বিদেশে শ্রমিকের মৃত্যু: পরিসংখ্যান আছে, পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান নেই
বিদেশের মাটিতে জীবিকার সন্ধানে যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের একটি অংশকে শেষ পর্যন্ত ফিরতে হচ্ছে নিথর দেহে। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের জন্য যাঁরা দেশ ছাড়েন, তাঁদের অনেকের জীবন থেমে যাচ্ছে সড়ক দুর্ঘটনা, কর্মক্ষেত্রের বিপদ, অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো অজানা কারণে। কিন্তু মৃত্যুর পর দেশে ফিরছে যে মরদেহ, তার সঙ্গে আসা নথিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ থাকছে ‘স্বাভাবিক মৃত্যু’। ফলে প্রবাসী কর্মীদের মৃত্যুর প্রকৃত চিত্র, ঝুঁকির ধরন এবং প্রতিরোধের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ৪ হাজার ৬০টি প্রবাসী কর্মীর মরদেহ। ২৭৩ দিনে এই সংখ্যা দৈনিক গড়ে ১৪টির বেশি। এর মধ্যে প্রায় দুই হাজার কর্মীর মৃত্যু হয়েছে সৌদি আরবে। বিদেশে বাংলাদেশি কর্মীদের সবচেয়ে বড় গন্তব্য হওয়ায় দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। এরপর রয়েছে মালয়েশিয়া। এই পরিসংখ্যান কেবল মৃত্যুর সংখ্যা নয়; এটি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং মৃত্যুর পর তাঁদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও সামনে নিয়ে এসেছে।
- চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে বিদেশ থেকে ফিরেছে ৪ হাজার ৬০ মরদেহ
- দুর্ঘটনা ও তীব্র তাপের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় জোর দেওয়ার তাগিদ
- অনিয়মিত কর্মীর মরদেহ আনতে দীর্ঘসূত্রতা
মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু কারণ কতটা জানা যাচ্ছে?
প্রবাসী কর্মীদের মৃত্যুর নথি বিশ্লেষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ অসংগতি দেখা যায়। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশে আসা মরদেহের ৬৬ শতাংশের মৃত্যুর কারণ হিসেবে স্বাভাবিক মৃত্যুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি ৩৪ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে।
অথচ অভিবাসন খাতের গবেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিদেশে কর্মীর মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই করা হয় না। সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে পাঠানো কাগজপত্রের ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করতে হয়। ফলে অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, কর্মক্ষেত্রে নির্যাতন কিংবা আত্মহত্যার পেছনে অন্য কোনো পরিস্থিতি ছিল কি না, তা অজানাই থেকে যেতে পারে।
এখানে মূল প্রশ্নটি শুধু কতজন কর্মী মারা যাচ্ছেন, তা নয়; বরং কেন মারা যাচ্ছেন এবং তাঁদের মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল কি না, সেটিও। মৃত্যুর কারণ যথাযথভাবে অনুসন্ধান করা না হলে ঝুঁকিপূর্ণ কর্মপরিবেশ চিহ্নিত করা, দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের মৃত্যু ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনায় মৃত্যু: কর্মক্ষেত্রের বাইরে যাওয়াও ঝুঁকিমুক্ত নয়
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পাঁচ বছরের একটি বিশ্লেষণ পরিস্থিতির আরেকটি দিক তুলে ধরে। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশে আসা ১৮ হাজার ১৬৬টি মরদেহের মধ্যে ৩ হাজার ৬৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল সড়ক দুর্ঘটনা, কর্মস্থলের দুর্ঘটনা, আগুনে পোড়া, ভবন থেকে পড়ে যাওয়া কিংবা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার কারণে। তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ৬৪৯ জন মারা যান সড়ক দুর্ঘটনায়। অর্থাৎ, কর্মীদের মৃত্যুঝুঁকি কেবল কারখানা, নির্মাণস্থল বা নির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কাজে যাওয়া-আসা, পণ্য পরিবহন এবং দৈনন্দিন চলাচলের সময়ও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
নোয়াখালীর ফয়েজ আহম্মেদ ও তাঁর ছোট ভাই সুজন আহম্মেদের মৃত্যু এই বাস্তবতারই একটি মর্মান্তিক উদাহরণ। সৌদি আরবে খেজুর পরিবহনের কাজে যুক্ত দুই ভাই গত ১৬ জুলাই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। ২৮ জুলাই তাঁদের মরদেহ দেশে পৌঁছায়। পরিবারের উপার্জন ও ভবিষ্যতের সঙ্গে যুক্ত দুই সদস্যকে একসঙ্গে হারিয়ে তাঁদের বাবা আবদুল মালেকের জীবনে নেমে আসে গভীর শোক। দুই ভাইয়ের দাফনের জন্য পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা করে মোট ৭০ হাজার টাকা সহায়তা দেয় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। কিন্তু এই অর্থ তাৎক্ষণিক দাফনের ব্যয় মেটাতে সহায়তা করলেও পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির পূর্ণ প্রতিকার নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের তাপ কি বাড়াচ্ছে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি?
মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি শ্রমিকদের একটি বড় অংশ নির্মাণসহ শ্রমঘন খাতে নিয়োজিত। প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় কাজ করা তাঁদের জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। তীব্র তাপের কারণে পানিশূন্যতা, তাপজনিত অসুস্থতা এবং কিডনিসহ বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতির আশঙ্কা বাড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শ শরীরের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে এবং বিদ্যমান স্বাস্থ্যসমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা এই ঝুঁকিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষ করে যাঁদের কাজের ধরন অনুযায়ী দিনের দীর্ঘ সময় বাইরে থাকতে হয়, তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম, নিরাপদ পানীয় জল, ছায়াযুক্ত বিরতি এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। তবে কোনো নির্দিষ্ট কর্মীর মৃত্যুর সঙ্গে তাপমাত্রার সম্পর্ক আছে কি না, তা নির্ধারণে চিকিৎসা-সংক্রান্ত তথ্য ও মৃত্যুর কারণের যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন। প্রতিটি মৃত্যুকে শুধু স্বাভাবিক অসুস্থতা হিসেবে নথিভুক্ত করলে তাপজনিত ঝুঁকির প্রকৃত মাত্রা বোঝা সম্ভব হবে না।
অনিয়মিত কর্মীদের মরদেহ দেশে ফেরাতে দীর্ঘসূত্রতা
বিদেশে কর্মরত কোনো বাংলাদেশি মারা গেলে তাঁর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। কর্মী বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেলে অথবা বিদেশে পৌঁছে বাংলাদেশি দূতাবাসে সদস্য হিসেবে নিবন্ধিত হলে মরদেহ দেশে আনার ব্যয় বোর্ড বহন করে। এসব শর্ত পূরণ না হলেও পরিবার আবেদন করতে পারে; সে ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা রয়েছে।
তবে অনিয়মিত কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি তুলনামূলক জটিল হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মরদেহ দেশে পাঠানোর আগে একাধিক দপ্তরের অনুমোদন নিতে হয়। আবার যেসব দেশে বাংলাদেশের দূতাবাস নেই, সেসব জায়গা থেকে মরদেহ ফিরিয়ে আনতে আরও বেশি সময় লাগতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শোকাহত পরিবারকে শুধু প্রিয়জন হারানোর বেদনা নয়, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়েও যেতে হয়। ফলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে কর্মীর বৈধ কাগজপত্রের ঘাটতি যেন পরিবারের দুর্ভোগ বাড়িয়ে না দেয়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সহায়তা আছে, কিন্তু পেতে ভোগান্তির অভিযোগ
বিদেশে মারা যাওয়া কর্মীর মরদেহ দেশে আসার পর দাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং পরিবারকে তিন লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি জীবনবিমার সুবিধা এবং বিদেশে পাওনা বেতন বা ক্ষতিপূরণ আদায়ে দূতাবাসের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে।
বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দাফন সহায়তা হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। একই সময়ে আর্থিক অনুদান বাবদ ৬১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা এবং বিমাসুবিধা হিসেবে ৪৪ কোটি টাকার বেশি দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে ক্ষতিপূরণ, বকেয়া ও বিমার অর্থ মিলিয়ে আদায় করে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা। তবে এসব সুবিধা থাকা সত্ত্বেও আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা এবং অর্থ পেতে ভোগান্তির অভিযোগ রয়েছে। কোনো পরিবার দ্রুত সহায়তা পেলেও অন্য পরিবারকে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় বলে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। অনিয়মিত কর্মীদের ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার জটিলতাও উদ্বেগের বিষয়।
তিন দিনের প্রশিক্ষণে কতটা প্রস্তুত হচ্ছেন কর্মীরা?
বিদেশে যাওয়ার আগে বিএমইটির মাধ্যমে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেখানে গন্তব্য দেশের নিয়মকানুন, আচরণবিধি ও নিরাপত্তা বিষয়ে ধারণা দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের মতে, মাত্র তিন দিনের কর্মশালায় বিদেশের ভিন্ন পরিবেশে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সচেতনতা যথেষ্টভাবে গড়ে তোলা কঠিন।
বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের কাজের ধরন, কর্মঘণ্টা, ঝুঁকিপূর্ণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার, দুর্ঘটনা মোকাবিলা, তীব্র গরমে কাজের সতর্কতা এবং অসুস্থ হলে কোথায় সহায়তা চাইতে হবে—এসব বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। পাশাপাশি নিয়োগকর্তার দায়িত্ব, শ্রমিকের অধিকার, জরুরি যোগাযোগব্যবস্থা এবং দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ার পদ্ধতিও স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। প্রশিক্ষণকে শুধু আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখলে চলবে না। কর্মী যে দেশে যাচ্ছেন, সেখানে তাঁর কাজের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তুর মিল থাকা জরুরি।
মৃত্যুর তদন্ত ও প্রতিরোধে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ
প্রবাসী কর্মীদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা গেলে ভবিষ্যতে ঝুঁকি কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। এ জন্য বিদেশ থেকে আসা মৃত্যুসংক্রান্ত নথি যাচাই, প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন সংগ্রহ, সন্দেহজনক মৃত্যুর তদন্ত এবং কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।
একই সঙ্গে দেশভিত্তিক ও খাতভিত্তিক মৃত্যুর তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা হলে কোন পরিবেশে, কী ধরনের কাজে এবং কী কারণে বেশি প্রাণহানি ঘটছে, তা শনাক্ত করা সহজ হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষ ও নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, বিদেশে কর্মীদের মৃত্যুর কারণ যাচাইয়ের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা এবং প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।
প্রবাসী কর্মীদের মৃত্যু কেবল একটি পরিবারের ব্যক্তিগত শোক নয়; এটি দেশের শ্রমবাজার, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বড় সামাজিক প্রশ্ন। যাঁরা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে বিদেশে যাচ্ছেন, তাঁদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা যেমন জরুরি, তেমনি মৃত্যুর পর মর্যাদার সঙ্গে মরদেহ ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারকে প্রাপ্য সহায়তা দেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, মৃত্যুর পরিসংখ্যান সংগ্রহের পাশাপাশি মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানকে কার্যকর ব্যবস্থার অংশ করা। কোনো মৃত্যু যদি কর্মক্ষেত্রের অনিরাপত্তা, অতিরিক্ত তাপ, অবহেলা বা নির্যাতনের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, তবে তা শনাক্ত করে প্রতিরোধের উদ্যোগ নিতে হবে। আর কর্মী নিয়মিত নাকি অনিয়মিত—এই পার্থক্যের কারণে তাঁর মরদেহ দেশে ফেরানো কিংবা শোকাহত পরিবারের সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে অযৌক্তিক বৈষম্য তৈরি হওয়া উচিত নয়। প্রবাসে যাওয়া মানুষের জীবন রক্ষা এবং তাঁদের মৃত্যুর পর পরিবারের পাশে দাঁড়ানো—দুটি দায়িত্বই সমান গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা প্রয়োজন।
কালের আলো/এমএসএএকে/এমকে

আপনার মতামত লিখুন
[gs-fb-comments]