খুঁজুন
                               
, ,
           

ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, যাচাই করবে গুগলের নতুন টুল

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
ছবি-ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, যাচাই করবে গুগলের নতুন টুল

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কোনো ছবি, ভিডিও কিংবা অডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে গুগল। এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করার জন্য প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে সিন্থআইডি ডিটেক্টর (SynthID Detector) নামের একটি যাচাইকরণ পোর্টাল। এর মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্টে গুগলের তৈরি অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করা যায়।

গুগলের এ উদ্যোগ এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ডিপফেক, কৃত্রিম ছবি ও ভিডিও এবং এআই দিয়ে তৈরি অডিওর ব্যবহার বাড়ছে। এসব কনটেন্টের কারণে অনলাইনে প্রকৃত তথ্য ও কৃত্রিমভাবে তৈরি আধেয়ের মধ্যে পার্থক্য করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে ছবি, ভিডিও বা অডিওর উৎস যাচাইয়ের প্রযুক্তি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

যেভাবে কাজ করে সিন্থআইডি ডিটেক্টর

সিন্থআইডি ডিটেক্টর ব্যবহার করে কোনো কনটেন্ট যাচাই করতে প্রথমে synthid.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর পরীক্ষা করতে চাওয়া ছবি, ভিডিও বা অডিও ফাইল আপলোড করতে হবে। পোর্টালটি ফাইল বিশ্লেষণ করে তাতে গুগলের সিন্থআইডি ওয়াটারমার্ক শনাক্ত করার চেষ্টা করবে।

সিন্থআইডি হলো গুগলের তৈরি একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের মধ্যে অদৃশ্য ডিজিটাল সংকেত যুক্ত করা যায়। সাধারণ চোখে এসব সংকেত দেখা যায় না। তবে উপযুক্ত শনাক্তকরণ প্রযুক্তির সাহায্যে সেগুলো খুঁজে বের করা সম্ভব।

এই ওয়াটারমার্কের উদ্দেশ্য হলো এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করা সহজ করা। ফলে কোনো ফাইল গুগলের নির্দিষ্ট এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বা সম্পাদনা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

ডিপফেক ও অপতথ্য শনাক্তে কেন গুরুত্বপূর্ণ

বর্তমানে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বাস্তব মানুষের মতো দেখতে ছবি তৈরি, কণ্ঠস্বর নকল এবং বিশ্বাসযোগ্য ভিডিও নির্মাণ করা সম্ভব। এসব প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া তথ্য ছড়ানো, প্রতারণা কিংবা কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরির ঝুঁকিও বাড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে কনটেন্টের উৎস শনাক্ত করার প্রযুক্তি অনলাইনে তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সন্দেহজনক ছবি, ভিডিও বা অডিও পরীক্ষা করে এআই-নির্মিত কনটেন্ট শনাক্তের চেষ্টা করতে পারবেন।

তবে কোনো ফাইলে সিন্থআইডি ওয়াটারমার্ক পাওয়া গেলেই সেটি সব দিক থেকে ভুয়া—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। একইভাবে ওয়াটারমার্ক শনাক্ত না হলে কনটেন্টটি যে অবশ্যই বাস্তব বা মানুষের তৈরি, সেটিও নিশ্চিত হয় না। কারণ এই প্রযুক্তি মূলত নির্দিষ্ট ধরনের ওয়াটারমার্ক শনাক্ত করে।

অংশীদারত্বে প্রযুক্তির প্রসার

প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ওপেনএআই, এনভিডিয়া ও কাকাওসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এ ধরনের কনটেন্ট যাচাই প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অ্যাপলের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ধরনের উদ্যোগের লক্ষ্য হলো এআই-নির্মিত কনটেন্ট শনাক্তকরণ এবং ডিজিটাল আধেয়ের উৎস যাচাইয়ের ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা। তবে সিন্থআইডি ডিটেক্টর সব ধরনের এআই-নির্মিত ছবি, ভিডিও বা অডিও শনাক্ত করতে পারে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

কনটেন্ট যাচাইয়ে ব্যবহারকারীদের করণীয়

সন্দেহজনক কোনো ছবি বা ভিডিও দেখলে শুধু একটি শনাক্তকরণ টুলের ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে আরও কয়েকটি বিষয় যাচাই করা উচিত। কনটেন্টটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়েছে, প্রকাশকের পরিচয় কী, একই ঘটনার নির্ভরযোগ্য কোনো প্রতিবেদন রয়েছে কি না এবং ছবির সঙ্গে দেওয়া বর্ণনা বাস্তব ঘটনার সঙ্গে মেলে কি না—এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

গুগলের সিন্থআইডি ডিটেক্টর এ ক্ষেত্রে সহায়ক একটি প্রযুক্তিগত উপায় হতে পারে। তবে অনলাইনে অপতথ্য ও ডিপফেক শনাক্ত করতে প্রযুক্তির পাশাপাশি তথ্যের উৎস যাচাই এবং সমালোচনামূলক বিশ্লেষণও গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/এসএ

আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খুলনায় ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসময় তিনি আহত পুলিশ কর্মকর্তার সর্বোচ্চ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

হাসপাতালে গিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় আহত পুলিশ কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি।

শাহ আলমের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি।

এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে খুলনা জেলার এ-সার্কেলে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম বিশেষ অভিযান শেষে রিকশায় করে পুলিশ ক্লাবে ফিরছিলেন। পথে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে তিনজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। এ সময় তারা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপর গুরুতর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় খুলনা থানায় মামলা হয়েছে। এরই মধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

খেলাধুলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
খেলাধুলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন নবগঠিত রাজশাহী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নবগঠিত কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, কমিটি গঠন করে বসে থাকলে চলবে না। সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ইভেন্টে ছেলে-মেয়েদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমেই কমিটির সাফল্য অর্জন সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি মোছাঃ রোকসানা বেগম, সাধারণ সম্পাদক আলফাতুন নেছা পুতুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা শাপলা হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোছাঃ নার্গিস খাতুন এবং সদস্য মোছাঃ আশা মনি, মোছাঃ সুরাইয়া খাতুন ও আফরোজা আক্তার হাসি।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নবগঠিত কমিটির সদস্যরা জেলার খেলাধুলার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্য নিলাম-ধ্বংসে এনবিআরের বড় উদ্যোগ

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বন্দরে পড়ে থাকা পণ্য নিলাম-ধ্বংসে এনবিআরের বড় উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য ও খালাস না হওয়া পণ্যের জট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বন্দরের অভ্যন্তরে অবিন্যস্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এসব পণ্যের বিস্তারিত তালিকা তৈরি, নিলাম এবং প্রয়োজনে ধ্বংসের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ২০ জন কাস্টমস কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে এসব কর্মকর্তা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালন করবেন। পণ্যগুলোর ইনভেন্টরি বা মজুত তালিকা তৈরির কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ দায়িত্বে রাখা হবে।

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের তালিকা তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এবং আমদানির পর খালাস না হওয়া পণ্য বন্দরের জায়গা দখল করে রাখে। এসব পণ্যের মধ্যে নিলামযোগ্য পণ্যও রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পণ্য জমে থাকায় সেগুলোর সঠিক হিসাব, সংরক্ষণ, নিলাম এবং ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ পরিস্থিতিতে নিলামযোগ্য ও খালাস না হওয়া পণ্যের বিস্তারিত তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। এ জন্য দেশের বিভিন্ন কাস্টমস হাউস, ভ্যাট কমিশনারেট ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ২০ জন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তাঁদের মূল দায়িত্ব হবে বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের ইনভেন্টরি কার্যক্রম সম্পন্ন করা। এর মাধ্যমে কোন পণ্য নিলামযোগ্য, কোনগুলো খালাস হয়নি এবং কোন পণ্যের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নির্ধারণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

১৫ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব পালন করবেন কর্মকর্তারা

এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৫ অক্টোবর থেকে ইনভেন্টরি কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে তাঁদের সাময়িকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ভ্যাট কমিশনারেটের মো. শাহজাহান সরকার ও মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন; গাজীপুরের মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন; ঢাকা দক্ষিণের মো. বেলাল উদ্দিন ও ফজলুল হক; ঢাকা উত্তরের উত্তম কুমার দাস ও মাহমুদুল হাসান।

এ ছাড়া ঢাকা পূর্বের মো. হেদায়েতুল ইসলাম চৌধুরী; ঢাকা পশ্চিমের মো. রোমেল তালুকদার ও সুমনা দেবনাথ; চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটের ইফতেখার আহমেদ ও মো. আসিফ ইকবাল রাজু; এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাজী নাইম উদ্দীনকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় আরও রয়েছেন কুমিল্লার মোছা. উম্মে সালমা ও অম্বিকা রানী, কমলাপুর আইসিডি কাস্টম হাউসের মো. তৌহিদুর রহমান, বেনাপোল কাস্টম হাউসের শংকেরালীঘ দেব এবং ঢাকা বন্ড কমিশনারেটের দক্ষিণ ও উত্তর অংশের সত্যজিৎ সরকার ও মো. শাহিনুর আলম।

নিলাম ও ধ্বংসের মাধ্যমে পণ্যের জট নিরসনের লক্ষ্য

এনবিআরের উদ্যোগের পরবর্তী ধাপে তালিকাভুক্ত পণ্যের ধরন ও অবস্থা অনুযায়ী নিলাম অথবা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। যেসব পণ্য নিলামযোগ্য, সেগুলো নিলামের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, নিলামের অনুপযোগী বা বিধি অনুযায়ী ধ্বংস করা প্রয়োজন—এমন পণ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে বন্দরের অভ্যন্তরে জায়গার ব্যবহার আরও কার্যকর হতে পারে। পাশাপাশি নতুন আমদানি পণ্যের কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও খালাস কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজস্ব আদায় বাড়ানো ও কনটেইনার জট কমানোর প্রত্যাশা

দ্রুত ইনভেন্টরি সম্পন্ন করে নিলাম ও ধ্বংসের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া গেলে চট্টগ্রাম বন্দরে জমে থাকা কনটেইনারের জট কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিলামযোগ্য পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এ উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে পণ্যের তালিকা তৈরির কাজ কত দ্রুত শেষ হয়, নিলামপ্রক্রিয়া কতটা কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য অপসারণে কী পরিমাণ অগ্রগতি অর্জিত হয়, তার ওপর।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি