খুঁজুন
                               
, ,
           

সাসাকাওয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, আলোচনায় ভ্যাকসিন কারখানা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
সাসাকাওয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, আলোচনায় ভ্যাকসিন কারখানা

জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় বাংলাদেশে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন উৎপাদনের কারখানা স্থাপনে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের রাজধানী টোকিওর মেইজি কিনেনকানের হানাগাসুমি রেস্তোরাঁয় এ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের কথা স্মরণ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতে সাসাকাওয়ার দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন উৎপাদনের একটি কারখানা স্থাপনে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।

নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ও বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলামসহ অন্যরা।

জাপানের পক্ষে নৈশভোজে অংশ নেন নিপ্পন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক তাকাশি আরিকাওয়া ও সংস্থাটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিমান বাহিনী প্রধানের ইউরোপ সফর: আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
বিমান বাহিনী প্রধানের ইউরোপ সফর: আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন দিগন্ত

আধুনিক বিমান বাহিনীর সক্ষমতা কেবল অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান বা সমরাস্ত্রের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ উড়োজাহাজের কার্যকারিতা বজায় রাখা, দক্ষ জনবল গড়ে তোলা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া। এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে সম্প্রতি জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। সফরে তিনি বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিমান শক্তিবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

  • জার্মানিতে উড়োজাহাজ ও আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি পরিদর্শন
  • চেক প্রজাতন্ত্রে ভবিষ্যৎ বিমানশক্তি সম্মেলনে অংশগ্রহণ
  • বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা

গত ১৮ থেকে ২০ অক্টোবর জার্মানি সফরকালে বিমান বাহিনী প্রধান গ্রোব এয়ারক্রাফট এসই-এর আমন্ত্রণে প্রতিষ্ঠানটির টুসেনহাউজেন-ম্যাটসিসে অবস্থিত উড়োজাহাজ উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কারিগরি ও বাণিজ্যিক বিষয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে গ্রোবের তৈরি প্রশিক্ষণ বিমান ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব বিমানের দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা এবং প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের সফর বিদ্যমান উড়োজাহাজের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতেও সহায়ক হতে পারে।

জার্মানি সফরের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল দেশটির অন্যতম প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডিল ডিফেন্সের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন। প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি করে। বিশেষ করে তাদের IRIS-T SLM ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল ও অন্যান্য আকাশপথের হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহারের উপযোগী। একটি দেশের সমন্বিত ও স্তরভিত্তিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিমান বাহিনী প্রধান ডিল ডিফেন্সের উৎপাদন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ স্থাপনের দিক থেকে এ সফর তাৎপর্যপূর্ণ।

জার্মানি সফর শেষে গত ২০ থেকে ২৩ অক্টোবর বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন চেক প্রজাতন্ত্র সফর করেন। চেক বিমান বাহিনীর কমান্ডার এবং ফিউচার এয়ার ফোর্স কনফারেন্সের চেয়ারম্যানের আমন্ত্রণে তিনি প্রাগে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ফিউচার এয়ার ফোর্স কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আধুনিক আকাশযুদ্ধের পরিবর্তিত প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করেন। আলোচনায় মাল্টিরোল লাইট এয়ারক্রাফট, আধুনিক প্যাসিভ ও অ্যাক্টিভ সেন্সর, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, সশস্ত্র চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি), কাউন্টার-ড্রোন প্রযুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বর্তমান যুদ্ধক্ষেত্রে প্রচলিত যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার এবং সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। ফলে ভবিষ্যৎ বিমান শক্তি গড়ে তুলতে প্রযুক্তি সংগ্রহের পাশাপাশি দক্ষ জনবল, কার্যকর প্রশিক্ষণ, আধুনিক রণকৌশল এবং রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা উন্নয়ন অপরিহার্য। প্রাগের সম্মেলন এসব বিষয়ে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি জানার সুযোগ তৈরি করেছে।

বিমান বাহিনী প্রধানের এই সফরের দুটি অংশ পরস্পরের পরিপূরক। জার্মানিতে তিনি উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভের সুযোগ পেয়েছেন। অন্যদিকে চেক প্রজাতন্ত্রে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আকাশযুদ্ধ, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং পরিচালনাগত প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, বিদ্যমান সক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে এ ধরনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উন্নয়নে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে। সামগ্রিকভাবে বিমান বাহিনী প্রধানের জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর কেবল আনুষ্ঠানিক সফর বা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।

এটি আধুনিক বিমান ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ, পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাও উন্মোচিত করেছে।

কালের আলো/এমএএএমকে

অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের বার্তা আইজিপির, ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার!

