশের টেনিসের সম্ভাবনা এবং রাজশাহী শহর ও টেনিস কমপ্লেক্স নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা।

জয় মুখার্জির জন্ম ১৯৭৫ সালে ভারতের কলকাতার শ্যামবাজারে। সেখানেই তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। কলকাতাতেই বেড়ে ওঠা ও লেখাপড়া। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। বর্তমানে তিনি পেশায় একজন আইনজীবী এবং আন্তর্জাতিক টেনিস রেফরি।

ছোটবেলা থেকেই টেনিসের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ ছিল। মাত্র আট বছর বয়সে, ১৯৮৩ সালে টেনিস খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৮৭ সালে ভারতে প্রথম টুর্নামেন্টে অংশ নেন। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান জয় জানান, টেনিস খেলতে তাঁর বাবা-মা কখনো বাধা দেননি; বরং সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জয় মুখার্জি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশকে আমি নিজের দেশই মনে করি।’

বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তার প্রশংসা করে তিনি বলেন, রাজশাহীসহ বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত অতিথিপরায়ণ। বাংলাদেশে তাঁর অনেক বন্ধু-বান্ধব রয়েছে বলেও জানান তিনি।

রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছর বাংলাদেশে আসতে পারেননি জয়। সেই সময়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে আসতে না পারায় তাঁর খুব কষ্ট হয়েছিল। এমনকি আবেগ সামলাতে না পেরে তাঁর চোখে পানি চলে এসেছিল। সাক্ষাৎকারের সময়ও বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এবারও বাংলাদেশে আসা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল তাঁর। বাংলাদেশে আসার আগের দিন তাঁর স্ত্রী, কলকাতার ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শিল্পী মুখার্জি দুর্ঘটনায় আহত হন। এতে জয় মনে করেছিলেন, এবার হয়তো বাংলাদেশে আসা সম্ভব হবে না।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে আসতে পেরে তিনি আনন্দিত। একই সঙ্গে আহত অবস্থাতেও তাঁকে বাংলাদেশে আসতে সহযোগিতা ও উৎসাহ দেওয়ায় স্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আবার আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে উঠুক—এমন প্রত্যাশার কথা জানান জয় মুখার্জি। এ ক্ষেত্রে তাঁর কিছু করার থাকলে তিনি তা করতেও প্রস্তুত বলে জানান।

বাংলাদেশের টেনিসের বর্তমান অবস্থা নিয়েও কথা বলেন এই আন্তর্জাতিক রেফরি। তাঁর মতে, বাংলাদেশের মেয়েদের টেনিসে উন্নতি হচ্ছে। ছেলেরাও ধীরে ধীরে উঠে আসছে। তিন-চারজন খেলোয়াড় ভালো মানে খেলছেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জয়ও পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রাজশাহী শহর সম্পর্কে জয় মুখার্জির মূল্যায়নও বেশ ইতিবাচক। তাঁর কাছে রাজশাহী অত্যন্ত সুন্দর, পরিপাটি ও পরিচ্ছন্ন একটি শহর। এখানকার বায়ু নির্মল এবং বায়ুদূষণও খুব একটা নেই বলে মনে করেন তিনি।

জয় বলেন, রাজশাহী তাঁর খুব ভালো লাগে। সুযোগ পেলে বারবার এখানে আসতে চান তিনি।

রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সের কোর্টের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক মানের। কোর্টের পরিকল্পনা ও নির্মাণে কোনো ত্রুটি নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিমানের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদার

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
বিমানের ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতা জোরদার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক এবং বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের ক্ষেত্রে এয়ারবাস ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে যুক্তরাজ্য।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এক বার্তায় ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন এ তথ্য জানায়। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ চুক্তি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের পারস্পরিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির মাধ্যমে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের হাব হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ হাইকমিশন। একই সঙ্গে এ চুক্তির আওতায় বিমানের ফ্লাইট ক্রু, প্রকৌশলী ও রক্ষণাবেক্ষণ দলের জন্য ব্যাপক প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে।

এর ফলে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদে দক্ষ জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছে যুক্তরাজ্য।

ব্রিটিশ হাইকমিশন আরও জানায়, বিমান চলাচল খাতে এ ধরনের সহযোগিতা দুই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন সুযোগ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

১০টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে হাইকমিশন আশা প্রকাশ করেছে, বিমান চলাচল খাতে এ ধরনের অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি