দল ও সরকারে সেরা ৫

প্রকাশিতঃ 10:58 am | March 02, 2022

দল ও সরকারে সেরা ৫

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর :

সমসাময়িক রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শক্তি ও সম্পদ দু’টোই। উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহ্যমন্ডিত এই রাজনৈতিক দলের ঐক্যের প্রতীকও এই হ্যাটট্রিক সরকারপ্রধান। নিজের দৃঢ় মনোবল, সাহসী নেতৃত্ব, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সবকিছুর উর্ধ্বে উদার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে দেশে ও বিদেশে করেছে তুমুল জনপ্রিয়। চারবার ক্ষমতায় এনেছেন আওয়ামী লীগকে।

তৃতীয় বিশ্বের অনন্য কন্ঠস্বর শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে টানা তৃতীয় মেয়াদেও অসামান্য অগ্রগতি আর সাফল্যের সঙ্গে তিন বছর পূর্ণ করে চতুর্থ বছরে পা রেখেছে আওয়ামী লীগ সরকার। তিনি দলটির সভাপতি হিসেবে ৪০ বছরের বর্ণাঢ্য পথচলায় বুকের উত্তাপে আগলে রেখেছেন আওয়ামী লীগকে। শেখ হাসিনার চমক জাগানিয়া মন্ত্রীসভায় আলোকিত চারমুখ রয়েছেন যারা একই সঙ্গে দল ও সরকারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সমান গতিতেই কাজ করে বঙ্গবন্ধুকন্যার আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রেখেছেন।

দৃঢ়তার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিয়েই কাজ করে চলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক। এই তালিকায় অগ্রভাগেই রয়েছেন কর্মীবান্ধব পরিশ্রমী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত দু’ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ।

দলীয় কাউন্সিল ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দল গুছানোর কাজে তাঁরা পুরোদমে মনোনিবেশ করেছেন। জেলা ও উপজেলায় কাউন্সিলের মাধ্যমে দলকে নির্বাচনমুখী করে ভোটের পূর্ণ প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। মন্ত্রণালয় সামাল দিয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ঢেলে সাজাচ্ছেন। আবার ইউপি নির্বাচনেও নিজ নিজ এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে বিজয়ী করতে নিয়ামকের ভূমিকা পালন করেছেন।

তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ, উজ্জীবিত ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে সাংগঠনিক পালে নতুন হাওয়া লাগানোর মাধ্যমে মাঠ নিজেদের দখলে রেখেছেন। পরিকল্পিতভাবে কড়া বার্তায় জবাব দিচ্ছেন বিরোধী মহলের সব অপপ্রচারের। প্রতিহত করেছেন ষড়যন্ত্রের রাজনীতিও। নিজেদের নিবেদিতপ্রাণ সাহসী কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে দলের বাইরেও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন প্রত্যেকেই।

শেখ হাসিনা
একটি নিম্ন আয়ের দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রধান কৃতিত্বের দাবিদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও জাদুকরী নেতৃত্ব। ৭৫ পরবর্তী দেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে সফল রাজনীতিক ও সরকারপ্রধান হিসেবেও একবাক্যে উচ্চারিত হচ্ছে শেখ হাসিনার নাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের পথে উড়ন্ত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন দেশকে।

ক্যারিশমেটিক লিডারশিপের মাধ্যমে চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র ও সাম্প্রদায়িক নেতিবাচক রাজনীতির বলয়ের মুখে ছাই দিয়েছেন দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনকে শক্তিশালী করা মুজিবকন্যা। নিজের দেশকে মর্যাদা ও সম্মানে বিশ্ব পরিমণ্ডলেও এক অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরেছেন। বিশ্বশান্তি রক্ষায় দেশরত্ন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান আজ সর্বজন স্বীকৃত। করোনার ভেতরেও জীবন-জীবিকা সচল রেখেছেন। অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন দেশকে। করোনার গণটিকা প্রয়োগ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্যে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, মানবিক সেবাসহ সব কিছুই সামাল দিয়েছেন শক্ত হাতে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা, মাথাপিছু আয়, হাতে হাতে মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের দৌলতে পাল্টে দিয়েছেন জীবনমান।

সরকারপ্রধানের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে মেগা প্রকল্পগুলোরও নির্মাণকাজ। চলতি বছরের জুন থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে অগ্রগতির প্রতীক তিন মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেল। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল পৌঁছে দিয়েছেন ঘরে ঘরে। বিশ্বের সবচেয়ে সৎ সরকারপ্রধানের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন একজন শেখ হাসিনা। নিত্যদিন ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা পরিশ্রম করেন।

বলা হয়, ক্ষমতা এবং দুর্নীতি না কী পাশাপাশি হাঁটে! কিন্তু এক্ষেত্রেও উজ্জ্বল ব্যতিক্রম শেখ হাসিনা। টানা ১৩ বছরসহ মোট ১৮ বছর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর বা নিজের পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন অভিযোগ নেই। বিশ্বের সবচেয়ে কর্মঠ ও পরিশ্রমী সরকারপ্রধান হিসেবেও সুনামও অর্জন করেছেন এই মানবিক প্রধানমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে প্রায় সাড়ে ৪ বছর কারান্তরীণ ছিলেন ওবায়দুল কাদের। ৭৫’ উত্তর সময়কে ধরা হয় আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্কটময় সময়। সেই সময় কারা বন্দিশালায় কাটিয়েছেন আড়াই বছর। কারা প্রকোষ্ঠে থেকেই হয়েছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। তাঁর সময়ে নতুন প্রাণ-যৌবনে টগবগিয়ে উঠে ছাত্রলীগ। রাজনীতির দুর্গম পথে তাঁর চলাচলও ছিলো সমান তালেই। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সার্বক্ষণিক রাজনীতির ‘অতন্ত্র প্রহরী’ ছিলেন ওবায়দুল কাদের। এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন একুশ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার ক্ষতচিহ্ন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তাকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করেছেন। টানা দু’দফায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করেছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভাতেও সবচেয়ে অভিজ্ঞ ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত তিনি। সরকার ও দলেও সমানভাবে সক্রিয়। তাঁর নেতৃত্বে কোন রকম বিতর্ক ছাড়াই পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেল, মেট্রো রেলের মতো মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে। নিয়ম করেই সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিং করেন। বিএনপির ‘গুজব’ নামক ‘আবর্জনা’র বিরুদ্ধে টু দ্য পয়েন্টে কথা বলেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের সব ষড়যন্ত্র প্রতিহতে ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা দিচ্ছেন। সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আগামী নির্বাচন সহজ হবে না, হবে কঠিন এক লড়াই।

ড.আব্দুর রাজ্জাক
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক। নিজের মেধা মননকে কাজে লাগিয়ে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছেন দলের নেতা-কর্মীদের। আওয়ামী লীগের পোড় খাওয়া রাজনীতিক মতিয়া চৌধুরীর পরিবর্তে তাকে যখন কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় তখন অনেকেই শঙ্কা করেছিলেন তিনি সফল হবেন কীনা? কিন্তু ড.রাজ্জাক নিজের নেতৃত্বের মাধ্যমে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর সময়েই দেশের কৃষিখাতে সবচেয়ে বড় প্রকল্পের বাস্তবায়ন করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কৃষির আধুনিকায়নের মাধ্যমে তিনি বদলে দিয়েছেন কৃষিখাতের চালচিত্র। করোনার সময়ে লকডাউনের মধ্যে সারাদেশে ধান কাটার বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করেছেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক টিমের ঢাকা বিভাগের সমন্বয়নে রয়েছেন সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড.আব্দুর রাজ্জাকও। নির্বাচন কমিশন নিয়েও বিএনপির আবোল-তাবোল বক্তব্যের প্রতিবাদে কঠোর ভাষায় কথা বলেছেন। সকল অপরাজনীতি মোকাবেলায় আওয়ামী লীগের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন।

ডা: দীপু মনি
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন চাঁদপুরের ‘চাঁদমুখ’ ডা: দীপু মনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন বদরুন্নেছা আহমেদ। জাতির পিতার পথ ধরে তাঁরই কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মন্ত্রীত্বের ভার অর্পণ করেছেন দীপু মনির ওপর। ওয়ান ইলেভেনে শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ডা: দীপু মনি চার মেয়াদে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও নিষ্ঠার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বাবা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ। তাঁরই যোগ্য সন্তান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপত্য স্নেহে দেশের শিক্ষা খাতকে দুর্নীতিমুক্ত করার কঠিন মিশন নিয়ে দুর্বার গতিতেই এগোচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে বিচক্ষণ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ‘গলার কাঁটা’ প্রশ্নফাঁস বন্ধ করেছেন। মন্ত্রণালয়ে সব রকমের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছেন। শত চাপেও মাথানত করেননি।

দলে ও সরকারে কীভাবে দিন-রাত একাকার করে কাজ করতে হয় সেই সফলতার অনন্য এক উদাহরণও তৈরি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি। মন্ত্রণালয়, নিজের নির্বাচনী এলাকা সামাল দিয়ে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে টিম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ করতে ছুটছেন এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে। দলীয় নেতা-কর্মীদের বৈরিতা ও মানসিক দূরত্ব পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহনশীল আচরণের অনুশীলনের মাধ্যমে ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে দল ও দেশের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তৃণমূল থেকেই আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানোর মিশনে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন দীপু মনি। ‘অলরাউন্ডার’ এই রাজনীতিকের দ্যুতিময় সফলতার জন্যই ঈর্ষান্বিত কোন কোন বিশেষ মহল। সময়ে সময়ে ‘টার্গেট’ করার মাধ্যমে তাঁর সাদা জামায় ‘কালো দাগ’ লাগানোর ‘কারসাজি’ হয়েছে সম্প্রতি। কিন্তু দিনশেষে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির দীপু মনি আরও উজ্জ্বল-প্রোজ্জ্বলভাবেই সততার রাজনীতির মহিমায় নিজেকে উদ্ভাসিত করেছেন। হয়েছেন আরও দ্বিগুণ শক্তিশালী। রাজনীতির জটিল হিসাব-নিকাশে তৃণমূলের এই ‘প্রিয় মুখ’র কাছেই রীতিমতো ‘গোল’ খেয়ে বসেছেন অসৎ উদ্দ্যেশ্যপ্রণোদিত কুচক্রীরা।

ড: হাছান মাহমুদ
২০০৮ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধী ‘কসাই’ সাকা চৌধুরীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ড.হাছান মাহমুদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। কর্মদক্ষতার গুণে পরবর্তীতে তাকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। দুর্জেয় অনুপ্রেরণার উৎস ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই মেধাবী, বাগ্মী রাজনীতিক নিজের সাংগঠনিক দক্ষতারও পুরস্কার পেয়েছেন। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।

শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হিসেবেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও সফলতার সঙ্গেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনটি মন্ত্রণালয়েই নিজের স্বকীয়তা উদ্বাবনী ও মেধার প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। ব্যতিক্রমী ও সৃজনশীলতার জন্য হয়েছেন প্রশংসিত। তৃণমূলে আওয়ামী লীগকে চাঙ্গা করার মিশনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড.হাছান মাহমুদ। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে আওয়ামী লীগের টিম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন সফলতার সঙ্গেই। কাজের মতো কথা বলাতেও রয়েছে তাঁর নিজস্ব স্টাইল। ছন্দবদ্ধ এবং শৈল্পিক সাবলীল উচ্চারণের মাধ্যমে পূরণ করেন জনপ্রত্যাশাও। তথ্য-উপাত্তের আলোকে গঠনমূলক ও যুক্তিনির্ভর বক্তব্যের মাধ্যমে রাজনীতির মাঠে বিএনপিকে ‘ধবল ধোলাই’ করছেন প্রতিনিয়ত। আবার, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও দক্ষ নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিস্ময় বা জনগণের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষায় সরকার এবং আওয়ামী লীগের কার্যকর পদক্ষেপ সবই উঠে এসেছে দল ও সরকারের অন্যতম এই নীতি নির্ধারকের প্রাঞ্জল বক্তব্যে।

অনেক কঠিন পথ পাড়ি দেওয়া ড.হাছান মাহমুদ মঈন-ফখরুদ্দিনের জরুরি সরকারের সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যার জন্য বিশ্বস্ততার অনুপম নজির স্থাপন করেন। জীবন মৃত্যুকে পায়ের ভৃত্য করে গণমাধ্যমে উচ্চকন্ঠে তীর্যক ভাষায় আক্রমণ করেন সেই অনির্বাচিত সরকারকে। শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে প্রতিটি কর্মসূচিতে সম্মুখে থেকে সংস্কারপন্থীদের কূটকৌশলকে পর্যদুস্তও করেন। শত ষড়যন্ত্রের কুহেলিকা ছিন্ন করে ড.হাছান মাহমুদের মতো বিশ্বস্ত স্বজনেরাই ওই সময় তরান্বিত করেন বাঙালি জাতির ‘আশার বাতিঘর’ শেখ হাসিনার মুক্তি।

কালের আলো/এসএল/পিএসএএ