খুঁজুন
                               
, ,
           

সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি ও কুশল বিনিময়

সৈয়দপুর সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি ও কুশল বিনিময়

রংপুরে যাওয়ার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান, নিজেই সেলফি তোলেন এবং ফুটবল ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার সামগ্রী উপহার দেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন আকস্মিক উপস্থিতিতে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সৈয়দপুর থেকে রংপুরে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কলেজের প্রয়োজনীয়তা ও উন্নয়নসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রস্তাবের কথাও শোনেন।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, তাদের কী প্রয়োজন। তখন তিনি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। অধ্যক্ষ জানান, শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি স্কুল থেকে কলেজে উন্নীত হয়েছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর পর তিনি কলেজের বর্তমান অবস্থা এবং উন্নয়নের জন্য কী কী প্রয়োজন, সে বিষয়ে আরও জানতে চান। এ সময় অধ্যক্ষ কলেজের পাঠদানের সুযোগ বাড়ানো এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।

বর্তমানে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজে এক শিফটে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বেশি সুযোগ তৈরি করতে কলেজটিতে ডাবল শিফট চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন অধ্যক্ষ। এ ছাড়া ছেলেদের ও মেয়েদের জন্য পৃথক দুটি ভবন নির্মাণ এবং একটি অডিটোরিয়াম প্রতিষ্ঠার দাবিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। এ বিষয়ে কলেজের পক্ষ থেকে লিখিত আবেদনও দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আকস্মিক এই সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিমানবন্দর থেকে রংপুরে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বাস থামিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি নিজেই জানতে চান, তাঁদের কী প্রয়োজন।

এ সময় গাড়িতে বসেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে হাত মেলান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নিজে সেলফি তোলেন এবং ফুটবল ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলার সামগ্রী উপহার দেন। অধ্যক্ষ বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী নিজে এগিয়ে এসে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কথা শুনছেন—এটি তাঁদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা।

নির্ধারিত গন্তব্যে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের দেখে প্রধানমন্ত্রীর এই যাত্রাবিরতি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে উঠেছে। সরাসরি কথা বলা, একসঙ্গে সেলফি তোলা এবং খেলাধুলার সামগ্রী উপহার দেওয়ার ঘটনায় কলেজজুড়ে আনন্দের সৃষ্টি হয়। পরে রংপুর সফর শেষে দুপুর দেড়টার দিকে সৈয়দপুর থেকে বিমানে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

মালদ্বীপকে হারিয়ে হ্যান্ডবলের ফাইনালে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপকে হারিয়ে হ্যান্ডবলের ফাইনালে বাংলাদেশ

প্রথমার্ধে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াই জমিয়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের হার এড়াতে পারেনি মালদ্বীপ। প্রতিপক্ষকে ৩৩-২০ গোলে হারিয়ে বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এবার শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত।

প্রথমার্ধেই বড় ব্যবধান গড়ে বাংলাদেশ
মঙ্গলবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষকে কার্যত চাপে রেখে একের পর এক গোল আদায় করে নেয় স্বাগতিকরা। বিরতির আগে বাংলাদেশের মেয়েরা এগিয়ে ছিল ১৬-৫ গোলে। ১১ গোলের এই ব্যবধানই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা মালদ্বীপের
বিরতির পর ম্যাচে নিজেদের ছন্দ ফিরে পায় মালদ্বীপ। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় সমানতালে লড়াই করে অতিথি দলটি। এই অর্ধে বাংলাদেশ ১৭টি গোল করলেও মালদ্বীপের মেয়েরা জবাব দেয় ১৫টি গোল করে। তবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার বড় ব্যবধান পেরিয়ে বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ১৩ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

আট গোল করে ম্যাচসেরা সানজিদা
বাংলাদেশের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মোসাম্মত সানজিদা আক্তার। ম্যাচে আটটি গোল করে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। দলীয় আক্রমণে কার্যকর ভূমিকা রেখে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার পথ সহজ করেছেন সানজিদা।

নেপালকে হারিয়ে শুরু ভারতের কাছে হার
প্রতিযোগিতার শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেপালকে ৩৩-২০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভসূচনা করে দলটি। তবে পরের ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা। ওই ম্যাচে ভারতের কাছে ৪৭-১৩ গোলে পরাজিত হয় স্বাগতিকরা। রাউন্ড রবিন লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ফাইনালে ওঠার জন্য বাংলাদেশের জয় ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সমীকরণ সামনে রেখে মালদ্বীপের বিপক্ষে মাঠে নামে আনা আলোনসো ফ্রাগুয়ার দল। শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত জয় তুলে নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ
আগামী বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফির ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে বড় ব্যবধানে হারলেও এবার শিরোপার লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে স্বাগতিকরা। অন্যদিকে ব্রোঞ্জ পদকের জন্য বুধবার দুপুর ২টায় মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও নেপাল। এই ম্যাচে জয়ী দলটি টুর্নামেন্টের তৃতীয় স্থান অর্জন করবে।

কালের আলো/জেএন/এসএ 

ফিফা র‍্যাংকিংয়ে এগোল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
ফিফা র‍্যাংকিংয়ে এগোল বাংলাদেশ

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সর্বশেষ নারী ফুটবল র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। নতুন তালিকায় ১০৭তম অবস্থান থেকে ১০৬ নম্বরে উঠে এসেছেন ঋতুপর্ণা চাকমারা। সম্প্রতি শেষ হওয়া এশিয়ান গেমসে মিয়ানমারের বিপক্ষে ড্র করার সুবাদে রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে বাংলাদেশের মেয়েদের। নতুন র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের মোট রেটিং পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১১৭৫.৩৫। এশিয়ান গেমসের গ্রুপ পর্বে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছে বড় ব্যবধানে হারলেও শেষ ম্যাচে মিয়ানমারকে রুখে দেওয়াই র‍্যাংকিংয়ে উন্নতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এশিয়ান গেমসে বড় ব্যবধানে হার
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসের নারী ফুটবল প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচে শক্তিশালী উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারতে হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ১০ গোল হজম করে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬ গোলে হারে দলটি। দুই ম্যাচে মোট ১৬ গোল খেলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ের রেটিং পয়েন্টে বড় ধরনের পতন হয়নি বাংলাদেশের। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট কমে ০.০৬ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে কমে ০.২৮। র‍্যাংকিংয়ে দুই দলের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে থাকায় এই পরাজয়গুলোর প্রভাব পয়েন্টের হিসাবে তুলনামূলকভাবে কম পড়েছে। দুই দলের সঙ্গে বাংলাদেশের র‍্যাংকিং ব্যবধান ছিল প্রায় ১০০ ধাপ।

মিয়ানমারের বিপক্ষে ড্রতেই বড় প্রাপ্তি
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বাংলাদেশ। ম্যাচে গোল করতে না পারলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নেয় ঋতুপর্ণা চাকমাদের দল। আর এই ফলই ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতির পথ তৈরি করে। মিয়ানমারের বিপক্ষে ড্র করায় বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে ৪.৬৪। ফলে মোট পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১১৭৫.৩৫-এ। এই বাড়তি পয়েন্টের সুবাদে আগের অবস্থান থেকে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করায় র‍্যাংকিংয়ে অবনতি হয়েছে মিয়ানমারের। ম্যাচের আগে বাংলাদেশের চেয়ে ৫০ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির রেটিং পয়েন্ট কমেছে ৫.৫৪। ফলে ৫৫তম স্থান থেকে এক ধাপ পিছিয়ে ৫৬ নম্বরে নেমে গেছে তারা।

মিয়ানমারকে হারিয়েই এশিয়ান কাপের টিকিট
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের জন্য মিয়ানমার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। গত বছর এই দলকে হারিয়েই প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। ঐতিহাসিক সেই সাফল্যের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের নারী দলের অগ্রযাত্রা নতুন করে আলোচনায় আসে। সেই আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে ফিফা র‍্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করা দলগুলোর মধ্যে থাকায় ফিফার শিরোনামেও জায়গা পেয়েছিল বাংলাদেশ। এবার এশিয়ান গেমসে মিয়ানমারের বিপক্ষে ড্র করে র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগোনোর মাধ্যমে আবারও আলোচনায় এল দেশের নারী ফুটবল দল।তবে র‍্যাংকিংয়ে এই উন্নতি ধরে রাখতে হলে সামনে আরও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স প্রয়োজন। বিশেষ করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল খেলা এবং তুলনামূলক কাছাকাছি র‍্যাংকিংয়ের দলগুলোর বিপক্ষে ইতিবাচক ফল অর্জন করতে পারলে আন্তর্জাতিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও উন্নত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

কালের আলো/এমএস/এসএ

পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ডিবির অভিযান আটক ৮৪ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
পুলিশ কর্মকর্তার বাড়িতে ডিবির অভিযান আটক ৮৪ জন

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া একটি বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এ অভিযানে ৫৮ জন পুরুষ ও ২৬ জন নারীসহ মোট ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন।

রাতে শুরু হয় অভিযান

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে ভাটারার ওই বাড়িতে অভিযান শুরু হয়। সেখানে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ডিবি। অভিযানে নারী ও পুরুষ মিলিয়ে মোট ৮৪ জনকে আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে ৫৮ জন পুরুষ এবং ২৬ জন নারী রয়েছেন। মাদকসংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে তাঁদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান।

ডিজে পার্টির আড়ালে মাদকের আসরের অভিযোগ

গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, ওই বাড়িতে ডিজে পার্টির আড়ালে মাদকের আসর বসত। এ তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয় বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

সূত্রের দাবি অনুযায়ী, বাড়িটি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের। তবে বাড়িটির মালিকানা এবং এ ঘটনায় তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো নিশ্চিত হয়নি।

বাড়ির মালিকানা নিয়ে তদন্ত চলছে

পুলিশ সূত্রে বাড়িটি অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বলে দাবি করা হলেও এর মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বাড়িটি ভাড়া দেওয়া ছিল বলে প্রাথমিক তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী কী নির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাঁদের সাজা দেওয়ার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি