খুঁজুন
                               
, ,
           

হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম, ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ
হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম, ব্যাখ্যা দিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার্থে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরপরই অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়

রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার পাঠানো এক বিবৃতিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলাকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন ইশরাক হোসেন।
হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র প্রদর্শনের দাবি

বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন জানান, শনিবার গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলার সময় একটি অস্থায়ী আস্তানার কাছে ৩০ থেকে ৩৫ জন আইনলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এ সময় সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা তৈরি হলে জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁর ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং আত্মরক্ষার প্রয়োজনেই তা প্রদর্শন করা হয়েছিল। তবে ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি, অস্ত্র প্রদর্শনের প্রয়োজনীয়তা এবং পুরো ঘটনার ধারাবাহিকতা সম্পর্কে বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরা হলেও এসব দাবির স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য দেওয়া হয়নি।

এলাকায় মাদক বিস্তারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের
বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা-৬ আসনের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে আসছেন ইশরাক হোসেন।

তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে এলাকাটি মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়। গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন নিরীহ নাগরিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি এলাকাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভাও করেন।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধা সরকারি পত্র বা ডিও লেটার দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগ এখনো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।
পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযান, আটক ছয়

ইশরাক হোসেনের বিবৃতি অনুযায়ী, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্তে সাধারণ নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অংশগ্রহণে সমন্বিত সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই তিনি গেন্ডারিয়া এলাকায় যান।
ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরপরই গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি ও সহায়তায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয় বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়। এসব স্থান থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদকদ্রব্য, বিদেশি মদ, মাদকসেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এ ছাড়া অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে আটক করে জব্দ করা আলামতসহ গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে জব্দ করা সামগ্রীর পরিমাণ, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এবং পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বিবৃতিতে তুলে ধরা হয়নি।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

মঙ্গলবার থেকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি, সচিবালয়ে শেষ কর্মদিবসে ঢিলেঢালা পরিবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
মঙ্গলবার থেকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি, সচিবালয়ে শেষ কর্মদিবসে ঢিলেঢালা পরিবেশ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস ছিল সোমবার (১৯ অক্টোবর)। এদিন রাজধানীর প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে সব মন্ত্রণালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চললেও দুপুরের পর থেকেই দেখা যায় ছুটির আমেজ। ছুটিতে ঢাকার বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে কাজ শেষ করে আগেভাগেই অফিস ছাড়েন। ফলে দিনের শেষভাগে সচিবালয়ের বিভিন্ন স্থানে তুলনামূলক নীরবতা ও ফাঁকা পরিবেশ চোখে পড়ে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঘোষিত তিন দিনের সরকারি ছুটি। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সব মিলিয়ে টানা পাঁচ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা পাঁচ দিনের অবকাশ পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ছুটি শেষে আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) যথারীতি সরকারি অফিস খুলবে। দীর্ঘ এই ছুটিতে অনেকেই গ্রামের বাড়ি কিংবা পরিবারের সদস্যদের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। সোমবার সকাল থেকে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম চললেও দুপুরের পর কর্মচাঞ্চল্য কিছুটা কমতে থাকে। ছুটিতে ঢাকার বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে দিনের কাজ শেষ করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন। কেউ কেউ প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত শেষ করে নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন। এ কারণে দুপুরের পর সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও করিডরে তুলনামূলক নীরব পরিবেশ দেখা যায়। তবে ছুটির আগের শেষ কর্মদিবসেও মন্ত্রণালয়গুলোতে নিয়মিত কার্যক্রম চলেছে।

টানা পাঁচ দিনের ছুটি সমন্বয়ের অংশ হিসেবে এর আগে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) সাধারণ ছুটির দিনেও সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল। ওই দিন সরকারি অফিসের পাশাপাশি ব্যাংক ও শেয়ারবাজারও খোলা ছিল।

সাধারণ ছুটির দিনে অফিস চালু রাখার মাধ্যমে দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ছুটির ব্যবস্থা করা হয়। ফলে শনিবার কর্মদিবস হিসেবে পালন করার পর সোমবার ছিল ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস।টানা পাঁচ দিনের ছুটি পেয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকেই ঢাকার বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তাঁদের কেউ গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন, আবার কেউ ছুটিতে স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

 

ব্যালন ডি’অর ভোটে রোনালদোর ধারে কাছেও নেই মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
ব্যালন ডি’অর ভোটে রোনালদোর ধারে কাছেও নেই মেসি

লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো—ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই মহাতারকা। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে আধিপত্য বিস্তার করেছেন তাঁরা। দুজন মিলে জিতেছেন ১৩টি ব্যালন ডি’অর। বর্তমানে এই পুরস্কারের লড়াইয়ে তাঁদের দেখা না গেলেও কে সেরা, সেই বিতর্ক থামেনি। এবার ব্যালন ডি’অরের আয়োজকদের একটি বিশেষ ভোটাভুটিতে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে দুই কিংবদন্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতা। সেখানে এখন পর্যন্ত রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের মৌসুম বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে মেসির সেরা মৌসুমগুলোর চেয়ে।

সর্বকালের সেরা মৌসুম বেছে নিতে ভোট
ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে শুরু হয়েছে বিশেষ এই ভোটাভুটি। তবে এবার সরাসরি সর্বকালের সেরা ফুটবলার নির্বাচনের আয়োজন করা হয়নি। বরং অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, এমন ১০ কিংবদন্তির পুরস্কারজয়ী মৌসুমগুলোর মধ্যে সেরা মৌসুমটি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

অক্টোবরের শুরুতে শুরু হওয়া এই ভোট চলবে ২৭ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত। ভোটাভুটিতে বিজয়ী হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট ফুটবলারের নাম ঘোষণা করা হবে না। নির্বাচিত হবে তাঁদের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমগুলোর মধ্যে সেরা পারফরম্যান্সের মৌসুম।

মেসি ও রোনালদো ছাড়াও তালিকায় রয়েছেন রোনালদো নাজারিও, মার্কো ফন বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি, কার্ল হেইঞ্জ রুমেনিগে, কেভিন কিগান, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইয়োহান ক্রুইফ ও আলফ্রেদো দি স্তেফানো। ফুটবল ইতিহাসে নিজেদের অসামান্য কীর্তির কারণে এই কিংবদন্তিরা ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন।

ভোটে ৬২ শতাংশ নিয়ে এগিয়ে রোনালদোর ২০০৮
এখন পর্যন্ত ভোটের হিসাবে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম। এই মৌসুমের পক্ষে পড়েছে ৬২ শতাংশ ভোট। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে সেবার প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন পর্তুগিজ তারকা। পরবর্তী সময়ে আরও চারবার এই পুরস্কার জিতে নিজের সংগ্রহকে পাঁচে নিয়ে যান তিনি।

অন্যদিকে লিওনেল মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম পেয়েছে ১৩ শতাংশ ভোট। ওই বছর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে অবিশ্বাস্য উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এক পঞ্জিকাবর্ষে মাত্র ৬৯ ম্যাচ খেলে করেছিলেন ৯১ গোল। সেই অসাধারণ কীর্তির স্বীকৃতি হিসেবে টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতে রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে ভোটের বর্তমান চিত্রে মেসির সেই ঐতিহাসিক মৌসুমও রোনালদোর ২০০৮ সালের পারফরম্যান্সের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

বিশ্বকাপজয়ী মেসির ২০২৩ সালের মৌসুমও পিছিয়ে
মেসির ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম ভোট পেয়েছে ৯ শতাংশ। ওই বছর কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। বিশ্বকাপজয়ের পর ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকায় যোগ হয় আরও একটি ব্যালন ডি’অর। প্যারিস সেন্ট জার্মেইর হয়ে ওই মৌসুমে ৪১ ম্যাচ খেলে ২১ গোল করার পাশাপাশি ২০টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন মেসি। তাঁর পারফরম্যান্সে দলটি লিগ ওয়ানের শিরোপা জেতে এবং ফরাসি সুপার কাপও জয় করে। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয় এবং ক্লাবের হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে মৌসুমটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়। তারপরও ভোটাভুটিতে এখন পর্যন্ত রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুমের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে মেসির এই অর্জন।

রোনালদোর ২০০৭ ও ২০১৬ সালের মৌসুমও তালিকায়
ভোটের তালিকায় রোনালদোর ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম রয়েছে চতুর্থ স্থানে। এই মৌসুমের পক্ষে পড়েছে ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে ২০১৬ সালে তাঁর ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম পেয়েছে ২ শতাংশ ভোট। ২০১৬ সালে রোনালদো ক্লাব ও জাতীয় দল—দুই পর্যায়েই উল্লেখযোগ্য সাফল্য পান। পর্তুগালের হয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পাশাপাশি রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতেন তিনি। ফলে তাঁর ওই মৌসুমও ফুটবল ইতিহাসের স্মরণীয় অর্জনগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ভোট দিতে খরচ হবে এক ইউরো
এই ভোটাভুটির আরেকটি আলোচিত দিক হলো, এতে অংশ নিতে প্রত্যেক ভোটারকে এক ইউরো খরচ করতে হবে। ভোটাররা চাইলে একই ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমে একাধিকবার ভোট দিতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিটি মৌসুম কত শতাংশ ভোট পেয়েছে, তা-ও দেখতে পারবেন তাঁরা। আয়োজকদের উদ্যোগে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত একজন ভোটারকে চলতি বছরের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া ট্রফির একটি আইকনিক ছবি ডাউনলোড করার সুযোগও থাকছে।

ভোটের ফল এখন পর্যন্ত রোনালদোর পক্ষে বড় ব্যবধান দেখালেও ২৭ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। মেসি-রোনালদোর দীর্ঘদিনের শ্রেষ্ঠত্বের বিতর্কে এই ভোটাভুটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এসএ

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হলেন আতাউর রহমান খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হলেন আতাউর রহমান খান

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. আতাউর রহমান খান। এর আগে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মো. আতাউর রহমান খান ২০২৬ সালের ২৫ মে সরকারের সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যোগদানের মাধ্যমে তিনি সরকারি কর্মজীবন শুরু করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি), ভৌত অবকাঠামো বিভাগ, শিল্প ও জ্বালানি বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের প্রোগ্রামিং বিভাগ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (বিডিসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন আতাউর রহমান খান। ওই সময়ে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো ও ডেটা সেন্টার সেবার উন্নয়নে কৌশলগত নেতৃত্ব দেন তিনি।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আতাউর রহমান খানের নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হলো।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি