বিশ্বমানবের মানসপটে চিরভাস্বর বঙ্গবন্ধু, পেছনের ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের দাবি বজ্রকন্ঠেই

প্রকাশিতঃ 8:27 pm | August 28, 2021

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

৪৬ বছর আগে শোকাবহ ১৫ আগস্টের কলঙ্কিত রাতেই জাতির স্বপ্নদ্রষ্টাকে হত্যার মধ্যে দিয়ে বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের ‘আত্মঘাতী’ চরিত্রকেই তুলে ধরেছিল বাঙালি। বঙ্গবন্ধুর দৃঢ় বিশ্বাস ছিল বাঙালি অকৃতজ্ঞ হবে না; কখনও ভুলে যাবে না তাঁর ত্যাগ ও অবদানকে।

কিন্তু সত্যিই কতো অকৃতজ্ঞ জাতি বাঙালি! অতীত হলেই সব ভুলে যায়! বাঙালির বিশ্বজয়ের মহানায়ক এবং ঐক্য, প্রেরণা ও স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীককে ভয়াল সেই রাতে দেখেও হাত কাঁপেনি খুনিদের। গুলি চালিয়েছে খুনে চাহনীতে। সেদিন ভোরের ভেজা বাতাস কেঁদেছিল সারা বাংলায়।

কাল থেকে কালান্তরে আজও জ্বলছে এই শোকের আগুন। সেই নিষ্ঠুর, ভয়াল, বিভৎস্য রাতের ঘটনার পর ৫৬ হাজার বর্গমাইলের দেশ তো বটেই, তাবৎ বিশ্বও ভুলেনি বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহান নেতাকে। জাতি ও বিশ্বমানবের মানসপটে বঙ্গবন্ধু আজও সমহিমায় উজ্জ্বল এবং চিরভাস্বর।

বিশ্ব ও মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম এ হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বাঙালি জাতির চির আরাধ্য পুরুষকে হত্যার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা বাঙালির বীরত্বগাথার ইতিহাসকেও মুছে ফেলতে নিয়েছিল অপপ্রয়াস। প্রকাশ্য খুনিদের বিচার হলেও পর্দার আড়ালের খুনিরা থেকে গেছেন বহাল-তবিয়তে।

শোক থেকে জাগরণের মাসটিতেই ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির আয়োজনে শনিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বজ্রকন্ঠেই দাবি উঠেছে ১৫ আগস্টের কালো রাতের মঞ্চের খুনিদের পেছনের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করার।

গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী শেখ ফজুল করিম সেলিম এমপি। দু’জনেই ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন অনুষ্ঠানটিতে।

শোকার্ত উচ্চারণের অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড.বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.শহীদ উল্লা খন্দকার, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, বাবু মুকুল বোস, নার্গিস রহমান এমপি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা.মো.শরফুদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওছার।

বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মুক্তির জন্য কাজ করেছেন
বঙ্গবন্ধু সারাজীবন বাঙালি জাতির মুক্তি ও স্বাধীনতার জন্য কাজ করেছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজুলল করিম সেলিম এমপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কখনও মৃত্যুকে ভয় পাননি। তাকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। মিসেস গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু বলেন, আমার বাঙালি আমাকে কিছু করবে না।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানিরা মারে নাই। কিন্তু দু:খের বিষয় বঙ্গবন্ধুকে মেরে জিয়া-মোশতাক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও মানবিকতাকে হত্যা করেছিল। গোলাম আযমকে এনে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের জিয়াউর রহমান পুনর্বাসিত করেছিল।’

আন্তর্জাতিক, দেশীয় ষড়যন্ত্রকারী ও উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তি বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত উল্লেখ করে শেখ সেলিম আরও বলেন, ‘জাসদ গণবাহিনী করে বঙ্গবন্ধুকে ডিস্টার্ব করেছে। তাঁরা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের কথা বলেছিল। ৭ মাসের ভেতর তারা রাজনৈতিক দল করেছিল।

গণবাহিনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে উৎখাত করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে মারার পর কর্নেল তাহের ও ইনু রেডিও স্টেশনে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলার পর আর তাদের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র নেই। বঙ্গবন্ধু যেদিন মারা যান, সেই দিনই তাদের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র শেষ।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মারা গেলো, একটি লোকও বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে গেলো না। বঙ্গবন্ধুকে মারার পর আর্মি চীফ, সিজিএস কেউ বাড়িতে যায়নি। জিয়া যে ক্ষতি বাংলাদেশের করেছে, এরচেয়ে বেশি ক্ষতি কেউ করতে পারে নাই। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধকে এবং আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করলো। এই বাংলাদেশকে তাঁরা মিনি পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল। ইন্ধন দিয়েছিল জাসদ গণবাহিনী, কর্নেল তাহেরের বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা। জিয়া ও খোন্দকার মোশতাকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাঁরা ক্ষমতা ভাগাভাগি করতে চেয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধুকে শেষ করা।’

বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল তারা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে
‘যারা ষড়যন্ত্র করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের বর্ষীয়াণ প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি। তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে বাঙালি জাতিকে আরও উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাওয়া যাবে না। অনেকেই ভেবেছিল আমরা পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবো।

অনেকেই ভেবেছিল বঙ্গবন্ধুকে টুঙ্গিপাড়ায় কবর দিয়ে আমরা তাকে ভুলে যাবো। কিন্তু আজ গোটা বিশ্বের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করে, শ্রদ্ধা করে এবং স্মরণ করে। ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর নামের লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করেছে। বঙ্গবন্ধুকে এখন পৃথিবীর মানুষ আরও বেশি করে জানতে পারবে এবং শ্রদ্ধা করবে। পাকিস্তান আজ আমাদের থেকে অর্থনৈতিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে এবং বিশ্বের সম্মানের ক্ষেত্রেও অনেক দূরে চলে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

‘আজ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এশিয়ান ডেভেলাপমেন্ট ব্যাংকসহ গোটা বিশ্ব স্বীকার করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাহলে ২০৩০ সালের পূর্বেই বাংলাদেশ বিশ্বের ২৩ তম অর্থনীতির দেশ হবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় পরিণত হবে’ যোগ করেন ফারুক খান এমপি।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে ষড়যন্ত্রকারীরা হত্যা করেছিল। তেমনি প্রধানমন্ত্রীকেও হত্যার চেষ্টা হয়েছে। এখনও বিএনপি-জামায়াত হুঁংকার দেয় আরও একটি ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট হবে। এখান থেকে আমাদের সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। আজ গোপালগঞ্জের মানুষের দায়িত্ব হচ্ছে আরেকটি ১৫ ও ২১ আগস্ট যাতে না ঘটে। তাই আমাদের সতর্ক হতে হবে। প্রথমে আমাদের একতাবদ্ধ হতে হবে।

এখনও বাংলাদেশে বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ লালন ও পালন করে। তাই আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুর সময় আমরা সতর্ক ছিলাম না। আজ আমরা শোককে শক্তিতে রূপান্তর করেছি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে এগিয়ে যাচ্ছি।’

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির জন্য ‘গড সেন্ট’
পুলিশপ্রধান ড.বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বাঙালি এবং বাংলার ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্কিত দিন। বাঙালি জাতির অস্তিত্বের ইতিহাস মূলত ৪ হাজার বছর। এই ৪ হাজার বছর বাঙালি জাতির ক্ষুধাপীড়িত, অন্ধকার ও পিছিয়ে পড়া এবং দারিদ্র্যের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির জন্য ‘গড সেন্ট’। এ কারণে বঙ্গবন্ধু তার নাতিদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বাঙালি জাতির জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। বছরের পর বছর জেল খেটেছেন। বারবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন।

কিন্তু বাঙালি জাতির লক্ষ্য অর্জন থেকে কখনও বিচ্যুত হননি। যখন ৫৪’র প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনের জন্য ক্যাম্পেইন করছিলেন, ‘এক বৃদ্ধা তার কপালে হাত রেখে বলেছিলেন, বাবা তোমার সঙ্গে বাঙালির সমস্ত দু:খী মানুষের দোয়া থাকবে।’ সেদিনই বঙ্গবন্ধু সিদ্ধান্ত নেন এই জাতির সঙ্গে তিনি কখনও বিট্টে করবেন না। জীবন উৎসর্গ করে বঙ্গবন্ধু তার কথা রেখেছেন।

বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু সমার্থক’ উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যখন ৮ জানুয়ারিতে পাকিস্তান থেকে লন্ডনে আসেন। এক ব্রিটিশ সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করেন, আপনি দেশে যাচ্ছেন কেন? সেখানে কোন কিছুই অবশিষ্ট নেই।’ বঙ্গবন্ধু সিংহের মতো গর্জে উঠে বলেন, ‘আই হ্যাভ মাই ল্যান্ড, আই হ্যাভ মাই পিপল’। উই উইল রাইস এগেইন’। বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলার যে স্বপ্ন দেখেছেন সেটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাস্তবায়ন করেছেন। বঙ্গবন্ধুকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে ১৮ কোটি মানুষের সমর্থন নিয়ে বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে জন্ম নিয়েছে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য।’

ড.বেনজীর আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে আমরা ক্ষুধা, অপমান, দারিদ্র্য এবং বঞ্চনাকে প্রায় পরাস্ত করেছি। আমরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে একটি স্বাধীন আত্মমর্যাদাশীল জাতি রেখে যাওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা কাঙ্খিত বন্দরে নোঙর করার জন্য দৃপ্ত পদভারে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা যদি বঙ্গোপসাগরের সমস্ত পানি দিয়ে আমাদের হাত প্রক্ষালন করি, তারপরেও ১৫ আগস্টের এই কলঙ্ক আমাদের হাত থেকে মুছবে না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মিাণে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।’

পুলিশপ্রধান ড.বেনজীর ‘যতকাল রবে পদ্মা যমুনা/গৌরী মেঘনা বহমান/ততকাল রবে কীর্তি তোমার/শেখ মুজিবুর রহমান’-কালজয়ী চিন্তানায়ক ও মানবতাবাদী সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা এই অমর পঙ্ক্তিমালা নিজের কন্ঠে ধারণ করেই দাঁড়ি টানেন বক্তব্যের।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আলোকবর্তিকা প্রধানমন্ত্রী
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.শহীদ উল্লা খন্দকার বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যতোদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। আসুন আমরা সকলে মিলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পতাকাতলে মিলিত হই। নিজ নিজ অবস্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করি।’

মঞ্চের খুনিদের পেছনের ষড়যন্ত্রের নায়কদের খুঁজে বের করতে হবে
১৫ আগস্টের কালো রাতের মঞ্চের খুনিদের পেছনের ষড়যন্ত্রের নায়কদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করার জোর দাবি জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন। তিনি বলেন, ‘মানবসভ্যাতার ইতিহাসে এমন ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকান্ডের ইতিহাস নেই।’

তিনি বলেন, ‘যারা সেদিন ঘরে বসেছিল, কেউ বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে আসেনি। এটিই প্রশ্ন, কেন তারা কেউ এগিয়ে আসেনি? যার যার দায়িত্ব কেউ কেন পালন করলো না? সেই হত্যাকান্ডের বিচার হোক। ঠান্ডা মাথায় এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। অন্ততকাল শোক দিবস পালন করলেও এই শোক শেষ হবে না।’

কালের আলো/জিকেএম/এমএএএমকে