খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

জেলা স্টেডিয়াম সংস্কার ও খেলাধুলা প্রসারে সরকারের উদ্যোগ: আমিনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
জেলা স্টেডিয়াম সংস্কার ও খেলাধুলা প্রসারে সরকারের উদ্যোগ: আমিনুল হক

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, দেশের জেলা পর্যায়ের সব স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স সংস্কারের মাধ্যমে সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব স্থাপনা পুনরায় কার্যকর করে খেলাধুলার পরিবেশকে আরও গতিশীল করাই সরকারের লক্ষ্য।

বুধবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ৪র্থ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না হওয়ায় জেলা পর্যায়ের অনেক স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্সে সংস্কারের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। সরকার সেগুলো সংস্কার করে আবারও খেলাধুলার উপযোগী করে তুলতে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে খেলোয়াড় তৈরি হোক। তাই এসব স্টেডিয়াম ও কমপ্লেক্সকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে আমিনুল হক জানান, সরকার যুবকদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং, মোবাইল সার্ভিসিংসহ বিভিন্ন কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ নিয়েছে। অনেক প্রকল্প ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে এবং সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে আমরা কাজ করছি। এর মাধ্যমে যুব সমাজকে দক্ষ ও আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’ স্পোর্টস কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন, যা একযোগে ৬৪ জেলায় চলছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশব্যাপী নতুন খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জেলা স্টেডিয়ামগুলোতে মেলা বা অন্যান্য আয়োজনের জন্য ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এসব স্টেডিয়াম ব্যবহারের কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতেও খেলাধুলার মাঠে কোনো মেলা বসতে দেওয়া হবে না।

কালের আলো/এসএকে

ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে ছাত্রদলের মামলায় এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা গ্রেফতার

ঝিনাইদহে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবিরের দায়ের করা হামলা, হত্যার হুমকির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঝিনাইদহ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনের সামনে থেকে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশের একটি টিম তাকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, এনসিপি নেতা তারেক রেজা রোববার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন মিলনায়তনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মিলনায়তনের সামনে পৌঁছানোর সাথে সাথে এনসিপি নেতা তারেক রেজাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় ঘটনাস্থলে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামানসহ পুলিশ, সাদা পোশাকে পুলিশের বিশেষ টিম ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সদর থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, হামলা, ভাঙচুর, হত্যার হুমকির অভিযোগে গতকাল (শনিবার) এনসিপি নেতা তারেক রেজা সহ কয়েকজনের নামে মামলা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা মামলার আসামি তারেক রেজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারেও অভিযান চলমান আছে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ মে শুক্রবার ঝিনাইদহ সফরে আসেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ওই দিন জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের হাতাহাতি, মারামারি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা বাদী হয়ে ছাত্রদলের স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আসামি করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলার জেরে পরদিন দুপুরে তারেক রেজাসহ ২২ জনকে আসামি করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি এনামুল কবির মামলা করেন। ওই মামলায় আজ সন্ধ্যায় তারেক রেজাকে গ্রেফতার করা হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

সাংবাদিক গ্রেফতারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক গ্রেফতারে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ উচিত নয়: চিফ প্রসিকিউটর

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাংবাদিক (সাংবাদিক ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল হক বাবু) গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অ্যামনেস্টির হস্তক্ষেপ করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস্থ নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দুই সাংবাদিককে (ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় শ্যোন এরেস্ট দেখানো হয়েছে। তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ মামলার তদন্ত করছে। তাদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা অন্য কোনো মানবাধিকার সংগঠন কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তা আমরা দেখিনি। আমাদের একটি চলমান বিচারপ্রক্রিয়ায় তাদের হস্তক্ষেপ করা উচিত হবে না। আইনগত সুযোগও নেই।

এ মামলায় আরও কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার দেখানো হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের তদন্ত চলমান। যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদেরই বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে অহেতুক কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানির জন্য বিচারের মুখোমুখি করা হবে না।

দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্তের বিষয়ে জানতে চেয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো ধারণা নেই।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩১ মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে চিফ প্রসিকিউটর সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, এত বছরেও সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত শেষ না হওয়া দুঃখজনক।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমি ট্রাইব্যুনালে যোগ দেওয়ার পর ৭টি মামলা পুনরায় তদন্তে পাঠিয়েছি। সেগুলো ঈদের পর চার্জশিট দাখিল করা হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

হাম উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
হাম উপসর্গে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১ হাজার ৪৩৪ জন।

গত ২৩ মে সকাল ৮টা থেকে আজ ২৪ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোর পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামের উপসর্গে ঢাকায় ১০, রাজশাহীতে ১, সিলেটে ১, বরিশালে ১, ময়মনসিংহে ২ ও রংপুরে ১ জন মারা গেছে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৪৪২ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৮৬ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫০ হাজার ৫৫৮ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৬ হাজার ২১৪ শিশু বাড়ি ফিরেছে। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু ৫২৮ শিশুর।

কালের আলো/এসআর/এএএন