খুঁজুন
                               
, ,
           

নয়াটোলার বাসায় মিলল চারটি ককটেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
নয়াটোলার বাসায় মিলল চারটি ককটেল

রাজধানীর পুরোনো রমনা থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুজনকে শনাক্তের পর গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি বাসা থেকে চারটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে বোম ডিসপোজাল টিম সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে রাজধানীর হাতিরঝিল থানার নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের একজন জাহিদুল ইসলাম মনির (২০)। অপরজন কিশোর।

ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনাক্ত
পুলিশ জানায়, গত ২৩ অক্টোবর পুরোনো রমনা থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হয়। সেখান থেকে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার পর তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে হাতিরঝিল থানার ৪৫৩ নম্বর নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলির একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে মনির ও ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাসা থেকে উদ্ধার চারটি তাজা ককটেল
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাসার ভেতর থেকে চারটি তাজা ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে রমনা ও হাতিরঝিল থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে মধুবাগ মাঠে বোম ডিসপোজাল টিম ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে
রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার ও ককটেল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার দুজন বর্তমানে রমনা থানা-পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও সবাইকে নিয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
যান্ত্রিক ত্রুটি সত্ত্বেও সবাইকে নিয়ে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন

জাপান থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলেও সফরসঙ্গীদের কাউকে ফেলে আসেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফেরার সুযোগ থাকলেও সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জাপান থেকে ফেরার আগে বিমানে সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য কোনো বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন। কিন্তু সফরসঙ্গীদের সেখানে রেখে তিনি একা ফিরতে চাননি। এ কারণে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশে ফেরেন তিনি।

যাত্রীদের কাছে গিয়ে আশ্বস্ত করেন প্রধানমন্ত্রী
অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বিমানে ত্রুটির বিষয়টি জানার পর প্রধানমন্ত্রী অন্য যাত্রীদের কাছে গিয়ে কথা বলেন এবং তাঁদের আশ্বস্ত করেন। যাত্রীরা যেন আতঙ্কিত না হন, সে বিষয়েও তিনি খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বিমান ছাড়ার আগে পর্যবেক্ষণের সময় সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। তবে এটি বড় কোনো সমস্যা ছিল না। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে দ্রুত ত্রুটিটি সমাধান করা হয়।

শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করেন জুবাইদা রহমান
বিমানে থাকা যাত্রীদের বিশেষ করে শিশুদের বিষয়েও খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, তিনি শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং যাত্রীদের আশ্বস্ত করেন। আতিকুর রহমান রুমনের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুদের কান্নাকাটি না করে স্বাভাবিকভাবে দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করতে তিনি বিশেষভাবে খোঁজ নিয়েছেন।

চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে গত ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সফরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও বিনিয়োগ আলোচনা
জাপান সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সফরকালে জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: বাসস,

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

তাহসিফের মৃত্যু তদন্তে মিলল মোটরসাইকেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
তাহসিফের মৃত্যু তদন্তে মিলল মোটরসাইকেল

তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেলটি তাহসিফের বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান মোস্তফা কামাল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি তাহসিফের মোটরসাইকেল। তবে মোটরসাইকেলটির মালিকানা নিশ্চিত করতে যাচাই-বাছাই চলছে।

মাজার বস্তি এলাকায় পাওয়া যায় মোটরসাইকেল
পিবিআইয়ের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে মাজার বস্তি এলাকায় মোটরসাইকেলটি পাওয়া গেছে। এটি তাহসিফের কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।

মামলার তদন্ত করছে নৌ পুলিশ, ছায়া তদন্তে পিবিআই
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পাঠানো ওই বার্তায় পিবিআই জানায়, বিমানবাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলাটি তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। তবে ঘটনাটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করেছে এবং নৌ পুলিশকে সহযোগিতা করছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, তদন্তে পাওয়া তথ্য ও উপাত্ত নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। নৌ পুলিশকে সহযোগিতার জন্য পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের মতো পিবিআইও কাজ করছে। তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি জানতে তদন্ত চলছে। মোটরসাইকেলটি তাঁর কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়া গেলে তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

১৬ বছর পর ফিরছে জামালগঞ্জ স্টেশনের যাত্রীসেবা

জয়পুরহাট সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ
১৬ বছর পর ফিরছে জামালগঞ্জ স্টেশনের যাত্রীসেবা

দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশনের যাত্রীসেবা। এই পথে নিয়মিত ট্রেন চলাচল করলেও স্টেশনটিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে ওঠানামা করতে হয়। দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি কমাতে অবশেষে স্টেশনটি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ের পাকশী বিভাগের উদ্যোগে স্টেশনটির কার্যক্রম পুনরায় চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে স্টেশনের কার্যক্রম, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ফলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় যাত্রীরা।

জনবল সংকটে ১৬ বছর ধরে বন্ধ
রেলওয়ের পাকশী বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, স্টেশনমাস্টার ও পয়েন্টসম্যানের অভাবে ২০১০ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে জামালগঞ্জ রেলস্টেশনের অপারেটিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গত ২৬ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে স্টেশনটির কার্যক্রম চালুর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিঠিতে স্টেশনমাস্টার ও পয়েন্টসম্যান পদায়নের প্রক্রিয়া চলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাকশী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সই করা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় স্টেশনের অবকাঠামো, সিগন্যালিং ব্যবস্থা ও পরিচালন সরঞ্জাম সচল করা প্রয়োজন। একই চিঠিতে পাকশী বিভাগের ৫৬টি স্টেশনের কার্যক্রম বন্ধ থাকার তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।

ট্রেন থামে, তবু যাত্রীদের দুর্ভোগ
স্টেশনটির কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এই রেলপথে ট্রেন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু যাত্রী ওঠানামার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গত তিন থেকে চার বছর ধরে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন থামানো হয় না। এর পরিবর্তে প্ল্যাটফর্মবিহীন ২ নম্বর লাইনে ট্রেন থামানো হচ্ছে। ফলে যাত্রীদের উঁচু-নিচু পথ পেরিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে উঠতে ও নামতে হয়। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা। কখনো কখনো নির্ধারিত স্টেশনে নামতে না পেরে পরের স্টেশনে গিয়ে নামতে হয় যাত্রীদের। এতে তাঁদের সময় ও অর্থ—দুটিই অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে।

পর্যটকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন
স্থানীয়দের মতে, জামালগঞ্জ রেলস্টেশন শুধু আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, পর্যটকদের জন্যও এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের কাছাকাছি হওয়ায় পর্যটকদের যাতায়াতেও স্টেশনটি সুবিধা দিতে পারে। তাই স্টেশনটি চালু হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও যাতায়াত সহজ হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

জনবল সংকটে বাড়ছে রেলকর্মীদের চাপ
স্টেশন বন্ধ থাকার কারণে শুধু যাত্রীরাই নন, রেলওয়ের কর্মীরাও নানা সমস্যার মুখে পড়ছেন। প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় কর্মরত রেলকর্মীদের ওপর বাড়তি দায়িত্বের চাপ তৈরি হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে রেলওয়ের এক স্টেশনমাস্টার জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে একই পদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। নিয়মিত দায়িত্বের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কাজও সামলাতে হয় তাঁকে। তাঁর মতে, বন্ধ স্টেশনগুলো চালুর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করা জরুরি। এতে যাত্রীসেবা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কর্মরত কর্মীদের অতিরিক্ত কাজের চাপও কমবে।

সিগন্যাল ও অবকাঠামো সচলের নির্দেশনা
রেলওয়ের চিঠিতে জামালগঞ্জ স্টেশনের লুপ লাইন ফিটকরণ, সিগন্যালিং সরঞ্জাম কার্যকর করা এবং বৈদ্যুতিক ফিটিংস সচল করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য পাকশী বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২, বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী এবং বিভাগীয় বৈদ্যুতিক প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্টেশনমাস্টার ও পয়েন্টসম্যান পদায়নের প্রক্রিয়াও চলছে।

জামালগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার মো. হাসিবুল হাসান জানান, স্টেশনটি চালুর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চিঠি তিনি দেখেছেন। এতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। দীর্ঘ ১৬ বছর পর জামালগঞ্জ রেলস্টেশন চালুর উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে কেবল নির্দেশনা বা প্রস্তুতি নয়, দ্রুত প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে স্টেশনটিতে নিয়মিত যাত্রীসেবা চালু হোক—এটাই এখন তাঁদের প্রত্যাশা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি