খুঁজুন
                               
, ,
           

সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

বাংলাদেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বৈষম্য করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, প্রত্যেক ধর্মের মানুষের স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চা, উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার সংবিধানে স্বীকৃত।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নয়, ধর্মীয় সম্প্রীতি চাই। আমরা কেউ এখানে সাম্প্রদায়িক হতে আসিনি। আপনারা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক, সবাই সমান অধিকারের অধিকারী।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান সব ধর্মের মানুষের ধর্মচর্চা, উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার দিয়েছে। ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না—এ কথাও সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। এরপরও দুর্গাপূজার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বারবার আলোচনায় আসা দুঃখজনক।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কোনো না কোনো ধর্মের মানুষ সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও প্রতিটি দেশেই বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বসবাস রয়েছে। নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার স্বীকৃত থাকা উচিত।

তিনি আরও বলেন, এবার দেশে সর্বোচ্চসংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ বরাদ্দ এবং সর্বোচ্চ ছুটি রয়েছে। উৎসব উদযাপনের ক্ষেত্রে সবাই যেন স্বাধীনতা ও আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেটিই সরকারের প্রত্যাশা।

নাগরিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোন সময়ে নাগরিক, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার বেশি সুরক্ষিত থাকে, তা জনগণ নিজেরাই বিচার করবেন। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কারও ভোটব্যাংক হওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা আপনাদের বিবেকের কাছেই দায়ী থাকবেন।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক ধর্মের মানুষের নিজস্ব বিশ্বাস, রীতিনীতি ও আচার-অনুষ্ঠান রয়েছে, যা তাদের হৃদয়ের খুব কাছের। তাই এক ধর্মের মানুষের উচিত অন্য ধর্মের মানুষের বিশ্বাস ও ধর্মাচরণের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবার, আগামীবার এবং ভবিষ্যতেও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শারদীয় দুর্গোৎসবসহ সব ধর্মীয় উৎসব স্বাধীনভাবে, সুন্দরভাবে ও মহাসমারোহে উদযাপন করবেন। এ ক্ষেত্রে সরকার সব সময় তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসবে।

বনানী পূজামণ্ডপের আয়োজনের প্রশংসা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও নকশা ব্যবহার করে পূজামণ্ডপটি সাজানো হয়েছে। এ উদ্যোগের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তিনি এবং তাদের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব চুক্তির পথে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব কাঠামো চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সরকারের প্রতিনিধিদলের বৈঠকের মাধ্যমে চুক্তির বিষয়গুলো চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চুক্তির মূল নীতিগত বিষয়গুলোতে কোনো সমস্যা নেই। তবে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলো কীভাবে চূড়ান্ত রূপ পাবে, তা যৌথ কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে দিনের শুরুতে সিরিকিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ব্যাংক অব আমেরিকা, গুগল, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও মুডিসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি, ঋণসংক্রান্ত বিষয় এবং আর্থিক খাতের সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও বিষয়টি অনুধাবন করতে পারছে।

তিনি জানান, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।

জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট উন্নয়ন কাঠামো চুক্তি তৈরি করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে স্বল্প আয়ের দেশগুলোর জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব সবচেয়ে বড় শক্তি।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের আন্তরিক সমর্থন ও যৌথ প্রয়াস অব্যাহত থাকবে বলে সংস্থা দুটির প্রধানরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

সূত্র: বাসস

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক চক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক চক্রে জিম্মি রাষ্ট্রসংস্কার: টিআইবি

রক্তাক্ত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রসংস্কারের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির মতে, ক্ষমতাসীন জোটের একচ্ছত্র ক্ষমতাচর্চা এবং বিরোধী জোটের দলীয় রাজনৈতিক ফায়দা অর্জনের প্রবণতা রাষ্ট্রসংস্কারকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন ও রাষ্ট্রসংস্কার কার্যক্রম ক্ষমতাসীন জোটের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে বিরোধী জোট জনস্বার্থে রাষ্ট্রসংস্কারে সহায়ক ভূমিকা পালনের পরিবর্তে দলীয় রাজনৈতিক ফায়দা অর্জনে ব্যস্ত রয়েছে। রাজনৈতিক দল ও আমলাতন্ত্র জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে শিক্ষা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ একটি জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্রসংস্কারের যে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি করেছিল, তা এখন ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক শক্তির হাতে জিম্মি।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রসংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী দলের সংসদ সদস্যদের প্রস্তাবিত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করার অবস্থান সংস্কার কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোর বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তাঁর অভিযোগ, যেসব অধ্যাদেশ নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা বাড়িয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলো আইনে পরিণত করা হয়েছে। অন্যদিকে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক কিছু অধ্যাদেশ রহিত বা স্থগিত করা হয়েছে। এর ফলে জবাবদিহিমূলক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসংক্রান্ত আইন নিয়েও সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর মতে, এসব ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ রাষ্ট্রসংস্কার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ ছাড়া স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও এ নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ না থাকার কথা উল্লেখ করেন ড. ইফতেখারুজ্জামান। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ ও নিয়মিত হালনাগাদের বিষয়ে মতৈক্য থাকা সত্ত্বেও সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, কর্তৃত্ববাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিবৃতিতে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে নজিরবিহীন ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল, রাষ্ট্রসংস্কারের লক্ষ্য অর্জনেও সেই ধরনের সদিচ্ছা, প্রজ্ঞা ও সহযোগিতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানায় টিআইবি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বৈঠক

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের বৈঠক

বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে বিমান যোগাযোগ, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন এবং জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ লক্ষ্যে আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক উপস্থিত ছিলেন। তিনি একই সঙ্গে আজারবাইজানেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে তাঁর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ ছাড়া সিআইসিএ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান জেহুন বায়রামভ।

অন্যদিকে, চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান থেকে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান হুমায়ুন কবির।

বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি