খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নবীন সৈনিক হিসেবে যোগ দিলেন তরুণ রিক্রুটরা, অস্ত্রের পেছনে উঁচু মনোবলসম্পন্ন সৈনিকই চান কিউএমজি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
নবীন সৈনিক হিসেবে যোগ দিলেন তরুণ রিক্রুটরা, অস্ত্রের পেছনে উঁচু মনোবলসম্পন্ন সৈনিকই চান কিউএমজি

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

দীর্ঘ ৩৬ সপ্তাহের কঠোর প্রশিক্ষণ। সাফল্যের সঙ্গে এই প্রশিক্ষণ শেষের পর শপথ নিলেন, নবীন সৈনিক হিসেবে যোগ দিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরুণ রিক্রুটরা। বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট রিক্রুট ব্যাচ-২০২৪ এর সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব পালনে দৃপ্ত শপথে বলীয়ান তাঁরা। রবিবার (০৩ নভেম্বর) রাজশাহী সেনানিবাসে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সেনাবাহিনী প্রধান কুচকাওয়াজ ও শপথ গ্রহণ প্যারেডে নবীন সৈনিকরা একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকার অঙ্গীকার করলেন।

সুশৃঙ্খল ও মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করে শপথ গ্রহণ প্যারেডে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান সাফল্যের সঙ্গে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য রিক্রুটদের অভিনন্দন জানান। তাদের কর্মজীবনে সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। তিনি মনে করেন, অস্ত্রের পেছনে উঁচু মনোবলসম্পন্ন একেকজন সৈনিকই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রয়োজন।

  • শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে আত্মত্যাগ
  • আজকের দিনটি নবীন সৈনিকদের জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে
  • অর্পিত হয়েছে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব
  • এই দায়িত্ব পালনে সবাইকে সচেষ্ট থাকার নির্দেশ
  • আপামর জনগণের যেকোন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো অপরিহার্য কর্তব্য

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি প্রশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক সাজসজ্জায় সজ্জিত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এর আগে সেনাবাহিনীর কিউএমজি প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছালে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টার এর কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, দীর্ঘ ৩৬ সপ্তাহের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে এই কুচকাওয়াজের মাধ্যমে একদল তরুণ রিক্রুট বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট এ নবীন সৈনিক হিসেবে যোগদান করবেন। এ বছর সব বিষয়ে শ্রেষ্ঠ রিক্রুট হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন রিক্রুট মিনহাজ হোসেন। দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রিক্রুট হিসেবে বিবেচিত হন রিক্রুট মো. আইনুর ইসলাম।

নবীন সৈনিকদের সাফল্য কামনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘আজকের এই দিনটি তোমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। কারণ আজ তোমাদের ওপর অর্পিত হলো স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে তোমরা সবাই সচেষ্ট থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘নানাবিধ সঙ্কটে সীমাবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে আত্মত্যাগ করে যাচ্ছে এদেশের মানুষ। দেশের জনগণের নিকট রয়েছে আমাদের অনেক দায়বদ্ধতা। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজস্ব ভূমিকা পালনের পাশাপাশি আপামর জনগণের যেকোন প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য। আমি মনে করি, আমাদের অস্ত্র নয়, অস্ত্রের পেছনে উঁচু মনোবলসম্পন্ন একেকজন সৈনিকই আমাদের প্রয়োজন এবং আমাদের শক্তি।’

চলতি বছরের রিক্রুট ব্যাচ এর সেনাবাহিনী প্রধান কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাজশাহী অঞ্চলের উর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তারা, জেসিও, অন্যান্য পদবীর সৈনিকরা ও প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী রিক্রুটদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে : বিমান প্রতিমন্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে : বিমান প্রতিমন্ত্র

বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর ও সাড়ে ১০ হাজার ফুটের রানওয়ে তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বগুড়া বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যা উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বগুড়া পরিদর্শনে এসেছি। উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে। বগুড়াবাসী সত্যিই ভাগ্যবান। মন্ত্রণালয়ের এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া দিয়েই শুরু হচ্ছে।

উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও এভিয়েশন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে বগুড়া বিমানবন্দরকে সম্প্রসারণের মাধ্যমে পাইলট ট্রেনিং একাডেমি ও কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই আজকের এই পরিদর্শন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতারসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কালের আলো/এসএকে

তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ তিন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২২ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন। তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিচার শুরু হওয়া অপর আসামিরা হলেন— ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেন। এর মধ্যে আসামি মোশারফ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন। চার্জ গঠনের সময় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০০২ সালে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। এতে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।

আরো বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট এক কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়।

তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমটো) মামলাটি পুনরায় কার্যকর করে নিম্ন আদালতে পাঠানো হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী তুলে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ণ
পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী তুলে নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরেছে, তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে মাঠ পর্যায়ে থাকা সেনাবাহিনীর সদস্যদের পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে সময় শেষ হয়ে যায়নি; অভিযান অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। ফলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেনাবাহিনীকে মাঠে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে না। পর্যায়ক্রমে মাঠ থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে এবং পুলিশ বাহিনীকে আবারও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকারের আস্থা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুলিশ বাহিনীকে একটি কার্যকর ও সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। জনগণের মনেও সেই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। তাই পর্যায়ক্রমে সেনাবাহিনীকে মাঠ থেকে প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তবে কীভাবে এই প্রত্যাহার কার্যক্রম পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থা একসঙ্গে বসে পরিকল্পনা নির্ধারণ করবে বলেও জানান তিনি।

চলমান বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, জুয়াড়ি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সময় শেষ হয়ে যায়নি। অপেক্ষা করুন, দেখতে পাবেন অভিযান চলছে। প্রতিদিনই দাগী আসামি গ্রেপ্তার হচ্ছে। মাদক, সন্ত্রাসবাদ, জুয়া ও অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধীদের আটক করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে এবং কোথাও কোথাও যৌথ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এককভাবেও অভিযান পরিচালনা করছে।

‘বড় গডফাদারদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করেই অভিযানে নামা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, সরকারের চলমান অভিযানের ফলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কালের আলো/এসএকে