খুঁজুন
                               
, ,
           

নতুন আইজিপি হচ্ছেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
নতুন আইজিপি হচ্ছেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের আরও একটি পুরস্কার পাচ্ছেন। নিজের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য চাকরি জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের জন্য এখন কেবলই অপেক্ষা। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর নতুন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) হতে যাচ্ছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (গ্রেড-১) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে সুনাম ও সফলতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করেছেন। চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন হচ্ছেন বাংলাদেশ পুলিশের ৩১তম আইজি। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বিদায়ী আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার) এর স্থলাভিষিক্ত হবেন। সফল এই আইজিপির চাকরির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের চাকরির মেয়াদ শেষ হবে।

বাংলাদেশ পুলিশে সততার অনুকরণীয় উদাহরণ স্থাপন করেছেন র‍্যাব ডিজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। গোটা বাহিনীতেই তিনি স্বনামে খ্যাত। বাংলাদেশ পুলিশে অসামান্য অবদান ও অনন্য সেবাদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) ও প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদকে ভূষিত হয়েছেন।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে ঢাকা রেঞ্জে ও ডিআইজি হিসেবে ডিআইজি (অপারেশনস), ডিআইজি (প্রশাসন), রেঞ্জ ডিআইজি হিসেবে ময়মনসিংহ ও ঢাকা রেঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

এরপর পদোন্নতি পেয়ে তিনি অতিরিক্ত আইজিপির (এইচআরএম) দায়িত্ব পান। র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদানের আগে তিনি সিআইডি প্রধান হিসেবে সফলতার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করেন। এবার তার সাফল্যের পালকে নতুন মাত্রা যোগ হলো। প্রায় সোয়া দু’লাখ সদস্যের পুলিশ বাহিনীর নেতৃত্বের ভার তাঁর কাঁধে। সৎ ও অভিজ্ঞ এই মানুষটির সুদৃঢ় নেতৃত্বে পুলিশে একটি নব অধ্যায়ের সূত্রপাত ঘটবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল।

কালের আলো/ডিএস/এমএম

পাঁচ কারিগরেই টিকে আছে কাঠের চাকা তৈরির ঐতিহ্য

পাবনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
পাঁচ কারিগরেই টিকে আছে কাঠের চাকা তৈরির ঐতিহ্য

শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কাঠের চাকা তৈরির শিল্প এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। কঠোর পরিশ্রমের তুলনায় আয় কম হওয়ায় নতুন প্রজন্ম এ পেশায় আগ্রহ হারাচ্ছে। ফলে বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকজন প্রবীণ কারিগরের ওপর নির্ভর করেই কোনোভাবে টিকে আছে গ্রামবাংলার এই পুরোনো কারুশিল্প।

সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয়, বর্তমানে কর্মরত মাত্র পাঁচজন কারিগরের সবাই পঞ্চাশোর্ধ্ব। বয়সের ভারে তাদের কর্মক্ষমতা কমে আসার পাশাপাশি নতুন কারিগর তৈরি না হওয়ায় ভবিষ্যতে এই শিল্পের অস্তিত্ব নিয়েই তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কাঠের চাকা শুধু কোনো যানবাহনের একটি অংশ নয়; এটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, কারিগরি দক্ষতা ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। একসময় কৃষিকাজ ও গ্রামীণ পরিবহনে কাঠের তৈরি বিভিন্ন যানবাহনের চাকার ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিক যানবাহনের প্রসারে এর চাহিদা কমে গেছে। ফলে এ পেশায় জড়িত কারিগরদের আয়ও আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কারিগরদের আয় কম হওয়ায় তাদের সন্তানরাও এ পেশায় আসতে চাইছেন না। নতুন প্রজন্মের কেউ এই কাজ শিখতে আগ্রহী না হওয়ায় প্রবীণ পাঁচ কারিগরের অবসরের সঙ্গে সঙ্গে শতাব্দীপ্রাচীন এই শিল্প হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা মনে করেন, কাঠের চাকা তৈরির ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে জরুরি ভিত্তিতে এ শিল্পের সঠিক নথিভুক্তকরণ প্রয়োজন। পাশাপাশি চাকা তৈরির প্রধান উপকরণ বাবলা গাছের ব্যাপক চারা রোপণ, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক সহায়তা ও কারিগরদের প্রণোদনার ব্যবস্থা করা দরকার।

তাদের মতে, নতুন প্রজন্মের কাছে এই শিল্পের ইতিহাস ও গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনীর মতো উদ্যোগও নেওয়া যেতে পারে। এতে একদিকে যেমন পুরোনো কারিগরি জ্ঞান সংরক্ষণ হবে, অন্যদিকে নতুন কারিগর তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী কাঠের চাকা শিল্প এবং এর সঙ্গে জড়িত প্রবীণ কারিগরদের টিকিয়ে রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এলে গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পটি নতুন করে প্রাণ ফিরে পেতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সিডরের ক্ষত শুকায়নি, জোয়ারে ফের ভাঙছে আমতলীর বাঁধ

বরগুনা সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
সিডরের ক্ষত শুকায়নি, জোয়ারে ফের ভাঙছে আমতলীর বাঁধ

বরগুনার আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জোয়ারের পানিতে বারবার বাঁধের ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে নদীতে বিলীন হচ্ছে। এতে বাঁধসংলগ্ন বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও বাঁধটির প্রয়োজনীয় সংস্কার হয়নি। ফলে সামান্য জোয়ারেই পানি বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ দিয়ে শহরের দিকে প্রবেশ করছে। কোথাও কোথাও ব্লক সরে গিয়ে নদীর দিকে ভাঙন এগিয়ে যাচ্ছে।

বাঁধসংলগ্ন এক ব্যবসায়ী বলেন, জোয়ারের পানিতে বারবার ব্লক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এখন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনের জায়গাটুকুও নেই। প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকতে হয়—কখন না প্রতিষ্ঠানটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা প্রয়োজন। শুধু সাময়িক মেরামত নয়, ভবিষ্যৎ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাঁধটির টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণেরও দাবি রয়েছে।

এ বিষয়ে বরগুনা পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মো. আবদুল হান্নান প্রধান বলেন, বিষয়টি অধস্তন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তারা সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তদারকি করবেন। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রমাণিত হলে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতা এবং একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে জলোচ্ছ্বাস বা ঘূর্ণিঝড়ের সময় পৌর শহরের জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আমতলী শহর রক্ষা বাঁধের স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী

সবার জন্য বাসযোগ্য, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মৌলিক সেবা-সুবিধাসম্পন্ন ‘সর্বজনীন আবাসন’ নিশ্চিত করা নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বসতি দিবসের বিষয়টি শুধু একটি ঘরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, গণপরিবহন, ভালো সড়ক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোও সরাসরি সম্পৃক্ত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে সবার জন্য টেকসই বাসস্থান নিশ্চিত করা উন্নত বিশ্বের মতো সহজ নয়। তবে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে।

রাজধানী ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, ঢাকা বর্তমানে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে রয়েছে। শহরাঞ্চলে স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি মানুষ বসবাস করছে। এ অবস্থায় নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসনের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব নগর গড়ে তোলা জরুরি।

বিকেন্দ্রীভূত উন্নয়নের পরিকল্পনা

শহরাঞ্চলে জনসংখ্যার চাপ কমাতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানীসহ বড় শহরগুলোর সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রামাঞ্চলে নাগরিক সুবিধা বাড়িয়ে শহরমুখী মানুষের চাপ কমানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকারের লক্ষ্য কেন্দ্রীভূত নগরায়ণ নয়; বরং বিকেন্দ্রীভূত ও ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন। দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করতে ঢাকার আশপাশে ‘সেকেন্ডারি টাউনশিপ’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগর গড়ে তুলে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১১ নম্বর অভীষ্ট অর্জন সহজ হবে।

আবাসন খাতে বেসরকারি অংশীজনদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নগরাঞ্চলের আবাসন সংকট এককভাবে সরকারের পক্ষে মোকাবিলা করা কঠিন। এ ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সমন্বিত অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে ব্লকভিত্তিক আবাসন উৎসাহিত করার পাশাপাশি এলাকাভিত্তিক পার্ক ও খেলার মাঠ স্থাপন এবং নির্ধারিত জোনে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সরকারের এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে অচিরেই ‘সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান’ বাস্তবতায় পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সব কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন এবং দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি