খুঁজুন
                               
, ,
           

চকবাজারে ভয়াবহ আগুন, সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
চকবাজারে ভয়াবহ আগুন, সাড়ে ৫ ঘণ্টা ধরে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা

রাজধানীর চকবাজারের ছোট কাটারায় মনজুর খান প্লাজায় লাগা আগুন প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ২ মিনিটের দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। এর দুই মিনিট পর, বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার শাহজাহান বাংলানিউজকে জানান, বিকেল ৫টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ১০টি ইউনিট কাজ করছে।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের প্রতি সহিংসতা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরাম যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ, অনলাইন জগৎ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব জায়গায় কন্যাশিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, কার্যকর বিচার এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

কন্যাশিশুর কল্যাণে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ছেলে ও মেয়েকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে এবং তাদের স্বপ্নপূরণের সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা, প্রযুক্তি, গণমাধ্যম, ব্যবসা-বাণিজ্য ও রাষ্ট্রীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা যোগ্যতা ও সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছেন।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কন্যাশিশুকে বোঝা নয়, সম্ভাবনা হিসেবে দেখতে হবে। ছেলে ও মেয়েকে সমান মর্যাদা দেওয়ার পাশাপাশি ছেলেদের ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের সম্মান করতে শেখাতে হবে। মেয়েদের বিয়ের জন্য সঞ্চয় করার পরিবর্তে তাদের শিক্ষা ও কল্যাণে বিনিয়োগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, কন্যাশিশুর জন্ম অফুরন্ত সম্ভাবনার সূচনা। তার শিক্ষা মৌলিক অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাল্যবিবাহের কারণে শৈশব থেমে যায়, শিক্ষাজীবন ব্যাহত হয় এবং সম্ভাবনার অপচয় ঘটে।

কন্যাশিশু নির্যাতন ও নিপীড়ন প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রতিটি উপজেলায় কিশোরীবান্ধব সেবা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি হেল্পলাইন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, অধিকার সম্পর্কে জানা এবং নির্যাতনের শিকার হলে বিশ্বস্ত অভিভাবক, শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেন। আত্মরক্ষার জন্য মার্শাল আর্ট শেখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, কন্যাশিশুর বিশ্বজয়ের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, প্রশাসনিক দক্ষতা, সামাজিক অংশগ্রহণ এবং মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন। নারী ও কন্যাশিশুকে পিছিয়ে রেখে কোনো সমাজ বা জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। প্রতিটি কন্যাশিশু যেন নিরাপদে জন্ম নেয়, নির্ভয়ে বেড়ে ওঠে, শিক্ষা গ্রহণ করে, দক্ষতা অর্জন করে এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে—এমন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর প্রশান্ত ত্রিপুরা, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রওশন আরা বেগম এবং ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড অ্যাডভোকেসি ফোরামের সহ-সভাপতি শাহীন আক্তার ডলি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শায়লা শারমিন জামান। পরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং দুই কন্যাশিশু তাদের মতামত তুলে ধরে।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সচিবালয়ে এমপিদের প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ, সঙ্গে থাকতে পারবেন দুজন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
সচিবালয়ে এমপিদের প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ, সঙ্গে থাকতে পারবেন দুজন

সচিবালয়ের নিরাপত্তা জোরদার ও প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে সংসদ সদস্যদের (এমপি) ব্যক্তিগত গাড়িতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এমপিদের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও গাড়িচালক ছাড়া অন্য কারও সচিবালয়ে প্রবেশের অনুমতি থাকছে না।

গত ৪ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সচিবের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণী অনুযায়ী, সংসদ সদস্যরা ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে শুধু তাদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও গাড়িচালককে সঙ্গে নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় ও অনুমোদন যথাযথভাবে যাচাই করে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে।

সচিবালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সভার কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জাতীয় দিবস পালনে নতুন পরিপত্র, তালিকায় ৯২ দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৮ অপরাহ্ণ
জাতীয় দিবস পালনে নতুন পরিপত্র, তালিকায় ৯২ দিবস

দেশে সরকারিভাবে মোট ৯২টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য নতুন পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। রোববার (১১ অক্টোবর) জারি করা এ পরিপত্রে দিবসগুলোর শ্রেণিবিন্যাস, উদ্‌যাপনের ব্যয় ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন পরিপত্র অনুযায়ী, দিবসগুলো আগের মতোই ‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’—এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত থাকবে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণিতে ১৮টি, ‘খ’ শ্রেণিতে ৩৯টি এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ৩৫টি দিবস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্তে ‘ক’ শ্রেণিতে ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘খ’ শ্রেণিতে ৬ জুলাই ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় চা দিবস পালনের তারিখ ৪ জুন থেকে পরিবর্তন করে ২১ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিপত্রে দিবস পালনের ব্যয়সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘খ’ শ্রেণির দিবস উদ্‌যাপনে সরকারি খাত থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করা যাবে। ‘গ’ শ্রেণির দিবস পালনে উন্নয়ন খাত থেকে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না। তবে ‘ক’ শ্রেণির দিবস পালনে নির্দিষ্ট কোনো ব্যয়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

দিবস উদ্‌যাপনে অতিরিক্ত সাজসজ্জা ও বড় আয়োজন যথাসম্ভব পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব উপলক্ষে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম এবং বেতার ও টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা আয়োজন এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মচারীদের ঢাকায় আনার ক্ষেত্রেও সংযত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ, বিশ্ব শিশু সপ্তাহ, জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ, সশস্ত্র বাহিনী দিবস, পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্যপক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা নিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

নতুন পরিপত্র জারির মাধ্যমে গত ১১ মার্চ জারি করা আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রে এখন থেকে নতুন নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি