খুঁজুন
                               
, ,
           

ছয় দিনের লড়াই শেষে রাজশাহীতে শেষ হলো জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্ট

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
ছয় দিনের লড়াই শেষে রাজশাহীতে শেষ হলো জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্ট

রাজশাহীতে শেষ হয়েছে ৩১তম আন্তর্জাতিক অনূর্ধ্ব-১৮ জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্ট। রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সে ছয় দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় চারটি ইভেন্টে শিরোপা জিতেছেন ছয়জন খেলোয়াড়।

ছেলেদের এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন থাইল্যান্ডের লিকুল পার্টচারাপুল। ছেলেদের দ্বৈতে শিরোপা জিতেছেন চাইনিজ তাইপের জিচে চেন ও ওয়েই-চেং ট্যাং জুটি। মেয়েদের এককে চীনের জিমো সঙ এবং দ্বৈতে একই দেশের সিয়াং জিয়াং ও শুয়াং জু জুটি চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে ছেলেদের এককের ফাইনালের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের প্রতিযোগিতা শেষ হয়। ফাইনালে চাইনিজ তাইপের জিচে চেনকে ৬-৪, ৭-৫ গেমে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন লিকুল পার্টচারাপুল। প্রথম সেটে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় সেটেও প্রতিপক্ষের চ্যালেঞ্জ সামলে জয় তুলে নেন থাইল্যান্ডের এই খেলোয়াড়।

টুর্নামেন্টের ম্যাচ রেফারি জয় মুখার্জী বলেন, ফাইনালে ওঠা দুই খেলোয়াড়ই ভালো মানের। পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়ে তাঁরা ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন। ফাইনালেও তাঁদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। লিকুল পুরো টুর্নামেন্টে ভালো খেলেছেন এবং ফাইনালেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে শিরোপা জিতেছেন।

ছেলেদের এককে রানার্সআপ হলেও দ্বৈতে শিরোপা জিতেছেন চাইনিজ তাইপের জিচে চেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠিত দ্বৈত ফাইনালে জিচে চেন ও ওয়েই-চেং ট্যাং জুটি ভারতের শিব মোহন ও আরভ ছাল্লানি জুটিকে ৬-৩, ৬-২ গেমে হারায়।

এর মধ্য দিয়ে এককে রানার্সআপ হওয়ার পর দ্বৈতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করেন জিচে চেন। দ্বৈত ফাইনালের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন ম্যাচ রেফারি জয় মুখার্জী।

শনিবার টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সের অ্যাডহক কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, টুর্নামেন্ট পরিচালক হাসিনুর রহমান টিংকু, রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আক্কাস আলী এবং মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা মামুনসহ অন্যরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক!

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ধরপাকড়ের খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে সাত হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।

এ ছাড়া দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সিজেপির কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাও রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের কয়েকজন নেতাকে উত্তর দ্বারকা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আটক হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

এদিকে, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত শিখ গুরুদ্বার বাংলা সাহিবে আশ্রয় নেওয়া কয়েক শ বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে বিমান থেকে আটক করেছে পুলিশ। পরিচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবরে দাবি করা হয়।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবীকে আটক করা হলেও পরে আদালতের হস্তক্ষেপে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। তবে দুপুরে বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার আহ্বানে দিল্লি হাট এলাকায় বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। সেখান থেকেও বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা

রাজশাহীর দুর্গাপুরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার। গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দুর্গাপুর থানায় যোগদানের পর এসব অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

থানা সূত্রের দাবি, যোগদানের পর মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের শনাক্ত করতে তালিকা তৈরি করে অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

ওসি পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগসহ কোনো গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান দায়িত্ব। দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা আয়েন উদ্দিন বলেন, ওসি পঞ্চনন্দ সরকার ভদ্র ও মানবিক আচরণ করেন। তবে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলে তাঁর মত।

নুরজাহান বেগম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে পুলিশের কঠোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও পুলিশের সক্রিয়তা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

স্থানীয়দের কেউ কেউ দুর্গাপুরে অপরাধ দমনে পুলিশের তৎপরতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র বুঝতে অপরাধের পরিসংখ্যান, গ্রেপ্তারের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ঘরোয়া হকির প্রত্যাবর্তনে নতুন প্রত্যাশা, ফেয়ার-প্লেতে জোর বিমান বাহিনী প্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ঘরোয়া হকির প্রত্যাবর্তনে নতুন প্রত্যাশা, ফেয়ার-প্লেতে জোর বিমান বাহিনী প্রধানের

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। হকির মাঠে ফিরেছে প্রতিযোগিতার প্রাণচাঞ্চল্য। স্টিকে বলের ছন্দ, খেলোয়াড়দের লড়াই আর নতুন সম্ভাবনার হাতছানিতে আবারও মুখর দেশের ঘরোয়া হকি। দীর্ঘ বিরতি পেরিয়ে শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে চলতি বছরের প্রথম বিভাগ হকি লিগ। ১১টি ক্লাবের অংশগ্রহণে এই আয়োজন ঘিরে খেলোয়াড়, সংগঠক ও হকিপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্দীপনা। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এই লিগের মধ্য দিয়ে দেশের হকিতে ফিরবে নিয়মিত প্রতিযোগিতার ছন্দ, উন্মোচিত হবে নতুন প্রতিভার সম্ভাবনা।

  • মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে প্রথম বিভাগ লিগ-এর উদ্বোধন
  • অংশ নিচ্ছে ১১ ক্লাব, ঘরোয়া হকিতে নতুন উদ্দীপনা
  • নিয়মিত ঘরোয়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আশাবাদ বাহফে সভাপতির

প্রত্যাবর্তনের আনন্দে নতুন আশার সূচনা
লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের (বাহফে) সভাপতি এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। তিনি ঘরোয়া হকি লিগ নিয়মিত আয়োজনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে ফেরার সুযোগ খেলোয়াড়দের জন্যও যেন নতুন উদ্দীপনার উৎস! প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে নিজেদের দক্ষতা, কৌশল ও সামর্থ্য তুলে ধরার পাশাপাশি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগও পাবেন তাঁরা। নিয়মিত লিগ আয়োজন করা সম্ভব হলে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা আসবে। ক্লাবগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়বে এবং জাতীয় দলের জন্য মানসম্পন্ন খেলোয়াড় উঠে আসার পথ আরও উজ্জ্বল হবে।

১১ ক্লাবের অংশগ্রহণে জমবে লড়াই
এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে ওয়ারী ক্লাব, হকি ঢাকা ইউনাইটেড, পিডব্লিউডি এসসি, কম্বাইন্ড এসসি, মুক্ত বিহঙ্গ তরুণ সংঘ, ব্যাচেলার্স এসসি, ফরাশগঞ্জ এসসি, শিশু কিশোর সংঘ, ঢাকা ওয়ান্ডার্স, রায়ের বাজার এসসি ও ঢাকা ইয়াং স্টার ক্লাব। ১১টি ক্লাবের অংশগ্রহণ লিগকে ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসরের প্রত্যাশা তৈরি করেছে। প্রতিটি ম্যাচই খেলোয়াড়দের নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ করে দেবে। একই সঙ্গে তরুণ খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা অর্জন, ক্লাবগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দর্শকদের মাঠমুখী করার ক্ষেত্রেও এই প্রতিযোগিতা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

ক্লাব-স্পন্সরদের হাত ধরে এগিয়ে যাক হকি
দেশের হকিকে আরও গতিশীল করতে ক্লাব ও স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাহফে সভাপতি। তাঁর এই আহ্বান ঘরোয়া হকির উন্নয়নে সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। ক্লাবগুলোর সক্রিয়তা, পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতা এবং ফেডারেশনের ধারাবাহিক উদ্যোগ একসঙ্গে কাজ করলে হকির জন্য আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের (বাহফে) সভাপতি এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন খেলোয়াড়দের ফেয়ার-প্লে ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে খেলার নির্দেশনা দেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে লিগের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, হকি ফেডারেশনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধি ও খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।

খেলোয়াড় ও হকিপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস
দীর্ঘ বিরতির পর ঘরোয়া হকি মাঠে ফেরায় খেলোয়াড় ও হকিপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস এবারের আয়োজনকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে। এই উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলা গেলে দেশের হকি নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সুযোগ পাবে। প্রথম বিভাগ লিগ তাই শুধু ১১টি ক্লাবের শিরোপা লড়াই নয়; এটি খেলাটির বিকাশ, নতুন প্রতিভার উত্থান এবং হকিকে আরও জনপ্রিয় করে তোলার একটি আশাব্যঞ্জক মঞ্চ। মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া এই লিগ ঘিরে এখন প্রত্যাশা একটাই—মাঠে ফিরেছে যে প্রাণচাঞ্চল্য, তা যেন ছড়িয়ে পড়ে সারা বছরের হকি কার্যক্রমে। নিয়মিত আয়োজন, সম্মিলিত সহযোগিতা ও খেলোয়াড়দের নিবেদিত পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে ঘরোয়া হকি হয়ে উঠুক দেশের ক্রীড়াঙ্গনের আরও উজ্জ্বল অধ্যায়।

কালের আলো/এমএএএমকে