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের বার্তা আইজিপির, ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার!

পুলিশ কঠোর হলে সমালোচনা, নিষ্ক্রিয় থাকলেও প্রশ্ন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের এই বাস্তবতা তুলে ধরে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তাঁর ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্য ঘিরে আলোচনা তৈরি হওয়ার পর বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। সংস্থাটির দাবি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান বোঝাতে নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের বার্তা দিতেই ‘রূপক’ অর্থে শব্দটি ব্যবহার করেছেন আইজিপি।

  • পুলিশের ওপর ১০ মাসে ১৭৬ হামলা, নিহত ৪ সদস্য
  • দায়িত্ব পালন ও আত্মরক্ষার প্রসঙ্গ সামনে আনল সদর দপ্তর

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা ‘কমিউনিটি ইসলামিক’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইজিপি। সেখানে তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে আখ্যা দেয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। আইজিপির ভাষ্য, ‘যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে আমরা সেটাই করব।’

বক্তব্যটি সামনে আসার পর এদিন রাতে পুলিশ সদর দপ্তর এক ব্যাখ্যায় জানায়, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের অঙ্গীকার তুলে ধরতে গিয়ে আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার করেছেন। বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে শাস্তি দেওয়া কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

পুলিশের ওপর হামলার পরিসংখ্যান
আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে এনেছে। সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে পুলিশের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় চারজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন ৩৭০ জন।

পুলিশ সদর দপ্তর বলেছে, রাষ্ট্রের প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে অপরাধ দমন, অপরাধী গ্রেপ্তার, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের মৌলিক দায়িত্ব। এসব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সদস্যদের কখনো কখনো অপরাধী, সংঘবদ্ধ হামলাকারী ও আইন অমান্যকারীদের সরাসরি প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়।

সদর দপ্তরের বক্তব্যে বলা হয়েছে, দেশের প্রচলিত আইন পুলিশের দায়িত্ব পালন ও আত্মরক্ষার অধিকারের আইনি কাঠামো নির্ধারণ করে। এ ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি-১৮৬০, ফৌজদারি কার্যবিধি-১৮৯৮ এবং পুলিশ অ্যাক্ট-১৮৬১-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মানবাধিকার সমুন্নত রাখা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত
পুলিশের ব্যাখ্যায় অপরাধ দমনে দৃঢ় অবস্থানের পাশাপাশি মানবাধিকার সমুন্নত রাখা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, জনগণের জানমাল রক্ষা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ পুলিশ।

একই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সম্পর্কে আইজিপির মন্তব্য নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ভাষ্য, সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করার উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না; অসাবধানতাবশত এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, আইজিপির বক্তব্য ও পরবর্তী ব্যাখ্যায় দুটি বিষয় সামনে এসেছে—অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আইন, মানবাধিকার ও পেশাদারত্বের গুরুত্ব। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও জরুরি।

কালের আলো/এমডিএইচ/এএএন

নিরাপদ আকাশের লক্ষ্যে ঢাকায় বিশ্বসম্মিলন, প্রযুক্তি-প্রশিক্ষণ-সমন্বয়ে জোর বিমান বাহিনী প্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
নিরাপদ আকাশের লক্ষ্যে ঢাকায় বিশ্বসম্মিলন, প্রযুক্তি-প্রশিক্ষণ-সমন্বয়ে জোর বিমান বাহিনী প্রধানের

বিমান চলাচলে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি যেমন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে, তেমনি তৈরি করছে নিরাপত্তার নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ভবিষ্যৎ উপযোগী, কার্যকর ও টেকসই ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন নিরাপত্তা সেমিনার। প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, উন্নত প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল এবং সমন্বিত দলগত কার্যক্রমের মাধ্যমে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সেমিনারের উদ্বোধন করা হয়। সেমিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। আগামী ২৮ অক্টোবর সেমিনারটি শেষ হবে।

  • ২০ দেশের বিমান বাহিনী ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে শুরু তিন দিনের ফ্লাইট সেফটি সেমিনার
  • প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে দক্ষ জনবল, উন্নত প্রশিক্ষণ ও দলগত সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব;
  • অংশ নিচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক ও বেসামরিক বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞরা

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক সেমিনারে দেশি-বিদেশি বিমান চলাচল ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অংশ নিচ্ছেন। সেমিনারে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্লাইট সেফটির সংস্কৃতি গড়ে তোলা, উদীয়মান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ের মাধ্যমে নিরাপদ আকাশ নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এই বছরের সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য—‘প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং দলগত কাজ: ভবিষ্যৎ-উপযোগী সুরক্ষামূলক মানসিকতা তৈরি করা’। প্রতিপাদ্যটি শুধু প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, বরং মানবসম্পদ, দক্ষতা, নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তাকেও সামনে এনেছে।

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, ‘বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করার পাশাপাশি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে।’ তিনি উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল, কার্যকর নেতৃত্ব, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় এবং দলগত কার্যক্রমকে ফ্লাইট সেফটি নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, আধুনিক বিমান চলাচলে শুধু উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করাই যথেষ্ট নয়; সেই প্রযুক্তি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা, ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিমান বাহিনী প্রধান ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রমের সমন্বিত প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সেমিনার অংশগ্রহণকারী দেশ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে ফ্লাইট সেফটির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রযুক্তির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক দক্ষতাও
আধুনিক বিমান চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রযুক্তি, মানবিক দক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার পারস্পরিক সম্পর্ক ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। উন্নত প্রযুক্তি ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও পরিচালনাগত দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করলেও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নির্ভর করে প্রশিক্ষিত জনবল, কার্যকর নেতৃত্ব এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর।

এ কারণে সেমিনারে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন, হিউম্যান ফ্যাক্টর, সেফটি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এসএমএস), মানব-প্রযুক্তির সমন্বয় এবং দলগত কার্যক্রমকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে আলোচনা বিমান চলাচলের নিরাপত্তাকে কেবল দুর্ঘটনা-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সম্ভাব্য ঝুঁকি আগেই শনাক্ত করা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তাও সামনে নিয়ে এসেছে।

বিশেষজ্ঞ ও অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রবন্ধ উপস্থাপন এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে ফ্লাইট সেফটির গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরছেন। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে এসব আলোচনা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ ও কার্যকর পদ্ধতি বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি করছে।

এই সেমিনারে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশের পাশাপাশি ব্রাজিল, চীন, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জর্ডান, মরক্কো, মিয়ানমার, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, কুয়েত, রাশিয়া, সুদান, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও জিম্বাবুয়ের বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।

এ ছাড়া প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা এ সেমিনারে যোগ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা (আইএটিএ)-এর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণও এবারের আয়োজনের উল্লেখযোগ্য দিক।

বিভিন্ন দেশের সামরিক ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ এ সেমিনারকে অভিজ্ঞতা বিনিময়, নিরাপত্তা চর্চার তুলনামূলক পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরছে।

সামরিক-বেসামরিক সমন্বয়ে অংশগ্রহণ
সেমিনারে দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, প্রশাসনিক, গবেষণা ও বিমান পরিবহনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

এ ছাড়া বিভিন্ন এয়ারলাইনস, ফ্লাইং একাডেমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নিচ্ছেন। অন্যান্য অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এ অংশগ্রহণ বিমান চলাচলের নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বহুমাত্রিক বিষয়গুলোকে একই আলোচনার পরিসরে নিয়ে এসেছে। বিমান পরিচালনা, আবহাওয়া, জরুরি সাড়া প্রদান, সীমান্ত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের মতো ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা জোরদার করা নিরাপত্তাব্যবস্থার সামগ্রিক সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়ন
সেমিনারের বিভিন্ন অধিবেশনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি চর্চা, উদীয়মান ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময় চলছে। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা তাঁদের প্রবন্ধ ও আলোচনায় প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, মানবিক উপাদান, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বিত দলগত কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরছেন। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করতে প্রযুক্তির সঙ্গে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন, হিউম্যান ফ্যাক্টর এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার সমন্বয় অপরিহার্য। একই সঙ্গে ঝুঁকি শনাক্তকরণ, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই সেমিনারে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বিমান চলাচলের ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলোই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে।

কালের আলো/এমএএএমকে