খুঁজুন
                               
, ,
           

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থা ভালো

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থা ভালো

মালয়েশিয়ায় প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে স্ত্রী ও ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফেরেন তিনি। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা অনেকটাই ভালো বলে জানিয়েছেন ব্যক্তিগত সহকারী সচিব মিজানুর রহমান সোহেল।

তিনি বলেন, “স্যার চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন। এখন অনেকটাই সুস্থ।”

গত ১৬ সেপ্টেম্বর ফলোআপ চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া যান মির্জা আব্বাস। সেখানে তিনি প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় প্রায় পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে গত ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরেছিলেন তিনি।

গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে মির্জা আব্বাসকে রাতেই রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরে দ্রুত অস্ত্রোপচার করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নেন তিনি। সর্বশেষ ফলোআপ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মেয়ের মাথায় ছোট্ট মুকুট, অপূর্বর হৃদয়ছোঁয়া বার্তায় কী লেখা?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
মেয়ের মাথায় ছোট্ট মুকুট, অপূর্বর হৃদয়ছোঁয়া বার্তায় কী লেখা?
জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর জীবনে এখন মেয়েকে ঘিরেই আনন্দের বড় অংশ। আদরের মেয়ে আনায়ার প্রথম জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা। মেয়ের মাথায় ছোট্ট মুকুটের ছবি শেয়ার করে জানিয়েছেন, জন্মের পর থেকেই আনায়া তাঁর হৃদয়ের মুকুট হয়ে আছে।

মেয়েকে নিয়ে অপূর্বর বিশেষ বার্তা

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ফেসবুকে মেয়ের সঙ্গে দুটি ছবি পোস্ট করেন অপূর্ব। ছবির সঙ্গে মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘তোমাকে ভালোবাসার ৩৬৫ দিন। আমাদের ছোট্ট রাজকন্যাকে প্রথম জন্মদিনের শুভেচ্ছা।’

মেয়ের জন্মের পর কেটে যাওয়া এক বছরের স্মৃতিচারণাও করেছেন অভিনেতা। সময় কীভাবে এত দ্রুত চলে গেল, তা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না তিনি।

অপূর্ব লেখেন, ‘সময় কিভাবে চলে গেল, সত্যিই বুঝতে পারছি না। ঠিক এক বছর আগে আজকের দিনে তুমি আমাদের পৃথিবীতে এসেছিলে। আর সবচেয়ে সুন্দরভাবে সব কিছু বদলে দিয়েছিলে।’

‘তুমি আমাদের হৃদয়ের মুকুট’

অপূর্বর পোস্ট করা ছবিতে আনায়ার মাথায় দেখা যায় ছোট্ট একটি মুকুট। মেয়ের এই সাজকে ঘিরেই নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন অভিনেতা। তাঁর কাছে মুকুটটি শুধু জন্মদিনের সাজ নয়, বরং মেয়েকে ঘিরে থাকা গভীর ভালোবাসার প্রতীক।

অপূর্ব লেখেন, ‘আজ তোমার মাথায় হয়তো ছোট্ট একটি মুকুট শোভা পাচ্ছে, কিন্তু জন্মের ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই তুমি আমাদের হৃদয়ের মুকুট পরে আছ।’

মেয়ের বেড়ে ওঠা, তার হাসি-আনন্দে ঘর ভরে ওঠা এবং তাকে ঘিরে প্রতিদিনের নতুন অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে জীবনের এক অনন্য অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেতা।

মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা

জন্মদিনে মেয়ের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন অপূর্ব। তাঁর প্রত্যাশা, আনায়ার জীবন হয়ে উঠুক আনন্দময়, সুন্দর ও ভালোবাসায় পূর্ণ।

অভিনেতা লেখেন, ‘শুভ প্রথম জন্মদিন, আমার মিষ্টি ছোট্ট মেয়ে! তোমার জীবন যেন তোমার মতোই উজ্জ্বল, জাদুময় ও অমূল্য হয়ে ওঠে।’

মেয়েকে নিয়ে অপূর্বর এই আবেগঘন পোস্ট ভক্তদের কাছে তাঁর পারিবারিক জীবনের একটি মিষ্টি মুহূর্ত তুলে ধরেছে।

অপূর্ব ও শাম্মা দেওয়ানের সংসার

২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শাম্মা দেওয়ানকে বিয়ে করেন অপূর্ব। পরে এই দম্পতির ঘরে আসে কন্যাসন্তান আনায়া। মেয়ের জন্মের পর থেকে তাকে ঘিরে অপূর্বর জীবনে নতুন আনন্দের অধ্যায় শুরু হয়েছে।

‘বড় ছেলে’খ্যাত এই অভিনেতার অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের এমন মুহূর্তও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। মেয়ের প্রথম জন্মদিনে তাঁর ভালোবাসাভরা বার্তায় সেই পারিবারিক আবেগই ফুটে উঠেছে।

কালের আলো/জেএন/এসএ

বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নন: কার নাগরিকত্ব কোথায়?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নন: কার নাগরিকত্ব কোথায়?

বলিউডে অভিনয় করে পেয়েছেন তারকাখ্যাতি, অসংখ্য ভক্তের ভালোবাসা এবং আন্তর্জাতিক পরিচিতি। তাঁদের সিনেমা বক্স অফিসে সাফল্য পেয়েছে, গান ও নাচ মাতিয়েছে দর্শকদের। কিন্তু জনপ্রিয় এই তারকাদের সবাই ভারতের নাগরিক নন। কেউ ব্রিটিশ, কেউ মার্কিন, কেউ কানাডীয়, আবার কেউ শ্রীলঙ্কা বা ফ্রান্সের নাগরিক। ভারতীয় চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েও বিদেশি নাগরিকত্ব ধরে রাখা এসব তারকাকে নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলও কম নয়।

আলিয়া ভাট: মুম্বাইয়ে জন্ম, নাগরিকত্ব ব্রিটিশ

Alia Bhatt makes it to the list of Impactful International women of 2023

বলিউডের বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। ভারতের মুম্বাইয়ে জন্ম নেওয়া এই অভিনেত্রীর নাগরিকত্ব ব্রিটিশ। তাঁর মা সোনি রাজদানের জন্ম যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে। পারিবারিক সূত্রেই আলিয়ার ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বিষয়টি আলোচনায় আসে।

২০১২ সালে করণ জোহরের ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় আলিয়ার। এরপর ‘হাইওয়ে’, ‘রাজি’, ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াওয়াড়ি’ এবং ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য প্রশংসা ও পুরস্কারও পেয়েছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর শক্ত অবস্থান থাকলেও নাগরিকত্বের কারণে তিনি প্রায়ই আলোচনায় আসেন।

ক্যাটরিনা কাইফ: বলিউডের জনপ্রিয় মুখ, ব্রিটিশ নাগরিক

‘Swag Se Swagat’ Song From ‘Tiger Zinda Hai’

বলিউডের বাণিজ্যিক সিনেমার অন্যতম সফল অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। হংকংয়ে জন্ম নেওয়া এই অভিনেত্রী ব্রিটিশ নাগরিক। ২০০৩ সালে ‘বুম’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তাঁর।

এরপর ‘নমস্তে লন্ডন’, ‘এক থা টাইগার’, ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ এবং ‘ধুম থ্রি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ক্যাটরিনা। নাচ, পর্দায় উপস্থিতি ও অ্যাকশনধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের কারণে তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও তাঁর নাগরিকত্ব যুক্তরাজ্যের।

জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ: জন্ম বাহরাইনে, নাগরিকত্ব শ্রীলঙ্কার

Jacqueline's DAZZLING Smile - Rediff.com movies

জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের জন্ম বাহরাইনে। তিনি শ্রীলঙ্কার নাগরিক এবং মডেলিংয়ের মাধ্যমে বিনোদনজগতে পরিচিতি পান। পরে বলিউডে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

‘মার্ডার টু’, ‘কিক’, ‘হাউসফুল টু’ এবং ‘রেস থ্রি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। সিনেমার পাশাপাশি বিভিন্ন জনপ্রিয় গানের দৃশ্যে নাচ ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমেও দর্শকদের নজর কেড়েছেন জ্যাকলিন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে পরিচিত মুখ হলেও তাঁর নাগরিকত্ব শ্রীলঙ্কার।

নোরা ফাতেহি: কানাডা থেকে বলিউডে জনপ্রিয়তা

International Dance Day: 9 Actors Who Have Impressed Audience With Different Dance Styles

নাচের দক্ষতা ও পর্দায় আকর্ষণীয় উপস্থিতির কারণে বলিউডে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছেন নোরা ফাতেহি। কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী কানাডীয় নাগরিক। মরক্কীয় বংশোদ্ভূত নোরা নাচ ও অভিনয়ের মাধ্যমে ভারতীয় বিনোদনজগতে নিজের জায়গা করে নেন।

‘দিলবার’ ও ‘ও সাকি সাকি’র মতো গানে তাঁর পারফরম্যান্স ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও কাজ করেছেন তিনি। ভারতীয় সিনেমার গানে নাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছেও পরিচিতি পেয়েছেন নোরা। তবে তাঁর নাগরিকত্ব কানাডার।

ইমরান খান: ভারতীয় বংশোদ্ভূত, মার্কিন নাগরিক

Imran Khan turns director - The Tribune

‘জানে তু ইয়া জানে না’ সিনেমার মাধ্যমে তরুণ দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেতা ইমরান খান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তাঁর জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের ম্যাডিসনে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই অভিনেতা ২০০৮ সালে বলিউডে অভিষেকের পর দ্রুত পরিচিতি পান।

‘আই হেট লাভ স্টোরিজ’, ‘দিল্লি বেলি’ ও ‘মেরে ব্রাদার কি দুলহান’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন ইমরান। বিশেষ করে রোমান্টিক ও কমেডি চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। ভারতীয় চলচ্চিত্রে কাজ করে জনপ্রিয়তা পেলেও তাঁর নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।

নার্গিস ফাখরি: নিউইয়র্কে জন্ম, নাগরিকত্ব মার্কিন

Ranbir Kapoor's Rockstar Co-star Nargis Fakhri Says Bollywood Called Her Immature For Honesty & Authenticity

মার্কিন নাগরিক নার্গিস ফাখরির জন্ম নিউইয়র্কের কুইন্সে। মডেলিংয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়ার পর ২০১১ সালে ইমতিয়াজ আলীর ‘রকস্টার’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তাঁর। সিনেমাটিতে রণবীর কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকের নজরে আসেন তিনি।

পরে ‘মাদ্রাজ ক্যাফে’, ‘ম্যায় তেরা হিরো’ ও ‘হাউসফুল থ্রি’র মতো সিনেমায় কাজ করেন নার্গিস। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিত্ব ও ফ্যাশন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে। ভারতীয় চলচ্চিত্রে কাজ করলেও তাঁর নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।

অ্যামি জ্যাকসন: ব্রিটিশ অভিনেত্রীর ভারতীয় সিনেমায় যাত্রা

File:Amy Jackson headshot.jpg - Wikimedia Commons

ব্রিটিশ অভিনেত্রী অ্যামি জ্যাকসন ভারতীয় চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছেন। তামিল, তেলুগু ও হিন্দি ভাষার সিনেমায় কাজ করে নিজের অভিনয়জীবন বিস্তৃত করেছেন তিনি।

‘এক দিওয়ানা থা’ ও ‘সিং ইজ ব্লিং’-এর মতো হিন্দি সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন অ্যামি। ভারতীয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি তাঁকে একাধিক অঞ্চলের দর্শকের কাছে পরিচিত করেছে। তবে তাঁর নাগরিকত্ব ব্রিটিশ।

কল্কি কোয়েচলিন: ভারতে জন্ম, ফরাসি নাগরিকত্ব

Zindagi Na Milegi Dobara (2011) - Kalki Koechlin as Natasha Arora - IMDb

ভারতে জন্ম নেওয়া অভিনেত্রী কল্কি কোয়েচলিন ফরাসি নাগরিক। ২০০৯ সালে ‘দেব ডি’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে পরিচিতি পান তিনি। প্রচলিত ধারার বাইরের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত কল্কি।

‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’, ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ এবং ‘গলি বয়’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। মূলধারার সিনেমার পাশাপাশি স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র ও ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন কল্কি। ভারতীয় চলচ্চিত্রে দীর্ঘদিন কাজ করলেও তাঁর নাগরিকত্ব ফরাসি।

অক্ষয় কুমার: কানাডার নাগরিকত্ব ছেড়ে ভারতীয় নাগরিক

Baby review: New-age patriotism in a gripping thriller | Entertainment News

একসময় কানাডার নাগরিকত্বের কারণে আলোচনায় ছিলেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তবে অন্যদের থেকে তাঁর ঘটনা আলাদা। ২০২৩ সালে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব ফিরে পান। এর আগে তাঁর কানাডীয় নাগরিকত্ব ছিল।

‘খিলাড়ি’, ‘হেরা ফেরি’, ‘ভুলভুলাইয়া’, ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’সহ নানা ঘরানার সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন অক্ষয়। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তাঁর নাগরিকত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি ভারতীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

বলিউডে তারকাখ্যাতি, নাগরিকত্বে বৈচিত্র্য

বলিউডের জনপ্রিয়তা শুধু ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন দেশ ও সাংস্কৃতিক পটভূমি থেকে আসা শিল্পীরা হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছেন। তাঁদের কারও জন্ম ভারতে, কারও জন্ম অন্য দেশে; আবার নাগরিকত্বও একেকজনের একেক রকম।

একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—কোনো দেশের নাগরিকত্ব থাকা আর সেই দেশের চলচ্চিত্রশিল্পে কাজ করা এক বিষয় নয়। বলিউডে জনপ্রিয়তা অর্জন করলেই কেউ ভারতীয় নাগরিক হয়ে যান না। একইভাবে বিদেশি নাগরিকত্ব থাকলেও ভারতীয় চলচ্চিত্রে কাজ করতে বাধা নেই। অভিনয়, নাচ ও পর্দায় উপস্থিতির মাধ্যমে এসব শিল্পী প্রমাণ করেছেন, চলচ্চিত্রের জগতে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা জাতীয় সীমানা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কালের আলো/জেএন/এসএ

ভারত থেকে এলো ১৮ নতুন রেলকোচ, যুক্ত হবে ট্রেনের বহরে

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে এলো ১৮ নতুন রেলকোচ, যুক্ত হবে ট্রেনের বহরে

বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেনের বহর সম্প্রসারণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে ভারত থেকে আমদানি করা ১৮টি নতুন ব্রডগেজ রেলকোচ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলপথ দিয়ে কোচগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করে। প্রাথমিক পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে কোচগুলো নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হচ্ছে। সেখানে কারিগরি পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে এগুলো যাত্রীবাহী ট্রেনের বহরে যুক্ত করা হবে। কোচগুলো গ্রহণ করেন প্রকল্প পরিচালক জয়দুল ইসলাম। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, দেশে প্রবেশের পর কোচগুলোর প্রাথমিক পরিদর্শন, শুল্কসংক্রান্ত ছাড়পত্র এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

প্রথম চালানে চার ধরনের ১৮ কোচ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত ২০০টি ব্রডগেজ রেলকোচ সরবরাহ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে চার ধরনের ১৮টি কোচ এসেছে। ভারতের রাইটস লিমিটেডের মাধ্যমে এসব কোচ সংগ্রহ করা হচ্ছে। নতুন কোচগুলো যুক্ত হলে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগে আরও অগ্রগতি হবে। প্রথম চালানে আসা ১৮টি কোচের মধ্যে রয়েছে ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কোচ, তিনটি এসি চেয়ার কোচ, দুটি এসি স্লিপার কোচ এবং দুটি এসি পাওয়ার কার। অর্থাৎ, সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি এসি সুবিধায় ভ্রমণকারী যাত্রীদের জন্যও কোচ সংগ্রহ করা হয়েছে।

নতুন চালানে থাকা ১১টি নন-এসি শোভন চেয়ার কোচ সাধারণ শ্রেণির যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হবে। তিনটি এসি চেয়ার কোচে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বসে ভ্রমণের ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া দুটি এসি স্লিপার কোচে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত স্লিপার সুবিধা রয়েছে। চালানে থাকা দুটি এসি পাওয়ার কারের বিশেষ ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে গার্ডদের জন্য পৃথক কামরা এবং যাত্রীদের মালামাল বহনের জায়গা। ট্রেন পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মালামাল বহনের ব্যবস্থাও এসব কোচের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

সৈয়দপুর কারখানায় হবে কারিগরি পরীক্ষা

দর্শনা আন্তর্জাতিক রেলপথ দিয়ে দেশে প্রবেশের পর কোচগুলোকে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। শুল্কসংক্রান্ত ছাড়পত্রসহ আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কোচগুলো সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নেওয়া হচ্ছে। সেখানে কোচগুলোর প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন, কার্যক্ষমতা পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হবে। এসব ধাপ শেষ হওয়ার পরই কোচগুলো যাত্রীবাহী ট্রেনের বহরে যুক্ত করার উপযোগী হবে। পাকশী রেলওয়ের বিভাগীয় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে প্রবেশের পর কোচগুলো যাচাই করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোচগুলোতে কোনো ধরনের ত্রুটি দেখা যায়নি।

২০০ কোচ সংগ্রহের উদ্যোগ

বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে নতুন ব্রডগেজ কোচ যুক্ত করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০০টি কোচ সরবরাহের চুক্তি করা হয়েছে। এর প্রথম চালানে ১৮টি কোচ দেশে এসেছে। বাকি কোচগুলো সরবরাহের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে রেলবহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন কোচগুলো যাত্রীবাহী ট্রেনে যুক্ত হলে রেলওয়ের বিদ্যমান বহরে অতিরিক্ত আসন ও বিভিন্ন শ্রেণির ভ্রমণসুবিধা যোগ হবে। তবে কোন রুটে এবং কবে থেকে এসব কোচ ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি