খুঁজুন
                               
, ,
           

মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মমতা-কেজরিওয়ালসহ চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী আটক!

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ধরপাকড়ের খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল থেকে সাত হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার।

এ ছাড়া দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সিজেপির কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরাও রয়েছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের কয়েকজন নেতাকে উত্তর দ্বারকা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আটক হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

এদিকে, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত শিখ গুরুদ্বার বাংলা সাহিবে আশ্রয় নেওয়া কয়েক শ বিক্ষোভকারী যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে বিমান থেকে আটক করেছে পুলিশ। পরিচিত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবরে দাবি করা হয়।

এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের কয়েকজন আইনজীবীকে আটক করা হলেও পরে আদালতের হস্তক্ষেপে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। তবে দুপুরে বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার আহ্বানে দিল্লি হাট এলাকায় বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। সেখান থেকেও বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ব্যাংকিং ব্যবস্থার এক-তৃতীয়াংশ তহবিল লুট হয়েছে: গভর্নর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
ব্যাংকিং ব্যবস্থার এক-তৃতীয়াংশ তহবিল লুট হয়েছে: গভর্নর

দেশের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে আগামী ৫ থেকে ৮ বছর পর্যন্ত জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ওয়ান ব্যাংক আয়োজিত বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রচার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি দেখতে পান, ব্যাংকিং ব্যবস্থার মোট তহবিলের এক-তৃতীয়াংশই লুট হয়ে গেছে। বিপুল পরিমাণ এই অর্থ দিয়ে সরকার দুই কোটি পরিবারকে সহায়তা দিতে পারত। এমনকি পদ্মা সেতুর মতো দুটি বড় অবকাঠামো প্রকল্পও নির্মাণ করা সম্ভব ছিল।

ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকটের জন্য দায়ীদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই অপরাধের ভয়াবহতা বোঝাতে প্রচলিত শব্দ যথেষ্ট নয়। লুটেরা গোষ্ঠী জনগণের অর্থ লুট করেছে। এটি সাধারণ চুরি নয়, বরং ব্যাপক লুটপাট।

তিনি আরও বলেন, ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং লুট হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে ইতোমধ্যে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ওয়ান ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বলেন, দৈনন্দিন জীবনে আর্থিক সেবা সহজ ও সহজলভ্য হলে ডিজিটাল রূপান্তর অর্থবহ হয়ে ওঠে। ইউআইইউতে বাংলা কিউআর চালুর ফলে শিক্ষার্থীরা আন্তঃপরিচালনযোগ্য ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার সম্ভাবনা সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভিশন বাস্তবায়ন এবং ডিজিটাল পেমেন্টের ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ইউআইইউর সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে তারা আনন্দিত।

অনুষ্ঠানে ইউআইইউর উপাচার্য মো. আবুল কাশেম মিঞা ও ওয়ান ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান উপস্থিত ছিলেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

উন্নয়নে ৫০৩ উপজেলায় ভারসাম্য, সৌরবিদ্যুতে গ্রাম-শহরে নজর মন্ত্রীর

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
উন্নয়নে ৫০৩ উপজেলায় ভারসাম্য, সৌরবিদ্যুতে গ্রাম-শহরে নজর মন্ত্রীর

দল-মত ও অঞ্চলনির্বিশেষে দেশের ৫০৩টি উপজেলার মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চায় সরকার। কোনো একটি অঞ্চলকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে অন্য এলাকাকে বঞ্চিত না করে উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সমবায়ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণ, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং সরকারি সেবার কার্যকারিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, সৌরপ্যানেল স্থাপন ও সংশ্লিষ্ট সেবা ক্রয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ৩৯০ কোটি টাকা ছাড়ের কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে ‘সমবায় সমিতির মাধ্যমে নগর ও পল্লী অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে কর্মকৌশল নির্ধারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তাঁরা এসব কথা বলেন।

  • দল-মত ও অঞ্চলনির্বিশেষে সব এলাকার মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের তাগিদ
  • সৌরপ্যানেল স্থাপনে ৩৯০ কোটি টাকা ছাড়ের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
  • প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত সমিতির কার্যকারিতা নিশ্চিত ও সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান

উন্নয়নের কেন্দ্রে থাকবে সাধারণ মানুষ
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। কোনো একটি উপজেলার জন্য এমন সুবিধা দেওয়া উচিত হবে না, যা পাশের অন্য উপজেলার মানুষ পাবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে সব এলাকার মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সরকারের দায়িত্ব।

তাঁর বক্তব্যে উন্নয়ন পরিকল্পনায় আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সর্বজনীন জনস্বার্থের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দেশের সব এলাকায় সমান ধরনের উন্নয়ন প্রয়োজন না হলেও প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় চাহিদা, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হলে উন্নয়নের সুফল আরও বিস্তৃত হতে পারে। মন্ত্রী বলেন, সরকারের সব কর্মকাণ্ডের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায়, সেটিই জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তৃণমূলকেন্দ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও তাঁদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

সৌরবিদ্যুতে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ
প্রচলিত জ্বালানির উৎস সীমিত হয়ে আসায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সৌরশক্তির যথাযথ ব্যবহার মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে, ব্যয় সাশ্রয় করবে এবং জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হবে। সরকারের নির্ধারিত পরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনাও দেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে বলে তিনি আশাবাদী। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠান ও হাটবাজারের ছাদে সৌরপ্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন সমিতিগুলোর মাধ্যমেও সৌরপ্যানেল স্থাপন করা গেলে দেশের সাময়িক বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌরপ্যানেল স্থাপন ও সহায়ক সেবা ক্রয়ের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ইতোমধ্যে ৩৯০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। গ্রামের মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসাহিত করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।

আড়াই লাখ সমবায় সমিতিকে কাজে লাগানোর তাগিদ
দেশে বর্তমানে প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত সমবায় সমিতি রয়েছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, শুধু নিবন্ধিত সমিতির সংখ্যা বাড়ালেই হবে না; সেগুলোকে কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকায় সমিতিগুলোর কার্যক্রম যাচাই করে সেগুলোকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।

সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী, যাতে গ্রামের সাধারণ মানুষ সহজে সমিতি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। সমবায়ের মাধ্যমে সম্মিলিত উদ্যোগকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের প্রস্তাবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আশ্বাসও দেন মন্ত্রী।

বেতন সমন্বয় নিয়ে সরকারের ভাবনা
সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, তাঁরা কেবল চাকরিজীবী নন, দেশের ১৮ কোটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তাঁদের কাজের যথাযথ মূল্যায়ন এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা সমন্বয়ের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করেছে। সীমিত সম্পদের কারণে একবারে সবকিছু বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিবছর সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন সমন্বয়ের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করেছেন বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিগত ১৫ বছরে বেতন বৃদ্ধি না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীরা আর্থিক ও পারিবারিক জীবনে নানা সংকটের মুখে পড়েছেন। বর্তমান সরকার সেই দায়িত্ব বহন করতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে সবাইকে একসঙ্গে সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে সভায় মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকেc

দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা

রাজশাহীর দুর্গাপুরে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পঞ্চনন্দ সরকার। গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দুর্গাপুর থানায় যোগদানের পর এসব অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

থানা সূত্রের দাবি, যোগদানের পর মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের শনাক্ত করতে তালিকা তৈরি করে অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়।

ওসি পঞ্চনন্দ সরকার বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগসহ কোনো গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান দায়িত্ব। দুর্গাপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা আয়েন উদ্দিন বলেন, ওসি পঞ্চনন্দ সরকার ভদ্র ও মানবিক আচরণ করেন। তবে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বলে তাঁর মত।

নুরজাহান বেগম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে পুলিশের কঠোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও পুলিশের সক্রিয়তা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

স্থানীয়দের কেউ কেউ দুর্গাপুরে অপরাধ দমনে পুলিশের তৎপরতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র বুঝতে অপরাধের পরিসংখ্যান, গ্রেপ্তারের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি